30-10-2022, 06:34 PM
সাদিয়া আরিফা,
আমার জীবনে অন্যতম অভিজ্ঞতা হয়েছিলো ছ বছর আগে। তখন আমি এদিকে সেদিকে চাকরীর চেষ্টা করছি। প্রথম চাকরী হয় আমার মামার সুত্রে। আমার মামা একজন বিহারী . ভদ্রলোকের ম্যানেজার হিসাবে চাকরী করতেন। সালাম মিয়ার অনেক গুলো গ্যারেজ আর কাগজের ব্যাবসা। মোটামুটি কোটিপতি ভদ্রলোক। * হলেও মামা তার সবচেয়ে বিঃশ্বস্ত কর্মচারী। আসলে সল্প শিক্ষিত সালাম মিঞার পার্সোনাল সেক্রেটারি ছিলেন মামা। মামার সততার কারনে মামার উপর সালাম মিয়ার এত গভির বিশ্বাস ছিলো যে মামা বয়ষজনিত কারনে বিছানাগত হলেও তার ঐ জায়গায় মামা আমাকে বহাল না করা পর্যন্ত জায়গাটা খালি রেখেছিলেন সালাম মিঞা। সততার দিক থেকে আমার চরিত্রকে কেউ প্রশ্নবিদ্ধ করতে না পারলেও নারীঘটিত কোনো ব্যাপারে কোনো গ্যারান্টি আমি কোনোদিন দিতে পারিনি আর পারবোও না। সত্যি বলতে কি যৌনতার ব্যাপারে আমার কাছে মা মাসি কোনোদিন ছিলো না। হয়তো আমার পাঁচ ফুট দশ ইঞ্চে পেটানো স্বাস্থ্য আর দির্ঘ লিঙ্গটা এর জন্য কিছুটা দায়ী। যা হোক মামার সুপারিশে সঙ্গে সঙ্গে সালাম মিয়ার ব্যাক্তিগত সেক্রেটারি কাম বডিগার্ড হিসাবে বহাল হলা। কাজ কিছুনা বেশিরভাগ সময় ওনার সাথে থাকা। মালিকের সসর্বক্ষণের সঙ্গী, সাকাল সাতটা থেকে রাত নটা তার সসাথে থাকতে হয়, এই সুত্রে তার বাড়ীতে যাতায়াত, প্রথম প্রথম কিছুটা বাধা নিষেধ থাকলেও দুমাসের মধ্যেই অন্দর মহলে অনুপ্রবেশ শিথিল হয়ে যায় আমার জন্য। গোড়া . পরিবার পর্দার প্রচণ্ড কড়াকড়ি স্বত্তেও আমি বিধর্মী * হবার জন্য তার অন্দরের মেয়ে বৌ এর পর্দার কড়াকড়ি আমার সামনে আস্তে আস্তে শিথিল হয়ে প্রায় স্বভাবিক হয়ে যায়একসময় । একমাত্র মেয়ে সালাম মিঞার। স্বামী দুবাইএ থাকে। চার বছর আর ছবছরের দুটো ছেলে আছে। মেয়ে বাবা মার কাছেই থাকে। মা সাদিয়া বেগম, মহিলার বয়ষ আটত্রিশ থেকে চল্লিশের মধ্যে, মেয়ে আরিফা পঁচিশ ছাব্বিশ বছরের যুবতী। মহিলা গোলগাল টেনেটুনে পাঁচফিট। মেয়ে বেশ লম্বা প্রায় পাঁচ ফিট পাঁচ। দুজনই ধবধবে ফর্শা। মাখনের মত কোমোল উজ্জ্বল ত্বক। সেই অর্থে দেখতে সুন্দরী বলা যাবে না, চোখ দুটো ছোটছোট ছোট নাঁক গোলাপী ঠোঁট দুটো পুরু, ছোট কপাল, গোলাকার মুখমণ্ডল, মা মেয়ের চেহারায় যথেষ্ট সাদৃশ্য। দুজনি যথারীতি * পরে। তবে টাইট ফিটিং *ের উপর দিয়েই মা মেয়ের বিশাল গোলাকার স্তনের রেখা আর ভারী থলথলে পাছার দোলা গোলগাল উরুর গড়নে বোঝা যায় তলপেটের নিচে উরুর ভাঁজে মা মেয়ের দুজনারি মারাক্তক উত্তাপ জমা পড়েছে। নেই কাজ তো খই ভাজ, অবসরে কল্পনায় মা মেয়ের কাপড় খুলি। সাদিয়া বেগমের গ্যাস্ট্রিক প্রবলেম মাসে একবার ঢাকায় বড় ডাক্তারের কাছে চিকিৎসারর জন্য যেতে হয় আরিফাও সঙ্গে যায়। এর মধ্যে মা মেয়েকে নিয়ে বেশ কবার ঢাকায় গেছি আমি। আসলে চিকিৎসা কিছু নয় বাপের আর স্বামীর কড়াকড়ির কয়েদখানা থেকে মুক্ত বাতাসে বেরিয়ে আসার সুযোগ নেয় মা মেয়ে। প্রথমবারি বাসে আমার সাথে কথা বলে সাদিয়া বেগম। বাসে মা মেয়ের পাশাপাশি সিট আমার সিট ঠিক তাদের পিছনে।
আমার জীবনে অন্যতম অভিজ্ঞতা হয়েছিলো ছ বছর আগে। তখন আমি এদিকে সেদিকে চাকরীর চেষ্টা করছি। প্রথম চাকরী হয় আমার মামার সুত্রে। আমার মামা একজন বিহারী . ভদ্রলোকের ম্যানেজার হিসাবে চাকরী করতেন। সালাম মিয়ার অনেক গুলো গ্যারেজ আর কাগজের ব্যাবসা। মোটামুটি কোটিপতি ভদ্রলোক। * হলেও মামা তার সবচেয়ে বিঃশ্বস্ত কর্মচারী। আসলে সল্প শিক্ষিত সালাম মিঞার পার্সোনাল সেক্রেটারি ছিলেন মামা। মামার সততার কারনে মামার উপর সালাম মিয়ার এত গভির বিশ্বাস ছিলো যে মামা বয়ষজনিত কারনে বিছানাগত হলেও তার ঐ জায়গায় মামা আমাকে বহাল না করা পর্যন্ত জায়গাটা খালি রেখেছিলেন সালাম মিঞা। সততার দিক থেকে আমার চরিত্রকে কেউ প্রশ্নবিদ্ধ করতে না পারলেও নারীঘটিত কোনো ব্যাপারে কোনো গ্যারান্টি আমি কোনোদিন দিতে পারিনি আর পারবোও না। সত্যি বলতে কি যৌনতার ব্যাপারে আমার কাছে মা মাসি কোনোদিন ছিলো না। হয়তো আমার পাঁচ ফুট দশ ইঞ্চে পেটানো স্বাস্থ্য আর দির্ঘ লিঙ্গটা এর জন্য কিছুটা দায়ী। যা হোক মামার সুপারিশে সঙ্গে সঙ্গে সালাম মিয়ার ব্যাক্তিগত সেক্রেটারি কাম বডিগার্ড হিসাবে বহাল হলা। কাজ কিছুনা বেশিরভাগ সময় ওনার সাথে থাকা। মালিকের সসর্বক্ষণের সঙ্গী, সাকাল সাতটা থেকে রাত নটা তার সসাথে থাকতে হয়, এই সুত্রে তার বাড়ীতে যাতায়াত, প্রথম প্রথম কিছুটা বাধা নিষেধ থাকলেও দুমাসের মধ্যেই অন্দর মহলে অনুপ্রবেশ শিথিল হয়ে যায় আমার জন্য। গোড়া . পরিবার পর্দার প্রচণ্ড কড়াকড়ি স্বত্তেও আমি বিধর্মী * হবার জন্য তার অন্দরের মেয়ে বৌ এর পর্দার কড়াকড়ি আমার সামনে আস্তে আস্তে শিথিল হয়ে প্রায় স্বভাবিক হয়ে যায়একসময় । একমাত্র মেয়ে সালাম মিঞার। স্বামী দুবাইএ থাকে। চার বছর আর ছবছরের দুটো ছেলে আছে। মেয়ে বাবা মার কাছেই থাকে। মা সাদিয়া বেগম, মহিলার বয়ষ আটত্রিশ থেকে চল্লিশের মধ্যে, মেয়ে আরিফা পঁচিশ ছাব্বিশ বছরের যুবতী। মহিলা গোলগাল টেনেটুনে পাঁচফিট। মেয়ে বেশ লম্বা প্রায় পাঁচ ফিট পাঁচ। দুজনই ধবধবে ফর্শা। মাখনের মত কোমোল উজ্জ্বল ত্বক। সেই অর্থে দেখতে সুন্দরী বলা যাবে না, চোখ দুটো ছোটছোট ছোট নাঁক গোলাপী ঠোঁট দুটো পুরু, ছোট কপাল, গোলাকার মুখমণ্ডল, মা মেয়ের চেহারায় যথেষ্ট সাদৃশ্য। দুজনি যথারীতি * পরে। তবে টাইট ফিটিং *ের উপর দিয়েই মা মেয়ের বিশাল গোলাকার স্তনের রেখা আর ভারী থলথলে পাছার দোলা গোলগাল উরুর গড়নে বোঝা যায় তলপেটের নিচে উরুর ভাঁজে মা মেয়ের দুজনারি মারাক্তক উত্তাপ জমা পড়েছে। নেই কাজ তো খই ভাজ, অবসরে কল্পনায় মা মেয়ের কাপড় খুলি। সাদিয়া বেগমের গ্যাস্ট্রিক প্রবলেম মাসে একবার ঢাকায় বড় ডাক্তারের কাছে চিকিৎসারর জন্য যেতে হয় আরিফাও সঙ্গে যায়। এর মধ্যে মা মেয়েকে নিয়ে বেশ কবার ঢাকায় গেছি আমি। আসলে চিকিৎসা কিছু নয় বাপের আর স্বামীর কড়াকড়ির কয়েদখানা থেকে মুক্ত বাতাসে বেরিয়ে আসার সুযোগ নেয় মা মেয়ে। প্রথমবারি বাসে আমার সাথে কথা বলে সাদিয়া বেগম। বাসে মা মেয়ের পাশাপাশি সিট আমার সিট ঠিক তাদের পিছনে।