15-10-2026, 08:11 AM
(This post was last modified: 15-10-2026, 08:49 AM by constantine69. Edited 1 time in total. Edited 1 time in total.)
পর্বঃ এক
দারোয়ানের টেবিলের উপর রাখা খোলা বাক্সটা দেখেই জয়ার মুখটা লাল হয়ে উঠলো। তার হৃদয়ের ধুকপুকানি থেমে গেছে মনে হলো। সোসাইটির দারোয়ানটা তার দিকে তাকিয়ে হাসছে। কিছুক্ষণের জন্য জয়া যেনো মুখ দিয়ে কোনো শব্দ বের করতে পারছিল না। কিছু মুহুর্ত পর সম্বিত ফিরলে চিৎকার করে বললো, “তুমি কোন সাহসে এই বাক্স খুলেছ? তোমার বিরুদ্ধে আমি কমপ্লেইন করবো।”
রাজু জবাব দিলো, এখানে আমার কিছু করার নেই ম্যাডাম। এটা এই সোসাইটির নিয়ম, নিরাপত্তার জন্য। কেউ যদি এই বাক্সে বোমা দিয়ে দেয় তাহলে কি হবে? আপনি এখানে নতুন তাই এই নিয়ম জানেন না। আর আমি তো আপনাকে সাহায্যই করছি।
জয়া ওর চোখের দিকে তাকিয়ে রইল। রাজু এক সেকেন্ড থেমে আবার বলল, যদি আমি এই বাক্স আপনার শ্বশুরের হাতে দিয়ে দিই তাহলে আপনি কীভাবে তার সামনে দাঁড়াবেন? এখন যান, আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করুন। তারপর তারা তদন্ত করবে, আর সবাই জেনে যাবে এই বাক্সে কী ছিল। হাহাহা...
রাজুর হাসিটা খুবই বিশ্রী শোনালো জয়ার। মনে হচ্ছিল বমি এসে যাবে। কিন্তু এই রাজু একটা আস্ত শয়তান। এর সাথে ঠিকঠাক কথা না বললে বিপদ জয়ার নিজেরই বেশি। তাই সে ঐ কুৎসিত হাসিটা হজম করে বললো, ওহ আমি দুঃখিত ভাই, আমি ওসব কিছুই ভাবিনি। আপনি সত্যিই বলেছেন। যদি আমার শ্বশুর-শাশুড়ি এটা দেখে তাহলে আর তাদের মুখোমুখি হতে পারব না। ধন্যবাদ আপনাকে।
রাজু বললো, ঠিক আছে ম্যাডাম, আপনার অবস্থা আমি বুঝি। চিন্তা করবেন না। বলেই আবার সেই কুৎসিত হাসিটা দিলো সে।
জয়া লজ্জায় মুখ লাল করে হাসল আর বলল, ভাই কাউকে বলবেন না প্লিজ।
রাজু বলল, চিন্তা করবেন না ম্যাডাম, আমি কাউকে বলবো না। কেউ আসার আগে আপনি এগুলো আপনার ব্যাগে নিয়ে চলে যান।
জয়া বাক্স থেকে জিনিসগুলো নিয়ে নিজের ব্যাগে রাখল। যাওয়ার সময় পেছন ফিরে বলল, ধন্যবাদ ভাই, আর ঐ বাক্সটা ডাস্টবিনে ফেলে দিয়েন প্লিজ। আপনার সাহায্যের জন্য ধন্যবাদ।
জয়া দারোয়ানের কেবিন থেকে বেরিয়ে লজ্জায় লাল মুখ নিয়ে বিল্ডিংয়ের দিকে হাঁটতে লাগল। আর রাজু তার দুলতে থাকা নিতম্বের দিকে তাকিয়ে বিড়বিড় করতে লাগল- কী পাছা মাগীর!
ফ্ল্যাটে আসতে আসতে বারবার জয়ার মনে হচ্ছিল এতক্ষণ যা যা ঘটল সেসব। লোকটা কী ভাববে এখন ওর ব্যাপারে! ও যদি কাউকে এসব ব্যাপারে বলে দেয়? এরকম হাজারো ভাবনা। এসব ভাবতে ভাবতেই সে চলে এল ফ্ল্যাটের দরজার সামনে। দরজা খুললো ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধা- জয়ার শ্বাশুড়ী শীলা দেবী।
জয়া ভেতরে ঢুকে তার শ্বশুরকে নমস্কার জানিয়ে নিজের রুমে ঢুকলো। রুমে ঢুকেই দরজা বন্ধ করে বিছানায় বসে একটা লম্বা নিঃশ্বাস নিলো সে। ব্যাগটা খুলে জিনিসটা বের করল। এই জিনিসটা নিয়েই কতো ঝামেলা, কতো লজ্জার কারণ। জিনিসটা দেখে একটা তীক্ষ্ণ হাসি খেলে গেলো জয়ার রসালো ঠোঁটে। বিছানায় রেখে ক্যাটালগটা পড়তে লাগল। তারপর হাতে নিলো বিছানায় রাখা জিনিসটা- ৬ ইঞ্চি লম্বা ২ ইঞ্চি মোটা একটা কালো ডিলডো...


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)