27-04-2026, 10:45 AM
সালটা ২০১৮ এম এস সি সেকেন্ড ইয়ার এর স্টুডেন্ট হিমেল তার পৈতৃক বাড়ি ফিরে এসেছে বেশ কয়েকদিন হলো। তার বয়স ২২ , উচ্চতা ৬'১",জিম এ চার বছরে বেশ পেশী সুগঠিত করেছে, সুন্দর মুখশ্রী আর দারুন স্মার্ট, পড়াশোনার পাশাপাশি দারুন ফুটবল খেলে এবং গিটার বাজাতে পারে।মেয়েদের মধ্যে ভালো জনপ্রিয়তা আছে তবে মেয়েদের সে আজকাল খুব একটা পাত্তা দেয়না ।বিকাল ৪:৩০ বাজে হিমেল গলগোলা টি শার্ট আর ট্রাকপ্যান্ট পরে ব্ল্যাক কফি তে চুমুক দিতে দিতে উপভোগ করছে এক কমনীয় রমণীয় দৃশ্য.....পায়েল , ৩৫ বছর বয়সী একটি সুন্দরী বিবাহিতা নারী, সম্পর্কে হিমেল এর জ্ঞাতি বউদি ।গায়ের রং বেশ ফর্সা , উচ্চতা ৫'৩", ফিগার ৩৪-৩০-৩৮, একটি ছেলের মা।হিমেল এর যখন ১২ বছর বয়স তখন পায়েল এর বিয়ে হয়, ১৬/১৭ হতে হতেই হিমেল বেশ পায়েল এর প্রতি আকৃষ্ট, তবে তার এই কাম অনুভূতি রিসেন্ট দু - তিন মাস সে উপলব্ধি করছে।হিমেল আগে থাকতো কলকাতায় নিজের মামারবাড়ীতে দিদা মারা যাওয়ার পর দুই মামার দিন রাত ঝগড়া , তার বড্ড অস্বস্তিকর লাগে তার উপর আগে এই বাড়িটা নিয়ে একটা শরিকি মামলা ছিল হিমেল এর বাবার খুড়তুতো ভাইদের সাথে এখন তারা মামলা তুলে নিয়ে হিমেলের বাবা কে সব বিক্রি করে চলে গেছে তাই হিমেল ও শিফট হয়ে গেলো।বেশ বড় বাড়ি ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা যাবে .....
শাশুড়ি মারা যাওয়ার পর বাড়িতে একদমই সে একা আর তারপর এক তো বর আসে নমাসে-ছয়মাস, ছেলেটাও ঘরে থাকতে চায়না তাই পায়েল ছেলেকে নিয়ে বিকালে একটু ঘুরতে বেরিয়েছে , ছেলের খেলাও হবে পায়েলের একটু আড্ডাও হয়ে যাবে....হিমেল দেখলো পায়েল গেট দিয়ে ঢুকছে মা এর সাথে গল্প করতে এসেছে...
বৌদি - ও ভাই কি করছো?
হিমেল - এই কফি খাচ্ছি...খাবে নাকি ?
বৌদি - না তুমি কিসব তেতো কফি খাও...
হিমেল - তুমি একটু চুমুক দিয়ে দাও মিষ্টি হয়ে যাবে ...
বৌদি - আহা আমি চুমুক দিলে মিষ্টি হয়ে যাবে , ন্যাকামো যত। তোমার বাবার সাথে কথা বলছি দাড়াও
হিমেল - বাবাকে বলে কি হবে জা বলার তো দাদাকে বলতে হবে
পায়েল বুঝতে না পেরে ভ্রূ উচু করে তাকিয়ে আছে..
হিমেল একটু মুচকি হাসতে হাসতে বললো আরে দাদার পারমিশন না পেলে তোমাকে ঘরে নিয়ে আসবো কি করে ....হা হা হা
পায়েল- থাক অনেক হয়েছে , কাকিমা কোথায়??
হিমেল - মা মনে হয় ঘরে দেখোনা..
পায়েল - আচ্ছা....
পায়েল চলে যায় হিমেল এর মা এর সাথে কথা বলতে, হিমেল ও কিছুক্ষণ পর একটু ফুটবল খেলতে বেরিয়ে গেলো কাছেই বড় মাঠে অনেকগুলো ছেলে ফুটবল খেলে।
প্রায় সন্ধ্যা ৬ টা নাগাদ হিমেল বাড়ি ফিরে আসে হিমেলের মা হিমেলকে ৩৫০ টাকা দিয়ে বলে এই নে বৌদি দিয়ে গেছে
হিমেল - কেনো ?
মা - তুই বিল্টুকে পড়াস তোর মাইনে
হিমেল - আমি কি মাইনে চেয়েছি নাকি...? তুমি নিলে কেনো?
মা - তুই নিবিনা সেই জন্যেই আমাকে দিয়ে গেছে, আমাকে বলে লাভ নেই আমি নিয়ে চাইনি এখানে টিভির মাথায় রেখে গেছে...
হিমেল - আমি এখুনি ফিরত দিয়ে আসছি....
মা - পাগল ছেলে একটা....
হিমেল পায়েলদের বাড়ি পৌঁছালো...দেখলো দরজা খোলাই আছে, সে ঢুকেই রান্না ঘরে দেখলো তারপর সোজা উপরে চলে গেলো জানে পায়েল উপরে ঠাকুর ঘরে সন্ধ্যে দিচ্ছে বোধয়। উপরে গিয়ে দেখলো একটি ঘরের দরজা হালকা করে খোলা পায়েল কাপড় ছাড়ছে....কাপড় টা নিচে পরে আছে পায়েল সায়া আর ব্রা পরে আছে..... হিমেল দরজা ঠেলে ঘরে ঢুকলো..
পায়েল - ভাই তুমি....
হিমেল কোনো কিছু না বলে সোজা পায়েলের ঠোঁটে ঠোঁট বসিয়ে দিল..…উম উম ম ম মম মম....
কিছুক্ষন পর হিমেল কিস বন্ধ করে পায়েল এর দিকে তাকালো .....
পায়েল - এতদিনে দেওরের সাহস হলো তবে আমিতো ভীতু ভাবতাম.....
হিমেল পায়েল কে কোলে তুলে বিছানায় শোয়ালো....ঠকাসসসসসসস্
শাশুড়ি মারা যাওয়ার পর বাড়িতে একদমই সে একা আর তারপর এক তো বর আসে নমাসে-ছয়মাস, ছেলেটাও ঘরে থাকতে চায়না তাই পায়েল ছেলেকে নিয়ে বিকালে একটু ঘুরতে বেরিয়েছে , ছেলের খেলাও হবে পায়েলের একটু আড্ডাও হয়ে যাবে....হিমেল দেখলো পায়েল গেট দিয়ে ঢুকছে মা এর সাথে গল্প করতে এসেছে...
বৌদি - ও ভাই কি করছো?
হিমেল - এই কফি খাচ্ছি...খাবে নাকি ?
বৌদি - না তুমি কিসব তেতো কফি খাও...
হিমেল - তুমি একটু চুমুক দিয়ে দাও মিষ্টি হয়ে যাবে ...
বৌদি - আহা আমি চুমুক দিলে মিষ্টি হয়ে যাবে , ন্যাকামো যত। তোমার বাবার সাথে কথা বলছি দাড়াও
হিমেল - বাবাকে বলে কি হবে জা বলার তো দাদাকে বলতে হবে
পায়েল বুঝতে না পেরে ভ্রূ উচু করে তাকিয়ে আছে..
হিমেল একটু মুচকি হাসতে হাসতে বললো আরে দাদার পারমিশন না পেলে তোমাকে ঘরে নিয়ে আসবো কি করে ....হা হা হা
পায়েল- থাক অনেক হয়েছে , কাকিমা কোথায়??
হিমেল - মা মনে হয় ঘরে দেখোনা..
পায়েল - আচ্ছা....
পায়েল চলে যায় হিমেল এর মা এর সাথে কথা বলতে, হিমেল ও কিছুক্ষণ পর একটু ফুটবল খেলতে বেরিয়ে গেলো কাছেই বড় মাঠে অনেকগুলো ছেলে ফুটবল খেলে।
প্রায় সন্ধ্যা ৬ টা নাগাদ হিমেল বাড়ি ফিরে আসে হিমেলের মা হিমেলকে ৩৫০ টাকা দিয়ে বলে এই নে বৌদি দিয়ে গেছে
হিমেল - কেনো ?
মা - তুই বিল্টুকে পড়াস তোর মাইনে
হিমেল - আমি কি মাইনে চেয়েছি নাকি...? তুমি নিলে কেনো?
মা - তুই নিবিনা সেই জন্যেই আমাকে দিয়ে গেছে, আমাকে বলে লাভ নেই আমি নিয়ে চাইনি এখানে টিভির মাথায় রেখে গেছে...
হিমেল - আমি এখুনি ফিরত দিয়ে আসছি....
মা - পাগল ছেলে একটা....
হিমেল পায়েলদের বাড়ি পৌঁছালো...দেখলো দরজা খোলাই আছে, সে ঢুকেই রান্না ঘরে দেখলো তারপর সোজা উপরে চলে গেলো জানে পায়েল উপরে ঠাকুর ঘরে সন্ধ্যে দিচ্ছে বোধয়। উপরে গিয়ে দেখলো একটি ঘরের দরজা হালকা করে খোলা পায়েল কাপড় ছাড়ছে....কাপড় টা নিচে পরে আছে পায়েল সায়া আর ব্রা পরে আছে..... হিমেল দরজা ঠেলে ঘরে ঢুকলো..
পায়েল - ভাই তুমি....
হিমেল কোনো কিছু না বলে সোজা পায়েলের ঠোঁটে ঠোঁট বসিয়ে দিল..…উম উম ম ম মম মম....
কিছুক্ষন পর হিমেল কিস বন্ধ করে পায়েল এর দিকে তাকালো .....
পায়েল - এতদিনে দেওরের সাহস হলো তবে আমিতো ভীতু ভাবতাম.....
হিমেল পায়েল কে কোলে তুলে বিছানায় শোয়ালো....ঠকাসসসসসসস্


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)

