Today, 01:05 AM
আহ আহ আহ ওহহহ আহহহ আআআআআ......
এক সেইদিন শান্ত শিষ্ট ভদ্র ক্লাসের ফার্স্ট বয় রনি আর আজকের এই রাত এর এই উগ্র কামার্ত রনি অর্পিতা এই তফাৎ ভাবতে পারছেনা, আর ভাবতে চাইছেওনা রনি যা করছে তা বাস্তবে কামের উপাসনা, এই আদর এই সম্ভোগ এই চরমসুখ অর্পিতা কোনোদিন পায়নি......
অর্পিতা, বয়স ৩৬ , ৫ফুট ৩ ইঞ্চ উচ্চতার, ফর্সা, সুন্দরী আধুনিকা অংকের শিক্ষিকা, তার কমনীয় রমণীয় শরীরের সমস্তটাই বড় সুন্দর তবে তার অল্প মেদ যুক্ত নরম পেট আর সুগভীর নাভী যখনই শাড়ির ফাঁক থেকে উঁকি দেয় টা আলাদাই আলোড়ন সৃষ্টি করে। হ্যাঁ অর্পিতা আর পাঁচটা নারীর মত নেকি না , সে খোলাখুলি স্বীকার করে সে অ্যাটেনশন পছন্দ করে , সে খোলাপীঠের ব্লাউজে মাংসল পীঠ দেখিয়ে, শাড়ির ফাঁক থেকে নাভী দেখিয়ে পুরুষদের মন ও ধনের উত্তেজনার কারণ হওয়াতে তার একটা গর্ব অনুভব হয়। তবে তার নিজের শরীর প্রদর্শনএর কিছু নিয়ম আছে সর্বত্র সবাই দর্শন পায়না। বিশেষ করে সে জানে ছাত্ররা মুখিয়ে থাকে একবার তার নাভী দেখা যাবে , সে জানে এই সৌন্দর্যের চাহিদা কতটা, এই কামনার তাড়না কতটা তার শরীরের এই বিশেষ অংশ বিশেষ রকম এর অনুভূতি তৈরি করে এই কিশোর ও সদ্য যুবক মন গুলিতে। আর তাই সবাই সর্বত্র এর দর্শন পায়না কিন্তু অর্পিতার প্রিয় ছাত্ররা যার মধ্যে অবশ্যই রনি আছে প্রায়ই এই স্বর্গীয় সৌন্দর্যের দর্শন পায় আর রনি এই প্রিয় ছাত্রদের মধ্যে আর বেশি বিশেষ বা প্রিয়। রনির অংকে ১০০/১০০ ক্রেডিটের মুকুটটা সে বরাবরই অর্পিতার মাথায় পরিয়েছে। রনি-র বাড়ির অবস্থা তেমন না হওয়াতে প্রাইভেট টিউশনি রাখা সম্ভব নয় আবার ওই গোয়াল ঘরের মতো হরজোয়ালি কোচিং রনির পোষায় না। পড়াশোনায় গোড়া থেকে ভালো হওয়ায় সকলের প্রিয় রনি, এরপর রনির মা অনুরোধ করায় অর্পিতা রনি কে কলেজ ছুটির পরে কলেজেই ৩০ মিনিটের মতো রোজই অঙ্ক বিজ্ঞান পড়ায় এবং তাতেই রনির কামাল। গতবছরের কথা ক্লাস ৯ থেকে ১০ এ ওঠার সময় রনি অঙ্ক এবং দুটো বিজ্ঞান এ ১০০/১০০ পেয়ে অর্পিতার মাথায় সাফল্যের মুকুটে পড়ায় অবশ্য অর্পিতা পুরস্কার দিতে দেরি করেনি নিজের হাতে বানানো বিভিন্ন খাবার দিয়ে তার পেট ভরিয়েছে আর নিজের সুন্দর পেট ও নাভীর দর্শনে ভরিয়েছে তার মন।
এক সেইদিন শান্ত শিষ্ট ভদ্র ক্লাসের ফার্স্ট বয় রনি আর আজকের এই রাত এর এই উগ্র কামার্ত রনি অর্পিতা এই তফাৎ ভাবতে পারছেনা, আর ভাবতে চাইছেওনা রনি যা করছে তা বাস্তবে কামের উপাসনা, এই আদর এই সম্ভোগ এই চরমসুখ অর্পিতা কোনোদিন পায়নি......
অর্পিতা, বয়স ৩৬ , ৫ফুট ৩ ইঞ্চ উচ্চতার, ফর্সা, সুন্দরী আধুনিকা অংকের শিক্ষিকা, তার কমনীয় রমণীয় শরীরের সমস্তটাই বড় সুন্দর তবে তার অল্প মেদ যুক্ত নরম পেট আর সুগভীর নাভী যখনই শাড়ির ফাঁক থেকে উঁকি দেয় টা আলাদাই আলোড়ন সৃষ্টি করে। হ্যাঁ অর্পিতা আর পাঁচটা নারীর মত নেকি না , সে খোলাখুলি স্বীকার করে সে অ্যাটেনশন পছন্দ করে , সে খোলাপীঠের ব্লাউজে মাংসল পীঠ দেখিয়ে, শাড়ির ফাঁক থেকে নাভী দেখিয়ে পুরুষদের মন ও ধনের উত্তেজনার কারণ হওয়াতে তার একটা গর্ব অনুভব হয়। তবে তার নিজের শরীর প্রদর্শনএর কিছু নিয়ম আছে সর্বত্র সবাই দর্শন পায়না। বিশেষ করে সে জানে ছাত্ররা মুখিয়ে থাকে একবার তার নাভী দেখা যাবে , সে জানে এই সৌন্দর্যের চাহিদা কতটা, এই কামনার তাড়না কতটা তার শরীরের এই বিশেষ অংশ বিশেষ রকম এর অনুভূতি তৈরি করে এই কিশোর ও সদ্য যুবক মন গুলিতে। আর তাই সবাই সর্বত্র এর দর্শন পায়না কিন্তু অর্পিতার প্রিয় ছাত্ররা যার মধ্যে অবশ্যই রনি আছে প্রায়ই এই স্বর্গীয় সৌন্দর্যের দর্শন পায় আর রনি এই প্রিয় ছাত্রদের মধ্যে আর বেশি বিশেষ বা প্রিয়। রনির অংকে ১০০/১০০ ক্রেডিটের মুকুটটা সে বরাবরই অর্পিতার মাথায় পরিয়েছে। রনি-র বাড়ির অবস্থা তেমন না হওয়াতে প্রাইভেট টিউশনি রাখা সম্ভব নয় আবার ওই গোয়াল ঘরের মতো হরজোয়ালি কোচিং রনির পোষায় না। পড়াশোনায় গোড়া থেকে ভালো হওয়ায় সকলের প্রিয় রনি, এরপর রনির মা অনুরোধ করায় অর্পিতা রনি কে কলেজ ছুটির পরে কলেজেই ৩০ মিনিটের মতো রোজই অঙ্ক বিজ্ঞান পড়ায় এবং তাতেই রনির কামাল। গতবছরের কথা ক্লাস ৯ থেকে ১০ এ ওঠার সময় রনি অঙ্ক এবং দুটো বিজ্ঞান এ ১০০/১০০ পেয়ে অর্পিতার মাথায় সাফল্যের মুকুটে পড়ায় অবশ্য অর্পিতা পুরস্কার দিতে দেরি করেনি নিজের হাতে বানানো বিভিন্ন খাবার দিয়ে তার পেট ভরিয়েছে আর নিজের সুন্দর পেট ও নাভীর দর্শনে ভরিয়েছে তার মন।


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)