Posts: 174
Threads: 2
Likes Received: 523 in 181 posts
Likes Given: 154
Joined: Nov 2024
Reputation:
220
10-09-2025, 11:23 AM
(This post was last modified: 27-12-2025, 02:07 PM by prshma. Edited 21 times in total. Edited 21 times in total.)
নিয়োগ বিয়োগ
আমি জীবনে প্রথম বার একটি গল্প শুরু করতে চলেছি। জানি তাতে অনেক ভুলভ্রান্তি থাকবে তবুও আশা করি পাঠক / পাঠিকাগণ নিজগুনে আমার লেখার ভুলভ্রান্তি ক্ষমা করে দেবেন। আশা করি আপনাদের আশাহত করব না।
Posts: 174
Threads: 2
Likes Received: 523 in 181 posts
Likes Given: 154
Joined: Nov 2024
Reputation:
220
কোন লেখক বা লেখিকা যদি লিখতে আগ্রহী হন ও প্লট সম্পর্কে জানতে চান তাহলে আমাকে pm করতে পারেন।
Posts: 174
Threads: 2
Likes Received: 523 in 181 posts
Likes Given: 154
Joined: Nov 2024
Reputation:
220
11-09-2025, 07:23 PM
(This post was last modified: 16-09-2025, 04:03 PM by prshma. Edited 1 time in total. Edited 1 time in total.)
কোন টার্গেট করা হয়নি, আপনার এত গাত্রদ্বাহের কারণ কি ?
Posts: 5
Threads: 0
Likes Received: 4 in 4 posts
Likes Given: 7
Joined: Jul 2025
Reputation:
1
ami interested. plot bolun. ami likhbo
Posts: 95
Threads: 7
Likes Received: 110 in 48 posts
Likes Given: 38
Joined: Oct 2020
Reputation:
5
(10-09-2025, 11:23 AM)prshma Wrote: নিয়োগ বিয়োগ
আমার কাছে নিয়োগ বিয়োগ নামের গপ্পের জন্য একটি প্লট রয়েছে, যদি কোন লেখক বা লেখিকা সেই প্লটের ভিত্তিতে কোন গল্প লিখতে ইচ্ছুক থাকেন তাহলে আমাকে প্রাইভেট মেসেজ করতে পারেন। রচনার কৃতিত্ব সম্পূর্ণভাবে লেখক বা লেখিকার।
ছোটন, মোহময়, Force6414 তোমরা কেউ যদি এই প্লট নিয়ে গল্প রচনা করো তাহলে আমি অত্যন্ত খুশি হব। অন্য কেউ যদি এই প্লটে গল্প লেখেন তাতেও আমি খুবই আনন্দিত হব।
ধন্যবাদ।
Free te kicchu hoy na paid hole likhe debo
Posts: 174
Threads: 2
Likes Received: 523 in 181 posts
Likes Given: 154
Joined: Nov 2024
Reputation:
220
আমার থ্রেডে করা অনুরোধের আমি যে এতটা overwhelming রেস্পন্স পাবো সেটা আমি একবারের জন্যেও কল্পনা পর্যন্ত করিনি। আপনারা অনেকেই আমাকে প্রাইভেট মেসেজ করে জানিয়েছেন যে আপনারা আমার প্লটে গল্প লিখতে ইচ্ছুক। আপনাদের প্রত্যেককেই আমি করজোড়ে ও নতমস্তকে ধন্যবাদ জানাই। আপনাদের প্রাইভেট মেসেজে আমি শীঘ্রই সম্পূর্ণ প্লট টি লিখে সেন্ড করে দেব।
Posts: 174
Threads: 2
Likes Received: 523 in 181 posts
Likes Given: 154
Joined: Nov 2024
Reputation:
220
12-09-2025, 04:42 PM
(This post was last modified: 13-09-2025, 12:08 PM by prshma. Edited 2 times in total. Edited 2 times in total.)
জীবনে প্রথমবার কোন গল্প লেখার চেষ্টা করলাম, জানি প্রচুর ভুলভ্রান্তি হয়েছে। আশা করি পাঠক / পাঠিকাগণ নিজ গুনে মার্জনা করবেন ও তাদের ভালো বা খারাপ যাই লাগুক তা আমাকে বিনা দ্বিধায় জানাবেন। যদি ভালো লাগে তাহলে দয়া করে লাইক ও রেপুটেশান অ্যাড করবেন ও তেমনই খারাপ লাগলে আমাকে কড়া ভাষায় ভুল ধরিয়ে দেবেন।
Posts: 174
Threads: 2
Likes Received: 523 in 181 posts
Likes Given: 154
Joined: Nov 2024
Reputation:
220
13-09-2025, 12:09 PM
(This post was last modified: 13-09-2025, 12:12 PM by prshma. Edited 1 time in total. Edited 1 time in total.)
পর্ব ১
সন্ধ্যে ৬টা। দক্ষিণ কলকাতার একটি কফি শপের একটি টেবিলে বসে দুই বন্ধু বিমলেশ ও অমরেশ। বিমলেশ মানে বিমলেশ মিত্র, কলকাতার এক বিখ্যাত বাঙালি শিল্পপতি পরিবারের একমাত্র বংশধর। আরেকজন হল তার বন্ধু অমরেশ দে। দুজনেরই বর্তমানে বয়স ৩২। এই বিমলেশ ও অমরেশের বন্ধুত্বের সুত্রপাত তারা দুজন যখন একই কলেজে একই বিষয় নিয়ে অধ্যয়ন করতে ভর্তি হয়। কলেজের প্রথম বর্ষেই তাদের দুজনের বন্ধুত্ব প্রগার হয়ে ওঠে। তাদের দুজনের বন্ধুত্ব এতটাই প্রগার হয়ে ওঠে যে কলেজের অনেকেই তাদের দুজনকে একে অপরের সহোদর বলে ভেবে বসত। কিন্তু অভিন্নহৃদয় বন্ধু হলেও বিমলেশ ও অমরেশের মধ্যে ছিল বিস্তর ফারাক। যেখানে বিমলেশ ছিল অসামান্য মেধাবী, কলেজের পরিক্ষায় প্রতি বছর র্যাঙ্ক হোল্ডার সেখানে অমরেশ ছিল নিতান্তই একজন অতি সাধারণ ছাত্র, প্রতিবছর কোনক্রমে টেনেটুনে পাশ করা ছাত্র। উপরন্তু বিমলেশ শুধুমাত্র একজন অসামান্য ছাত্রই ছিল না খেলাধুলাতেও সে ছিল সমান পারদর্শী। নিজের কলেজের তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল দলের অধিনায়ক। অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার পজিশনে সে ছিল একজন তুখোড় খেলোয়াড়, তার পায়ের কাজ ছিল দেখার মতন। দলের স্ট্রাইকারদের জন্য ডিফেন্স চেরা পাস বাড়াতে সে ছিল অনবদ্য। কলেজের বা বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে বিমলেশের পারফরমেন্স দেখেই কলকাতা ময়দানের এক নামজাদা ক্লাব তাকে তাদের খেলোয়াড় হিসেবে সই করায় ও সেই থেকে শুরু হয় বিমলেশের পেশাদারী ফুটবল ক্যারিয়ার। উল্টোদিকে অমরেশ কোনদিনও মাঠে পাও রাখেনি ও খেলাধুলো নিয়ে তার বিশেষ কোন আগ্রহও ছিল না।
বিমলেশ কফির কাপে চুমুক দিয়ে কাপ টা নামিয়ে রেখে বন্ধু অমরেশকে বলল, “এটা কি হয়ে গেল বলতো ? এক সেকেন্ডে জীবনটা তছনছ হয়ে গেল। আমার জীবনের সমস্ত স্বপ্নগুলো চুরমার হয়ে গেল।”
অমরেশ উত্তর দিল “কি আর করবি বল, সবই ভাগ্যের পরিহাস।”
“সত্যিই ভাগ্যের নিষ্ঠুর পরিহাস, তবে এই ঘটনার জন্য কেউই দোষী নয়। সবই আমার পোড়া কপাল” বিমলেশ বলে উঠল।
বলে আর বেশি কথা না বাড়িয়ে দুই বন্ধুতে মিলে নিজের নিজের কফি শেষ করে বিল মিটিয়ে বাইরে বিমলেশের বিএমডাব্লিউ গাড়ীর কাছে গিয়ে দাঁড়াল ও বিমলেশ বলল যে ও অমরেশকে ওর বাড়িতে ড্রপ করে দিয়ে নিজের বাড়ি ফিরবে।
এর প্রত্যুত্তরে অমরেশ তাকে জানালো যে সে এখন বাড়ি ফিরবে না আর বিমলেশের ওকে ড্রপ করতে হবেনা। উপরন্তু সে বিমলেশের উদ্দেশ্যে বলল “বিমলেশ আজ তোকে খুবই মনমড়া লাগছে, তুই বরং লেকের ধারের শান্ত ও উন্মুক্ত পরিবেশে গিয়ে একটু একা বসে নিজের মনটাকে শান্ত করার চেষ্টা করার চেষ্টা কর। তুই তো জানিস আমার জীবনেও কত বড় একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেছে। আমি এখনও খুব মন খারাপ করলে লেকের শান্ত স্নিগ্ধ পরিবেশে গিয়ে চুপচাপ বসে থাকি। তাই তোকে বলছি তুই ও যা it really helps."
বিমলেশও নিজের বন্ধুর কোথায় আশস্ত্ব হয়ে গাড়ি চালিয়ে সোজা একটু এগিয়ে বাঁদিকে লেকের উদ্দেশ্যে টার্ন নিয়ে অমরেশের দৃষ্টির অগোচর হয়ে গেল ও তা হতেই অমরেশ নিজের পকেট থেকে মোবাইল বের করে একটি নম্বরে কল কানেক্ট করল।
(ক্রমশ)
Posts: 5
Threads: 0
Likes Received: 4 in 4 posts
Likes Given: 7
Joined: Jul 2025
Reputation:
1
bhalo cholche. tumi to puro famous. porer part kobe asbe
•
Posts: 174
Threads: 2
Likes Received: 523 in 181 posts
Likes Given: 154
Joined: Nov 2024
Reputation:
220
15-09-2025, 01:27 PM
(This post was last modified: 15-09-2025, 01:32 PM by prshma. Edited 1 time in total. Edited 1 time in total.)
পর্ব ২
অমরেশের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে মিনিট পাঁচেক এর মধ্যে লেকের কাছে পৌঁছে গেল বিমলেশ। লেকের বাইরে রাস্তায় গাড়ি পার্ক করে সে হাটা দিল লেকের ভিতরে। সেখানকার শান্ত স্নিগ্ধ ও নিরিবিলি পরিবেশে বিমলেশ লেকের ঠিক জলাশয়ের পাড়ে একটি খালি বেঞ্চ দেখে বসে পড়ল। মনে মনে সে ভাবল যে তার প্রিয় বন্ধু অমরেশ তাকে ঠিক উপদেশই দিয়েছিল। সত্যিই লেকের শান্ত ও স্নিগ্ধ পরিবেশ ও জলাশয়ের ওপর দিয়ে বয়ে চলা মৃদুমন্দ বাতাস মানুষের জীবনের দুঃখ কষ্ট কিছুক্ষনের জন্য হলেও ভুলিয়ে দিতে সক্ষম। বিমলেশ ও বেশ কিছুক্ষন চোখ বুজে সেই পরিবেশের স্নিগ্ধতা আস্বাদন করার পর তার জীবনে ঘটে যাওয়া সেই অভিশপ্ত দিনটির কথা মনে করল।
দিনটি ছিল এক বুধবার। আজ থেকে মাস চারেক আগে। সেদিন বিমলেশের ক্লাবের স্থানীয় লিগের ম্যাচ ছিল একটি লিগ তালিকার নীচের দিকে থাকা একটি দলের বিরুদ্ধে। বিমলেশ ছিল তার ক্লাব দলের অধিনায়ক। সেই ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে বিপক্ষের ১৮ গজ পেনাল্টি বক্সের জাস্ট বাইরে একটি ৫০-৫০ বল নিজের দখলে আনার জন্য বিমলেশ শূন্যে নিজের শরীরটিকে ভাসিয়ে দেয় ও বিপক্ষ দলের লেফট ফুলব্যাক, ময়দানে মারকুটে খেলোয়াড় হিসেবে কুখ্যাত সুজেশ প্রসাদ বিমলেশকে একটি জঘন্য ট্যাকেল করে নিজের বুট হাওয়ায় তুলে with his studs showing. এই ট্যাকেলের জন্য রেফারি তৎক্ষণাৎ সুজেশকে লালকার্ড দেখায়। কিন্তু বিমলেশ মাটিতে পরে যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকে ও তাকে মাঠ থেকেই সোজা হসপিটালে এডমিট করতে হয়। হসপিটালে বিমলেশের বিভিন্ন ডাক্তারি পরিক্ষা নিরিক্ষা চালানোর পর জানানো হয় আঘাতটি অত্যন্ত গুরুতর ও আঘাতের ফলে মুল ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বিমলেশের পুরুষাঙ্গটি। ক্ষতির পরিমান জানতে হাসপাতাল থেকে একজন কোন এন্ড্রোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়ার কথা জানানো হয় বিমলেশের পরিবারকে। সেই মত সেই থেকে আজ পর্যন্ত তার অভিন্নহৃদয় বন্ধু অমরেশের পরিচিত একজন এন্ড্রোলজিস্টের চিকিৎসাধীন ছিল বিমলেশ। আজ বিকেলে তার কাছেই গিয়েছিল বিমলেশ। কিন্তু তিনি এত দিন ধরে বিমলেশের বিভিন্ন মেডিক্যাল টেস্ট করানোর পর আজ ফাইনালি জানিয়ে দিয়েছেন যে বিমলেশের পক্ষে আর কোনদিন সন্তানের পিতা হওয়া সম্ভব নয়। এই হৃদয়বিদারক দুঃসংবাদ শোনার পর নিজেকে আর ধরে রাখতে না পেরে সে তার পরম মিত্রের কাছে ছুটে যায় নিজের দুঃখকষ্ট শেয়ার করতে কারণ অমরেশই এমন একজন যার সাথে বিমলেশ তার নিজের মনের ভিতর জমে থাকা সমস্ত কষ্ট নির্দ্বিধায় শেয়ার করে এসেছে।
পরক্ষনেই বিমলেশ মনে মনে ভাবল “আমি এতটা স্বার্থপর কি করে হলাম, আমি শুধু আমার কষ্টের কথা জানাতে অমরেশের কাছে ছুটে গেছি কিন্তু ভুলেই গেছি যে ও নিজে কি ভয়ানক ট্রমা ফেস করেছে বছর দেড়েক আগেই।’ অমরেশের জীবনে একটি চরম ভয়ানক দুর্ঘটনা ঘটে যায় আজ থেকে বছর দেড়েক আগে। অমরেশ গত বছর জুলাই মাসে নিজের স্ত্রী অনুপমা ও তার শ্বশুর শাশুড়িকে নিয়ে সিকিমের পাহাড়ে ভ্রমণ করতে যায় আর সেখানেই গাড়িতে করে একটি দুর্গম ও পিচ্ছিল রাস্তা ধরে যাত্রা করার সময় তাদের গাড়ির চাকা স্কিট করায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে ও তাদের গাড়িটি পাহাড়ের গভীর খাঁদে পড়ে যায়। এই দুর্ঘটনায় একমাত্র অমরেশ কোনক্রমে বেঁচে যায় কিন্তু তার শ্বশুর শাশুড়ি ও তার স্ত্রী অনুপমার মৃত্যু ঘটে।
বিমলেশের মনে পড়ে যে সে নিজে কতবার অমরেশকে পই পই করে বুঝিয়েছিল যে এরকম জুলাই মাসের ভরা বর্ষায় ওরকম দুর্গম পাহাড়ি রাস্তায় না যেতে। কিন্তু অমরেশ তার কোন সাবধানবানীকেই পাত্তা দেয়নি। বিমলেশ এই ব্যাপারে কিছু বললেই অমরেশ “তুই বেকার বেকার ভয় পাচ্ছিস’ বলে তার কথা হেসে উড়িয়ে দিত।
বিমলেশ ভাবল যে তার দুঃখ তো অমরেশের দুঃখের তুলনাই কিছুই না। তার পরিবার তো এখনও তার সাথে আছে, তার পাশে আছে। না যা ঘটার তা ঘটে গেছে, যা ক্ষতি হওয়ার তা হয়ে গেছে, সে এখানে বসে থাকলে তো সমস্যার কোন সমাধান হবেনা, তার থেকে ভালো বাড়ি ফিরে যাওয়া। এই ভেবে বিমলেশ আগের তুলনায় কিছুটা হালকা মনে গাড়ির উদ্দেশ্যে পা বাড়াল। বিমলেশ গাড়ি নিয়ে তার সাদার্ন এভিনিউ স্থিত প্রাসাদোপম অট্টালিকাতে প্রবেশ করল ও বাড়ির দরজা ঠেলে ভিতরে প্রবেশ করতেই তার আড়াই বছর বয়সের পুত্র ‘রিক’ বাবা বাবা বলে ছুটে এসে এক লাফে তার কোলে উঠে পড়ল। বিমলেশও পরম স্নেহে নিজের পুত্রের গালে ও মাথায় চুমু খেয়ে তাকে আদর করতে লাগলো।
ইতিমধ্যে বিমলেশের মা সর্বজয়া দেবী ও বাবা কেদারেশ্বর মিত্র সেখানে এসে পড়েছেন। এমনকি পরিবারের সর্বময় কর্তা বিমলেশের জ্যাঠামশাই বিশ্বেশ্বর মিত্র ও এই বৃদ্ধ বয়সে সেখানে এসে পড়েছেন। অকৃতদার বিশ্বেশ্বর মিত্র এককালের রাজ্যের ক্রিকেট নিয়ামক সংস্থার একজন শীর্ষকর্তা ছিলেন। এখন বয়সের ভারে তিনি সকল পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন কিন্তু এখনও তিনি সমাজে একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যাক্তি।
সর্বজয়া দেবীই প্রথম বিমলেশকে প্রশ্ন করলেন “কি রে ডাক্তারবাবুর সাথে তো আজ তোর দেখা করার কথা ছিল, তা উনি কি বললেন ?”
বিমলেশ রিক কে তার কোল থেকে নামিয়ে তাকে বলল “রিক এখন তুমি তোমার ঘরে গিয়ে খেলা করো” বলে রিকের দেখাশোনা করার দ্বায়ীত্বে যে ভৃত্য আছে তাকে চোখের ইশারায় রিককে সেখান থেকে নিয়ে যেতে বলে বিমলেশের তার বাবার হাতে মেডিকেল রিপোর্টের ফাইলটি দিয়ে দিল ও ডাক্তার তাকে কি বলেছে সেই কথাও সেখানে উপস্থিত সবাইকে জানালো। বিমলেশ সেই কথা সকলকে জানানোর পর মুহূর্তের মধ্যে গোটা মিত্রবাড়ির আকাশ বাতাস যেন এক ঘোর বিষণ্ণতার কালো ছায়ায় নিমজ্জিত হল। বিমলেশের মা সর্বজয়া দেবী তো বাক্রুদ্ধ হয়ে পড়লেন, কেদারেশ্বর বাবুও একটি চেয়ারে মাথায় হাত দিয়ে ধপ করে বসে পড়লেন। এমনকি বিশ্বেশ্বর বাবুর মতন ওরকম এক কালের দোর্দণ্ডপ্রতাপ মানুষের চোখের কোন থেকে চোখের জল গড়িয়ে পড়ল।
কিন্তু বাড়িতে এত কিছু ঘটে যাওয়ার পরেও বাড়ির একজন অতি গুরুত্বপূর্ণ সদস্যা রয়ে গেল এই সমস্ত ঘটনায় অনুপস্থিত। সে ছিল বিমলেশের জীবনের সব থেকে কাছের মানুষ তার অর্ধাঙ্গিনী মাধুরিলতা মিত্র।
বিমলেশ ধীর পায়ে বাড়ির দ্বিতলে নিজের ঘরের দিকে পা বাড়াল ও ঘরে পৌঁছে দেখল তার স্ত্রী মাধুরিলতা তার মোবাইল ফোনে কারোর সাথে খোশগল্পে মশগুল। বিমলেশকে দেখে কিছুটা হকচকিয়ে গিয়ে মাধুরিলতা শুধু “পরে কল করছি” বলে ফোনটা কেটে দিল।
এবার সে বিমলেশকে দেখে মুখে হাসি এনে তাকে বলল “ও তুমি এসে গেছো, তুমি যাও বাথরুমে গিয়ে মুখ হাত পা ধুয়ে বাইরের জামাকাপড় বদলে ফ্রেশ হয়ে নাও আমি তোমার চা জলখাবারের বন্দোবস্ত করছি।”
বিমলেশ মনে মনে ভাবলো “ও তো জানতো যে ডাক্তারের কাছে আজ আমার মোস্ট ইম্পরট্যান্ট বিষয় নিয়ে দেখা করার কথা, কিন্তু ও আমাকে তো এই ব্যাপারে কিছুই জানতে চাইল না।“ আবার পরক্ষনেই তার মাথায় আসলো যে “না আমিই বেশি ভাবছি, ও আমার কথা ভেবেই যাতে আমার কোন ভাবে কোন রকম স্ট্রেস না হয় তাই নিজের কষ্ট মনে চেপে রেখে আমার সাথে হাসিমুখে ব্যাবহার করছে। সত্যিই আমি মাধুরীর মত স্ত্রী পেয়ে ধন্য।”
বিমলেশ তাকে কিছু বলতে যাচ্ছিল তার আগেই মাধুরিলতা বিমলেশের হাতে তার তোয়ালে ও বাড়িতে পড়ার জামাকাপড় ধরিয়ে দিয়ে বলল “তুমি তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে নাও আমি তোমার চা জলখাবার পাঠাতে বলে আসছি।“
এই কথা বলেই মাধুরিলতা বিছানা থেকে তার মোবাইল ফোনটা নিয়ে তাদের ঘর থেকে বেড়িয়ে গেল। আর ঘর থেকে বেড়িয়ে দু পা যেতেই মাথুরিলতার ফোনটা ‘টিং টিং’ করে বেজে উঠে জানান দিল যে তার ফোনে একটি হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ এসেছে। মাধুরিলতা সেদিকে চোখ ফেরাতেই প্রেরকের নাম ও মেসেজটা তার দৃষ্টিগোচর হয়ে উঠল।
প্রেরকের নাম ‘Amu ’ ও মেসেজটির বক্তব্য হল “উদগান্ডুটা আজও তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে গেছে।“
(ক্রমশ)
Posts: 5
Threads: 0
Likes Received: 4 in 4 posts
Likes Given: 7
Joined: Jul 2025
Reputation:
1
fatiye diyecho ekebare. kono kotha hobena. bettr than original. ami oi lekhika ke messg korechilam, kono pattai dilona. ami bhavlam tumi likhbena. but thanks tumi fire ele. likhte thako. pase achi.
Posts: 174
Threads: 2
Likes Received: 523 in 181 posts
Likes Given: 154
Joined: Nov 2024
Reputation:
220
(15-09-2025, 02:42 PM)Rajeeb Wrote: fatiye diyecho ekebare. kono kotha hobena. bettr than original. ami oi lekhika ke messg korechilam, kono pattai dilona. ami bhavlam tumi likhbena. but thanks tumi fire ele. likhte thako. pase achi.
আপনার যে আমার গল্প পড়ে ভালো লেগেছে তা জেনে আমি অত্যন্ত খুশি হয়েছি। আমি ভাবিই নি যে জীবনে প্রথমবার কোন গল্প লিখে আমি কোন পাঠকের প্রশংসা পাবো I wanna say thanks to you from the bottom of my heart. আপনার করা প্রশংসা আমার গল্প এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ফুয়েলের কাজ করবে।
Posts: 51
Threads: 3
Likes Received: 12 in 11 posts
Likes Given: 6
Joined: Apr 2025
Reputation:
2
খুব সুন্দর হচ্ছে চালিয়ে যান
Posts: 52
Threads: 0
Likes Received: 50 in 45 posts
Likes Given: 451
Joined: Jan 2024
Reputation:
14
16-09-2025, 12:19 AM
(This post was last modified: 16-09-2025, 12:24 AM by Force6414@. Edited 3 times in total. Edited 3 times in total.)
(15-09-2025, 01:27 PM)Valo hochhe chalia jao? Wrote:
Posts: 174
Threads: 2
Likes Received: 523 in 181 posts
Likes Given: 154
Joined: Nov 2024
Reputation:
220
(15-09-2025, 11:33 PM)Mohasin_khan Wrote: খুব সুন্দর হচ্ছে চালিয়ে যান ধন্যবাদ। আপনাদের উৎসাহ প্রদানই আমার লেখার একমাত্র পাথেয়। আশা করি আমার গল্প আপনার অপছন্দ হবে না। পাশে থাকবেন। আপনার কমেন্টে লাইক ও রেপুটেশন অ্যাড করলাম।
Posts: 174
Threads: 2
Likes Received: 523 in 181 posts
Likes Given: 154
Joined: Nov 2024
Reputation:
220
পর্ব ৩
বিমলেশের সাথে ঘটে যাওয়া সেই দুর্ঘটনা ও বিভিন্ন টেস্ট করানোর পর ডাক্তারের জবাব দিয়ে দেওয়ার খবরে গোটা মিত্র বাড়িকে যেন গ্রাস করেছিল এক নিকষ কালো ছায়া। গোটা বাড়িতে যেন নেমে এসেছিল এক শ্মশানের নিস্তব্ধতা। গোটা পরিবারের সবার জীবনের সমস্ত রঙ যেন নিমেশের মধ্যে উধাও হয়ে গিয়েছিল। বাড়ির একমাত্র বংশধরের সাথে ঘটে যাওয়া এই বিয়োগান্তক ট্র্যাজেডিতে পরিবারের সবার মুখ থেকে হাসি ও মন থেকে আনন্দ পুরোপুরি হারিয়ে গিয়েছিল। পরিবারের সদস্যরা তো বটেই এমনকি বাড়ির ভৃত্য ও অন্যান্য কর্মচারীরাও এই খবরে খুবই দুঃখ পেয়েছিল কারণ বিমলেশ নিজের ভদ্রতা ও ব্যবহারে তাদের প্রত্যেকের মন জয় করে নিয়েছিল। কিন্তু পরিবার ও পরিবারের সাথে সম্পর্কিত প্রত্যেকটি মানুষ বিমলেশের এই পরিণতিতে কষ্ট পেলেও একজনের ওপরে তার কোন প্রভাবই লক্ষ্য করা যায়নি। উপরন্তু এই ক’দিনে মিসেস মাধুরিলতা মিত্রের হাসি ঠাট্টা, ফোনে গল্পগুজব ও সাজগোজ যেন একটু দৃষ্টিকটু ভাবেই বেড়ে গেছিল। তবুও অত্যন্ত রুচিশীল ও উদার মানসিকতার হওয়ায় মিত্র পরিবারের কেউই তাদের বৌমাকে এই নিয়ে কোনোদিনই কোন প্রশ্ন করেনি বা কোন কটু কথা শোনায়নি। নিজেদের বাড়ির বধুকে এই পরিবারের বয়োঃজ্যেষ্ঠরা প্রশ্নাতীত স্বাধীনতা প্রদান করেছিলেন। কিন্তু মাধুরিলতা কি সেই স্বাধীনতার সদুপোযোগ করেছিল ?
মিত্র বাড়ির এই চরম দুঃসময়ের মধ্যে তাদের ব্যবসায়িক দিক থেকে শেষমেশ একটি সুসংবাদ এসে উপস্থিত হল কিছুদিন পর। মিত্র ইন্ডাস্ট্রিজের বিভিন্ন ব্যবসার মধ্যে একটি ছিল চায়ের ব্যবসা। উত্তরবঙ্গ, আসাম ও সিকিম রাজ্যে তারা বেশ কয়েকটি চা বাগানের মালিক ছিল। উত্তরবঙ্গ ও আসামের চা বাগানে কোন সমস্যা না থাকলেও সিকিমের কয়েকটি বাগানে বিগত বেশ কয়েক মাস ধরে মালিকপক্ষ ও শ্রমিকপক্ষের মধ্যে কিছু দাবিদাওয়া নিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে কিছু অসন্তোষ দানা বেধেছিল। সেই অচলাবস্থা মেটানোর সমস্ত দায়িত্ব বিমলেশ নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিল। বিমলেশ নিজের ব্রিলিয়ান্স ও মেধার জোরে শ্রমিকপক্ষের নেতাদের সামনে কিছু প্রস্তাব রাখে ও সেই প্রস্তাবগুলি তাদের বিবেচনা করে দেখে তাদের উত্তর জানাতে বলে। বিমলেশের দেওয়া প্রস্তাবগুলি এতটাই ব্রিলিয়ান্ট ছিল যে তার প্রতিটি প্রস্তাব শ্রমিকরা উৎফুল্লচিত্তে গ্রহণ করেছে ও তাই তাতে তাদের সম্মতি জানাতে শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়নের নেতা শ্রী দীপক গুরুং স্বয়ং কলকাতায় মিত্র ইন্ডাস্ট্রিজের হেড অফিসে এসেছেন বিমলেশকে তার ও শ্রমিকদের তরফ থেকে ধন্যবাদ জানাতে।
“বিমলেশ স্যার আপনি আমাদের বাগানের সমস্যা দূর করার এত বড়িয়া একটা সমাধানসুত্র বের করেছেন যে আপনাকে কুর্নিশ না জানিয়ে পারলাম না।”
“না না গুরুং বাবু আপনি একটু বাড়িয়ে চাড়িয়েই আমার প্রশংসা করছেন, আমি সেরকম কিছু করিনি। সমস্যার কথা শুনে ভাবনাচিন্তা করে আমার মাথায় যা এসেছে সেটাই বলেছি। বরং আমি আমাদের বাগানের কর্মচারীদের কাছে কৃতজ্ঞ যে তারা আমার দেওয়া সমাধানসুত্রটি গ্রহণ করেছে।“
“এটা আপনার বড়প্পন আছে, আমরা আশে পাশের বাগানগুলোর হাল তো দেখছি। সব বন্ধ হয়ে গেছে। আপনার মত মালিক সত্যিই অনেক নসিব করে জন্মালে তবে পাওয়া যায়।“
“তবে বিমলেশ স্যার আমি বাগানের কর্মচারীদের তরফ থেকে আপনার কাছে আরেকটা বেয়াড়া আবদার নিয়ে এসেছি।“
“কি আবদার শুনি”
“স্যার বাগানের কর্মচারীরা চায় আপনাকে শুক্রিয়া জানাতে, আর তাই ওরা আপনাকে felicitate করতে চায়। তাই আপনি যদি আপনার কিম্তি ওয়ক্ত থেকে দুটো দিন বের করে একটু আমাদের বাগানে ঘুরে যান তো খুব ভালো হয়।“
“ঠিক আছে মিস্টার গুরুং আমাদের কর্মচারীরাও আমার এক্টেন্ডেড পরিবার তাই পরিবারের মানুষদের ভালবাসার দাক কে উপেক্ষা করার ক্ষমতা ও এক্তিয়ার কোনটাই আমার নেই তাই আমি পরের সপ্তাহেই আমাদের বাগানে যাব।”
“বহুত বড়িয়া, বহুত বড়িয়া। আপনি ফির সে একবার প্রমাণ করলেন যে কেন আমরা আপনার মত মালিক পেয়ে ধন্য।“
“তো স্যার আব মুঝে ইজাজাত দিজিয়ে, I will take your leave now. আমি বাগানে ফিরে গিয়ে সবাই কে এই খুশখবরি টা জানাই ও আপনার স্বাগত জানানোর সব তেইয়্যারি করি।”
এই কথা বলে দীপক গুরুং বিমলেশের সাথে করমর্দন করে সেখান থেকে বিদায় নিল ও বিমলেশ এটা ভেবে খুব খুশি হল যে তার সমাধানসূত্রটি তার শ্রমিক কর্মচারীদের এতটা পছন্দ হয়েছে। পরমুহূর্তেই বিমলেশ ভাবল যে এতদিন পরে তার জীবনে একটি সুখবর এসেছে সেটা সে সবার আগে তার পরমাত্মীয়া তার সহধর্মিণীর সাথে শেয়ার করবে।
বিমলেশ মনে মনে চিন্তা করল “না জানি বিগত কয়েকদিনে মেয়েটার ওপর দিয়ে কি ঝড় বয়ে গেছে কিন্তু ও হাসিমুখে বিনা অভিযোগে সব সহ্য করেছে।”
যেমন ভাবা তেমনই কাজ, টেবিল থেকে নিজের মোবাইল ফোনটি তুলে বিমলেশ মাধুরিলতার নম্বর ডায়াল করল কিন্তু ওপর প্রান্ত থেকে কোন উত্তর এলো না। বিমলেশ ভাবলো যে মাধুরিলতা হয়তো কোন কাজে ব্যাস্ত আছে কিন্তু সে তবুও আবার মাধুরিলতার ফোনে কল কানেক্ট করলো কিন্তু আবার কোন উত্তর এল না। এরকম ভাবে ৫-৬ বার কল করার পর তার কল রিসিভ করলেন শ্রীমতী মাধুরিলতা মিত্র।
বিমলেশ হ্যালো বলে ওঠার আগেই ওপর প্রান্ত থেকে কিছুটা রাগান্বিত স্বরেই মাধুরিলতা বলে উঠল “কি হলো ? উফফ …… এতবার ফোন করছো কেন ? হাফফফ।“
“একি মাধুরি এত হাঁপাচ্ছ কেন তুমি ?”
“আমি আমার বান্ধবী অমৃতার সাথে ……… ওফফফ ……… একটু বাইরে ঘুরতে বেড়িয়েছি ………… ওহহহহ ………… এখানে অনেক হাঁটাহাঁটি আর ওঠানামা করতে হচ্ছে তাই একটু হাঁপিয়ে উঠেছি, আসলে আমার তো এত হাঁটাহাঁটি করার অভ্যাস নেই ……… আআআআহ।“
“কি হল চিৎকার করলে কেন মাধু ?”
“তুমি ফোনটা রাখো তোমার সাথে কথা বলতে গিয়ে রাস্তায় চোখ না রেখে হাঁটতে গিয়ে পড়ে গেলাম, যা বলার সন্ধ্যে বেলা বাড়ি এসে বোলো, আমি রাখছি এখন।” বলে মাধুরিলতা কলটা ডিসকানেক্ট করে দিল আর বিমলেশেরও আর সুসংবাদটি তার সহধর্মিণীর সাথে শেয়ার করা হলো না।
অপরপ্রান্তে মাধুরিলতা বেশ রাগের সাথেই তার মোবাইলটা বিছানায় ছুড়ে ফেলে দিয়ে বলল “লোকটা আমাকে পাঁচটা মিনিট সুখ ভোগ করতে দেবে না।” বলেই মাথা ঘুরিয়ে তার সঙ্গীকে বলে উঠল “তুমি থামলে কেন ? শুরু কর, আর কতক্ষন এভাবে ঝুঁকে দাড়িয়ে থাকব।“
(ক্রমশ)
The following 12 users Like prshma's post:12 users Like prshma's post
• Ajju bhaiii, batmanshubh, Dushtuchele567, Force6414@, Maphesto, Mohomoy, Mustaq, ojjnath, PrettyPumpKin, Priya., Rubya, Shorifa Alisha
Posts: 48
Threads: 0
Likes Received: 36 in 30 posts
Likes Given: 317
Joined: Aug 2021
Reputation:
6
Just fatiye diyecho, darun update.
Posts: 174
Threads: 2
Likes Received: 523 in 181 posts
Likes Given: 154
Joined: Nov 2024
Reputation:
220
(18-09-2025, 03:35 PM)batmanshubh Wrote: Just fatiye diyecho, darun update.
অসংখ্য ধন্যবাদ। আশা করি আগামী আপডেটগুলিও আপনার ভালো লাগবে। আপনার কমেন্টে লাইক ও রেপুটেশন অ্যাড করলাম।
Posts: 545
Threads: 0
Likes Received: 358 in 311 posts
Likes Given: 458
Joined: Jan 2023
Reputation:
5
Jompesh golpo... Likhte thaken
Posts: 668
Threads: 2
Likes Received: 427 in 368 posts
Likes Given: 489
Joined: Jun 2023
Reputation:
14
Osadharon hocce.... Kintu Madhurilota ektu resist korle r Bimolesh k valobasle ro sexy hoto... Amaresh oke ektu force kore korto
|