Yesterday, 01:04 PM
Trailer
।। ২ ।।
আজ সকাল সাড়ে চারটের দিকে চন্দনার ঘুম ভেঙ্গে যায়। তার রোজকার অভ্যস্ত সময়ের প্রায় আধ ঘন্টা আগে। ভোরের আলো ফোটেনি এখনও। পাশে শুয়ে দীনবন্ধু অঘোর ঘুমে। কিন্তু তার চোখে ঘুম নেই। মাথা একদম পরিষ্কার লাগছে। তবু বিছানায় চিৎ হয়ে শুয়ে থাকে চন্দনা। গত রাতের সন্ধ্যায় ছোট ননদ সুমিত্রার সঙ্গে ফোনের আলাপের কথা মনে পড়ে তার।
প্রায় মাস ছয়েক পরে কথা বলল তারা। শেষ বার কথা বলেছিল তারা গত বৈশাখে। সুমিত্রা ও তার ছেলে সঞ্জয় যখন এসেছিল দিন তিনেকের ছুটিতে। ভাগ্যিস সঞ্জয়ের মোবাইল নম্বর লিখে রেখেছিল। নাহলে গত কালের কথা বলাটা হতই না। কবে হোত কে জানে।
সুমিত্রার কালকের একটা কথা নাড়িয়ে দিয়েছে চন্দনাকে। কথাটা হল তার ছেলে মলয়কে নিয়ে। সুমিত্রা মলয় কেমন আছে জিগ্যেস করেছিল। এই একটা প্রশ্নই তাকে আমূল নাড়িয়ে দিয়েছে।
মলয় তার নাড়ির ধন। তার দুশ্চিন্তা। তার ক্রোধ। তার আক্রোশ। আবার এই মলয়ই তার কামনা। তার চরম লজ্জা।
মাত্র পনেরো বছর বয়সে চৌত্রিশ বছর আগে চন্দনা এই সংসারে আসে। পরপর দুবার গর্ভপাত হওয়ায় বিয়ের পর তিনবছর নিঃসন্তান ছিল সে। সেই দুঃসহ দিনগুলো তার মনে দগদগে হয়ে আছে। কত মন্ত্র-তন্ত্র, কত সাধু-সন্ন্যাসী, কত জড়ি-বুটি খেয়েছে সে।
শেষ পর্যন্ত এক সাধুর দেওয়া ওষুধে মলয় হল আটাশ বছর আগে। সেইদিনের কথা এখনও পরিষ্কার মনে আছে। প্রসবের ব্যথা, ধাইমার গলা, আর সদ্যোজাতের কান্না। তখন মনে হয়েছিল, এই ছেলেই তার জীবনের সব দুঃখ মুছে দেবে।
কিন্তু এখন? সেই মলয়ই আজ তার বুকের ভিতরটা পুড়িয়ে দিচ্ছে। গতকাল সন্ধ্যায় সুমিত্রা যখন মলয়ের কথা জিজ্ঞেস করেছিল, চন্দনার গলায় কী যেন আটকে গিয়েছিল।
চন্দনা ভাবে সুমিত্রা তাদের মা ছেলের গোপন সম্পর্কের কথা কিছুই জানে না। শুধু সুমিত্রা কেন। কেউই জানেনা যে আজ দশ ছর ধরে তার অকাল কুষ্মান্ড দুর্বৃত্ত সন্তান মলয় তার সঙ্গে অবৈধ যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছে।
কিন্তু অপরাধী কি শুধু মলয়? তার নিজের কোনও দোষ নেই? সেকি নিজের ইচ্ছেয় তার নিজের সন্তানের সঙ্গে উদ্দাম অবাধ যৌনতায় যোগদান করেনি?
।। ২ ।।
আজ সকাল সাড়ে চারটের দিকে চন্দনার ঘুম ভেঙ্গে যায়। তার রোজকার অভ্যস্ত সময়ের প্রায় আধ ঘন্টা আগে। ভোরের আলো ফোটেনি এখনও। পাশে শুয়ে দীনবন্ধু অঘোর ঘুমে। কিন্তু তার চোখে ঘুম নেই। মাথা একদম পরিষ্কার লাগছে। তবু বিছানায় চিৎ হয়ে শুয়ে থাকে চন্দনা। গত রাতের সন্ধ্যায় ছোট ননদ সুমিত্রার সঙ্গে ফোনের আলাপের কথা মনে পড়ে তার।
প্রায় মাস ছয়েক পরে কথা বলল তারা। শেষ বার কথা বলেছিল তারা গত বৈশাখে। সুমিত্রা ও তার ছেলে সঞ্জয় যখন এসেছিল দিন তিনেকের ছুটিতে। ভাগ্যিস সঞ্জয়ের মোবাইল নম্বর লিখে রেখেছিল। নাহলে গত কালের কথা বলাটা হতই না। কবে হোত কে জানে।
সুমিত্রার কালকের একটা কথা নাড়িয়ে দিয়েছে চন্দনাকে। কথাটা হল তার ছেলে মলয়কে নিয়ে। সুমিত্রা মলয় কেমন আছে জিগ্যেস করেছিল। এই একটা প্রশ্নই তাকে আমূল নাড়িয়ে দিয়েছে।
মলয় তার নাড়ির ধন। তার দুশ্চিন্তা। তার ক্রোধ। তার আক্রোশ। আবার এই মলয়ই তার কামনা। তার চরম লজ্জা।
মাত্র পনেরো বছর বয়সে চৌত্রিশ বছর আগে চন্দনা এই সংসারে আসে। পরপর দুবার গর্ভপাত হওয়ায় বিয়ের পর তিনবছর নিঃসন্তান ছিল সে। সেই দুঃসহ দিনগুলো তার মনে দগদগে হয়ে আছে। কত মন্ত্র-তন্ত্র, কত সাধু-সন্ন্যাসী, কত জড়ি-বুটি খেয়েছে সে।
শেষ পর্যন্ত এক সাধুর দেওয়া ওষুধে মলয় হল আটাশ বছর আগে। সেইদিনের কথা এখনও পরিষ্কার মনে আছে। প্রসবের ব্যথা, ধাইমার গলা, আর সদ্যোজাতের কান্না। তখন মনে হয়েছিল, এই ছেলেই তার জীবনের সব দুঃখ মুছে দেবে।
কিন্তু এখন? সেই মলয়ই আজ তার বুকের ভিতরটা পুড়িয়ে দিচ্ছে। গতকাল সন্ধ্যায় সুমিত্রা যখন মলয়ের কথা জিজ্ঞেস করেছিল, চন্দনার গলায় কী যেন আটকে গিয়েছিল।
চন্দনা ভাবে সুমিত্রা তাদের মা ছেলের গোপন সম্পর্কের কথা কিছুই জানে না। শুধু সুমিত্রা কেন। কেউই জানেনা যে আজ দশ ছর ধরে তার অকাল কুষ্মান্ড দুর্বৃত্ত সন্তান মলয় তার সঙ্গে অবৈধ যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছে।
কিন্তু অপরাধী কি শুধু মলয়? তার নিজের কোনও দোষ নেই? সেকি নিজের ইচ্ছেয় তার নিজের সন্তানের সঙ্গে উদ্দাম অবাধ যৌনতায় যোগদান করেনি?

![[+]](https://xossipy.com/images/bootbb/collapse_collapsed.png)