2 hours ago
পরের কয়েকদিন সত্যিই অন্যরকম কাটল। পরীক্ষা একেবারে সামনে চলে আসায় সবার ছন্দ বদলে গেল।
আমি সকাল আটটায় উঠে সোজা লাইব্রেরি চলে যেতাম। দুপুরে একবার হোস্টেলে ফিরে খেয়ে আবার বের হতাম। রাত দশটার আগে ঘরে ফিরতাম না। ফোন সাইলেন্টে থাকত। গ্রুপে কেউ কিছু লিখলে দেখতাম, কিন্তু উত্তর দিতে দেরি হতো। অনেক সময় শুধু নোট পাঠিয়ে দিতাম, কথা বাড়াতাম না।
ফারিন একদিন দুপুরে মেসেজ করেছিল।
“কী রে, বেঁচে আছিস? নাকি বইয়ের সাথে বিয়ে করে ফেললি?”
আমি উত্তর দিয়েছিলাম, “পড়ছি। তুইও পড়। পরে কথা হবে।”
সে “আচ্ছা স্যার” লিখে চুপ করে গিয়েছিল। এরপর আর বিশেষ টানাটানি করেনি।
ফারিয়া গ্রুপে নোট চাইছিল। আমি পাঠিয়ে দিয়েছিলাম। সে শুধু “পেয়েছি” লিখেছিল। আলাদা করে আর কিছু বলেনি। তার মেসেজগুলো ছোট হয়ে গিয়েছিল। আগে যেমন দ্বিধা নিয়ে কথা বলত, এখন সেটাও নেই। শুধু পড়ার কথা।
আমারও মন পুরোপুরি পড়ায় ছিল না। মাঝে মাঝে চোখ বন্ধ করলেই কেউ না কেউ মনে পড়ে যেত। কিন্তু সেই মুহূর্তেই নিজেকে থামিয়ে দিতাম। কারণ জানতাম, এখন এসব ভাবলে পড়া হবে না। আর পড়া না হলে পরে আরও চাপ বাড়বে। তাই ফোন উল্টে রাখতাম। বইয়ের দিকে তাকাতাম।
সবাই যেন একইভাবে চলছিল। কেউ কাউকে বিশেষ টানছিল না। কেউ পুরনো কথা তুলছিল না। সবার কথাবার্তা ছোট, সরাসরি, পড়া নিয়ে। যেন সবাই জানে যে এখন সময় নেই। পরে হয়তো আবার সব ফিরে আসবে। কিন্তু এখন না।
আমি রাতে ঘরে ফিরে শুয়ে ভাবতাম, এই কয়দিন সবাই কেমন চুপচাপ হয়ে গেছে। ফারিনের দুষ্টুমি নেই। ফারিয়ার দ্বিধা নেই। সাদিয়ার লম্বা কথা নেই। সবাই যেন নিজের মতো করে নিজেকে সামলাচ্ছে।
কিন্তু আমি জানতাম, এটা বেশিদিন থাকবে না। পরীক্ষা শেষ হলেই আবার ফোন বাজবে। আবার কেউ না কেউ কথা বলবে। আবার হিসাব মেলাতে হবে।
এখন শুধু পড়া।
বাকি সব পরে।
আমি সকাল আটটায় উঠে সোজা লাইব্রেরি চলে যেতাম। দুপুরে একবার হোস্টেলে ফিরে খেয়ে আবার বের হতাম। রাত দশটার আগে ঘরে ফিরতাম না। ফোন সাইলেন্টে থাকত। গ্রুপে কেউ কিছু লিখলে দেখতাম, কিন্তু উত্তর দিতে দেরি হতো। অনেক সময় শুধু নোট পাঠিয়ে দিতাম, কথা বাড়াতাম না।
ফারিন একদিন দুপুরে মেসেজ করেছিল।
“কী রে, বেঁচে আছিস? নাকি বইয়ের সাথে বিয়ে করে ফেললি?”
আমি উত্তর দিয়েছিলাম, “পড়ছি। তুইও পড়। পরে কথা হবে।”
সে “আচ্ছা স্যার” লিখে চুপ করে গিয়েছিল। এরপর আর বিশেষ টানাটানি করেনি।
ফারিয়া গ্রুপে নোট চাইছিল। আমি পাঠিয়ে দিয়েছিলাম। সে শুধু “পেয়েছি” লিখেছিল। আলাদা করে আর কিছু বলেনি। তার মেসেজগুলো ছোট হয়ে গিয়েছিল। আগে যেমন দ্বিধা নিয়ে কথা বলত, এখন সেটাও নেই। শুধু পড়ার কথা।
আমারও মন পুরোপুরি পড়ায় ছিল না। মাঝে মাঝে চোখ বন্ধ করলেই কেউ না কেউ মনে পড়ে যেত। কিন্তু সেই মুহূর্তেই নিজেকে থামিয়ে দিতাম। কারণ জানতাম, এখন এসব ভাবলে পড়া হবে না। আর পড়া না হলে পরে আরও চাপ বাড়বে। তাই ফোন উল্টে রাখতাম। বইয়ের দিকে তাকাতাম।
সবাই যেন একইভাবে চলছিল। কেউ কাউকে বিশেষ টানছিল না। কেউ পুরনো কথা তুলছিল না। সবার কথাবার্তা ছোট, সরাসরি, পড়া নিয়ে। যেন সবাই জানে যে এখন সময় নেই। পরে হয়তো আবার সব ফিরে আসবে। কিন্তু এখন না।
আমি রাতে ঘরে ফিরে শুয়ে ভাবতাম, এই কয়দিন সবাই কেমন চুপচাপ হয়ে গেছে। ফারিনের দুষ্টুমি নেই। ফারিয়ার দ্বিধা নেই। সাদিয়ার লম্বা কথা নেই। সবাই যেন নিজের মতো করে নিজেকে সামলাচ্ছে।
কিন্তু আমি জানতাম, এটা বেশিদিন থাকবে না। পরীক্ষা শেষ হলেই আবার ফোন বাজবে। আবার কেউ না কেউ কথা বলবে। আবার হিসাব মেলাতে হবে।
এখন শুধু পড়া।
বাকি সব পরে।


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)