8 hours ago
আপডেট ৩৭:
ভাবতে ভাবতেই হঠাৎ নিজের সম্বিত ফিরে পেলো অদিতি পাশের ঘরের তৃষার শীৎকার শুনে।
তৃষার কথা:
অদিতির সঙ্গে এমবিএ পড়া ডাক্তার বাবা-মার একমাত্র সন্তান অপরূপ সুন্দরী, উচ্চ-আধুনিকা তৃষা বরাবরই একটু নাকউঁচু, নারীবাদী, একরোখা ও ডাকাবুকো স্বভাবের।
শহরের সেরা কলেজ-কলেজে পড়াশোনা করা তৃষা, লেখাপড়া, টেবল টেনিস, ডিবেট, সোসাল ওয়ার্ক-সহ সমস্ত বিষয়তেই প্রথম সারিতে থাকা তৃষা শারীরিক দিক দিয়েও সম্পদে পরিপূর্ণ।
দুধে আলতা গায়ের রঙের সঙ্গে ৩৪ সাইজের স্তন, ৩০ সাইজের কোমর আর ৩৬ সাইজের পাছার গড়নে তৃষার সৌন্দর্য শহরের অপ্সরাদের হার মানায়।
এমবিএ পাশের পর নিউটাউনের একটি গ্লোবাল মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে চাকরী নেওয়া তৃষা চাকরির পাশাপাশি সোস্যাল ওয়ার্ক করতে গিয়েই সায়েন্স সিটির কাছে বাইপাসের ধারে অনাথ বাচ্চাদের একটা কলেজে প্রতি শনিবার বিনা পয়সায় পড়াতে শুরু করে তৃষা।
অনাথ বাচ্চাগুলোর মুখ দেখলে তৃষার সারা সপ্তাহের ক্লান্তি কেটে যায় এক নিমেষে।
কিছুদিনের মধ্যে একটা গুরুতর সমস্যায় পড়লো কলেজটি। এলাকার স্থানীয় প্রোমোটার সদগোপন সাহা, এলাকায় যাকে লোকে সেন্টুদা বলে চেনে, তার নজর পড়লো কলেজের জমির ওপর।
সেন্টু বিভিন্নভাবে জোর খাটিয়ে ভয় দেখিয়ে অনাথ বিদ্যালয়টি প্রায় উঠিয়েই দিয়েছিল।
কিন্তু বাধ সাধলো তৃষা। অসম্ভব সাহসী তৃষা এই জবরদখলের বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে রুখে দাঁড়িয়ে এলাকার লোকজনের সই সংগ্রহ করে, স্থানীয় থানা, জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে, মিডিয়াকে সঙ্গে নিয়ে এক প্রবল জনপ্রতিরোধ গড়ে তোলে, যার ফলে সেন্টু তার দখলদারী থেকে পিছু হঠতে বাধ্য হয়। লোকে বলে জমিটা দখল করতে বিভিন্ন দিকে সেন্টু প্রায় দশ লাখ টাকা খরচ করেছিল। তার পুরোটাই জলে যায়।
বিদ্যালয়টি নতুন করে শুরু হয় আবার। সেই সঙ্গেই হয়তো তৃষার জীবনের নতুন করে অদৃষ্ট লেখার প্লটও শুরু হয়ে যায়...
.
.
.
চলবে...
(পরবর্তী আপডেট খুব তাড়াতাড়ি)
ভাবতে ভাবতেই হঠাৎ নিজের সম্বিত ফিরে পেলো অদিতি পাশের ঘরের তৃষার শীৎকার শুনে।
তৃষার কথা:
অদিতির সঙ্গে এমবিএ পড়া ডাক্তার বাবা-মার একমাত্র সন্তান অপরূপ সুন্দরী, উচ্চ-আধুনিকা তৃষা বরাবরই একটু নাকউঁচু, নারীবাদী, একরোখা ও ডাকাবুকো স্বভাবের।
শহরের সেরা কলেজ-কলেজে পড়াশোনা করা তৃষা, লেখাপড়া, টেবল টেনিস, ডিবেট, সোসাল ওয়ার্ক-সহ সমস্ত বিষয়তেই প্রথম সারিতে থাকা তৃষা শারীরিক দিক দিয়েও সম্পদে পরিপূর্ণ।
দুধে আলতা গায়ের রঙের সঙ্গে ৩৪ সাইজের স্তন, ৩০ সাইজের কোমর আর ৩৬ সাইজের পাছার গড়নে তৃষার সৌন্দর্য শহরের অপ্সরাদের হার মানায়।
এমবিএ পাশের পর নিউটাউনের একটি গ্লোবাল মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে চাকরী নেওয়া তৃষা চাকরির পাশাপাশি সোস্যাল ওয়ার্ক করতে গিয়েই সায়েন্স সিটির কাছে বাইপাসের ধারে অনাথ বাচ্চাদের একটা কলেজে প্রতি শনিবার বিনা পয়সায় পড়াতে শুরু করে তৃষা।
অনাথ বাচ্চাগুলোর মুখ দেখলে তৃষার সারা সপ্তাহের ক্লান্তি কেটে যায় এক নিমেষে।
কিছুদিনের মধ্যে একটা গুরুতর সমস্যায় পড়লো কলেজটি। এলাকার স্থানীয় প্রোমোটার সদগোপন সাহা, এলাকায় যাকে লোকে সেন্টুদা বলে চেনে, তার নজর পড়লো কলেজের জমির ওপর।
সেন্টু বিভিন্নভাবে জোর খাটিয়ে ভয় দেখিয়ে অনাথ বিদ্যালয়টি প্রায় উঠিয়েই দিয়েছিল।
কিন্তু বাধ সাধলো তৃষা। অসম্ভব সাহসী তৃষা এই জবরদখলের বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে রুখে দাঁড়িয়ে এলাকার লোকজনের সই সংগ্রহ করে, স্থানীয় থানা, জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে, মিডিয়াকে সঙ্গে নিয়ে এক প্রবল জনপ্রতিরোধ গড়ে তোলে, যার ফলে সেন্টু তার দখলদারী থেকে পিছু হঠতে বাধ্য হয়। লোকে বলে জমিটা দখল করতে বিভিন্ন দিকে সেন্টু প্রায় দশ লাখ টাকা খরচ করেছিল। তার পুরোটাই জলে যায়।
বিদ্যালয়টি নতুন করে শুরু হয় আবার। সেই সঙ্গেই হয়তো তৃষার জীবনের নতুন করে অদৃষ্ট লেখার প্লটও শুরু হয়ে যায়...
.
.
.
চলবে...
(পরবর্তী আপডেট খুব তাড়াতাড়ি)


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)