5 hours ago
(27-09-2026, 07:28 PM)Jupiter10 Wrote: মাঝে মাঝে বিস্মৃতির অতল থেকে উঠে আসে তার অতি ছেলেবেলার ছেঁড়া ছেঁড়া দৃশ্যগুলি। বাবার হাত ধরে মায়ের সংগে পুজোর প্যান্ডেলে গিয়ে পুজো দেখতে গেছে সে ছোট্ট ছোট্ট পায়ে। একটু হাঁটলেই পায়ে ব্যাথা করত। বাবা তাকে কাঁধে চড়িয়ে দুই পা ধরে পুজো দেখত। মনে আছে একবার দশেরার বাজি পুড়োন দেখতে গেছিল তারা সবাই মিলে। একটা বড় মাঠে। কী উজ্জ্বল বাজির আলো। তার চোখ ধাঁধিয়ে গেছিল। দুই চোখ বুজে ফেলেছিল সে। তারপর কী ভীষণ শব্দে বাজি ফাটতে শুরু করেছিল। তার বুক দুরু দুরু করে কাঁপছিল। কিন্তু ভীষণ মজা হচ্ছিল তার।এই দৃশ্যটা খুবই মনে আছে। সঞ্জয় এতটাই মুহ্যমান হয়েছিল - ঘরে এসে মাকে বলেছিল বাবার কাছে ফিরে যাওয়ার কথা। সুমিত্রা ছেলের আবদার রক্ষা করতে গিয়ে যারপনাই অপদস্থ, অপমানিত ও লাঞ্ছিত হয়েছিল। পরেশ তাদের জীবনে আর ফিরে না আসাই ভাল। তাতে সুখ শান্তি বজায় থাকবে।
কেমন আছে বাবা এখন? শেষবার বাবাকে দেখছিল সে সাড়ে পাঁচ বছর আগে। তখন তৃতীয় বর্ষের ছাত্র সে। প্রায় অজ্ঞান, মাতাল হয়ে রিক্সায় শুয়ে তাদের বস্তির ঘরে ফিরছিল পরেশ। অসহায় হাঁ মুখ থেকে গড়িয়ে পড়ছে লালা, মুখ ভেসে যাচ্ছে চোখের জলে। তার নাম, মায়ের নাম ধরে ডেকে ডেকে বিলাপ করে কাঁদছিল পরেশ। আবার হাহা করে ওঠে, যন্ত্রণায় মুচড়ে ওঠে সঞ্জয়ের বুক। আর কি ফেরার রাস্তা একেবারেই নেই? তাদের জীবন থেকে অদৃশ্যই থাকবে তার জন্মদাতা বাবার উপস্থিতি?


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)