6 hours ago
(27-09-2026, 07:28 PM)Jupiter10 Wrote: বার্থডে সেলিব্রেশনের বড় একটা প্যাস্ট্রি অফিসের থেকেই আনার ব্যবস্থা করেছিল তাদের টিম লিড তনুশ্রী।
বিকেল চারটের দিকে তাদের ডিপার্টমেন্ট হেড বিজয় শর্মা সবার আগে অফিসের যে কোনও সেলিব্রেশনের জন্য নির্দিষ্ট ফাঁকা জায়গাটিতে এসে দাঁড়ায়। ধীরে ধীরে তারপর শখানেক সহকর্মীর ভিড় জমে যায় – তাদের বেশির ভাগই কম বয়েসী যুবক যুবতী। দেড়শো জনের ডিপার্টমেন্ট তাদের ন্যাশানাল গ্রিডের অ্যাকাউন্ট, প্রতি সপ্তাহে দুতিনজনের জন্মদিন পড়ে। আজ আর কারও নেই। সঞ্জয়কে আজ তাই সেলিব্রেশনের মধ্যমণি হয়ে একাই প্যাস্ট্রিটা কাটতে হল। সুমিত্রা কাল রাতেই অফিসে দেওয়ার জন্যে একটি কেক তৈরি করেছিল ও সকালে অফিসে আসার আগে সঞ্জয়ের হাতে সেটা মনে করে ধরিয়ে দিয়েছিল। সঞ্জয় সেটা বের করে দিতেই তার উপরেই সবাই হামলে পড়ে।
“মিসেস বানিয়েছেন? অপূর্ব!” বিজয় শর্মা সুমিত্রার বানানো কেকে এক কামড় দিয়ে বলে।
“আমি সুমিত্রাদির কাছ থেকে একদিন শিখে নেব রেসিপি,” তনুশ্রী সঞ্জয়ের চোখে চোখ রাখে।
“হ্যাঁ, আমাদের অফিসে অনেক নিরামিষাশী আছেন জেনে ডিম ছাড়াই বানিয়েছে ও,” সঞ্জয় উজ্জ্বল মুখে হাসে।
“তাই নাকি? এটা ডিম ছাড়া কেক! তাহলে তো শিখতেই হচ্ছে!” শ্যামলী সুদর্শনা তনুশ্রীর দুই চোখে খুশির ঝিলিক খেলে। তারপর আচমকাই সঞ্জয়ের চোখের গাঢ় দৃষ্টি রাখে সে। স্থির দৃষ্টি ধরে রাখে নির্বাক দু মুহূর্ত। সঞ্জয়ের বুক ধ্বক্ করে ওঠে। হতচকিত চমকে যায় সে। মা যা বলে তা কি সত্যি? তনুশ্রী তার প্রতি অনুরক্তা?
“হ্যাপি বার্থডে!” অভিজিৎ এসে হাত বাড়িয়ে করমর্দন করে। সঞ্জয়ের চিন্তায় চ্ছেদ পড়ে। তারপরেই অন্যান্যদের অভিনন্দন বার্তায় সম্পূর্ণ লুপ্ত হয়।
“সঞ্জয়, মেনি হ্যাপি রিটার্নস,” তিলোত্তমা এগিয়ে আসে। তারপর একে একে সবার শুভেচ্ছায় সঞ্জয় প্রায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে মিনিট কয়েকের জন্যে - সূর্যশেখর, অনিমেষ, জয়িতা, মাধবী, দর্পনারায়ণ, সুনীল, অলকানন্দা।
তবে তার বিস্ময় অপেক্ষা করে ছিল দিনের শেষের জন্য, পাঁচটায় অফিস থেকে বেরিয়ে পড়ার ঠিক আগেই একটা ইমেইল ঢুকল তার ইনবক্সে।
তনুশ্রী ও সঞ্জয়ের প্রেম শুরু হয়ে যাবে নাতো?


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)