7 hours ago
(27-09-2026, 07:26 PM)Jupiter10 Wrote: সঞ্জয়দের ন্যাশান্যাল গ্রিডে অ্যাকাউন্টের আমেরিকাবাসী ও ইংলন্ডবাসী সহকর্মীরাও একথা বিলক্ষণ জানে। অবশ্য অক্টোবর মাসেই ছুটি ছুটি রব পড়ে যায় আমেরিকাতেও। গত সপ্তাহের মঙ্গলবারেই তো কলম্বাস ডের ছুটি ছিল। আবার বড় ছুটি আসতে চলেছে হ্যালোউইনে। মাসের শেষেই। এ বছরটায় দেওয়ালি ও হ্যালোউইন প্রায় একই দিনে। তারপরে আছে পরপর – ভেটের্যানস ডে, থ্যাঙ্কসগিভিং ডে। দ্বিতীয়টা ডিসেম্বরের বড়দিনের আগের অন্যতম প্রধান ছুটি।
ওদের অ্যাকাউন্টের প্রত্যেকে আজ এইচ আর থেকে আসা দিনের প্রথম ইমেলটা পেয়ে গেছে অফিসে ঢুকেই। সবাই জানে আজ সঞ্জয়ের জন্মদিন। বিকেলে ডিপার্টমেন্টে তার বার্থডে সেলিব্রেশন হবে।
সকাল সকাল সে অফিসে আসার আগে মাকে প্রণাম করে এসেছে। এ অভ্যাস তার ছেলেবেলার। জন্মদিনের সকাল বেলায় তার প্রথম কাজ ছিল মা-বাবাকে প্রণাম করা। তারপর মা-বাবার আশির্বাদ নিয়ে পড়তে বসা। অবশ্য সে কথা তার কেবল অবচেতনেই মনে আছে, বাকিটা চলে গেছে বিস্মৃতির অন্ধকারে।
তবে তার এইটুকু ধোঁয়া ধোঁয়া অস্পষ্টভাবে মনে পড়ে যে তাদের বরানগরের জুটমিলে যখন গন্ডগোল শুরু হয় তখনও সে কলেজে পড়ে না, পড়তে বসে মার কাছে। মা তাকে তাকে পড়াত বর্ণপরিচয় আর সুর করে মুখস্থ করাত নামতা। হেঁসেলে পিড়িতে বসে গুলের উনুনে রান্না করতে করতে মা গড়গড় করে বলে যেত মুখস্থ বাংলা, আর তাই শুনে শুনে লিখতে বলত তাকে।
বাবার কথা আজ বিশেষ করে মনে পড়ে তার। বুক ঠেলে হুহু করে উঠে আসে কান্না। বাবা যতই নরাধম হোক, মাকে পাশবিক অত্যাচার করুক, এতো কিছুতেই মুছে যাবার নয় যে তার বাবার নাম পরেশনাথ মন্ডল। তারই ঔরসে সঞ্জয় মন্ডলের জন্ম।
মন বলছে, পরেশ আবার ফিরে আসবে। আবার সুমিত্রা অত্যাচারিত হবে?


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)