Thread Rating:
  • 9 Vote(s) - 1.89 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
Incest (আম্মাজান) লেখক রাফি আহমেদ
#14
~~~~~~~পর্ব ২~~~~~~~~

পরিচয় করানো যাক আমাদের পরিবারের সাথে :-
আমরা থাকি বর্তমানে মামাবাড়ি, আমাদের ও গ্রাম আছে সীতলপুর নিজ গ্রামে থাকতাম আমরা।

মা রেশমিকা বেগম (৩২) এখনো দেখতে যুবতী মেয়েদের মতো, ১৮+ বয়েসের আগেই আম্মাজান কে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল, কি কারন ছিল তা আজ পর্যন্ত আমি জানি না, নানাবাড়ি বেরাতে গিয়ে নানীর কাছে একদিন আবদার করছিলাম মা-বাবার বিয়ের ব্যাপারে, নানি কেন জানি বলতে চাচ্ছে না ,অনেক কষ্টে মা বাবার বিয়ের ব্যাপারে নানী বললো আমাকে, নানী বলতে বলতে হটাৎ মায়ের বয়স নিয়ে কথা উঠতেই আবার কথা ঘুরাতে নিলো, মায়ের কম বয়েসে বিয়ে''মনে মনে একটু বিচলিত ছিলাম আম্মাজানের কেন এতো অল্প বয়েসে বিয়ে দেওয়া হলো, নানীর কাছে জানার খুব আগ্রহ হলো, শেষ পর্যন্ত নানীকে বলেই ফেললাম কথাটা, নানীকে বিচলিত লাগছিল যেন কিছু লুকাচ্ছেন, আমার মনে লুকানো গভীরতার বাসা বাধতে লাগলো, নানীর কথার ধরন যেন পাল্টে গেলো''' কিরে নানুভাই এতো কিছু জানার কি আছে, তোকে কেউ কিছু বলছে নাকি, আমার সন্দেহ ঠিক ছিলো গোপন কিছু তো আছে, নাহলে নানী কেন জিজ্ঞেস করবে কেউ কিছু বলছে কি না , কি বা বলবে ? এতোটুকু জানতাম গোপন কিছু বিষয় আছে, আমি নানীর সাথে আর কথা আগালাম না, কথা অন্য দিকে ঘুড়িয়ে নিলাম। আমার কৌতুহল হলো একদিন না একদিন এই রহস্য আমি বেধ করবোই । এই ছিলো আমার মায়ের ব্যাপারে গোপন এক রহস্য ভান্ডার যা আজ পর্যন্ত উন্মোচন করা সম্ভব হয়নি।

আমার বাবা ছিলো দাদুর একমাত্র সন্তান নাম রেজাউল মল্লিক (৪৮), আমি যখন জন্ম হই তার দুই বছরের মাথায় দাদু পরকালে পারি দেন, দাদুর একাকীত্বে দাদিও আর বাচঁলো না, আমার বাবা এতিম হয়ে গেলো, মায়ের সাথে বাবার ভালো সম্পর্ক ছিলো, নানীর কাছে শুনছিলাম বাবার বয়স নাকি বেশি ছিল তখন। মায়ের সাথে বাবার বয়স অনেক তফাৎ, এতো কিছু ভাবতে গেলে আমার মাথায় কাজ করে না।

অতীতে যাই চলুন:-
আমার বাবা খুব ভালো মানুষ ছিলেন, আমি বাবাকে মায়ের সাথে গালমন্দ বা মারামারি কোনটাই কখন করতে দেখিনি, আমার বাবা রেলওয়েতে কাজ করতো ভালোই চলছিলো আমাদের সুখের সংসার। হঠাৎ একদিন কিছু লোক এসে বললো বাবা নাকি এই পৃথিবীতে নেই, কাজরত অবস্থায় এক দুর্ঘটনায় মারা গেছে, কথাটা শোনা মাত্রই পায়ের তলা থেকে যেন মাটি সরে গেলো, দু চোঁখ বয়ে পানি গড়াতে লাগলো, খুব কষ্ট হলো আমার মাথা থেকে যেন এক ছাওয়া সরে গেলো, কি হবে আমাদের, আমি তো  কলেজে উঠছি এখোনো বুজদার হয়নি, ছোট বোন আমাকে জরিয়ে ধরে কাদঁতে লাগলো, আম্মাজানকে দেখি হুশে নেই প্রতিবেশি কিছু নারীরা মাকে হুশে আনতে লাগলো। এভাবেই কিছুদিন চলতে লাগলো, নানা নানি ছিলো সেই সময়ে এখন তারাও চলে গেলো, এতো আত্মীয় সজন কেউ কোন পরামর্শ বা ভরসা দিয়ে গেলো না, আম্মাজান অসহায়ের মতো ছিলো, আমাদের কি হবে আমার উপর এই বয়েসে অনেক দায়িত্ব হতে চললো, আরো কিছুদিন চলতে লাগলো, বাবার তেমন জমানো টাকা  বলতে গেলে প্রায় ছিলোই না , যতটুকু ছিল তা দিয়ে এতোদিন চলছিলাম আমরা কিন্তু এখন আর সম্ভব হচ্ছিল না। মায়ের দিকে তাকাতে পারছিলাম লজ্জায়, সিদ্ধান্ত প্রায় নিয়েই ফেলছিলাম, যে করেই হোক রোজগার করতে হবে।
ঘরে বিধবা মা আর ছোট বোন, আমাকেই আগলে রাখতে হবে যে করেই হোক। 

আমার ছোট বোন নাম রাইসা বয়স এতো বছর ইকলেজে পড়ে, ছোট বোনটাকে দেখলে খুব মায়া হয়, যখন বাবা ছিল কতোই না আনন্দ করতো, বাবা ওর জন্য কতো কিছুই না আনতো, এগুলো ভাবলে আমার বুকটা কেঁপে উঠে। 
লেখাপড়া আমার মনে হয় না আর করা সম্ভব কিন্তু ছোট বোনের লেখাপড়া কোন ভাবেই বন্ধ করা যাবে না, মা-বোনের জন্য লাগলে রক্ত বিক্রি করতে ও পিছপা হবো না। 

কথায় আছে যাদের কেউ নেই তাদের উপরওয়ালা আছে, ঠিক সেটাই হলো আমাদের সাথে। এক দিন দুপুরে আম্মাজান রান্নাঘরে চালরান্না ও আলু সিদ্ধ করতে লাগলো, 
আর আমি ছোট বোনকে কিছু অংক কষে দিতে লাগলাম, হটাৎ কার যেন আওয়াজ পেলাম" রেশমিকা কোথায় গেলি বোন আমার, আমি আর ছোট বোন দরজার বাহিরে আগালাম, আওয়াজটা আম্মাজানের কানেও চলে গেছে " দেখলাম আম্মাজান এক দৃষ্টিতে মামার দিকে তাকিয়ে রয়েছে 
আর মামাও এক দৃষ্টিতে মায়ের দিকে তাকিয়ে রয়েছে দুজনের চোখেঁ পানি চলে আসছে, মায়ের মুখে কথা শুনলাম ভাইয়া তুমি " আমাদের মনে পরলো তাইলে " মামা এক দৃষ্টিতে চেয়েই রইলো কথা বলার শক্তি যেন হারিয়ে ফেলছে, আমি কিছু বুজে ওঠার  আগেই মামা দৌড়ে মায়ের সামনে চলে গেলো" বোন আমার বিশ্বাস কর আমি কিছুই জানি না তোদের সাথে এতো কিছু হয়ে গেলো,আমাকে ভুল বুজিস না বোন, মা - বা কেউই  আমাকে বলে নি যে তোদের এই অবস্থার কথা বিশ্বাস কর আমায়  তো ভালো করেই চিনিস। আম্মাজান সঙ্গে সঙ্গে মামাকে বুকে জরিয়ে ধরে কাদঁতে লাগলো, দেখলাম মামাও মাকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য জরিয়ে ধরে পিঠে হাত বুলাচ্ছে। 
আমি আর ছোট বোন এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম মামা ও মায়ের দিকে, " ভাইয়া দেখো এই লোকটা কে? মাকে আদর করতেছে কেন লোকরটা?" ছোট বোনের কথা শুনে হাসলাম "" দুর বোকা"" লোক হতে যাবে কেন এতো আমাদের মামা (মেঝো মামা) " ও মামা তাহলে" হুম মামা বুজলি তো। 

কাহিনি এবং সংলাপ যে ভাবে আগাচ্ছে তাতে মনে হয় না এটা কোন ছোট গল্প। 

আপডেট পাবে কিন্তু" ছোট বা বড় হতে পারে"
গল্প পড়ে ভালো হোক বা খারাপ, কমেন্ট করে বলতে পারেন
রেসপন্স না পেলে গল্প ইতি টানতে বাধ্য হবো।
ধন্যবাদ। 

Waiting For Next PART...
[+] 1 user Likes ToxicBoy24's post
Like Reply


Messages In This Thread
RE: (আম্মাজান) লেখক রাফি আহমেদ - by ToxicBoy24 - 1 hour ago



Users browsing this thread: Johir, 4 Guest(s)