26-09-2026, 06:44 PM
বাস পেছনের সিট হওয়ায় ঝাঁকুনি বেশি লাগছিল।
প্রতিবার রাস্তার গর্তে পড়লেই শরীর সামনে-পেছনে দুলত। শিমুর ভারী বুক শার্টের ভেতর সামান্য নড়ত। পাশের তরুণটার হাত এখনও তার কোমর ও বুকের পাশে হালকা লাগা ছিল। ঘুমের ভান করে সে মাঝে মাঝে আঙুল দিয়ে চাপ দিত। শিমু সব টের পেলেও চুপচাপ সহ্য করে যাচ্ছিল।
অল্প সময়ের মধ্যেই বাসের গতি কমতে শুরু করল।
হেলপারের গলা ভেসে এল, “এসে গেছি… নামো যারা নামবে।”
বাস থামল।
শিমু জানালার বাইরে তাকাল। ভোরের আলো এখনও পুরোপুরি ফোটেনি। আকাশ কালো মিশে ধূসর। সময় প্রায় ভোর চারটা। বাসস্ট্যান্ডের কয়েকটা দোকান বন্ধ। দু-একটা চায়ের স্টল জেগে আছে। আলো ম্রিয়মাণ।
শিমু উঠে দাঁড়াল।
পাশের তরুণটা চোখ খুলল। হাত সরাল। শিমুর দিকে একবার তাকাল, তারপর মুখ ঘুরিয়ে নিল। শিমু ব্যাগ হাতে নিয়ে সামনের দিকে এগোল। বাস থেকে নেমে মাটিতে পা রাখল।
ভোরের ঠান্ডা হাওয়া গায়ে লাগল।
চারদিকে অন্ধকার আর নিস্তব্ধতা।
বাসস্ট্যান্ড থেকে শিমুর বাড়ি প্রায় নয় কিলোমিটার।
একদম গ্রামের ভেতর। কাঁচা রাস্তা। রাতের বেলা রিকশাওয়ালারা সেদিকে যেতে চায় না। দূরত্ব বেশি, রাস্তা খারাপ, আর ফিরে আসার গাড়ি পাওয়া যায় না বলে কেউ রাজি হয় না সহজে।
শিমু একটু দাঁড়িয়ে রইল।
চোখ ঘুরিয়ে চারদিকে তাকাল। বাসস্ট্যান্ডের ঠিক পাশেই একটা ছোট পাকা বাড়ি। আলো জ্বালা। সেখানেই তার মামাতো ভাইয়ের বাসা। ছোটবেলা থেকে চেনা। জরুরি অবস্থায় সেখানে গিয়ে উঠতে পারবে।
সে ব্যাগ শক্ত করে ধরল।
ভোরের অন্ধকারে মামাতো ভাইয়ের বাড়ির দিকে পা বাড়াল।
প্রতিবার রাস্তার গর্তে পড়লেই শরীর সামনে-পেছনে দুলত। শিমুর ভারী বুক শার্টের ভেতর সামান্য নড়ত। পাশের তরুণটার হাত এখনও তার কোমর ও বুকের পাশে হালকা লাগা ছিল। ঘুমের ভান করে সে মাঝে মাঝে আঙুল দিয়ে চাপ দিত। শিমু সব টের পেলেও চুপচাপ সহ্য করে যাচ্ছিল।
অল্প সময়ের মধ্যেই বাসের গতি কমতে শুরু করল।
হেলপারের গলা ভেসে এল, “এসে গেছি… নামো যারা নামবে।”
বাস থামল।
শিমু জানালার বাইরে তাকাল। ভোরের আলো এখনও পুরোপুরি ফোটেনি। আকাশ কালো মিশে ধূসর। সময় প্রায় ভোর চারটা। বাসস্ট্যান্ডের কয়েকটা দোকান বন্ধ। দু-একটা চায়ের স্টল জেগে আছে। আলো ম্রিয়মাণ।
শিমু উঠে দাঁড়াল।
পাশের তরুণটা চোখ খুলল। হাত সরাল। শিমুর দিকে একবার তাকাল, তারপর মুখ ঘুরিয়ে নিল। শিমু ব্যাগ হাতে নিয়ে সামনের দিকে এগোল। বাস থেকে নেমে মাটিতে পা রাখল।
ভোরের ঠান্ডা হাওয়া গায়ে লাগল।
চারদিকে অন্ধকার আর নিস্তব্ধতা।
বাসস্ট্যান্ড থেকে শিমুর বাড়ি প্রায় নয় কিলোমিটার।
একদম গ্রামের ভেতর। কাঁচা রাস্তা। রাতের বেলা রিকশাওয়ালারা সেদিকে যেতে চায় না। দূরত্ব বেশি, রাস্তা খারাপ, আর ফিরে আসার গাড়ি পাওয়া যায় না বলে কেউ রাজি হয় না সহজে।
শিমু একটু দাঁড়িয়ে রইল।
চোখ ঘুরিয়ে চারদিকে তাকাল। বাসস্ট্যান্ডের ঠিক পাশেই একটা ছোট পাকা বাড়ি। আলো জ্বালা। সেখানেই তার মামাতো ভাইয়ের বাসা। ছোটবেলা থেকে চেনা। জরুরি অবস্থায় সেখানে গিয়ে উঠতে পারবে।
সে ব্যাগ শক্ত করে ধরল।
ভোরের অন্ধকারে মামাতো ভাইয়ের বাড়ির দিকে পা বাড়াল।


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)