25-09-2026, 06:10 PM
এই গল্পটা সিনথিয়ার। গল্পে ঢোকার আগে তাকে চেনো — ভালো করে চেনো। কারণ এই মেয়েটার শরীরে, মনে, প্রতিটা নিঃশ্বাসে যা ঘটতে চলেছে, তা বুঝতে হলে জানতে হবে সে কে, কোথা থেকে এসেছে, কী স্বপ্ন দেখে।
সিনথিয়ার বয়স আঠারো। এই বছরের জুলাই মাসে সে আঠারোতে পা দিয়েছে — ভোটার হওয়ার বয়স, নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নেওয়ার বয়স, অন্তত কাগজে-কলমে। ঢাকার মিরপুরের একটি নামকরা মহিলা কলেজে সে এখন এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী, মানবিক বিভাগে। পড়াশোনায় সে মোটামুটি ভালোই — এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছিল, যদিও বোর্ড বৃত্তি পায়নি বলে বাবা একটু মন খারাপ করেছিলেন। শিক্ষকরা তাকে চেনেন শান্ত, ভদ্র, মনোযোগী ছাত্রী হিসেবে — যে মেয়ে ক্লাসের পেছনের বেঞ্চে বসে জানলার দিকে তাকিয়ে থাকে, কিন্তু প্রশ্ন করলে ঠিকঠাক উত্তর দেয়।
দেখতে সিনথিয়া কেমন? আয়নার সামনে দাঁড়ালে সে আজকাল নিজেকেই চিনতে পারে না। মাত্র দুই বছর আগেও যে মেয়েটা ছিল রোগা-পাতলা, চ্যাপ্টা বুকের এক কিশোরী, আজ সে এক পরিপূর্ণ যুবতী। তার উচ্চতা পাঁচ ফুট তিন ইঞ্চি, ওজন চুয়ান্ন কেজির মতো — না রোগা, না মোটা, ঠিকঠাক ভরাট। গায়ের রং গমের মতো — না ফর্সা, না কালো, এমন এক উষ্ণ বাদামি আভা যা রোদে পড়লে ঝলমল করে ওঠে। কোমর ছাড়িয়ে যাওয়া লম্বা কালো চুল সে সাধারণত একটা মোটা বেণি করে রাখে, বেণিটা পিঠের ওপর দুলতে থাকে হাঁটার তালে। কিন্তু রাতে ঘরে একা থাকলে সে বেণি খুলে দেয় — তখন চুলগুলো পিঠের ওপর কালো ঢেউয়ের মতো ছড়িয়ে পড়ে।
তার চোখদুটো ডাগর, কালো — আর চোখে হালকা কাজল তার দুর্বলতা। কলেজের নিয়মে সাজগোজ নিষেধ, কিন্তু কাজলটা সে ছাড়তে পারে না — "চোখে কাজল না দিলে মনে হয় মুখটাই অসম্পূর্ণ," সে বান্ধবীদের বলে। ঠোঁটদুটো স্বাভাবিকভাবেই গোলাপি, নরম। হাসলে গালে অল্প টোল পড়ে — এই টোলটার জন্য পাড়ার খালারা বলে, "মেয়েটার হাসি তো মন কেড়ে নেয়!"
আর তার শরীরের গড়ন? এই নিয়ে কলেজের মেয়েরা ঈর্ষা করে, ছেলেরা আড়চোখে তাকায়। বুকের মাপ চৌত্রিশ — স্তনদুটো এখন পুরোপুরি গঠিত, গোল আর ভারী, টাইট কামিজ পরলে স্পষ্ট বোঝা যায়। কোমর আটাশ ইঞ্চির মতো সরু, আর নিতম্ব ছত্রিশ — সালোয়ার পরলেও পেছনের বাঁকটা লুকানো যায় না। পাড়ার দর্জি যখন তার কামিজের মাপ নেয়, লজ্জায় সিনথিয়ার গাল লাল হয়ে যায় — বুকের মাপ নেওয়ার সময় দর্জি খালা বলেন, "মেয়েটার ফিগার তো একদম নায়িকাদের মতো হয়েছে!" খালা-চাচিরা আড়ালে বলেন, "এই মেয়ের বিয়েতে ভালো বরের অভাব হবে না।" এইসব কথা শুনে সিনথিয়া লজ্জা পায়, কিন্তু ভেতরে ভেতরে একটা চাপা গর্বও হয়।
সিনথিয়ার বয়স আঠারো। এই বছরের জুলাই মাসে সে আঠারোতে পা দিয়েছে — ভোটার হওয়ার বয়স, নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নেওয়ার বয়স, অন্তত কাগজে-কলমে। ঢাকার মিরপুরের একটি নামকরা মহিলা কলেজে সে এখন এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী, মানবিক বিভাগে। পড়াশোনায় সে মোটামুটি ভালোই — এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছিল, যদিও বোর্ড বৃত্তি পায়নি বলে বাবা একটু মন খারাপ করেছিলেন। শিক্ষকরা তাকে চেনেন শান্ত, ভদ্র, মনোযোগী ছাত্রী হিসেবে — যে মেয়ে ক্লাসের পেছনের বেঞ্চে বসে জানলার দিকে তাকিয়ে থাকে, কিন্তু প্রশ্ন করলে ঠিকঠাক উত্তর দেয়।
দেখতে সিনথিয়া কেমন? আয়নার সামনে দাঁড়ালে সে আজকাল নিজেকেই চিনতে পারে না। মাত্র দুই বছর আগেও যে মেয়েটা ছিল রোগা-পাতলা, চ্যাপ্টা বুকের এক কিশোরী, আজ সে এক পরিপূর্ণ যুবতী। তার উচ্চতা পাঁচ ফুট তিন ইঞ্চি, ওজন চুয়ান্ন কেজির মতো — না রোগা, না মোটা, ঠিকঠাক ভরাট। গায়ের রং গমের মতো — না ফর্সা, না কালো, এমন এক উষ্ণ বাদামি আভা যা রোদে পড়লে ঝলমল করে ওঠে। কোমর ছাড়িয়ে যাওয়া লম্বা কালো চুল সে সাধারণত একটা মোটা বেণি করে রাখে, বেণিটা পিঠের ওপর দুলতে থাকে হাঁটার তালে। কিন্তু রাতে ঘরে একা থাকলে সে বেণি খুলে দেয় — তখন চুলগুলো পিঠের ওপর কালো ঢেউয়ের মতো ছড়িয়ে পড়ে।
তার চোখদুটো ডাগর, কালো — আর চোখে হালকা কাজল তার দুর্বলতা। কলেজের নিয়মে সাজগোজ নিষেধ, কিন্তু কাজলটা সে ছাড়তে পারে না — "চোখে কাজল না দিলে মনে হয় মুখটাই অসম্পূর্ণ," সে বান্ধবীদের বলে। ঠোঁটদুটো স্বাভাবিকভাবেই গোলাপি, নরম। হাসলে গালে অল্প টোল পড়ে — এই টোলটার জন্য পাড়ার খালারা বলে, "মেয়েটার হাসি তো মন কেড়ে নেয়!"
আর তার শরীরের গড়ন? এই নিয়ে কলেজের মেয়েরা ঈর্ষা করে, ছেলেরা আড়চোখে তাকায়। বুকের মাপ চৌত্রিশ — স্তনদুটো এখন পুরোপুরি গঠিত, গোল আর ভারী, টাইট কামিজ পরলে স্পষ্ট বোঝা যায়। কোমর আটাশ ইঞ্চির মতো সরু, আর নিতম্ব ছত্রিশ — সালোয়ার পরলেও পেছনের বাঁকটা লুকানো যায় না। পাড়ার দর্জি যখন তার কামিজের মাপ নেয়, লজ্জায় সিনথিয়ার গাল লাল হয়ে যায় — বুকের মাপ নেওয়ার সময় দর্জি খালা বলেন, "মেয়েটার ফিগার তো একদম নায়িকাদের মতো হয়েছে!" খালা-চাচিরা আড়ালে বলেন, "এই মেয়ের বিয়েতে ভালো বরের অভাব হবে না।" এইসব কথা শুনে সিনথিয়া লজ্জা পায়, কিন্তু ভেতরে ভেতরে একটা চাপা গর্বও হয়।


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)