22-09-2026, 11:09 PM
সেপ্টেম্বর ২৬ পার্ট ১
পরদিন সকালের মিষ্টি রোদ জানালা দিয়ে ঢুকে পড়েছে।
চুমকিদির ঘরে বিছানায় মা আর হরেন্দ্র জেঠু এখনো জড়াজড়ি করে শুয়ে, জেঠুর মুখে মায়ের একটা দুধে ভরা বোঁটা আটকে আছে, ঘুমের মধ্যে মাঝে মাঝে চুষে নিচ্ছেন, মায়ের গুদের ভিতরে জেঠুর বাঁড়া এখনো গেঁথে নরম, উষ্ণ।
গত রাতের বীর্য আর মায়ের রস মিশে একটা পিচ্ছিল ধারা তার থাই বেয়ে নেমেছে।
বাইরে থেকে রামুকাকার গলা ভেসে এল “বৌদি! উঠুন, চা ঠান্ডা হয়ে যাবে!”
মা চোখ খুলল, তার শরীরে গত রাতের ক্লান্তি আর তৃপ্তির মিশ্রণ, সে আলতো করে জেঠুর মুখ থেকে বোঁটাটা টেনে নিল, জেঠু ঘুমের মধ্যে একটা হালকা শব্দ করে আবার ঘুমিয়ে পড়লেন।
মা ধীরে উঠে বসল, তার গুদ থেকে জেঠুর বাঁড়া বেরিয়ে এল ভেজা, চকচকে, মা একটা গভীর শ্বাস নিয়ে উঠে দাঁড়াল।
বিছানায় ছড়িয়ে থাকা ক্রিমের শুকনো দাগ আর দুধের বীর্যের ছোপ দেখে তার ঠোঁটে একটা লজ্জাময় হাসি ফুটল।
তাড়াতাড়ি করে শাড়ি আর ব্লাউজ খুঁজে নিল, প্রথমে পেটিকোট পরল, তারপর ব্লাউজ, ব্লাউজের হুক লাগাতে গিয়ে বুঝল বুক এখনো দুধে টনটন করছে, হুক লাগাতেই স্তন দুটো চেপে গেল, বোঁটায় চাপ পড়ে একটা হালকা শিহরণ খেলে গেল শরীরে, তারপর শাড়ি পরল লাল শাড়িটা কোমরে জড়িয়ে, আঁচল কাঁধে তুলে নিলো।
আয়নায় নিজেকে দেখল চুল এলোমেলো, ঠোঁট ফোলা, চোখে গত রাতের মাদকতা এখনো লেগে আছে, একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে সে ঘর থেকে বেরিয়ে এল।
হলঘরে সবাই জড়ো, রামুকাকা চা বিলি করছে,
মাকে দেখে সবার মুখে একটা লুকানো হাসি, ফুলশয্যার পরে দিন নববধূ কে দেখে লোকের মনে যেমন একটা মজার জিজ্ঞাসা খেলা করে সেইরকম।
শ্যামলদাদু আর মৃদুলদাদু আজ বিশেষ চাঙ্গা তাঁরা হাসিমুখে বসে আছেন, চোখে একটা নতুন আলো।
মা রান্নাঘরে গেল রোজকার রুটিন শুরু হল, প্রথমে চা বানাল, তারপর প্রাতঃরাশের জন্য রুটি আর তরকারি তৈরি করতে লাগল।
এমন সময় রামুকাকা এসে ফিসফিস করে বলল, “বৌদি, গামলা রেডি আছে, দিতে পারবেন তো আজকে।”
মা লজ্জায় মাথা নিচু করে বলল - তোমার বৌদিকে কি মনে করো রামু? কিন্তু ভেতরে একটা অদ্ভুত উত্তেজনা।
এরপর মা নিজে থেকেই রান্নাঘরের পাশের ছোট ভাড়ার ঘরে গেল, মায়ের পিছন পিছন রামুকাকা ঘরে প্রবেশ করলো তারপর দরজা বন্ধ করে দিল, মা চৌকিতে হাঁটু গেড়ে বসল, তারপর সামনে ঝুঁকে চার হাত-পায়ে ভর দিয়ে গরুর মতো অবস্থান নিল।
রামু কাকা এসে নিজের হাতে শাড়ির আঁচল সরিয়ে, ব্লাউজ আর ব্রা খুলে ফেলল, তার দুধে ভরা বিশাল স্তন দুটো ঝুলে পড়ল ভারী, গোলাকার, বোঁটায় দুধের ফোঁটা জমে আছে।
রামুকাকা গামলা ঠিক স্তনের নিচে জায়গায় রাখল, তারপর দক্ষ হাতে মায়ের স্তন ধরে দোহন শুরু করল, প্রতিবার টানে দুধের ধারা ফিনকি দিয়ে গামলায় পড়ছে “ঝিরঝির… ঝিরঝির…”।
মা চোখ বন্ধ করে শিহরণ অনুভব করছে, তার শরীর কাঁপছে, বোঁটায় চাপ পড়ার সঙ্গে একটা মিষ্টি যন্ত্রণা, পনেরো মিনিটে গামলা ভরে গেল ঘন, গরম দুধে।
রামুকাকা গামলা নিয়ে বেরিয়ে গেল, মা শাড়ি-ব্লাউজ পরে নিয়ে রান্নাঘরে ফিরল, প্রাতঃরাশ পরিবেশন করল, বৃদ্ধরা দুধের গ্লাস হাতে নিয়ে তৃপ্তির সঙ্গে পান করতে লাগলো।
খাওয়া দাবার পর্ব শেষ হলে মা শ্যামলদাদু আর মৃদুলদাদুর কাছে গেল, তাঁরা বারান্দায় বসে আছেন।
মা লজ্জামিশ্রিত স্নেহে বলল, “জেঠু, গত রাতে আপনাদের দুধ খাওয়াতে পারিনি, আমার খুব খারাপ লাগছে, এখন আসুন, একটু পান করুন।”
শ্যামলদাদু হেসে বললেন, “থাক বৌমা, কাল রাতে তোমার অনেক পরিশ্রম হয়েছে, সারা রাত তোমার আওয়াজ শুনেছি আমরা, আর এই কদিনে তোমার বুকের দুধ খেয়ে আমরা তো চাঙ্গা হয়ে উঠেছি, আজ সকালে আমরা দুজনেই মর্নিং ওয়াকে বেরিয়েছিলাম বহুদিন পর এত জোর পেয়েছি।”
মৃদুলদাদু মাথা নেড়ে বললেন, “হ্যাঁ বৌমা, তোমার দুধের গুণে আজ আমরা নতুন করে বেঁচে উঠেছি।”
মা লজ্জায় হেসে মাথা নিচু করল।
তারপর মা চুমকিদির ঘরে গেল, দরজা খুলে দেখল চুমকিদি জানালার পাশে বসে, গালে হাত দিয়ে একদিকে তাকিয়ে গভীর ভাবনায় ডুবে আছে।
মা নরম গলায় জিজ্ঞেস করল, “কী হয়েছে চুমকি? এমন চুপচাপ কেন? কোনো অসুবিধে হয়েছে?”
চুমকিদি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, “বিনা বৌদি, আজ আবার একটা নোটিশ এসেছে, ক্লাবের একদল ছেলে এসে দিয়ে গেছে, বলেছে, দশ দিনের মধ্যে জায়গাটা খালি করতে হবে।”
মা চমকে উঠল “কী বলছ? আমরা পুলিশের সাহায্য নিতে পারি না?”
চুমকিদি মাথা নেড়ে বলল, “কোনো লাভ নেই বৌদি, পুলিশও ওদের কথায় ওঠাবসা করে ওরা খুব ক্ষমতাসম্পন্ন মানুষ।”
মা কিছুক্ষণ চুপ করে রইল তারপর দৃঢ় গলায় বলল, “দাঁড়া বোন, আমি একটা ব্যবস্থা করছি।”
মা কিছুক্ষণ চুপ করে রইল, তারপর ধীরে ধীরে বলে উঠল, - “একটা উপায় আছে, চুমকি।”
চুমকিদি অবাক হয়ে মায়ের দিকে তাকাল “কী উপায়, বৌদি?”
মা গভীর শ্বাস নিয়ে বলল, “আমি ক্লাবে গিয়ে ছেলেগুলোর সঙ্গে কথা বলব, ওদের বোঝাব যে এই বৃদ্ধাশ্রমটাই এই সকল বৃদ্ধদের মাথা গোঁজার একমাত্র স্থান, এটা হারিয়ে ফেললে তারা পথে এসে দাঁড়াবে।”
চুমকিদি ভ্রু কুঁচকে, চিন্তিত গলায় বলল, - “বিনা বৌদি, আমার মনে হয় না তাতে কোনো ফল হবে, এর আগেও আমরা বেশ কয়েকবার ওদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছি, কিন্তু তাতে কোনো কাজ হয়নি, এইবারই বা আমাদের দুটো মেয়ের কথা ওই বদমাশ ছেলেগুলো শুনবেই বা কেন? ওদের মনে এইটুকু দয়ামায়া থাকলে এভাবে তো হেনস্থা করত না আমাদের।”
মা চুমকিদির কথা শেষ হওয়ার আগেই হাত তুলে থামিয়ে দিল, তার গলায় একটা দৃঢ়তা, - “না চুমকি, আমরা না, আমি একা যাব।”
পরদিন সকালের মিষ্টি রোদ জানালা দিয়ে ঢুকে পড়েছে।
চুমকিদির ঘরে বিছানায় মা আর হরেন্দ্র জেঠু এখনো জড়াজড়ি করে শুয়ে, জেঠুর মুখে মায়ের একটা দুধে ভরা বোঁটা আটকে আছে, ঘুমের মধ্যে মাঝে মাঝে চুষে নিচ্ছেন, মায়ের গুদের ভিতরে জেঠুর বাঁড়া এখনো গেঁথে নরম, উষ্ণ।
গত রাতের বীর্য আর মায়ের রস মিশে একটা পিচ্ছিল ধারা তার থাই বেয়ে নেমেছে।
বাইরে থেকে রামুকাকার গলা ভেসে এল “বৌদি! উঠুন, চা ঠান্ডা হয়ে যাবে!”
মা চোখ খুলল, তার শরীরে গত রাতের ক্লান্তি আর তৃপ্তির মিশ্রণ, সে আলতো করে জেঠুর মুখ থেকে বোঁটাটা টেনে নিল, জেঠু ঘুমের মধ্যে একটা হালকা শব্দ করে আবার ঘুমিয়ে পড়লেন।
মা ধীরে উঠে বসল, তার গুদ থেকে জেঠুর বাঁড়া বেরিয়ে এল ভেজা, চকচকে, মা একটা গভীর শ্বাস নিয়ে উঠে দাঁড়াল।
বিছানায় ছড়িয়ে থাকা ক্রিমের শুকনো দাগ আর দুধের বীর্যের ছোপ দেখে তার ঠোঁটে একটা লজ্জাময় হাসি ফুটল।
তাড়াতাড়ি করে শাড়ি আর ব্লাউজ খুঁজে নিল, প্রথমে পেটিকোট পরল, তারপর ব্লাউজ, ব্লাউজের হুক লাগাতে গিয়ে বুঝল বুক এখনো দুধে টনটন করছে, হুক লাগাতেই স্তন দুটো চেপে গেল, বোঁটায় চাপ পড়ে একটা হালকা শিহরণ খেলে গেল শরীরে, তারপর শাড়ি পরল লাল শাড়িটা কোমরে জড়িয়ে, আঁচল কাঁধে তুলে নিলো।
আয়নায় নিজেকে দেখল চুল এলোমেলো, ঠোঁট ফোলা, চোখে গত রাতের মাদকতা এখনো লেগে আছে, একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে সে ঘর থেকে বেরিয়ে এল।
হলঘরে সবাই জড়ো, রামুকাকা চা বিলি করছে,
মাকে দেখে সবার মুখে একটা লুকানো হাসি, ফুলশয্যার পরে দিন নববধূ কে দেখে লোকের মনে যেমন একটা মজার জিজ্ঞাসা খেলা করে সেইরকম।
শ্যামলদাদু আর মৃদুলদাদু আজ বিশেষ চাঙ্গা তাঁরা হাসিমুখে বসে আছেন, চোখে একটা নতুন আলো।
মা রান্নাঘরে গেল রোজকার রুটিন শুরু হল, প্রথমে চা বানাল, তারপর প্রাতঃরাশের জন্য রুটি আর তরকারি তৈরি করতে লাগল।
এমন সময় রামুকাকা এসে ফিসফিস করে বলল, “বৌদি, গামলা রেডি আছে, দিতে পারবেন তো আজকে।”
মা লজ্জায় মাথা নিচু করে বলল - তোমার বৌদিকে কি মনে করো রামু? কিন্তু ভেতরে একটা অদ্ভুত উত্তেজনা।
এরপর মা নিজে থেকেই রান্নাঘরের পাশের ছোট ভাড়ার ঘরে গেল, মায়ের পিছন পিছন রামুকাকা ঘরে প্রবেশ করলো তারপর দরজা বন্ধ করে দিল, মা চৌকিতে হাঁটু গেড়ে বসল, তারপর সামনে ঝুঁকে চার হাত-পায়ে ভর দিয়ে গরুর মতো অবস্থান নিল।
রামু কাকা এসে নিজের হাতে শাড়ির আঁচল সরিয়ে, ব্লাউজ আর ব্রা খুলে ফেলল, তার দুধে ভরা বিশাল স্তন দুটো ঝুলে পড়ল ভারী, গোলাকার, বোঁটায় দুধের ফোঁটা জমে আছে।
রামুকাকা গামলা ঠিক স্তনের নিচে জায়গায় রাখল, তারপর দক্ষ হাতে মায়ের স্তন ধরে দোহন শুরু করল, প্রতিবার টানে দুধের ধারা ফিনকি দিয়ে গামলায় পড়ছে “ঝিরঝির… ঝিরঝির…”।
মা চোখ বন্ধ করে শিহরণ অনুভব করছে, তার শরীর কাঁপছে, বোঁটায় চাপ পড়ার সঙ্গে একটা মিষ্টি যন্ত্রণা, পনেরো মিনিটে গামলা ভরে গেল ঘন, গরম দুধে।
রামুকাকা গামলা নিয়ে বেরিয়ে গেল, মা শাড়ি-ব্লাউজ পরে নিয়ে রান্নাঘরে ফিরল, প্রাতঃরাশ পরিবেশন করল, বৃদ্ধরা দুধের গ্লাস হাতে নিয়ে তৃপ্তির সঙ্গে পান করতে লাগলো।
খাওয়া দাবার পর্ব শেষ হলে মা শ্যামলদাদু আর মৃদুলদাদুর কাছে গেল, তাঁরা বারান্দায় বসে আছেন।
মা লজ্জামিশ্রিত স্নেহে বলল, “জেঠু, গত রাতে আপনাদের দুধ খাওয়াতে পারিনি, আমার খুব খারাপ লাগছে, এখন আসুন, একটু পান করুন।”
শ্যামলদাদু হেসে বললেন, “থাক বৌমা, কাল রাতে তোমার অনেক পরিশ্রম হয়েছে, সারা রাত তোমার আওয়াজ শুনেছি আমরা, আর এই কদিনে তোমার বুকের দুধ খেয়ে আমরা তো চাঙ্গা হয়ে উঠেছি, আজ সকালে আমরা দুজনেই মর্নিং ওয়াকে বেরিয়েছিলাম বহুদিন পর এত জোর পেয়েছি।”
মৃদুলদাদু মাথা নেড়ে বললেন, “হ্যাঁ বৌমা, তোমার দুধের গুণে আজ আমরা নতুন করে বেঁচে উঠেছি।”
মা লজ্জায় হেসে মাথা নিচু করল।
তারপর মা চুমকিদির ঘরে গেল, দরজা খুলে দেখল চুমকিদি জানালার পাশে বসে, গালে হাত দিয়ে একদিকে তাকিয়ে গভীর ভাবনায় ডুবে আছে।
মা নরম গলায় জিজ্ঞেস করল, “কী হয়েছে চুমকি? এমন চুপচাপ কেন? কোনো অসুবিধে হয়েছে?”
চুমকিদি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, “বিনা বৌদি, আজ আবার একটা নোটিশ এসেছে, ক্লাবের একদল ছেলে এসে দিয়ে গেছে, বলেছে, দশ দিনের মধ্যে জায়গাটা খালি করতে হবে।”
মা চমকে উঠল “কী বলছ? আমরা পুলিশের সাহায্য নিতে পারি না?”
চুমকিদি মাথা নেড়ে বলল, “কোনো লাভ নেই বৌদি, পুলিশও ওদের কথায় ওঠাবসা করে ওরা খুব ক্ষমতাসম্পন্ন মানুষ।”
মা কিছুক্ষণ চুপ করে রইল তারপর দৃঢ় গলায় বলল, “দাঁড়া বোন, আমি একটা ব্যবস্থা করছি।”
মা কিছুক্ষণ চুপ করে রইল, তারপর ধীরে ধীরে বলে উঠল, - “একটা উপায় আছে, চুমকি।”
চুমকিদি অবাক হয়ে মায়ের দিকে তাকাল “কী উপায়, বৌদি?”
মা গভীর শ্বাস নিয়ে বলল, “আমি ক্লাবে গিয়ে ছেলেগুলোর সঙ্গে কথা বলব, ওদের বোঝাব যে এই বৃদ্ধাশ্রমটাই এই সকল বৃদ্ধদের মাথা গোঁজার একমাত্র স্থান, এটা হারিয়ে ফেললে তারা পথে এসে দাঁড়াবে।”
চুমকিদি ভ্রু কুঁচকে, চিন্তিত গলায় বলল, - “বিনা বৌদি, আমার মনে হয় না তাতে কোনো ফল হবে, এর আগেও আমরা বেশ কয়েকবার ওদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছি, কিন্তু তাতে কোনো কাজ হয়নি, এইবারই বা আমাদের দুটো মেয়ের কথা ওই বদমাশ ছেলেগুলো শুনবেই বা কেন? ওদের মনে এইটুকু দয়ামায়া থাকলে এভাবে তো হেনস্থা করত না আমাদের।”
মা চুমকিদির কথা শেষ হওয়ার আগেই হাত তুলে থামিয়ে দিল, তার গলায় একটা দৃঢ়তা, - “না চুমকি, আমরা না, আমি একা যাব।”
Like & Repu.....


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)