19-09-2026, 11:01 PM
(This post was last modified: 21-09-2026, 03:35 PM by Hotmom127. Edited 3 times in total. Edited 3 times in total.)
![[Image: 1789759553302.png]](https://i.ibb.co.com/C3crBx9z/1789759553302.png)
*মা:* তুই কোন মেয়েকে পছন্দ করেছিস বল... ছবি দে দেখি? কোথায় থাকে?
মায়ের জানার ইচ্ছে বেড়ে গেল।
*আমি:* আমি যাকে পছন্দ করি, সে কখনো আমার হবে না।
*মা:* মানে?
*আমি:* ওই মেয়ে রাজি হবে না কোনোদিন আমার প্রস্তাবে।
*মা:* দূর, মেয়েরা প্রথমে রাজি হয় না। একটু ভালোবাসা দেখাতে হয়।
*আমি:* জানি, সেই চেষ্টাই করছি, কিন্তু মনে হয় না সে রাজি হবে।
*মা:* কেন রাজি হবে না? আজকে না হলে কালকে হবে। দরকার পড়লে আমি নিজে গিয়ে তোর সাথে মেয়েটার বিয়ের ব্যবস্থা করব।
*আমি:* আহারে, মেয়েটাকে মনের কথা বলতে পারি নাই এতদিন, আর তুমি বলছো বিয়ের কথা।
*মা:* হ্যাঁ, তুই আমাকে মেয়ের ঠিকানা দে, আমি ওর বাবা-মার সাথে কথা বলব তোদের বিয়ের বিষয়ে।
_(মনে ভাবলাম আর হাসলাম, মা জানে না আমি তার কথা বলছি)_
*আমি:* সম্ভব না, সে কখনো রাজি হবে না।
*মা:* কেন? তোর মতো হ্যান্ডসাম, লম্বা ছেলেকে পাত্তা দেবে না কেন? কিসের কমতি আছে আমার ছেলের মাঝে? টাকা-পয়সা, গাড়ি, বাড়ি, পড়াশোনা। সাত রাজার ধন আমার ছেলে।
*আমি:* মেয়েটা রাগী অনেক, তবে মন নরম। _(আমি মূলত মাকে, মায়ের কথাই বলছি)_
*মা:* তা বুঝতে পারলাম। তুই যখন মেয়েটাকে ভালোবাসিস, কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছিস?
*আমি:* কী সিদ্ধান্ত?
*মা:* মেয়েটাকে তোর মনের কথা বলার জন্য?
*আমি:* আমি অনেক চেষ্টা করেছি, কিন্তু বলতে পারি নাই। ভয় করে, মেয়েটা যদি রাগ করে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।
*মা:* আরে দূর, একবার বলে দেখ না কী হয়।
*আমি:* আমি জানি, সে কোনোদিন রাজি হবে না, উল্টো কথা বলা বন্ধ করে দেবে।
*মা:* বাহ, এত দেমাক মেয়েটার! তুই চিন্তা করিস না, তোকে মেয়েটা ফেরাবে না, আমার বিশ্বাস।
*আমি:* তুমি কীভাবে জানো?
*মা:* মন বলছে। তুই চেষ্টা কর, সফল হবি।
_(আমি মনে মনে হাসলাম, আর সেই চেষ্টা করে যেতে হবে তাহলে)_
*আমি:* তুমি যেহেতু বলছো, চেষ্টা করব।
*মা:* মেয়েটার বাড়ি কোথায়, ছবি দে দেখি।
*আমি:* এত কিছু এখন দেওয়া যাবে না, আগে মেয়েটা রাজি হোক, তারপর সব জানতে পারবে।
*মা:* তাড়াতাড়ি কর, ওই মেয়ে যদি রাজি হয়, তাহলে ওর সাথেই তোর বিয়ে দেব।
*আমি:* হ্যাঁ মা, সত্যি?
*মা:* সত্যি মানে সত্যি।
এইভাবে আমার আর মায়ের কথাবার্তা চলছে। হঠাৎ একদিন মা মেয়েটার বিষয়ে জানতে চাইল, বলেছি কি না। ঐদিন রাগের মাথায় মাকে সত্যিটা বলে দিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু ভয়, মা যদি কথা না বলে, যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়, আমাকে খারাপ ভাবে। তাহলে আমি তো থাকতে পারব না, মরা ছাড়া উপায় নেই... কিন্তু কতদিন পেটে এত বড় নিষিদ্ধ প্রেম, ভালোবাসা, দেহ পাওয়ার প্রেরণা মানতে পারব?
এর মাঝে মায়ের সাথে ইমন ছেলেটার দেখা হয়। ইমন মাকে হুমকি দেয়, মা যদি তার সাথে প্রেম করতে রাজি না হয়, মাকে তুলে নিয়ে যাবে। মা খুব ভয় পেয়ে যায়। বিষয়টা আমাকে বলে, কিন্তু লজ্জায় কাউকে শেয়ার করে নি।
আমি ঐদিন ইমনের ওপর চাপ দেই, মায়ের লাইফ থেকে শেষ করি। অস্ট্রেলিয়া থেকে সরাসরি ইমনকে কল দিই।
*ইমন:* হ্যালো, কে বলছেন?
*আমি:* আমি রাফি বলছি।
*ইমন:* কোন রাফি? চিনলাম না।
_(এখানে বলে রাখি, মায়ের যে ২৫ বছরের ছেলে আছে, সে যে অস্ট্রেলিয়াতে থাকে, এই বিষয় ইমন বা কলেজের কেউ জানত না। শুধু জানত নাজমা আক্তারের সংসার আছে, তাই সুযোগটা মিস করি নাই)_
*আমি:* নাজমাকে তুমি বিরক্ত করো কেন?
*ইমন:* মানে আপনি কে? নাজমা ম্যাডামের বিষয় আপনি কীভাবে জানেন?
*আমি:* আমি নাজমার হবু স্বামী, সামনে আমাদের বিয়ে।
*ইমন:* হা হা, মজা করেন? নাজমার তো স্বামী মারা গেছে...
*আমি:* তুমি সব জানো?
*ইমন:* মোটামুটি জানা আছে। আপনি আমাকে শাসন করতে এসেছেন? দেখে তো মনে হচ্ছে বয়স বেশি না।
*আমি:* রাখ তোর শাসন...
*ইমন:* তুই কে আমাকে হুমকি দিস...
*আমি:* আমি তোর বাপ, আমার বউয়ের দিকে নজর দিলে তোর খবর আছে।
*ইমন:* আচ্ছা তুই কে, তুই যে নাজমার নাগর, কী প্রমাণ আছে?
*আমি:* বিষয়টা বুঝতে পারি, তাই ঠান্ডা মাথায় গেম সাজাই, কারণ আমি যদি আমার মায়ের কোনো প্রমাণ দেখাই, তাহলে পরে মাকে সে ব্ল্যাকমেইল করতে পারে। আমি ইমনের বিষয়ে সব আগে খোঁজ নিয়ে নিয়েছি, সে রাজনীতি করে, ভালো ছেলে না।
*ইমন:* দেখ, তোর কথা আমি বিশ্বাস করি না, তোকে নাজমা ম্যাডাম পাঠিয়েছে।
*আমি:* হুম, আমি সব জানি, তুই আমার বউকে বিরক্ত করিস।
*ইমন:* আমার বিশ্বাস হলে প্রমাণ দে, তোদের মধ্যে সম্পর্ক আছে।
*আমি:* তোকে কী প্রমাণ দেব, তোকে কীভাবে সোজা করতে হয় আমার জানা আছে, এই বলে গালি দিয়ে কল কেটে দিলাম।
এলাকার বড়দের বলি যে আমার বউকে ছেলেটা বিরক্ত করে, আমি টাকা দেব, ছেলেটাকে উচিত শিক্ষা দেন যাতে কোনোদিন আমার বউয়ের পিছনে না পড়ে। এলাকার এক বড় ভাই আমার কাছে ২ লক্ষ টাকা দাবি করে, উনি ইমনকে ভালো করে চেনে, তাদের সাথে ইমনের ঝামেলা আরও আগে থেকে। আমি রাজি হয়ে ওনার অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দিলাম। ইমনকে তাদের দল রাস্তায় মুখে কাপড় বেঁধে তুলে নিয়ে গিয়ে ইচ্ছামতো মারে, হাত-পা, কোমর ভেঙে দেয়। তারপর হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ব্যান্ডেজ, ওষুধসহ দিয়ে ইমনকে বাসায় দিয়ে আসে। প্রায় ৬/৮ মাসের মতো ইমন আর দাঁড়াতে পারবে না, কারণ কোমরের হাড় ভেঙে গেছে। এটা পুরো পরিকল্পনা আমার ছিল। ইমন বুঝতে পারে না যে তাকে কে আক্রমণ করেছে। একদল তাকে মেরেছে, আরেক দল তাকেই বাঁচিয়ে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করিয়ে বাসা পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছে। আমার প্ল্যান ছিল অপারেশন করব, যাতে কেউ জানতে না পারে। ৬/৮ মাসের জন্য ইমনের প্যারা নিতে হবে না মায়ের।


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)