12-09-2026, 07:55 PM
(This post was last modified: 12-09-2026, 10:49 PM by রাক্ষস. Edited 2 times in total. Edited 2 times in total.)
পর্ব ৭
অবরোধের আর মাএ ৭ দিন বাকি। সাহেদ ঢাকার প্রায় চার পাঁচটা গদিতে মাছ চালান করে। যে গদিতে বেশি মাছ পাঠায় হঠাৎ কোরে সেইখানে তারা ঝামেলা করেছে। সাহেদের প্রায় (এক কোটি আশি লক্ষ) টাকার মত আটকিয়ে দিয়েছে। গদির মালিক জামাল সাহেবের মা মারা গিয়েছে তাকে ফোনে পাচ্ছে না। কিন্তু তার যে মেনেজার আছে, আবুল মিয়া, সে টাকা দিচ্ছে না। বলে মহাজনের চেকে সই দেয়া নাই সে অসুস্থ হয়ে পরেছে হসপিটালে আছে তাই কাউকেই টাকা দিতে পারতেছে না। তাই বিপদে পরে গেল সাহেদ, আজ তিন দিন ধরে টাকা গুলো সব আটকে আছে। অন্য অন্য গদির টাকা দিয়া পার্টি ঠিক রেখেছে। তাই সাহেদ ঢাকায় জাবার জন্য ঠিক করলো খুলনা থেকে সাহেদ রাতে ঢাকায় রওয়ানা দিয়েছে। মা বোন কে জানায় নি যে সাহেদ ঢাকায় জাচ্ছে। কারন সাহেদ চাইছিল গদির কাজ সেরে এঞ্জেল রিয়ার সাথে দেখা করবে। একবার দেখা হয়ে গেলে পড়ে ঢাকায় আসলে আর কোন সমস্যা হবে না। আর পরের দিন রওয়ানা দিয়ে ফিরে আসবে। গদিতে অনেক কাজ অবরোধের সময় বাকি নেই পার্টিদের টাকা পয়সা সব কিছ বুঝ দিতে হবে অবরোধের একদিন আগেই। তাছারা মাকে জদি এই সব কথা বলে তাহলে চিন্তা করবে। আর ঢাকায় আসতেছে শুনলে ওদের বাসায় জেতে হবে। আর ওদের বাসায় গেলে সময় লস হবে অবরোধে তো ওদের বাসায় আসবেই সাহেদ। তাই কিছুই জানায়নি মা আর বোনকে সাহেদ। রাত প্রায় বারোটা গাড়িতে বোসে বোসে সাহেদ ফেসবুক দেখেছে হঠাৎ দেখে এঞ্জেল রিয়া এক্টিভে হয়েছে।
অবুঝ বালক — কেমন আছ সোনা তোমার অপেক্ষাই ছিলাম।
এঞ্জেল রিয়া — আমি ভাল আছি, আজ এত আগে বাগে, ফেসবুকে কি খবর? প্রতিদিন তো আমি অপেক্ষা করি।
— মেসেঞ্জারে ফোন দেই ফোন রিসিভ করো।
— আচ্ছা দেও।
— হ্যাল কেমন আছ তুমি।
— হ্যা এই তো ভালো, কিন্তু হঠাৎ আজ ফোনে কথা কেন বলতে চাইছো বলতো।
— বলতে ইচ্ছে হল তাই।
— তুমি কি কোথাও যাচ্ছ? গাড়ির শব্দ আসছে খুব।
— আমি ঢাকায় আসতেছি তোমার সাথে দেখা করতে।
— কি বল সত্যি নাকি মিথ্যা বলছ?
— সত্যি তুমি কি পারবে কাল দুপুরের পরে ৩ টার দিকে দেখা করতে?
— সত্যি নাকি তুমি মিথ্যা বলছ?
— আমার সাথে কথা বোলে তোমার কি এতদিন তাই মনে হয়েছে?
— জানি না তবে কেমন জেন বুকটা ধরফর ধরফর করছে।
— পারবে কিনা তাই বল দেখা করতে।
— দাড়াও একটু চিন্তা করি।
— তুমি না চাইলে আমি তোমাকে জোর করবো না। কারন তোমার ইচ্ছা কেই আমি প্রধান্য দিব, কারন তুমি মেয়ে মানুষ তোমার ও তো সুযোগ থাকতে হবে। ভালো ভাবে চিন্তা কোরে তুমি আমাকে জানাও।
সাহেদ চিন্তা করে কাল দেখা না করলেও সমস্যা নেই এমনিতেই জামেলায় আছি, তাছারা অবরোধে তো বেশ কয়েকদিনের জন্য ঢাকায় বোনের বাসায় আসছেই হচ্ছে, তখন না হয় দেখা হবে।
— আচ্ছা দেখা করবো তুমি কোথায় দেখা করবে?
— আমি তোমাকে লোকেশন দিব।
— দেখা করলে যাত্রাবাড়ীর আসে পাসে করতে হবে মানে যাত্রাবাড়ীর ভেতরে করতে হবে।
— আমার ও একটু কাজ আছে যাত্রাবাড়ীর কাছেই, আচ্ছা সমস্যা নেই, আমার ওইখানে হোলেই ভাল হয়।
— আমার আজ রাতে আর ঘুম হবে না।
— কেন ঘুম হবে না?
— নার্ভাস ফিল করছি... আর সোন আমি কিন্তু ২ ঘন্টার বেশি এক মিনিট ও সময় দিতে পারবো না।
— কেন?
— শশুর বাড়ি থাকি তাদেরকে একটু কেনাকাটার কথা বোলে বোর হব।
— আচ্ছা তোমার বেশি সময় লস করবো না তবে আমি আর কিছু দিন পরে হাতে কয়েকদিন সময় নিয়ে আসবো তখন চুটিয়ে প্রেম করবো দুজনে।
— তুমি ছুটি পাবে?
— হ্যা তখন ১ মাসের ছুটি পাব।
— আচ্ছা তাহলে তো ভালই হয়।
— সোন পরিস্কার টরিস্কার কোরে রাখ কাল কিন্তু চুসে মধু খাব।
— আচ্ছা কোরে রাখবো।
— পিল টিল খাও তুমি? আমি কিন্তু কনডম ব্যবহার করতে ইচ্ছুক নই।
— খাইনা, তবে তা নিয়ে তোমার চিন্তা করতে হবে না সকালে বাজার করতে গেলে একটা ফার্মেসি থেকে আগেই নিয়ে রাখবো পিল।
— ওয়াও তোমার শরম করবে না ফারমেসিতে পিল চাইতে?
— আমি * পরে মুখোশ দিয়ে বাজারে যাই কে চিনবে আমাকে হুম।
— তাহলে কাল সকালেই একটা খেয়ে নিও আর আমার মধু কুঞ্জ সাফ করে রেখ।
— আচ্ছা সোনা পাখি আমি সব কোরে রাখবো
— সোন তুমি কাল কি পরে আসবে?
— * পরে আসবো আর ওইখানে যে পার্ক আছে না, তার সামনে অথবা, ওয়াসার সামনে, হোলেও খারাপ হয় না, এই দুই জায়গার এক জায়গায় দেখা হোলে ভাল হয়।
— আচ্ছা আমার কোন সমস্যা নেই সোনা।
আচ্ছা তুমি কি পোরে থাকবে?
— আমি তোমাকে সকালে জানাব আর হ্যা তুমি কিন্তু কাল তোমার এই ফেসবুক আইডি এক্টিভি রেখ।
— আচ্ছা রাখবো রাখবো।
— সোনা দেখি তোমাকে আজ একটু, ভিডিও কল দেই তুমি ধর ফোনটা, চিনতে সুবিধা হবে।
— না সোনা আর তো এ-ই রাতটা তার পরেই তো দেখা হবে তখন মন ভরে দেখ।
— কেন ভয় পাও নাকি এখনো নিজেকে দেখাতে?
— সোনা পাখি তোমাকে কতবার বলেছি বর্তমান সমাজ ভাল না সব জায়গায় ব্লাকমেইল, হ্যান ত্যান, টিভি অন করলেই প্রতিটা দিন এমন খবর সামনে পরবেই। তাই তোমার সাথে একবার সরাসরি দেখা হোক তারপরে দুজন দুজনকে চিনি। তার পরে সারাদিন ভিডিও কলে কথা বলতেও দিধা করবো না।
— আচ্ছা সোনা তাহলে তুমি ঘুমাও আর মেসেঞ্জার অন রাইখো জাতে তোমাকে পাই।
— আচ্ছা সোনা পাখি।
আর কিছুক্ষণ কথা বোলে ফোন রাখে এঞ্জেল রিয়া, চিন্তা করে লোকটার কন্ঠটা পরিচিত মনে হয় মাঝে মাঝে। কিন্তু তার বাড়ি রংপুর আমাদের পরিচিত কেউ আছে বোলেত আমার জানা নাই। ধুর কি ভাবছি আমি মানুষে কন্ঠের মত কন্ঠের অভাব আছে নাকি। আর ওয়াসা আমাদের বাড়ি থেকে প্রায় ৩ কিলো দুরে আর ওই দিকে যানজট ও কম ওইখানটাই বেটার মনে হয়।
চিন্তা করতে করতে কখন যে ঘুমের দুনিয়ায় হারিয়ে গেছে রিয়া তা সে নিজেও জানে না।
নতুন আপডেট আসবে আগামীকাল রাতে.......
অবরোধের আর মাএ ৭ দিন বাকি। সাহেদ ঢাকার প্রায় চার পাঁচটা গদিতে মাছ চালান করে। যে গদিতে বেশি মাছ পাঠায় হঠাৎ কোরে সেইখানে তারা ঝামেলা করেছে। সাহেদের প্রায় (এক কোটি আশি লক্ষ) টাকার মত আটকিয়ে দিয়েছে। গদির মালিক জামাল সাহেবের মা মারা গিয়েছে তাকে ফোনে পাচ্ছে না। কিন্তু তার যে মেনেজার আছে, আবুল মিয়া, সে টাকা দিচ্ছে না। বলে মহাজনের চেকে সই দেয়া নাই সে অসুস্থ হয়ে পরেছে হসপিটালে আছে তাই কাউকেই টাকা দিতে পারতেছে না। তাই বিপদে পরে গেল সাহেদ, আজ তিন দিন ধরে টাকা গুলো সব আটকে আছে। অন্য অন্য গদির টাকা দিয়া পার্টি ঠিক রেখেছে। তাই সাহেদ ঢাকায় জাবার জন্য ঠিক করলো খুলনা থেকে সাহেদ রাতে ঢাকায় রওয়ানা দিয়েছে। মা বোন কে জানায় নি যে সাহেদ ঢাকায় জাচ্ছে। কারন সাহেদ চাইছিল গদির কাজ সেরে এঞ্জেল রিয়ার সাথে দেখা করবে। একবার দেখা হয়ে গেলে পড়ে ঢাকায় আসলে আর কোন সমস্যা হবে না। আর পরের দিন রওয়ানা দিয়ে ফিরে আসবে। গদিতে অনেক কাজ অবরোধের সময় বাকি নেই পার্টিদের টাকা পয়সা সব কিছ বুঝ দিতে হবে অবরোধের একদিন আগেই। তাছারা মাকে জদি এই সব কথা বলে তাহলে চিন্তা করবে। আর ঢাকায় আসতেছে শুনলে ওদের বাসায় জেতে হবে। আর ওদের বাসায় গেলে সময় লস হবে অবরোধে তো ওদের বাসায় আসবেই সাহেদ। তাই কিছুই জানায়নি মা আর বোনকে সাহেদ। রাত প্রায় বারোটা গাড়িতে বোসে বোসে সাহেদ ফেসবুক দেখেছে হঠাৎ দেখে এঞ্জেল রিয়া এক্টিভে হয়েছে।
অবুঝ বালক — কেমন আছ সোনা তোমার অপেক্ষাই ছিলাম।
এঞ্জেল রিয়া — আমি ভাল আছি, আজ এত আগে বাগে, ফেসবুকে কি খবর? প্রতিদিন তো আমি অপেক্ষা করি।
— মেসেঞ্জারে ফোন দেই ফোন রিসিভ করো।
— আচ্ছা দেও।
— হ্যাল কেমন আছ তুমি।
— হ্যা এই তো ভালো, কিন্তু হঠাৎ আজ ফোনে কথা কেন বলতে চাইছো বলতো।
— বলতে ইচ্ছে হল তাই।
— তুমি কি কোথাও যাচ্ছ? গাড়ির শব্দ আসছে খুব।
— আমি ঢাকায় আসতেছি তোমার সাথে দেখা করতে।
— কি বল সত্যি নাকি মিথ্যা বলছ?
— সত্যি তুমি কি পারবে কাল দুপুরের পরে ৩ টার দিকে দেখা করতে?
— সত্যি নাকি তুমি মিথ্যা বলছ?
— আমার সাথে কথা বোলে তোমার কি এতদিন তাই মনে হয়েছে?
— জানি না তবে কেমন জেন বুকটা ধরফর ধরফর করছে।
— পারবে কিনা তাই বল দেখা করতে।
— দাড়াও একটু চিন্তা করি।
— তুমি না চাইলে আমি তোমাকে জোর করবো না। কারন তোমার ইচ্ছা কেই আমি প্রধান্য দিব, কারন তুমি মেয়ে মানুষ তোমার ও তো সুযোগ থাকতে হবে। ভালো ভাবে চিন্তা কোরে তুমি আমাকে জানাও।
সাহেদ চিন্তা করে কাল দেখা না করলেও সমস্যা নেই এমনিতেই জামেলায় আছি, তাছারা অবরোধে তো বেশ কয়েকদিনের জন্য ঢাকায় বোনের বাসায় আসছেই হচ্ছে, তখন না হয় দেখা হবে।
— আচ্ছা দেখা করবো তুমি কোথায় দেখা করবে?
— আমি তোমাকে লোকেশন দিব।
— দেখা করলে যাত্রাবাড়ীর আসে পাসে করতে হবে মানে যাত্রাবাড়ীর ভেতরে করতে হবে।
— আমার ও একটু কাজ আছে যাত্রাবাড়ীর কাছেই, আচ্ছা সমস্যা নেই, আমার ওইখানে হোলেই ভাল হয়।
— আমার আজ রাতে আর ঘুম হবে না।
— কেন ঘুম হবে না?
— নার্ভাস ফিল করছি... আর সোন আমি কিন্তু ২ ঘন্টার বেশি এক মিনিট ও সময় দিতে পারবো না।
— কেন?
— শশুর বাড়ি থাকি তাদেরকে একটু কেনাকাটার কথা বোলে বোর হব।
— আচ্ছা তোমার বেশি সময় লস করবো না তবে আমি আর কিছু দিন পরে হাতে কয়েকদিন সময় নিয়ে আসবো তখন চুটিয়ে প্রেম করবো দুজনে।
— তুমি ছুটি পাবে?
— হ্যা তখন ১ মাসের ছুটি পাব।
— আচ্ছা তাহলে তো ভালই হয়।
— সোন পরিস্কার টরিস্কার কোরে রাখ কাল কিন্তু চুসে মধু খাব।
— আচ্ছা কোরে রাখবো।
— পিল টিল খাও তুমি? আমি কিন্তু কনডম ব্যবহার করতে ইচ্ছুক নই।
— খাইনা, তবে তা নিয়ে তোমার চিন্তা করতে হবে না সকালে বাজার করতে গেলে একটা ফার্মেসি থেকে আগেই নিয়ে রাখবো পিল।
— ওয়াও তোমার শরম করবে না ফারমেসিতে পিল চাইতে?
— আমি * পরে মুখোশ দিয়ে বাজারে যাই কে চিনবে আমাকে হুম।
— তাহলে কাল সকালেই একটা খেয়ে নিও আর আমার মধু কুঞ্জ সাফ করে রেখ।
— আচ্ছা সোনা পাখি আমি সব কোরে রাখবো
— সোন তুমি কাল কি পরে আসবে?
— * পরে আসবো আর ওইখানে যে পার্ক আছে না, তার সামনে অথবা, ওয়াসার সামনে, হোলেও খারাপ হয় না, এই দুই জায়গার এক জায়গায় দেখা হোলে ভাল হয়।
— আচ্ছা আমার কোন সমস্যা নেই সোনা।
আচ্ছা তুমি কি পোরে থাকবে?
— আমি তোমাকে সকালে জানাব আর হ্যা তুমি কিন্তু কাল তোমার এই ফেসবুক আইডি এক্টিভি রেখ।
— আচ্ছা রাখবো রাখবো।
— সোনা দেখি তোমাকে আজ একটু, ভিডিও কল দেই তুমি ধর ফোনটা, চিনতে সুবিধা হবে।
— না সোনা আর তো এ-ই রাতটা তার পরেই তো দেখা হবে তখন মন ভরে দেখ।
— কেন ভয় পাও নাকি এখনো নিজেকে দেখাতে?
— সোনা পাখি তোমাকে কতবার বলেছি বর্তমান সমাজ ভাল না সব জায়গায় ব্লাকমেইল, হ্যান ত্যান, টিভি অন করলেই প্রতিটা দিন এমন খবর সামনে পরবেই। তাই তোমার সাথে একবার সরাসরি দেখা হোক তারপরে দুজন দুজনকে চিনি। তার পরে সারাদিন ভিডিও কলে কথা বলতেও দিধা করবো না।
— আচ্ছা সোনা তাহলে তুমি ঘুমাও আর মেসেঞ্জার অন রাইখো জাতে তোমাকে পাই।
— আচ্ছা সোনা পাখি।
আর কিছুক্ষণ কথা বোলে ফোন রাখে এঞ্জেল রিয়া, চিন্তা করে লোকটার কন্ঠটা পরিচিত মনে হয় মাঝে মাঝে। কিন্তু তার বাড়ি রংপুর আমাদের পরিচিত কেউ আছে বোলেত আমার জানা নাই। ধুর কি ভাবছি আমি মানুষে কন্ঠের মত কন্ঠের অভাব আছে নাকি। আর ওয়াসা আমাদের বাড়ি থেকে প্রায় ৩ কিলো দুরে আর ওই দিকে যানজট ও কম ওইখানটাই বেটার মনে হয়।
চিন্তা করতে করতে কখন যে ঘুমের দুনিয়ায় হারিয়ে গেছে রিয়া তা সে নিজেও জানে না।
নতুন আপডেট আসবে আগামীকাল রাতে.......


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)