11-09-2026, 10:49 PM
শিমু পেছনের দরজা দিয়ে বেরিয়ে সরু করিডোরে এল।
ডানদিকে একটা পুরনো কাঠের দরজা। উপরে লেখা—‘মহিলা’। একটাই টয়লেট। পাশেই আরেকটা দরজা। স্টোর রুম।
শিমু টয়লেটের দরজায় হাত দিল। দরজা খোলা। ভেতরে ঢুকে দরজা বন্ধ করল। ভেতরের দেয়ালে একটা ছোট্ট বাল্ব জ্বলছে। হালকা হলুদ আলো। মেঝে ভেজা। একটা ভাঙা আয়না আর পুরনো নিচু কমোড।
দরজার ভেতরের দিক থেকে শিমু ছিটকিনি লাগাল।
ক্লিক।
এদিকে রেস্টুরেন্টের ভেতরে সেই কিশোর ছেলেটা আর দাঁড়িয়ে রইল না।
শিমু যখন পেছনের দরজা দিয়ে বেরোল, ছেলেটা গামছাটা কাউন্টারে ছুড়ে দিল। তাড়াতাড়ি পা বাড়াল। করিডোর দিয়ে গিয়ে স্টোর রুমের দরজা খুলে ভেতরে ঢুকে গেল। দরজা আস্তে করে বন্ধ করল।
স্টোর রুম অন্ধকার।
তেলের ডিব্বা, পুরনো প্লাস্টিকের চেয়ার, ময়লা কাপড়ের বস্তা। হাওয়ায় ভারী গন্ধ। ছেলেটা অন্ধকারে হাতড়ে হাতড়ে পেছনের দেয়ালের দিকে গেল।
টয়লেটের পেছনের পার্টিশনটা পাতলা হার্ডবোর্ড।
মাঝখানে একটা সরু ছিদ্র। চিকন লোহার রড দিয়ে খোঁচা দিলে যেমন হয়। ছেলেটা এই ছিদ্র দিয়ে এর আগেও অনেক মেয়ে-মহিলাকে দেখেছে। কেউ জিন্স খুলেছে, কেউ শাড়ি তুলেছে, কেউ পাজামা নামাচ্ছে, কেউ প্লাজো খুলেছে, কেউ সালোয়ার নামিয়েছে, কেউ ব্রা খুলে বুক ধুয়েছে। প্রতিবারই সে একইভাবে হাঁটু গেড়ে বসেছে। আজও তাই করল।
হাঁটু গেড়ে বসল।
অন্ধকারে চোখটা ছিদ্রের কাছে নিয়ে গেল। একচোখ লাগিয়ে দিল।
ছিদ্র দিয়ে দেখা যাচ্ছিল টয়লেটের ভেতর।
হালকা হলুদ আলোয় শিমু দাঁড়িয়ে আছে। ছিটকিনি লাগানোর পর সে একটু পাশ ফিরেছে। পেছন দিক থেকে দেখা যাচ্ছে শুধু তার শার্টের টানটান বুকের দুই পাশ আর কোমরের লাইন। ভারী দুধ দুটো শার্টের নিচ দিয়ে গোল গোল আকৃতি নিয়ে আছে। কাপড় এত টানটান যে বুকের ভাঁজ পর্যন্ত বোঝা যাচ্ছে।
ছেলেটার চোখ আটকে গেল।
মনে মনে গজরাল—“আজকের মাগীটা ভালই বড়… দুধ দুটো এমন সাইজের যে খুবই কম দেখা যায়।”
শিমু টয়লেটের হাতলে ব্যাগ রাখল।
দুই হাত দিয়ে শার্টের নিচের অংশ উপরের দিকে টেনে তুলল। তারপর জিন্সের বোতামের দিকে হাত গেল। আঙুল দিয়ে বোতাম খুলল। ক্লিক। জিপার ধীরে ধীরে নামাল। জিন্স কোমর থেকে আলগা হল।
জিন্সের ভেতর থেকে গোলাপি প্যান্টির উপরের অংশ উঁকি দিল। গোলাপি ফিতা। সাদা কোমরের চামড়ার সঙ্গে গোলাপি রঙের কনট্রাস্ট। প্যান্টির কাপড় কোমরের নিচে টানটান।
ছেলেটার শ্বাস ভারী হয়ে গেল।
প্যান্টের ভেতর তার ধণ লোহার মতো শক্ত হয়ে টনটন করতে লাগল। আগের অনেকবারের মতোই। কিন্তু আজকের শরীরটা আরও ভারী, আরও গোল। সে একচোখ ছিদ্রে চেপে ধরে তাকিয়ে রইল।
শিমু জিন্স দুই হাত দিয়ে ধরে নিচে নামাল।
পেছন দিক থেকে দেখা যাচ্ছিল—পাছার উপরের অংশ গোলাপি প্যান্টির ওপর দিয়ে বেরিয়ে এল। গোল, টানটান মাংস। প্যান্টির কাপড় পাছার ফাঁকে সামান্য ঢুকে গেছে। শার্টের নিচ দিয়ে কোমরের সাদা চামড়া আর গোলাপি ফিতা স্পষ্ট।
ছেলেটার ধণ এখন পুরো শক্ত।
প্যান্টের কাপড় ঠেলে উঁচু হয়ে আছে। সে এক হাত দিয়ে ধনের উপর চাপ দিল। চোখ ছাড়ল না। মনে মনে বলল—“গোলাপি প্যান্টি… পাছা এত গোল… দুধ দুটো শার্টের ভেতর এখনও দুলছে…”
শিমু জিন্স আরও একটু নামিয়ে নিচু কমোডের দিকে এগোল।
শার্টের কাপড় সামনে এসে বুকের উপর আরও টান খেল। ভারী দুধ দুটো একটু নিচে নামল। পেছন থেকে শুধু শার্টের টান আর গোল আকৃতির নড়াচড়া দেখা যাচ্ছিল।
ছেলেটা ছিদ্র দিয়ে চোখ না সরিয়ে তাকিয়ে রইল।
অন্ধকার স্টোর রুমে তার ধণ লোহার মতো শক্ত হয়ে টনটন করছিল। আর একচোখ দিয়ে সে শিমুর শরীরের প্রতিটা নড়াচড়া খুবলে দেখছিল—শার্টের টানটান বুক, গোলাপি প্যান্টি, গোল পাছা।
এর আগেও অনেককে দেখেছে এই ছিদ্র দিয়ে।
কিন্তু আজকের মাগীর শরীরটা তার ধণকে আরও বেশি শক্ত করে দিয়েছিল।
ডানদিকে একটা পুরনো কাঠের দরজা। উপরে লেখা—‘মহিলা’। একটাই টয়লেট। পাশেই আরেকটা দরজা। স্টোর রুম।
শিমু টয়লেটের দরজায় হাত দিল। দরজা খোলা। ভেতরে ঢুকে দরজা বন্ধ করল। ভেতরের দেয়ালে একটা ছোট্ট বাল্ব জ্বলছে। হালকা হলুদ আলো। মেঝে ভেজা। একটা ভাঙা আয়না আর পুরনো নিচু কমোড।
দরজার ভেতরের দিক থেকে শিমু ছিটকিনি লাগাল।
ক্লিক।
এদিকে রেস্টুরেন্টের ভেতরে সেই কিশোর ছেলেটা আর দাঁড়িয়ে রইল না।
শিমু যখন পেছনের দরজা দিয়ে বেরোল, ছেলেটা গামছাটা কাউন্টারে ছুড়ে দিল। তাড়াতাড়ি পা বাড়াল। করিডোর দিয়ে গিয়ে স্টোর রুমের দরজা খুলে ভেতরে ঢুকে গেল। দরজা আস্তে করে বন্ধ করল।
স্টোর রুম অন্ধকার।
তেলের ডিব্বা, পুরনো প্লাস্টিকের চেয়ার, ময়লা কাপড়ের বস্তা। হাওয়ায় ভারী গন্ধ। ছেলেটা অন্ধকারে হাতড়ে হাতড়ে পেছনের দেয়ালের দিকে গেল।
টয়লেটের পেছনের পার্টিশনটা পাতলা হার্ডবোর্ড।
মাঝখানে একটা সরু ছিদ্র। চিকন লোহার রড দিয়ে খোঁচা দিলে যেমন হয়। ছেলেটা এই ছিদ্র দিয়ে এর আগেও অনেক মেয়ে-মহিলাকে দেখেছে। কেউ জিন্স খুলেছে, কেউ শাড়ি তুলেছে, কেউ পাজামা নামাচ্ছে, কেউ প্লাজো খুলেছে, কেউ সালোয়ার নামিয়েছে, কেউ ব্রা খুলে বুক ধুয়েছে। প্রতিবারই সে একইভাবে হাঁটু গেড়ে বসেছে। আজও তাই করল।
হাঁটু গেড়ে বসল।
অন্ধকারে চোখটা ছিদ্রের কাছে নিয়ে গেল। একচোখ লাগিয়ে দিল।
ছিদ্র দিয়ে দেখা যাচ্ছিল টয়লেটের ভেতর।
হালকা হলুদ আলোয় শিমু দাঁড়িয়ে আছে। ছিটকিনি লাগানোর পর সে একটু পাশ ফিরেছে। পেছন দিক থেকে দেখা যাচ্ছে শুধু তার শার্টের টানটান বুকের দুই পাশ আর কোমরের লাইন। ভারী দুধ দুটো শার্টের নিচ দিয়ে গোল গোল আকৃতি নিয়ে আছে। কাপড় এত টানটান যে বুকের ভাঁজ পর্যন্ত বোঝা যাচ্ছে।
ছেলেটার চোখ আটকে গেল।
মনে মনে গজরাল—“আজকের মাগীটা ভালই বড়… দুধ দুটো এমন সাইজের যে খুবই কম দেখা যায়।”
শিমু টয়লেটের হাতলে ব্যাগ রাখল।
দুই হাত দিয়ে শার্টের নিচের অংশ উপরের দিকে টেনে তুলল। তারপর জিন্সের বোতামের দিকে হাত গেল। আঙুল দিয়ে বোতাম খুলল। ক্লিক। জিপার ধীরে ধীরে নামাল। জিন্স কোমর থেকে আলগা হল।
জিন্সের ভেতর থেকে গোলাপি প্যান্টির উপরের অংশ উঁকি দিল। গোলাপি ফিতা। সাদা কোমরের চামড়ার সঙ্গে গোলাপি রঙের কনট্রাস্ট। প্যান্টির কাপড় কোমরের নিচে টানটান।
ছেলেটার শ্বাস ভারী হয়ে গেল।
প্যান্টের ভেতর তার ধণ লোহার মতো শক্ত হয়ে টনটন করতে লাগল। আগের অনেকবারের মতোই। কিন্তু আজকের শরীরটা আরও ভারী, আরও গোল। সে একচোখ ছিদ্রে চেপে ধরে তাকিয়ে রইল।
শিমু জিন্স দুই হাত দিয়ে ধরে নিচে নামাল।
পেছন দিক থেকে দেখা যাচ্ছিল—পাছার উপরের অংশ গোলাপি প্যান্টির ওপর দিয়ে বেরিয়ে এল। গোল, টানটান মাংস। প্যান্টির কাপড় পাছার ফাঁকে সামান্য ঢুকে গেছে। শার্টের নিচ দিয়ে কোমরের সাদা চামড়া আর গোলাপি ফিতা স্পষ্ট।
ছেলেটার ধণ এখন পুরো শক্ত।
প্যান্টের কাপড় ঠেলে উঁচু হয়ে আছে। সে এক হাত দিয়ে ধনের উপর চাপ দিল। চোখ ছাড়ল না। মনে মনে বলল—“গোলাপি প্যান্টি… পাছা এত গোল… দুধ দুটো শার্টের ভেতর এখনও দুলছে…”
শিমু জিন্স আরও একটু নামিয়ে নিচু কমোডের দিকে এগোল।
শার্টের কাপড় সামনে এসে বুকের উপর আরও টান খেল। ভারী দুধ দুটো একটু নিচে নামল। পেছন থেকে শুধু শার্টের টান আর গোল আকৃতির নড়াচড়া দেখা যাচ্ছিল।
ছেলেটা ছিদ্র দিয়ে চোখ না সরিয়ে তাকিয়ে রইল।
অন্ধকার স্টোর রুমে তার ধণ লোহার মতো শক্ত হয়ে টনটন করছিল। আর একচোখ দিয়ে সে শিমুর শরীরের প্রতিটা নড়াচড়া খুবলে দেখছিল—শার্টের টানটান বুক, গোলাপি প্যান্টি, গোল পাছা।
এর আগেও অনেককে দেখেছে এই ছিদ্র দিয়ে।
কিন্তু আজকের মাগীর শরীরটা তার ধণকে আরও বেশি শক্ত করে দিয়েছিল।


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)