08-09-2026, 07:14 PM
(08-09-2026, 06:05 PM)রাক্ষস Wrote: তারপর আবার খাতাটা সামনে টেনে নিলাম।ভাল শুরু। তবে বানানে নজর দিতে হবে।
এবার মন দিয়ে বাকি হিসাবগুলো শেষ করতে লাগলাম। কে কত টাকা পাবে, কার কাছ থেকে কত টাকা নিতে হবে সব এক এক করে মিলিয়ে নিলাম। দিনের সব হিসাব-নিকাশ শেষ করে যাদের যেটুকু পাওনা ছিল, সবার টাকা বুঝিয়ে দিলাম।
ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি, রাত হয়ে গেছে।
গদিতে কাজ করা একটা ছেলেকে ডাক দিলাম।
রফিক, আমি জিজ্ঞেস করলাম ওরা কি সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে?
— হ্যা ভাইয়া ওরা সুইছে।
— আচ্ছা ওদের ডাক দিয়ে গদি বন্ধ কর, আর তুই আমার জন্য বাজারে গিয়া খিচুড়ি নিয়ে আয়।
— আচ্ছা ভাইয়া জাচ্ছি, টাকা দেন।
— এই নে, তোরা খেয়েছিস সবাই?
— হ্যা খেয়েছি।
— শোন কাল থেকে তোদের সাথে আমার খাবার রান্না করবি, বাজার থেকে মিনিকেট চাল নিবি, মুদি খানায় আমার কথা বোলে ১ বস্তুা চাল নিয়ে নিস, চালের টাকা সব আমি দিব।
— ক্যান ভাইয়া মামানি কি খাবার পাঠাইবে না বাসা থেকে?
— ক্যান তুই জানস না মা (সাবিহার) ওইখানে গেছে। এবার একটু বেশি দিনের জন্য গেছে, আগে গেলে হোটেলে খেতাম কিন্তু হোটেলে খেলে পেটে সমস্যা হয় আমার।
— আচ্ছা ভাইয়া আপনি আমাদের সাথে খেলে আমরা একটু ভাল মন্ধ খেতে পারবো আপনার জন্য, এই তো মোটা চালের পরিবর্তে অলরেডি মিনিকেট চাল পাশ।
— হা হা হা আচ্ছা তোদের পাঁচজনের চাল, গ্যাস, আমার পক্ষ থেকে, মা আশার আগ প্রজন্ত ফ্রি বাকিটা তোরা করিস, মাছ তো গদিতেই আছে।
— হ্যা ভাইয়া।
— জলদি যা আমার পেটে ইঁদুর দৌড়ায়।
রফিক হাক দিয়ে ওদের গদি বন্ধ করতে বোলে চলে গেল।
রফিক, বাবুল, রিমন, মনির আর জহির। ওরা ৫ জন গদিতে কাজ করে, আমার কাউকে আলাদা বেতন দিতে হয় না, ওরা শুধু লেবাড়ি টাকা নেয়। থাকে-খায় গদিতেই, এই লেবাড়ি টাকায় ই ওদের দৈনিক হাজার বারোসো টাকার মত পড়ে। কোন কোন দিন বেশি চাপ থাকলে ২-৩ হাজার ছাড়িয়ে জায়। যে কয় জন কাজ করে এর মধ্যে রফিক আর রিমন ছোট আর বাকি সবাই বয়সে আমার থেকে বড়, তাই আমি ওদের দুজনকে দিয়ে একটু নিজের কাজ করিয়ে নেই।
রফিক আর রিমন গত বছর আমার বড় মামার রিকোয়েস্টে গদিতে ডুকেছে, বাকি তিন জন বাবার সময় থেকে গদিতে আছে।


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)