30-08-2026, 11:53 AM
বন্ধের দিন। দুপুরের খাবার খাচ্ছে লিজা।পাশে দাঁড়ানো জড়িনা। হাবভাবে কিছু বলতে চায়।
- কিছু বলবি?
মাথা নারে জরি।
- বল
চুপ থাকে জরিনা।
- কিরে বল।
- না মানে ম্যাডাম,সাহস হইতেছেনা
খাওয়া থামিয়ে জরির দিকে তাকায় লিজা।
- ঢং করিস না,কি বলবি তাড়াতাড়ি বল।
- ম্যাডাম, কতাটা জাকির ভাইরে নিয়া।
- জাকির? কি করছে সে?
- কিছু করে নাই
- তাহলে?
- তার এক অসুখ হইছে
- অসুখ? কি অসুখ? তাছাড়া অসুখ হলে ডাক্তারের কাছে যাবে,চিকিৎসা হবে, তোকে কেনো বলছে? টাকা লাগবে?
- আপনি তো জানেন ম্যাডাম,জাকির ভাই আমারে বোইন বানাইছে, তাই আমারে কইছে। শরমে আপনেরে কইতে পারে নাই।
- শরম? ঢং করিস না, কি হইছে বল। আচ্ছা তোকে বলতে হবে না। ওকে ডাক
- হে আইবোনা
- কেনো? না আসলে কিভাবে বুঝবো কি হইছে?আচ্ছা তুই বল কি হইছে?
- আমিতো বুঝিনা। তয় কইলো ব্যাডা মানুষের রোগ। ডাক্তার বলছে অনেক ট্যাকা লাগবো।
কথা আর বাড়ালো না লিজা।বুজছে যে জাকিরের পুরুষাঙ্গ বিষয়ক। নিজের হাসপাতালে পুরুষ ডাক্তার দিয়ে দেখিয়ে দেবে। জরিকে বলে
- চিন্তা করতে নিষেধ কর।দেখি কি করা যায়। মেডিকেলে নিয়ে যাবো।
খাওয়া শেষ করে বিছানায় শুয়ে পড়ে সে। কিন্তু মাথায় জাকিরের চিন্তা চলে আসে। তাকে যদি নিজের হাসপাতালে দেখায় আর যদি অনেক টাকা লাগে তাহলেতো এই টাকা নিজেকেই দেয়া লাগতে পারে ভদ্রতার খাতিরে,নাহলে হাসপাতালে তার সম্মান থাকবেনা।বাইরের হাসপাতালেই ভালো। কিন্তু এই ধরণের লোকেরা মিথ্যা কথা বলে টাকা নেয়। তাহলে কি করা যায়? সে নিজে একবার দেখবে নাকি?
হাসপাতালে তো কত পুরুষের ধন দেখে মনিটরে আর এখানে নিজের বাসায়। ঘুম আসছে তার।ঘুমিয়ে গেলো।
সন্ধ্যা ৭ টায় নীল সিল্কের শাড়ী পড়ে বেরোলো বান্ধবীর বাসার উদ্দেশ্য নিয়ে দাওয়াতে অংশগ্রহণ করতে। টাইট করে শাড়ী পড়ায় উন্নত বুক দেখে জাকিরের ধন খাঁড়া। উফফ কবে যে খাবে ওই দুদু…
- কিছু বলবি?
মাথা নারে জরি।
- বল
চুপ থাকে জরিনা।
- কিরে বল।
- না মানে ম্যাডাম,সাহস হইতেছেনা
খাওয়া থামিয়ে জরির দিকে তাকায় লিজা।
- ঢং করিস না,কি বলবি তাড়াতাড়ি বল।
- ম্যাডাম, কতাটা জাকির ভাইরে নিয়া।
- জাকির? কি করছে সে?
- কিছু করে নাই
- তাহলে?
- তার এক অসুখ হইছে
- অসুখ? কি অসুখ? তাছাড়া অসুখ হলে ডাক্তারের কাছে যাবে,চিকিৎসা হবে, তোকে কেনো বলছে? টাকা লাগবে?
- আপনি তো জানেন ম্যাডাম,জাকির ভাই আমারে বোইন বানাইছে, তাই আমারে কইছে। শরমে আপনেরে কইতে পারে নাই।
- শরম? ঢং করিস না, কি হইছে বল। আচ্ছা তোকে বলতে হবে না। ওকে ডাক
- হে আইবোনা
- কেনো? না আসলে কিভাবে বুঝবো কি হইছে?আচ্ছা তুই বল কি হইছে?
- আমিতো বুঝিনা। তয় কইলো ব্যাডা মানুষের রোগ। ডাক্তার বলছে অনেক ট্যাকা লাগবো।
কথা আর বাড়ালো না লিজা।বুজছে যে জাকিরের পুরুষাঙ্গ বিষয়ক। নিজের হাসপাতালে পুরুষ ডাক্তার দিয়ে দেখিয়ে দেবে। জরিকে বলে
- চিন্তা করতে নিষেধ কর।দেখি কি করা যায়। মেডিকেলে নিয়ে যাবো।
খাওয়া শেষ করে বিছানায় শুয়ে পড়ে সে। কিন্তু মাথায় জাকিরের চিন্তা চলে আসে। তাকে যদি নিজের হাসপাতালে দেখায় আর যদি অনেক টাকা লাগে তাহলেতো এই টাকা নিজেকেই দেয়া লাগতে পারে ভদ্রতার খাতিরে,নাহলে হাসপাতালে তার সম্মান থাকবেনা।বাইরের হাসপাতালেই ভালো। কিন্তু এই ধরণের লোকেরা মিথ্যা কথা বলে টাকা নেয়। তাহলে কি করা যায়? সে নিজে একবার দেখবে নাকি?
হাসপাতালে তো কত পুরুষের ধন দেখে মনিটরে আর এখানে নিজের বাসায়। ঘুম আসছে তার।ঘুমিয়ে গেলো।
সন্ধ্যা ৭ টায় নীল সিল্কের শাড়ী পড়ে বেরোলো বান্ধবীর বাসার উদ্দেশ্য নিয়ে দাওয়াতে অংশগ্রহণ করতে। টাইট করে শাড়ী পড়ায় উন্নত বুক দেখে জাকিরের ধন খাঁড়া। উফফ কবে যে খাবে ওই দুদু…


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)