12-08-2026, 10:53 PM
যেহেতু রাশেদ আনিকার জীবনে ঢুকে গেছে এবং সেক্সুয়াল আর্জের কারণে সম্পর্ক তৈরি হলেও এখন একটা মানসিক সম্পর্কের দিকে চলে গেছে বিভিন্ন সময়ের কথা ও মানসিক টান এগুলোতে বোঝা যায়। রাশেদ মানসিক চাপ সেভাবে নিতে না পারলেও আনিকার প্রতি তার যে আবেগ কাজ করে সেই আবেগটা ভালোবাসার প্রেমের এখানে কামনার জায়গাটা আসতে আসতে ভালোবাসায় রূপ নিচ্ছে, তাই গল্পের নায়ক রাশেদ আর নায়িকা আনিকাই থাক। হত্যা রহস্যটা যেভাবে লিখতে চাচ্ছেন লিখেন এবং রাশেদ আনিকার ভালোবাসাটা একটা রোমান্টিক পরিবেশের মধ্য দিয়ে সুন্দর পরিসমাপ্তির দিকে গেলেই ভালো হবে। এখানে শুধু সেক্স না একটা সাহিত্যিকের যেরকম লেখার মধ্যে রসদ থাকে আপনার লেখায় সব ধরনের রসদ ছিল বা আছে তাই গল্পটার সার্থকতা তখনই হবে যখন এর ভিতরে অন্য কোন নোংরামি আর ঢুকবে না। কিন্তু যদি এর ভিতরে আরো নতুন ষড়যন্ত্র কিংবা কিছু আবাল লিখছে দেখলাম কাকওল্ড অন্য কোন পুরুষকে নিয়ে আসা তাহলে গল্পটার সুন্দর্য নষ্ট হবে। চারিত্রিক দ্রুততা না থাকলে আনিকার জীবনে সাফল্য আসার কথা নয় বা একটা কোম্পানির সিইও হওয়ার কথা নয় তাই সেই জায়গা থেকে আনিকার চরিত্র ব্যক্তিত্ব এখন যেমনটা আছে এটাই ধরে রাখা উচিত, কিন্তু যদি বহুগামীতা দেখানো যায় তাহলে মনে হবে যে আগা গোড়ায় আসলে চরিত্র খারাপ ছিল আনিকার বা দোষ সব আনিকার। কিন্তু শুরু থেকে পড়লে দেখা যায় যে নিছক আকর্ষণ বা ফ্যান্টাসির জায়গায় আর সম্পর্কটা নাই সেখানে শরীরের প্রেম এখন মনে বাসা বেধেছে রাশেদের প্রতি অধিকার নির্ভরতা রাশেদের আনিকাকে মিস করা, আনিকার হাত থেকে বাঁচতে চেয়ে আবার আনিকার জন্য বরিশালে চলে যাওয়া এসব কিছুই একটা দিকে নিয়ে যায় যেখানে একজন নারী তার সকল শূন্যতা গুলো রাশেদকে কেন্দ্র করে গুছিয়ে ফেলে। আর সারা জীবন একজন ভীতু কিংবা কেরানি টাইপের রাশেদ আনিকার সহচর্যে নিজের জীবন বদলে ফেলে বা ধরা যায় মধ্যবয়সিনির সাহচর্যে জীবনের পরিবর্তন । এভাবে শেষ করা গেলে ভালো লাগবে এটা অবশ্য আমার বিবেচনা বোধ থেকে বা আমি গল্পটাকে পড়ে আমার যা মনে হয়েছে। তবে রাশেদ যেহেতু একটা মিডিয়া সাইসে কাজ করে তাই রাশেদের পার্সোনালিটি আরো একটু স্ট্রং হওয়ার কথা ছিল, পুলিশের নাম শুনেই সে কেন থতিয়ে যাবে কিংবা ভয় পাবে এটাও একটি বিষয়। আনিকার সহচর্যে তার এই ব্যক্তিত্বের পরিবর্তন হওয়াও দরকার। যেখানে একটা স্মার্ট মুভ নতুন দিক দিবে এবং আনিকাও রাশেদের উপর নির্ভর করতে চাইবে। কারণ সকল নারী যেকোনো সময়ই যতই সাবলম্বী হোক নিজের পার্টনারকে সাপোর্টিভ ব্যক্তিত্ববান হিসেবেই দেখতে চায়। এভাবে শেষ হইলে মন্দ হয় না। তার পরেও দিনশেষে লেখা আপনার এটা আপনার সৃষ্টি আপনি এর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবেন। আর লিখতে গেলে আসলে কখনো বাঁধাধরা নিয়ম মেনে লেখা হয় না কারণ প্লট যখন যা মাথায় আসে সেভাবেই লেখা তার নিজস্ব গতিপথ খুঁজে নেয়। শুধুমাত্র কপিবাজ নকল রাইটারদের ক্ষেত্রে সেটা হয়তো ভিন্ন হয় কিন্তু প্রকৃত লেখকের লেখা কোন নির্দিষ্ট গৎ বাধা নিয়মে শেষ হয় না বা করা কখনো সম্ভবই নয়। ধন্যবাদ আপনাকে মতামত জানতে চাওয়ার জন্য। আপনার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি, আশা করি দ্রুত আপডেট পাওয়া যাবে।


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)