01-08-2026, 11:04 AM
বর্ষাকাল।সকাল থেকে গুড়ি গুড়ি বৃস্টি হচ্ছে। ঢাকার বিজয় সরনীরপাশের ফুটপাথ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে ব্যবসায়ী জাকির। বয়স ৩৫।সুঠামদেহ। ফার্মগেট এলাকায় তার জুয়েলারি ব্যবসা।গিয়েছিলো কচুক্ষেত।আসার সময় হলার গাড়ী নস্ট হয়ে যাওয়ায় হেঁটেই ফিরছে। কিছুটা বিরক্তসে।
- এই জাকির, জাকির
হঠাৎ নিজ নামের ডাক শুনে পেছনে ফিরে দেখে জামাল সাহেবতার ছাত্রীর বাবা। ছাত্র থাকা অবস্থায় উনার মেয়ে নীলাকেপড়াতো সে। ছাত্রী হিসেবে খুব একটা ভালো ছিলো না নীলা।আহামরি সুন্দরি না হলেও এলাকার ছেলেদের ঘুরানোর একআশ্চর্যজনক ক্ষমতা ছিলো তার। কিছুটা ছেলে ঘশা স্বভাবেরনীলা। তাই মাঝে মাঝে সুযোগ বুঝে তাকে মারার অযুহাতে জাকিরনীলার গাঁয়ে হাত দিতো। দুধ টিপে দিতো।নীলা মেট্রিক পাশ করারপর জাকির আর যায়নি ওদের বাসায়। নীলাকে ক্লাস সেভেন থেকেজাকির পড়িয়েছে,তাই নীলার পরিবারের সাথে ওর বেশ ভালোসম্পর্ক। স্বভাবে লুইচ্চা হলেও মুরব্বিদের বেশ ভালো সম্মান করেজাকির। তাই নীলার বাবা মাও জাকিরকে ভদ্র ছেলে হিসেবে জানে।নীলার বাবা সরকারি ৩য় শ্রেনীর কর্মচারি। সিবিএ নেতা।তাইখেয়াল খুশি মতো অফিস করে। যাই হোক জামাল সাহেবকে দেখেজাকির সালাম দিয়ে হাসি মুখে জানতে চায়
- আংকেল.কেমন আছেন?
- আমরাতো ভালো, তুমিতো আমাদের ভূলেই গেছো। কোন খোঁজখবর নাও না?
- আসলে আংকেল ভূলিনি, সময় হয়ে উঠেনা। তো বাসার সবাইকেমন আছে?
- ভালো। এদিকে কই যাচ্চো?
- দোকানে, গারী নস্ট হওয়ায় হেটেই যাচ্ছি।
- ভালো হইছে তোমার সাথে দেখা হয়ে। চলো বাসায় চলো।
- আজ থাক আংকেল। অন্যদিন
- তুমি আর আসছো?তোমার আন্টি বাসায় নেই। বাপের বাড়ি গেছে।বাসায় নীলা আর ওর বাচ্চাটা।
- ও, নীলার হাসবেন্ড কি করে?
- ওই হারামজাদার কথা আর বইলোনা, আমার মেয়ের জীবনটাই নস্টকইরা দিছে।
- কেন, কি হইছে আংকেল?
- বেকার পোলা,কোন কাজ করেনা। নেশা করে, মাইয়াটারে পিডায়।শেশে না পাইরা আইজ বছরখানিক এখানে। ডিভোর্স হইয়া গেছে।
- আহারে, তা বেকার ছেলের কাছে বিয়া দিলেন কেন?
- আরে আমরা দিছি নাকি? তোমার ছাত্রী নিজেই পালাইয়া বিয়াকরছে।
- অহো
- চলো বাসায় চলো। ছাতার বৃস্টি বাড়তেছে।
জামাল সাহেবের জোড়াজুড়িতে জাকির গেলো তাদের বাসায়।তেজকুনিপাড়ায় সরকারি কোয়ার্টারের তিন তলায় বাসা।
বাসার সামনে এসে কলিংবেল বাজায় জামাল। দড়জা খুলে নীলা।পরনে সবুজ রংয়ের শাড়ি, কালো ব্লাউজ। গাঁয়ের রঙ শ্যামলবর্ণের হলেও যৌবন উপচে পড়ছে। বিশাল উন্নত দুধ শাড়ীর আঁচলঢাকতে পারছে না।
-এই যে নীলা,দেখ কাঁকে নিয়া আসছি।
জামাল সাহেবের পিছনে জাকিরকে দেখে নীলা খুশিতে চিৎকারদিয়ে উঠে।
- জাকির স্যার!!!
- কেমন আছো নীলা?
- ভালো আছে স্যার, কি সৌভাগ্য আমাদের, গরীবের ঘরে হাতির পা।
- আরে ধুর কি যে বলো
- আসেন স্যার, বসেন।
ঘরে ঢুকে জামাল আর জাকির।
- নীলা, ভালো নাস্তার আয়োজন কর। কতদিন পর ছেলেটাআসলো।
- শুধু নাস্তা না বাবা,স্যার দুপুরে খেয়েও যাবে।
- আরে নাহ, দুপুরের খাবারের দরকার নেই
- আরেহ স্যার,কোন কথা শুনবো না। যতোদিন পড়াইছেন, খবরদারীকরছেন। আজ আমার পালা।
নীলার কথা শুনে হেসে উঠে জামাল,জাকির।
- আচ্ছা,ঠিক আছে। খাবার দাবার পড়ে হবে। বসো কথা বলি।
- আমি শরবত নিয়া আসি।
নীলা ভিতরে চলে যায় উন্নত পাছার ঢেউ তুলে যা দেখে জাকিরেরধন দাঁড়াতে থাকে।দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর পরে দেখা। নীলারযৌবনপুস্ট শরীর তাকে আনন্দ দেয়। যেহেতু ডিভোর্সি, একটুবাজালেই তাকে বিছানায় নেয়া যাবে।কারণ ছেলেঘেষা স্বভাবতোতার ছিলোই।স্বভাব পরিবর্তন না হইলেই হইছে।
হঠাৎ মুষলধারে বৃস্টি শুরু হইছে।
- তুমি একটু বসো বাবা, আমি আসছি।
এইবলে জামাল সাহেব ভিতরে চলে গেলো।
প্রায় ৫/৬ মিনিট পর বাবা মেয়ে দুইজনেই আসলো। নীলার হাতেচা আর বিস্কুটের ট্রে।
- নেন স্যার চা খান, হালকা নাস্তা, কিছুক্ষন পর দুপুরের ভারি খাবার।
- আরে এতো কিছুর দরকার ছিলোনা। আংকেল বল্লো তোমার একছেলে,কই সে?
- আম্মা নিয়ে গেছে, ছেলে আমার নানির নেওটা।
এই সময় জামাল সাহেবের ফোন।রিসিভ কতেই কিছুক্ষন হ্যা, আসছি বলেও ফোন রেখে দিলেন।
- কোন সমস্যা আংকেল?
- আরে নাহ, তুমি বসো।গল্প করো,আমি ১/২ ঘন্টার মাঝে আসছি।
- চলেন আমিও যাই
- না না তুমি থাকো। একসাথে ভাত খাবো।এই নীলা, জাকিরের যত্নআত্তি ঠিকমতো করিস। ও যা ছেলে,আজ চলে গেলে আরপাবিনা।
- তুমি চিন্তা করো না বাবা,এতোদিন পর স্যারকে পেলাম, এতোতাড়াতাড়ি কিছাড়ি? তুমি তাড়াতাড়ি এসো।
জামাল সাহেব চলে গেলেন।
দরজা বন্ধ করে নীলা এসে বসে জাকিরের পাশে।
- এই জাকির, জাকির
হঠাৎ নিজ নামের ডাক শুনে পেছনে ফিরে দেখে জামাল সাহেবতার ছাত্রীর বাবা। ছাত্র থাকা অবস্থায় উনার মেয়ে নীলাকেপড়াতো সে। ছাত্রী হিসেবে খুব একটা ভালো ছিলো না নীলা।আহামরি সুন্দরি না হলেও এলাকার ছেলেদের ঘুরানোর একআশ্চর্যজনক ক্ষমতা ছিলো তার। কিছুটা ছেলে ঘশা স্বভাবেরনীলা। তাই মাঝে মাঝে সুযোগ বুঝে তাকে মারার অযুহাতে জাকিরনীলার গাঁয়ে হাত দিতো। দুধ টিপে দিতো।নীলা মেট্রিক পাশ করারপর জাকির আর যায়নি ওদের বাসায়। নীলাকে ক্লাস সেভেন থেকেজাকির পড়িয়েছে,তাই নীলার পরিবারের সাথে ওর বেশ ভালোসম্পর্ক। স্বভাবে লুইচ্চা হলেও মুরব্বিদের বেশ ভালো সম্মান করেজাকির। তাই নীলার বাবা মাও জাকিরকে ভদ্র ছেলে হিসেবে জানে।নীলার বাবা সরকারি ৩য় শ্রেনীর কর্মচারি। সিবিএ নেতা।তাইখেয়াল খুশি মতো অফিস করে। যাই হোক জামাল সাহেবকে দেখেজাকির সালাম দিয়ে হাসি মুখে জানতে চায়
- আংকেল.কেমন আছেন?
- আমরাতো ভালো, তুমিতো আমাদের ভূলেই গেছো। কোন খোঁজখবর নাও না?
- আসলে আংকেল ভূলিনি, সময় হয়ে উঠেনা। তো বাসার সবাইকেমন আছে?
- ভালো। এদিকে কই যাচ্চো?
- দোকানে, গারী নস্ট হওয়ায় হেটেই যাচ্ছি।
- ভালো হইছে তোমার সাথে দেখা হয়ে। চলো বাসায় চলো।
- আজ থাক আংকেল। অন্যদিন
- তুমি আর আসছো?তোমার আন্টি বাসায় নেই। বাপের বাড়ি গেছে।বাসায় নীলা আর ওর বাচ্চাটা।
- ও, নীলার হাসবেন্ড কি করে?
- ওই হারামজাদার কথা আর বইলোনা, আমার মেয়ের জীবনটাই নস্টকইরা দিছে।
- কেন, কি হইছে আংকেল?
- বেকার পোলা,কোন কাজ করেনা। নেশা করে, মাইয়াটারে পিডায়।শেশে না পাইরা আইজ বছরখানিক এখানে। ডিভোর্স হইয়া গেছে।
- আহারে, তা বেকার ছেলের কাছে বিয়া দিলেন কেন?
- আরে আমরা দিছি নাকি? তোমার ছাত্রী নিজেই পালাইয়া বিয়াকরছে।
- অহো
- চলো বাসায় চলো। ছাতার বৃস্টি বাড়তেছে।
জামাল সাহেবের জোড়াজুড়িতে জাকির গেলো তাদের বাসায়।তেজকুনিপাড়ায় সরকারি কোয়ার্টারের তিন তলায় বাসা।
বাসার সামনে এসে কলিংবেল বাজায় জামাল। দড়জা খুলে নীলা।পরনে সবুজ রংয়ের শাড়ি, কালো ব্লাউজ। গাঁয়ের রঙ শ্যামলবর্ণের হলেও যৌবন উপচে পড়ছে। বিশাল উন্নত দুধ শাড়ীর আঁচলঢাকতে পারছে না।
-এই যে নীলা,দেখ কাঁকে নিয়া আসছি।
জামাল সাহেবের পিছনে জাকিরকে দেখে নীলা খুশিতে চিৎকারদিয়ে উঠে।
- জাকির স্যার!!!
- কেমন আছো নীলা?
- ভালো আছে স্যার, কি সৌভাগ্য আমাদের, গরীবের ঘরে হাতির পা।
- আরে ধুর কি যে বলো
- আসেন স্যার, বসেন।
ঘরে ঢুকে জামাল আর জাকির।
- নীলা, ভালো নাস্তার আয়োজন কর। কতদিন পর ছেলেটাআসলো।
- শুধু নাস্তা না বাবা,স্যার দুপুরে খেয়েও যাবে।
- আরে নাহ, দুপুরের খাবারের দরকার নেই
- আরেহ স্যার,কোন কথা শুনবো না। যতোদিন পড়াইছেন, খবরদারীকরছেন। আজ আমার পালা।
নীলার কথা শুনে হেসে উঠে জামাল,জাকির।
- আচ্ছা,ঠিক আছে। খাবার দাবার পড়ে হবে। বসো কথা বলি।
- আমি শরবত নিয়া আসি।
নীলা ভিতরে চলে যায় উন্নত পাছার ঢেউ তুলে যা দেখে জাকিরেরধন দাঁড়াতে থাকে।দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর পরে দেখা। নীলারযৌবনপুস্ট শরীর তাকে আনন্দ দেয়। যেহেতু ডিভোর্সি, একটুবাজালেই তাকে বিছানায় নেয়া যাবে।কারণ ছেলেঘেষা স্বভাবতোতার ছিলোই।স্বভাব পরিবর্তন না হইলেই হইছে।
হঠাৎ মুষলধারে বৃস্টি শুরু হইছে।
- তুমি একটু বসো বাবা, আমি আসছি।
এইবলে জামাল সাহেব ভিতরে চলে গেলো।
প্রায় ৫/৬ মিনিট পর বাবা মেয়ে দুইজনেই আসলো। নীলার হাতেচা আর বিস্কুটের ট্রে।
- নেন স্যার চা খান, হালকা নাস্তা, কিছুক্ষন পর দুপুরের ভারি খাবার।
- আরে এতো কিছুর দরকার ছিলোনা। আংকেল বল্লো তোমার একছেলে,কই সে?
- আম্মা নিয়ে গেছে, ছেলে আমার নানির নেওটা।
এই সময় জামাল সাহেবের ফোন।রিসিভ কতেই কিছুক্ষন হ্যা, আসছি বলেও ফোন রেখে দিলেন।
- কোন সমস্যা আংকেল?
- আরে নাহ, তুমি বসো।গল্প করো,আমি ১/২ ঘন্টার মাঝে আসছি।
- চলেন আমিও যাই
- না না তুমি থাকো। একসাথে ভাত খাবো।এই নীলা, জাকিরের যত্নআত্তি ঠিকমতো করিস। ও যা ছেলে,আজ চলে গেলে আরপাবিনা।
- তুমি চিন্তা করো না বাবা,এতোদিন পর স্যারকে পেলাম, এতোতাড়াতাড়ি কিছাড়ি? তুমি তাড়াতাড়ি এসো।
জামাল সাহেব চলে গেলেন।
দরজা বন্ধ করে নীলা এসে বসে জাকিরের পাশে।


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)