25-07-2026, 10:05 PM
যাই হোক কাহিনীতে এই প্রথম actual thrill এর সূত্রপাত হলো বলা চলে। ফটোগ্রাফের পিছনের শব্দ "মরীচিকা" থেকে মনে হয় এই থ্রেডের টাইটেল মরীচিকা ও মোহময়ী কানেক্টেড। বিদিশার পার্টটা এক্সাইটিং ছিলো। তবে ব্রেকফাস্ট এর বর্ণনা আমার খুব বোরিং লেগেছে।আগেক লং ছিল। আর থ্রিলার গল্পে থ্রিলটাই মূল বিষয় , এত দীর্ঘ বর্ণনা মনে হয় না significant।
অয়নের অজ্ঞাতবাস ফাইনালি শেষ।মেঘাচ্ছন্ন জীবনে আবার আশার আলো দেখা দিয়েছে। যখন সে কলেজ প্রবেশ করে তখন তার pov তে আমার কলেজের বর্ণনা পাই।এর আগের কোনো চ্যাপ্টারে এত নিখুঁত বিবরণ ছিল না কলেজের। তবে এখানে আমি একটুও বোর হয়নি।কোনো স্থানের বর্ণনা কখনও আমাকে বোর করে না। আর্টস বিভাগের সাথে ভিক্টোরিয়ান গথিক এবং সায়েন্সের সাথে মডার্ন আর্কিটেকচার এর সাম্যতা অঙ্কন করে দুটোর বৈপরীত্য দেখানো হয়েছে।আমর মতে গথিক ভিক্টোরিয়ান আর্কিটেকচার আপনার পছন্দের।আমারও same। কলেজের ক্যাম্পাসে যা বর্ণনা দিলেন এ মনে হয় হাওয়ার্ড না স্ট্যান্ডফোর্ড লেভেলের। আর বারো তলা বিল্ডিং একটু বেশি হয়ে গেলো না।
তবে অয়ন এখন আর কোনো immature brat না দোজোতে সে জীবন সম্পর্কে ভালো শিক্ষা নিয়েছে। জীবনের আগামী সমস্যার সমাধানে সে আর হঠকারিতা দেখাবে না। তবে mr প্রধান বা রৌনককে পুরো irrelevent বানাবেন না।ভবিষ্যতে তাদেরকে আরও দেখতে চাই। সুরঞ্জনার অয়নকে টিজ করাটা একটু কমেডি রিলিফ ছিলো।মাঝে মাঝে এরকম কিছু সিন রাখবেন । কোনো সিরিয়াস চরিত্রকে যদি কেউ এভাবে টিজ করে বেশ মজা লাগে দেখে।তবে কলেজ কোনো গরীব নেই।সবাই কি এলিট ।
আর ভাই ফাইনালি কোনো শ্যামলা বর্ণের সুন্দরী আমার দেখলাম। নাহলে সব চাটি কাহিনীতে ক্যারেক্টার দুধের মতো ফর্সা।শ্যামলা বা কালো হলেও তো সুন্দরী হয়।এছাড়াও মোটাসোটা বা পাতলা মেয়েও দেখা যায় না।সবার ফিগার একদম নিখুঁত।
তবে সবচেয়ে আশ্চর্য হয়েছি আমি অরুন এর চরিত্রে।কাহিনীতে শুরুতে তাকে এক লাভিং হাজবেন্ড হিসেবে দেখানো হয়েছে। অরুন ও বিদিশার প্রেম বিবাহ তাও আবার সাত বছর রিলেশনে। বিদিশার ও তার মধ্যে দূরত্বের কারণ হিসেবে অরুণের অপরাধবোধ কে দেখানো হয়েছে ।সে ইতালির রাতের ব্যাপারে না জানলেও তার অনুপস্থিতিতে কিছু একটা ঘটেছে সে সেটা আন্দাজ করতে পেরেছিল।তাই নিজের রক্ষাকর্তা হিসেবে ভূমিকা না নেভানোর জন্য সে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিল।
আমার তার প্রতি একটা sympathy ছিল।কিন্তু আজকের অধ্যায়ে সেই ধারণা পুরো বদলে গেলো। তার বিদিশার প্রতি মনোভাব বা আচরণ জাস্ট অসহনীয়। আচমকা এই ফেরবদল কীকরে হলো। বিয়ের এত বছর পর প্রেম কী উবে গেলো । তিন বছর আগে ডেইরি পড়ার জন্য যেভাবে অরুন তাকে বকে এটা তো হবার কথা নয়। তার থেকে স্ট্রেঞ্জ বিষয় হলো যখন বিদিশা এই স্মৃতি স্মরণ করে তার মুখে তির্যক হাসি দেখা যায়। বিদিশা নিশ্চয় কী গোপন ব্যাপার জেনেছে। বিদিশাকে দেখে এই প্রথম ক্রিপি লেগেছে আমার। অরুণকে কি আমরা কোনো একজন আদর্শ পিতা বা স্বামী হিসেবে দেখবো পরে? সে কি নিজের স্ত্রী কে বোঝার চেষ্টা করবে ? বা আপাত ভাঙে সংসার জোড়া লাগানোর জন্য কোনো স্টেপ নেবে।অরুন যতই বাসিনেস এ সফল হোক বিনা পরিবারে তার চরেক্টের আর্ক সম্পূর্ণ হবে না। না fuck off attitude নিয়ে তার আগের জার্নি কন্টিনিউ করবে। হ্যাঁ তবে অরুন ঠিকঠাক হলে তো বিদিশার বা অয়নের চরিত্রে সমুন্নাতি দেখানো যাবে না।অরুন আবসেন্স বলেই বিদিশার মনে ওই জায়গাটা খালি।
এই চ্যাপ্টারের মাধ্যমে কলেজের পলিটিক্সের ভিতরে আমরা প্রবেশ করেছে। আগেও গুলোতে শুধু আভাস ছিল।প্রিন্সিপল রুমের সিন্সটা ভালো ছিল।
অয়ন ঠিকই বলেছে চন্দ্রিমা মাছির মতো ভনভন করে। তবে এই মাছি তার প্রজেক্ট পার্টনার।দেখা যাক তাদের সম্পর্ক কতদূর গড়াই।
তবে প্রেম থাকিলেই মন বেদনা থাকবে। অনেকের হার্ট ব্রেক হবে সাথে আমাদেরও। আমাদের প্রিয় চরিত্র গুলো যদি আমাদের পছন্দ মতো চরিত্রের সাথে না যায় তবে আমদেরও মনে খুব আঘাত লাগবে। আর সেই ব্যথার জন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে করে এটা কখনো না কখনো হবেই।
Bussiness বা কলেজের রাজনৈতিক টার্ম,ইলেকশন,স্ট্রাকচার একটু কনফিউস করে আমাকে।এই সম্বন্ধে আমার বিশেষ আইডিয়া নেই।
অয়নের অজ্ঞাতবাস ফাইনালি শেষ।মেঘাচ্ছন্ন জীবনে আবার আশার আলো দেখা দিয়েছে। যখন সে কলেজ প্রবেশ করে তখন তার pov তে আমার কলেজের বর্ণনা পাই।এর আগের কোনো চ্যাপ্টারে এত নিখুঁত বিবরণ ছিল না কলেজের। তবে এখানে আমি একটুও বোর হয়নি।কোনো স্থানের বর্ণনা কখনও আমাকে বোর করে না। আর্টস বিভাগের সাথে ভিক্টোরিয়ান গথিক এবং সায়েন্সের সাথে মডার্ন আর্কিটেকচার এর সাম্যতা অঙ্কন করে দুটোর বৈপরীত্য দেখানো হয়েছে।আমর মতে গথিক ভিক্টোরিয়ান আর্কিটেকচার আপনার পছন্দের।আমারও same। কলেজের ক্যাম্পাসে যা বর্ণনা দিলেন এ মনে হয় হাওয়ার্ড না স্ট্যান্ডফোর্ড লেভেলের। আর বারো তলা বিল্ডিং একটু বেশি হয়ে গেলো না।
তবে অয়ন এখন আর কোনো immature brat না দোজোতে সে জীবন সম্পর্কে ভালো শিক্ষা নিয়েছে। জীবনের আগামী সমস্যার সমাধানে সে আর হঠকারিতা দেখাবে না। তবে mr প্রধান বা রৌনককে পুরো irrelevent বানাবেন না।ভবিষ্যতে তাদেরকে আরও দেখতে চাই। সুরঞ্জনার অয়নকে টিজ করাটা একটু কমেডি রিলিফ ছিলো।মাঝে মাঝে এরকম কিছু সিন রাখবেন । কোনো সিরিয়াস চরিত্রকে যদি কেউ এভাবে টিজ করে বেশ মজা লাগে দেখে।তবে কলেজ কোনো গরীব নেই।সবাই কি এলিট ।
আর ভাই ফাইনালি কোনো শ্যামলা বর্ণের সুন্দরী আমার দেখলাম। নাহলে সব চাটি কাহিনীতে ক্যারেক্টার দুধের মতো ফর্সা।শ্যামলা বা কালো হলেও তো সুন্দরী হয়।এছাড়াও মোটাসোটা বা পাতলা মেয়েও দেখা যায় না।সবার ফিগার একদম নিখুঁত।
তবে সবচেয়ে আশ্চর্য হয়েছি আমি অরুন এর চরিত্রে।কাহিনীতে শুরুতে তাকে এক লাভিং হাজবেন্ড হিসেবে দেখানো হয়েছে। অরুন ও বিদিশার প্রেম বিবাহ তাও আবার সাত বছর রিলেশনে। বিদিশার ও তার মধ্যে দূরত্বের কারণ হিসেবে অরুণের অপরাধবোধ কে দেখানো হয়েছে ।সে ইতালির রাতের ব্যাপারে না জানলেও তার অনুপস্থিতিতে কিছু একটা ঘটেছে সে সেটা আন্দাজ করতে পেরেছিল।তাই নিজের রক্ষাকর্তা হিসেবে ভূমিকা না নেভানোর জন্য সে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিল।
আমার তার প্রতি একটা sympathy ছিল।কিন্তু আজকের অধ্যায়ে সেই ধারণা পুরো বদলে গেলো। তার বিদিশার প্রতি মনোভাব বা আচরণ জাস্ট অসহনীয়। আচমকা এই ফেরবদল কীকরে হলো। বিয়ের এত বছর পর প্রেম কী উবে গেলো । তিন বছর আগে ডেইরি পড়ার জন্য যেভাবে অরুন তাকে বকে এটা তো হবার কথা নয়। তার থেকে স্ট্রেঞ্জ বিষয় হলো যখন বিদিশা এই স্মৃতি স্মরণ করে তার মুখে তির্যক হাসি দেখা যায়। বিদিশা নিশ্চয় কী গোপন ব্যাপার জেনেছে। বিদিশাকে দেখে এই প্রথম ক্রিপি লেগেছে আমার। অরুণকে কি আমরা কোনো একজন আদর্শ পিতা বা স্বামী হিসেবে দেখবো পরে? সে কি নিজের স্ত্রী কে বোঝার চেষ্টা করবে ? বা আপাত ভাঙে সংসার জোড়া লাগানোর জন্য কোনো স্টেপ নেবে।অরুন যতই বাসিনেস এ সফল হোক বিনা পরিবারে তার চরেক্টের আর্ক সম্পূর্ণ হবে না। না fuck off attitude নিয়ে তার আগের জার্নি কন্টিনিউ করবে। হ্যাঁ তবে অরুন ঠিকঠাক হলে তো বিদিশার বা অয়নের চরিত্রে সমুন্নাতি দেখানো যাবে না।অরুন আবসেন্স বলেই বিদিশার মনে ওই জায়গাটা খালি।
এই চ্যাপ্টারের মাধ্যমে কলেজের পলিটিক্সের ভিতরে আমরা প্রবেশ করেছে। আগেও গুলোতে শুধু আভাস ছিল।প্রিন্সিপল রুমের সিন্সটা ভালো ছিল।
অয়ন ঠিকই বলেছে চন্দ্রিমা মাছির মতো ভনভন করে। তবে এই মাছি তার প্রজেক্ট পার্টনার।দেখা যাক তাদের সম্পর্ক কতদূর গড়াই।
তবে প্রেম থাকিলেই মন বেদনা থাকবে। অনেকের হার্ট ব্রেক হবে সাথে আমাদেরও। আমাদের প্রিয় চরিত্র গুলো যদি আমাদের পছন্দ মতো চরিত্রের সাথে না যায় তবে আমদেরও মনে খুব আঘাত লাগবে। আর সেই ব্যথার জন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে করে এটা কখনো না কখনো হবেই।
Bussiness বা কলেজের রাজনৈতিক টার্ম,ইলেকশন,স্ট্রাকচার একটু কনফিউস করে আমাকে।এই সম্বন্ধে আমার বিশেষ আইডিয়া নেই।


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)