12-07-2026, 09:48 AM
সোমা বাড়ি ফিরে এসে অনেকক্ষণ চুপচাপ বসে রইল। ডাক্তার অর্পিতার কথাগুলো তার মাথায় ঘুরছিল। দুধ কমানোর জন্য অন্য কাউকে খাওয়ানোর কথা। কিন্তু কাকে? মাসির উপর আর আগের মতো ভরসা নেই।
বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা হতে চলেছে। সোমা তার ছেলেকে কোলে নিয়ে বারান্দায় বসেছিল। এমন সময় পাশের বাড়ির রিয়া এসে হাজির।
“মাসি! ভাইয়া কই?” রিয়া হাসিমুখে জিজ্ঞেস করল।
রিয়া ১৯ বছরের কলেজে পড়া মেয়ে। লম্বা, ফর্সা, কাটিং ফিগার। বুক ছোট কিন্তু পাছা বেশ ভারী ও গোল। তার মুখে সবসময় একটা হাসি লেগে থাকে। কথাবার্তা সোজাসাপটা, একটু লাজুক আর অবুঝ ধরনের। লেখাপড়ায় তেমন মাথা নেই।
সোমা হেসে বলল, “এই তো, তোর ভাইয়া এখানে। আয়, বোস।”
রিয়া এসে সোমার পাশে বসল। ছেলেটা তার দিকে হাত বাড়িয়ে “ভাই ভাই” বলে হাসতে লাগল। রিয়া তাকে কোলে নিয়ে খেলাতে শুরু করল।
কিছুক্ষণ পর ছেলেটা কাঁদতে শুরু করল। সোমা বুঝল দুধ খেতে চাইছে। এখন সোমার আর লজ্জা-টজ্জা প্রায় নেই। গত কয়েক মাসে ছেলে, স্বামী, মাসি, ঠাকুমা, এমনকি ডাক্তার অর্পিতার সামনেও সে বুক বের করেছে। তাই সে স্বাভাবিকভাবেই ব্লাউজের হুক খুলে একটা স্তন বের করে ছেলের মুখে বোটা দিয়ে দিল।
বড় বড়, ভারী, দুধে টইটম্বুর স্তনটা দেখে রিয়ার চোখ ছানাবড়া হয়ে গেল। সে কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে রইল। তারপর মুখ ঘুরিয়ে নিল, কিন্তু চোখ বারবার চলে যাচ্ছিল সোমার বুকের দিকে।
সোমা লক্ষ্য করল রিয়ার দৃষ্টি। মেয়েটার গাল লাল হয়ে গেছে, কিন্তু চোখে একটা লোভনীয় ভাব। সোমার চালাক মাথায় তৎক্ষণাৎ একটা বুদ্ধি খেলে গেল।
সে স্বাভাবিক গলায় বলল, “কী রে রিয়া, অমন করে তাকিয়ে আছিস কেন? লজ্জা লাগছে?”
রিয়া চমকে উঠে বলল, “না না মাসি… এমনি। তোমার… তোমার বুকটা খুব বড়। আমার তো একদম ছোট।”
সোমা মৃদু হেসে বলল, “হ্যাঁ রে। বাচ্চা হওয়ার পর আরও বড় হয়েছে। দুধও অনেক হয়। ছেলে তো পুরোটা খেতে পারে না। তাই অনেক সময় ব্যথা করে।”
রিয়া চুপ করে রইল। কিন্তু তার চোখ আর সোমার স্তনের দিক থেকে সরছিল না। সে মনে মনে ভাবছিল — এত বড় আর সুন্দর দুধ… ভাইয়ের মতো চুষে খেতে কেমন লাগে? কিন্তু লজ্জায় কিছু বলতে পারছিল না। তার গলা শুকিয়ে গিয়েছিল।
সোমা ছেলেকে দুধ খাওয়াতে খাওয়াতে আড়চোখে রিয়াকে দেখছিল। মেয়েটার লোভনীয় দৃষ্টি তার চালাক মনে নতুন একটা পরিকল্পনা জাগিয়ে তুলছিল। সে ইচ্ছে করেই একটু ঝুঁকে বসল, যাতে তার অন্য স্তনটা আরও স্পষ্ট দেখা যায়।
“রিয়া, তোর কি কোনো সমস্যা হয়েছে?” সোমা জিজ্ঞেস করল।
রিয়া মাথা নিচু করে বলল, “না মাসি… কিছু না।”
কিন্তু তার গলার স্বর আর লাল গাল বলে দিচ্ছিল — সে মিথ্যা বলছে।
সোমা মনে মনে হাসল। সে বুঝতে পেরেছে রিয়ার মনে কী চলছে। এখন শুধু সুযোগের অপেক্ষা।
সোমা ছেলেকে দুধ খাওয়াতে খাওয়াতে মনে মনে একটা পুরো পরিকল্পনা সাজিয়ে ফেলল। সে বুঝতে পেরেছে রিয়া লজ্জায় কিছু বলতে পারছে না, কিন্তু মেয়েটার চোখে স্পষ্ট লোভ আর কৌতূহল। সোমা তার বুদ্ধিমতী স্বভাব অনুযায়ী ধীরে ধীরে, খুব সাবধানে এগোতে চাইল — যাতে রিয়া নিজে থেকে আগ্রহ দেখায় এবং পরে কোনো অস্বস্তি না হয়।
সোমা স্বাভাবিক গলায় বলল, “রিয়া, তুই তো প্রতিদিন আসিস। তোর ভাইয়াকে খুব ভালোবাসিস, না?”
রিয়া মাথা নেড়ে বলল, “হ্যাঁ মাসি। খুব কিউট।”
সোমা ইচ্ছে করেই একটু দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, “কিন্তু আমার সমস্যা হয়েছে রে। দুধ অনেক বেশি হয়। ছেলে পুরোটা খেতে পারে না। বুক ফেটে যাওয়ার মতো ব্যথা করে। ডাক্তার বলেছে অন্য কাউকে খাওয়াতে। কিন্তু কাকে বলব? মাসিকে আর বিশ্বাস করি না।”
রিয়া চুপ করে শুনছিল। তার চোখ বারবার সোমার উন্মুক্ত ভারী স্তনের দিকে চলে যাচ্ছিল। সোমা লক্ষ্য করে খুব সাবধানে বলল, “দেখ, তোর মতো যদি কেউ থাকত যাকে আমি বিশ্বাস করি… তাহলে সহজ হতো।”
রিয়া একটু নড়েচড়ে বসল। তার গলা শুকিয়ে গিয়েছিল। সে কোনোমতে বলল, “মাসি… আমি… মানে… আমাকে বললে…?”
সোমা ভিতরে ভিতরে হাসল। চালাকিটা কাজ করছে। সে এখনও সরাসরি বলল না। বরং ছেলেকে অন্য স্তনে সরিয়ে দিয়ে বলল, “তুই কি পারবি রিয়া? তোর বয়স কম, লজ্জা লাগবে হয়তো। আর আমার দুধ তো অনেক বেশি।”
রিয়া লজ্জায় মুখ নিচু করে ফেলল, কিন্তু তার চোখে স্পষ্ট আগ্রহ। সে ফিসফিস করে বলল, “লজ্জা লাগবে… কিন্তু মাসি, যদি তোমার কষ্ট কমে… তাহলে আমি… চেষ্টা করতে পারি।”
সোমা এবার ধীরে ধীরে তার চালাকি আরও এক ধাপ এগিয়ে নিল। সে ছেলেকে কোল থেকে নামিয়ে পাশে শুইয়ে দিয়ে বলল, “তাহলে দেখ, এখন আমার এই স্তনটা এখনও ভর্তি আছে। তুই যদি সত্যি সাহায্য করতে চাস, তাহলে বস এখানে।”
রিয়া ইতস্তত করছিল। সোমা তার হাত ধরে কাছে টেনে নিয়ে খুব নরম গলায় বলল, “ভয় পাস না। আমি তো তোর মাসি। এটা কোনো খারাপ কিছু না। অনেক মা-ই তো এভাবে সাহায্য নেয়। তুই শুধু চুষে দেখ, কেমন লাগে।”
রিয়া লজ্জায় কাঁপছিল, কিন্তু তার লোভটা বেশি ছিল। সে ধীরে ধীরে সোমার কোলে মাথা রাখল। সোমা নিজের হাত দিয়ে বোটা তার মুখের কাছে ধরে দিল।
রিয়া প্রথমে ইতস্তত করে, তারপর আস্তে আস্তে বোটা মুখে নিল। প্রথম চোষাতেই তার চোখ বড় হয়ে গেল। সোমা তার মাথায় হাত বুলিয়ে বলল, “আস্তে… হ্যাঁ, এভাবে। কেমন লাগছে রে?”
রিয়া মুখ না সরিয়ে “উমম…” করে শুধু মাথা নেড়ে সম্মতি জানাল। তার চোখ বন্ধ, মুখে একটা অদ্ভুত আরামের ভাব।
সোমা মনে মনে ভাবছিল — “এই তো শুরু। ধীরে ধীরে মেয়েটাকে অভ্যস্ত করিয়ে নিতে হবে। তারপর দেখা যাবে কতদূর যাওয়া যায়।”
রিয়া কিছুক্ষণ চুষে মুখ তুলে লজ্জায় বলল, “মাসি… খুব মিষ্টি। আর… অনেক দুধ। আমার বুক তো ছোট, কখনো এমন অনুভব করিনি।”
সোমা হেসে তার চুলে হাত বুলিয়ে বলল, “তাহলে প্রতিদিন আসবি। আমারও আরাম হবে, তোরও নতুন অভিজ্ঞতা হবে। কিন্তু এটা আমাদের মধ্যেই থাকবে, ঠিক আছে?”
রিয়া লাল মুখে মাথা নেড়ে বলল, “হ্যাঁ মাসি…”
সোমার চালাকি প্রথম ধাপে সফল হয়েছে। সে জানত, এখন থেকে রিয়া নিজেই আসতে শুরু করবে।
রিয়া সোমার স্তন থেকে মুখ সরিয়ে লজ্জায় মুখ নিচু করে বসে রইল। তার গাল লাল, শ্বাস একটু দ্রুত। সোমা তার মাথায় আলতো করে হাত বুলাতে বুলাতে নিজের মনের ভিতরটা বিশ্লেষণ করছিল।
‘আমি কী করছি? আগে শুধু আরামের জন্য ছিল, এখন কি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারব? রিয়া তো এখনও বাচ্চা মেয়ে। কিন্তু তার চোখের সেই লোভ… আমার শরীরকে আরও শক্তিশালী করে দিচ্ছে। আমি চাই রিয়া নিজে থেকে আসুক, নিজে থেকে চাইুক। জোর করে নয়।’
সোমা ধীরে ধীরে রিয়ার কাঁধে হাত রেখে নরম গলায় বলল, “কেমন লাগল রে? লজ্জা লাগছে?”
রিয়া মাথা নিচু করে বলল, “হ্যাঁ মাসি… খুব লজ্জা লাগছে। কিন্তু… খুব ভালো লাগল। তোমার দুধটা এত মিষ্টি আর গরম। আমার মনে হচ্ছে আমি যেন ছোট বাচ্চা হয়ে গেছি।”
সোমা হাসল। “তাহলে আর লজ্জা কীসের? আমরা তো দুজন মেয়ে। কেউ দেখছে না। তুই যদি চাস, তাহলে প্রতিদিন আসতে পারিস। আমারও ব্যথা কমবে, তোরও যদি ভালো লাগে…”
রিয়া একটু চুপ করে থেকে বলল, “মাসি, তোমার বুকটা সত্যিই খুব বড়। আমার তো একদম ছোট। দেখবে?”
সোমা অপেক্ষা করছিল এই প্রশ্নের জন্য। সে ধীরে ধীরে বলল, “দেখাবি? আয়, দেখি।”
রিয়া লজ্জায় কাঁপা হাতে তার টপের নিচ থেকে ব্রা সরিয়ে দুটো ছোট, সুন্দর, টাইট স্তন বের করে দিল। তার বোটা দুটো ছোট কিন্তু গোলাপি।
সোমা হাত বাড়িয়ে আলতো করে ছুঁয়ে দেখল। “খুব সুন্দর তোর বুক। ছোট হলেও কত নরম।” সে ইচ্ছে করেই আঙুল দিয়ে বোটা ঘুরিয়ে দিল।
রিয়া “উফফ…” করে শিউরে উঠল। “মাসি… গায়ে কেমন শিহরণ দিচ্ছে।”
সোমা তার চোখে চোখ রেখে বলল, “একদিন তোর দুধও বেরোবে। তখন বুঝবি কত কষ্ট। কিন্তু এখন… তুই যদি চাস, আমি তোর বুকটা একটু চুষে দেখতে পারি। শুধু দেখব কেমন লাগে।”
রিয়া লজ্জায় মুখ ঢেকে ফেলল, কিন্তু মাথা নেড়ে “হ্যাঁ” বলল।
সোমা ঝুঁকে রিয়ার ছোট স্তন মুখে নিয়ে আস্তে আস্তে চুষতে লাগল। রিয়া তার মাথা চেপে ধরে ফিসফিস করে বলল, “মাসি… খুব ভালো লাগছে। আমি কখনো ভাবিনি এমন হবে।”
সোমা চুষতে চুষতে মনে মনে ভাবছিল — ‘এই তো প্রথম ধাপ। ধীরে ধীরে রিয়াকে আমার শরীরের সাথে অভ্যস্ত করে নেব। সে নিজে চাইবে। আমি জোর করব না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে আমার জন্য যা চাইবে, তাই দেব।’
কিছুক্ষণ পর সোমা মুখ তুলে রিয়ার গালে হাত বুলিয়ে বলল, “আজ এখানেই থাক। কাল আবার আসবি। কেমন?”
রিয়া লজ্জায়-আরামে মাথা নেড়ে বলল, “হ্যাঁ মাসি… আসব।”
সোমা মনে মনে হাসল। তার পরিকল্পনার পরবর্তী ধাপ সফলভাবে শুরু হয়েছে।
রিয়া চলে যাওয়ার পর বাড়িটা আবার নিস্তব্ধ হয়ে গেল। সোমা দরজা বন্ধ করে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। তার শরীর এখনও রিয়ার চোষার অনুভূতিতে গরম হয়ে ছিল। সে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের দুধ দুটো দেখল। দুধের ফোঁটা এখনও বোটা থেকে গড়িয়ে পড়ছে।
সোমা ভাবল, “প্রতিবার জামা-ব্লাউজ পরে থাকলে তো সব ভিজে নষ্ট হয়ে যায়। বাড়িতে তো কেউ নেই।”
সে তার উপরের সমস্ত জামা খুলে ফেলল। শুধু একটা হালকা শর্টস পরে রইল। তার ভারী, দুধে টইটম্বুর স্তন দুটো সম্পূর্ণ খোলা। প্রথম প্রথম একটু অস্বস্তি লাগছিল, কিন্তু কিছুক্ষণ পর সে অভ্যস্ত হয়ে গেল। দুধ গড়িয়ে পড়লেও কোনো কাপড় নষ্ট হচ্ছে না। সোমা এভাবেই ঘরের কাজ করতে লাগল — রান্না, ঘর মোছা, বাচ্চার দেখাশোনা — সবকিছু উন্মুক্ত বুক নিয়েই।
এই অভ্যাসটা ধীরে ধীরে তার কাছে স্বাভাবিক হয়ে উঠল। বাড়িতে একা থাকলেই সে আর উপরে কিছু পরত না। শুধু নিচে শর্টস বা প্যান্টি। তার মনে হতো — “আমার শরীরটা এখন আর শুধু আমার নয়। দুধ যেন নিজের মতো করে চলছে। লজ্জা করে না আর।”
---
পরের দিন বিকেলে দরজায় কলিং বেল বাজল। সোমা জানত রিয়া আসবে। সে দ্রুত একটা গামছা তুলে নিয়ে বুকের উপর ওড়নার মতো করে জড়িয়ে দরজা খুলল।
“আয় রিয়া।”
রিয়া ভিতরে ঢুকতেই সোমা দরজা বন্ধ করে দিল। তারপর গামছাটা এক টানে সরিয়ে ফেলল। তার ভারী স্তন দুটো সম্পূর্ণ উন্মুক্ত হয়ে গেল। বোটা দুটো থেকে সামান্য দুধ গড়িয়ে পড়ছিল।
রিয়া প্রথমে চমকে গেল। তারপর লজ্জায়-আগ্রহে মুখ লাল হয়ে গেল। সে চোখ সরাতে পারছিল না।
সোমা স্বাভাবিক গলায় বলল, “কী রে, অমন করে তাকিয়ে আছিস কেন? বস। আজ তোর ভাইয়া ঘুমাচ্ছে।”
রিয়া সোফায় বসতে বসতে বলল, “মাসি… তুমি এভাবে… মানে উপরে কিছু পরো না?”
সোমা হেসে তার পাশে বসে বলল, “না রে। দুধ এত বেশি গড়ায় যে সব জামা নষ্ট হয়ে যায়। বাড়িতে তো কেউ নেই, তাই আর পরি না। তোর কি খারাপ লাগছে?”
রিয়া মাথা নেড়ে বলল, “না… খারাপ না। বরং… তোমাকে দেখে অবাক লাগছে। এত সুন্দর আর বড়… আমার তো লজ্জাই লাগে নিজেরটা দেখাতে।”
সোমা তার হাত ধরে কাছে টেনে নিয়ে বলল, “লজ্জা কীসের? আয়, কাছে আয়। আজ তোর জন্যই তো অপেক্ষা করছিলাম।”
রিয়া লজ্জায় কাঁপতে কাঁপতে সোমার কোলে মাথা রাখল। সোমা নিজের হাত দিয়ে একটা স্তন ধরে তার মুখের কাছে নিয়ে দিল। রিয়া এবার আর ইতস্তত না করে বোটা মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করল।
সোমা তার মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে চোখ বন্ধ করে অনুভব করছিল। তার মন বলছিল — “এই ঠিক আছে। ধীরে ধীরে। রিয়া নিজে অভ্যস্ত হয়ে যাক। আমি শুধু সুযোগ করে দেব।”
রিয়া কিছুক্ষণ চুষে মুখ তুলে লজ্জা-মিশ্রিত গলায় বলল, “মাসি… তোমার দুধ খেতে খুব ভালো লাগে। কিন্তু আমার বুকটা তো ছোট… তুমি কাল যেমন চুষেছিলে, আজও…”
সোমা হেসে তার চুলে হাত বুলিয়ে বলল, “আচ্ছা, আয়।”
সোমা রিয়াকে কোলে শুইয়ে তার ছোট স্তন দুটোতে মুখ দিল। রিয়া আনন্দে চোখ বন্ধ করে ফেলল।
রিয়া সোমার কোলে শুয়ে তার ছোট স্তন দুটো সোমার মুখে তুলে দিয়েছিল। সোমা আস্তে আস্তে, খুব নরম করে রিয়ার বোটা চুষছিল। রিয়া চোখ বন্ধ করে ছোট ছোট শব্দ করছিল।
কিছুক্ষণ পর সোমা মুখ তুলে রিয়ার কপালে চুমু দিয়ে বলল, “কেমন লাগছে মা?”
রিয়া লজ্জায় চোখ খুলে সোমার দিকে তাকাল। “মাসি… তুমি আমাকে মা বললে কেন?”
সোমা হেসে তার গালে হাত বুলিয়ে বলল, “কারণ তুই তো এখন আমার খুব আপন হয়ে গেছিস। দুধ খাওয়াস, আমিও তোকে খাওয়াই। তুই যেন আমার মেয়ের মতো। লজ্জা করিস না।”
রিয়া লজ্জায়-আরামে মুখ লাল করে সোমার বুকে মুখ গুঁজে দিল। “তাহলে তুমি আমার মা হয়ে যাও। আমার তো আসল মা সবসময় বকাঝকা করে। তুমি এত ভালো।”
সোমা তার পিঠে হাত বুলিয়ে আদর করে বলল, “ঠিক আছে। এখন থেকে আমি তোর মাসি-মা। আর তুই আমার ছোট মেয়ে।”
রিয়া সোমার কোলে আরও জড়িয়ে ধরে বলল, “মা… তোমার দুধটা খুব বড় আর নরম। আমারটা দেখো, কত ছোট।”
সোমা হেসে রিয়ার শরীরের দিকে তাকাল। রিয়া লম্বা, ফর্সা, সুন্দর কাটিং ফিগারের মেয়ে। তার স্তন দুটো ছোট কিন্তু উঁচু আর টাইট — প্রায় ৩২ সাইজের। কোমর সরু, কিন্তু নিতম্ব বেশ ভারী ও গোলাকার। পাছাটা দেখলে মনে হয় খুব নরম। তার ত্বক মসৃণ, কোনো লোম নেই। সোমা তার পাছায় হাত বুলিয়ে বলল, “তোর শরীরটা খুব সুন্দর রে মেয়ে। ছোট বুক হলেও কত নরম। আর তোর পাছাটা তো দারুণ।”
রিয়া লজ্জায় সোমার বুকে মুখ লুকিয়ে বলল, “মা… লজ্জা করছে। তুমি এভাবে বলো না।”
সোমা তার কানের কাছে মুখ নিয়ে আদুরে গলায় বলল, “লজ্জা করবে কেন? আমরা তো মা-মেয়ে। তুই আমার সবকিছু দেখতে পারিস, আমিও তোর। আয়, আরেকটু কাছে আয়।”
রিয়া সোমার কোলে উঠে বসল। সোমা তাকে জড়িয়ে ধরে আলতো করে চুমু খেল গালে, কপালে, ঘাড়ে। রিয়া “মা… ভালো লাগছে” বলে সোমার বুকে মুখ ঘষতে লাগল।
সোমা তার চুলে আঙুল চালাতে চালাতে মনে মনে ভাবছিল — ‘এই সম্পর্কটা ধীরে ধীরে গড়ে উঠুক। রিয়া যেন নিজেকে আমার কাছে সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করে দেয়। আমি জোর করব না। শুধু আদর করে, বিশ্বাস করে কাছে টেনে নেব।’
সোমা রিয়ার কানে ফিসফিস করে বলল, “মেয়ে, তোর দুধ দুটো আজ থেকে আমার। আর আমার দুধ তোর। কেমন?”
রিয়া মাথা নেড়ে বলল, “হ্যাঁ মা… তোমার।”
দুজনে অনেকক্ষণ এভাবে জড়াজড়ি করে বসে রইল। কথা বলল, আদর করল, হাসল। সোমা রিয়াকে তার জীবনের ছোট ছোট গল্প শোনাল, রিয়াও তার কলেজের গল্প বলল। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে একটা মা-মেয়ের নরম, ঘনিষ্ঠ বন্ধন তৈরি হতে শুরু করল।
দুজনে সোফায় জড়াজড়ি করে বসে ছিল। সোমার উন্মুক্ত ভারী স্তন রিয়ার বুকের সাথে ঠেকে ছিল। রিয়ার ছোট, টাইট স্তন দুটো সোমার শরীরের উষ্ণতায় আরও শক্ত হয়ে উঠেছিল। ঘরে নিস্তব্ধতা, শুধু দুজনের শ্বাসের শব্দ।
সোমা রিয়ার পিঠে আলতো করে হাত বুলাতে বুলাতে ফিসফিস করে বলল, “মেয়ে, তোর শরীরটা খুব গরম হয়ে গেছে। কষ্ট হচ্ছে?”
রিয়া সোমার বুকে মুখ গুঁজে ছোট্ট করে বলল, “হ্যাঁ মা… একটু। তোমার কাছে থাকলে এরকম হয়। লজ্জা করছে কিন্তু ভালোও লাগছে।”
সোমা তার কপালে চুমু দিয়ে বলল, “লজ্জা করার কিছু নেই। আমরা তো মা-মেয়ে। আয়, আরাম করে শুয়ে পড়।”
সে রিয়াকে কোলে শুইয়ে নিল। রিয়ার মাথা সোমার বাম স্তনের উপর, ডান স্তনটা তার মুখের কাছে। সোমা নিজের হাত দিয়ে বোটা ধরে রিয়ার ঠোঁটের কাছে এনে দিল। রিয়া চোখ বন্ধ করে আস্তে আস্তে চুষতে শুরু করল।
“উমম… মা, তোমার দুধটা এত মিষ্টি। গরম গরম।” রিয়া চুষতে চুষতে বলল।
সোমা তার চুলে আঙুল চালাতে চালাতে বলল, “তুই যত খুশি খা। আমার বুক তো তোর জন্যই। কতদিন ধরে ভারী হয়ে ছিল। তুই খেলে আমারও আরাম হয়।”
রিয়া কিছুক্ষণ চুষে মুখ তুলল। তার ঠোঁটে দুধ লেগে আছে। সে লজ্জায় সোমার গলায় মুখ লুকিয়ে বলল, “মা… আমার শরীরটা কেমন করছে। নিচে একটা অস্বস্তি হচ্ছে। তুমি কি আমার বুকটা আবার চুষবে?”
সোমা হেসে রিয়াকে আরও কাছে টেনে নিল। “আচ্ছা, আয়।” সে রিয়ার ছোট স্তন মুখে নিয়ে আস্তে আস্তে চুষতে লাগল। জিভ দিয়ে বোটা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে চাটছিল। রিয়া তার পিঠ আঁকড়ে ধরে ছোট ছোট শব্দ করছিল — “আহহ… মা… খুব ভালো লাগছে।”
সোমা চুষতে চুষতে রিয়ার পাছায় হাত বুলিয়ে বলল, “তোর পাছাটা খুব নরম রে মেয়ে। এত গোল। আমার হাতে ভালো লাগছে।”
রিয়া লজ্জায় কুঁকড়ে গিয়ে বলল, “মা… তুমি এমন বললে আমার আরও লজ্জা লাগে। কিন্তু… থামিয়ো না।”
দুজনে অনেকক্ষণ এভাবে আদর করল। কথা বলল, চুমু খেল, একে অপরের শরীর ছুঁয়ে দেখল। সোমা রিয়াকে জড়িয়ে ধরে বলল, “তুই আমার খুব আদরের মেয়ে। এখন থেকে প্রতিদিন আসবি। আমরা দুজনে এভাবে সময় কাটাব। কেউ জানবে না।”
রিয়া সোমার বুকে মাথা রেখে বলল, “হ্যাঁ মা… আমি আসব। তোমার কাছে খুব ভালো লাগে।”
সন্ধ্যা নেমে আসছিল। দুজনে এখনও জড়াজড়ি করে বসে ছিল। সোমার মনে একটা শান্তি আর উত্তেজনার মিশ্র অনুভূতি হচ্ছিল। রিয়া ধীরে ধীরে তার জীবনে একটা নতুন, নরম জায়গা করে নিচ্ছিল।
বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা হতে চলেছে। সোমা তার ছেলেকে কোলে নিয়ে বারান্দায় বসেছিল। এমন সময় পাশের বাড়ির রিয়া এসে হাজির।
“মাসি! ভাইয়া কই?” রিয়া হাসিমুখে জিজ্ঞেস করল।
রিয়া ১৯ বছরের কলেজে পড়া মেয়ে। লম্বা, ফর্সা, কাটিং ফিগার। বুক ছোট কিন্তু পাছা বেশ ভারী ও গোল। তার মুখে সবসময় একটা হাসি লেগে থাকে। কথাবার্তা সোজাসাপটা, একটু লাজুক আর অবুঝ ধরনের। লেখাপড়ায় তেমন মাথা নেই।
সোমা হেসে বলল, “এই তো, তোর ভাইয়া এখানে। আয়, বোস।”
রিয়া এসে সোমার পাশে বসল। ছেলেটা তার দিকে হাত বাড়িয়ে “ভাই ভাই” বলে হাসতে লাগল। রিয়া তাকে কোলে নিয়ে খেলাতে শুরু করল।
কিছুক্ষণ পর ছেলেটা কাঁদতে শুরু করল। সোমা বুঝল দুধ খেতে চাইছে। এখন সোমার আর লজ্জা-টজ্জা প্রায় নেই। গত কয়েক মাসে ছেলে, স্বামী, মাসি, ঠাকুমা, এমনকি ডাক্তার অর্পিতার সামনেও সে বুক বের করেছে। তাই সে স্বাভাবিকভাবেই ব্লাউজের হুক খুলে একটা স্তন বের করে ছেলের মুখে বোটা দিয়ে দিল।
বড় বড়, ভারী, দুধে টইটম্বুর স্তনটা দেখে রিয়ার চোখ ছানাবড়া হয়ে গেল। সে কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে রইল। তারপর মুখ ঘুরিয়ে নিল, কিন্তু চোখ বারবার চলে যাচ্ছিল সোমার বুকের দিকে।
সোমা লক্ষ্য করল রিয়ার দৃষ্টি। মেয়েটার গাল লাল হয়ে গেছে, কিন্তু চোখে একটা লোভনীয় ভাব। সোমার চালাক মাথায় তৎক্ষণাৎ একটা বুদ্ধি খেলে গেল।
সে স্বাভাবিক গলায় বলল, “কী রে রিয়া, অমন করে তাকিয়ে আছিস কেন? লজ্জা লাগছে?”
রিয়া চমকে উঠে বলল, “না না মাসি… এমনি। তোমার… তোমার বুকটা খুব বড়। আমার তো একদম ছোট।”
সোমা মৃদু হেসে বলল, “হ্যাঁ রে। বাচ্চা হওয়ার পর আরও বড় হয়েছে। দুধও অনেক হয়। ছেলে তো পুরোটা খেতে পারে না। তাই অনেক সময় ব্যথা করে।”
রিয়া চুপ করে রইল। কিন্তু তার চোখ আর সোমার স্তনের দিক থেকে সরছিল না। সে মনে মনে ভাবছিল — এত বড় আর সুন্দর দুধ… ভাইয়ের মতো চুষে খেতে কেমন লাগে? কিন্তু লজ্জায় কিছু বলতে পারছিল না। তার গলা শুকিয়ে গিয়েছিল।
সোমা ছেলেকে দুধ খাওয়াতে খাওয়াতে আড়চোখে রিয়াকে দেখছিল। মেয়েটার লোভনীয় দৃষ্টি তার চালাক মনে নতুন একটা পরিকল্পনা জাগিয়ে তুলছিল। সে ইচ্ছে করেই একটু ঝুঁকে বসল, যাতে তার অন্য স্তনটা আরও স্পষ্ট দেখা যায়।
“রিয়া, তোর কি কোনো সমস্যা হয়েছে?” সোমা জিজ্ঞেস করল।
রিয়া মাথা নিচু করে বলল, “না মাসি… কিছু না।”
কিন্তু তার গলার স্বর আর লাল গাল বলে দিচ্ছিল — সে মিথ্যা বলছে।
সোমা মনে মনে হাসল। সে বুঝতে পেরেছে রিয়ার মনে কী চলছে। এখন শুধু সুযোগের অপেক্ষা।
সোমা ছেলেকে দুধ খাওয়াতে খাওয়াতে মনে মনে একটা পুরো পরিকল্পনা সাজিয়ে ফেলল। সে বুঝতে পেরেছে রিয়া লজ্জায় কিছু বলতে পারছে না, কিন্তু মেয়েটার চোখে স্পষ্ট লোভ আর কৌতূহল। সোমা তার বুদ্ধিমতী স্বভাব অনুযায়ী ধীরে ধীরে, খুব সাবধানে এগোতে চাইল — যাতে রিয়া নিজে থেকে আগ্রহ দেখায় এবং পরে কোনো অস্বস্তি না হয়।
সোমা স্বাভাবিক গলায় বলল, “রিয়া, তুই তো প্রতিদিন আসিস। তোর ভাইয়াকে খুব ভালোবাসিস, না?”
রিয়া মাথা নেড়ে বলল, “হ্যাঁ মাসি। খুব কিউট।”
সোমা ইচ্ছে করেই একটু দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, “কিন্তু আমার সমস্যা হয়েছে রে। দুধ অনেক বেশি হয়। ছেলে পুরোটা খেতে পারে না। বুক ফেটে যাওয়ার মতো ব্যথা করে। ডাক্তার বলেছে অন্য কাউকে খাওয়াতে। কিন্তু কাকে বলব? মাসিকে আর বিশ্বাস করি না।”
রিয়া চুপ করে শুনছিল। তার চোখ বারবার সোমার উন্মুক্ত ভারী স্তনের দিকে চলে যাচ্ছিল। সোমা লক্ষ্য করে খুব সাবধানে বলল, “দেখ, তোর মতো যদি কেউ থাকত যাকে আমি বিশ্বাস করি… তাহলে সহজ হতো।”
রিয়া একটু নড়েচড়ে বসল। তার গলা শুকিয়ে গিয়েছিল। সে কোনোমতে বলল, “মাসি… আমি… মানে… আমাকে বললে…?”
সোমা ভিতরে ভিতরে হাসল। চালাকিটা কাজ করছে। সে এখনও সরাসরি বলল না। বরং ছেলেকে অন্য স্তনে সরিয়ে দিয়ে বলল, “তুই কি পারবি রিয়া? তোর বয়স কম, লজ্জা লাগবে হয়তো। আর আমার দুধ তো অনেক বেশি।”
রিয়া লজ্জায় মুখ নিচু করে ফেলল, কিন্তু তার চোখে স্পষ্ট আগ্রহ। সে ফিসফিস করে বলল, “লজ্জা লাগবে… কিন্তু মাসি, যদি তোমার কষ্ট কমে… তাহলে আমি… চেষ্টা করতে পারি।”
সোমা এবার ধীরে ধীরে তার চালাকি আরও এক ধাপ এগিয়ে নিল। সে ছেলেকে কোল থেকে নামিয়ে পাশে শুইয়ে দিয়ে বলল, “তাহলে দেখ, এখন আমার এই স্তনটা এখনও ভর্তি আছে। তুই যদি সত্যি সাহায্য করতে চাস, তাহলে বস এখানে।”
রিয়া ইতস্তত করছিল। সোমা তার হাত ধরে কাছে টেনে নিয়ে খুব নরম গলায় বলল, “ভয় পাস না। আমি তো তোর মাসি। এটা কোনো খারাপ কিছু না। অনেক মা-ই তো এভাবে সাহায্য নেয়। তুই শুধু চুষে দেখ, কেমন লাগে।”
রিয়া লজ্জায় কাঁপছিল, কিন্তু তার লোভটা বেশি ছিল। সে ধীরে ধীরে সোমার কোলে মাথা রাখল। সোমা নিজের হাত দিয়ে বোটা তার মুখের কাছে ধরে দিল।
রিয়া প্রথমে ইতস্তত করে, তারপর আস্তে আস্তে বোটা মুখে নিল। প্রথম চোষাতেই তার চোখ বড় হয়ে গেল। সোমা তার মাথায় হাত বুলিয়ে বলল, “আস্তে… হ্যাঁ, এভাবে। কেমন লাগছে রে?”
রিয়া মুখ না সরিয়ে “উমম…” করে শুধু মাথা নেড়ে সম্মতি জানাল। তার চোখ বন্ধ, মুখে একটা অদ্ভুত আরামের ভাব।
সোমা মনে মনে ভাবছিল — “এই তো শুরু। ধীরে ধীরে মেয়েটাকে অভ্যস্ত করিয়ে নিতে হবে। তারপর দেখা যাবে কতদূর যাওয়া যায়।”
রিয়া কিছুক্ষণ চুষে মুখ তুলে লজ্জায় বলল, “মাসি… খুব মিষ্টি। আর… অনেক দুধ। আমার বুক তো ছোট, কখনো এমন অনুভব করিনি।”
সোমা হেসে তার চুলে হাত বুলিয়ে বলল, “তাহলে প্রতিদিন আসবি। আমারও আরাম হবে, তোরও নতুন অভিজ্ঞতা হবে। কিন্তু এটা আমাদের মধ্যেই থাকবে, ঠিক আছে?”
রিয়া লাল মুখে মাথা নেড়ে বলল, “হ্যাঁ মাসি…”
সোমার চালাকি প্রথম ধাপে সফল হয়েছে। সে জানত, এখন থেকে রিয়া নিজেই আসতে শুরু করবে।
রিয়া সোমার স্তন থেকে মুখ সরিয়ে লজ্জায় মুখ নিচু করে বসে রইল। তার গাল লাল, শ্বাস একটু দ্রুত। সোমা তার মাথায় আলতো করে হাত বুলাতে বুলাতে নিজের মনের ভিতরটা বিশ্লেষণ করছিল।
‘আমি কী করছি? আগে শুধু আরামের জন্য ছিল, এখন কি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারব? রিয়া তো এখনও বাচ্চা মেয়ে। কিন্তু তার চোখের সেই লোভ… আমার শরীরকে আরও শক্তিশালী করে দিচ্ছে। আমি চাই রিয়া নিজে থেকে আসুক, নিজে থেকে চাইুক। জোর করে নয়।’
সোমা ধীরে ধীরে রিয়ার কাঁধে হাত রেখে নরম গলায় বলল, “কেমন লাগল রে? লজ্জা লাগছে?”
রিয়া মাথা নিচু করে বলল, “হ্যাঁ মাসি… খুব লজ্জা লাগছে। কিন্তু… খুব ভালো লাগল। তোমার দুধটা এত মিষ্টি আর গরম। আমার মনে হচ্ছে আমি যেন ছোট বাচ্চা হয়ে গেছি।”
সোমা হাসল। “তাহলে আর লজ্জা কীসের? আমরা তো দুজন মেয়ে। কেউ দেখছে না। তুই যদি চাস, তাহলে প্রতিদিন আসতে পারিস। আমারও ব্যথা কমবে, তোরও যদি ভালো লাগে…”
রিয়া একটু চুপ করে থেকে বলল, “মাসি, তোমার বুকটা সত্যিই খুব বড়। আমার তো একদম ছোট। দেখবে?”
সোমা অপেক্ষা করছিল এই প্রশ্নের জন্য। সে ধীরে ধীরে বলল, “দেখাবি? আয়, দেখি।”
রিয়া লজ্জায় কাঁপা হাতে তার টপের নিচ থেকে ব্রা সরিয়ে দুটো ছোট, সুন্দর, টাইট স্তন বের করে দিল। তার বোটা দুটো ছোট কিন্তু গোলাপি।
সোমা হাত বাড়িয়ে আলতো করে ছুঁয়ে দেখল। “খুব সুন্দর তোর বুক। ছোট হলেও কত নরম।” সে ইচ্ছে করেই আঙুল দিয়ে বোটা ঘুরিয়ে দিল।
রিয়া “উফফ…” করে শিউরে উঠল। “মাসি… গায়ে কেমন শিহরণ দিচ্ছে।”
সোমা তার চোখে চোখ রেখে বলল, “একদিন তোর দুধও বেরোবে। তখন বুঝবি কত কষ্ট। কিন্তু এখন… তুই যদি চাস, আমি তোর বুকটা একটু চুষে দেখতে পারি। শুধু দেখব কেমন লাগে।”
রিয়া লজ্জায় মুখ ঢেকে ফেলল, কিন্তু মাথা নেড়ে “হ্যাঁ” বলল।
সোমা ঝুঁকে রিয়ার ছোট স্তন মুখে নিয়ে আস্তে আস্তে চুষতে লাগল। রিয়া তার মাথা চেপে ধরে ফিসফিস করে বলল, “মাসি… খুব ভালো লাগছে। আমি কখনো ভাবিনি এমন হবে।”
সোমা চুষতে চুষতে মনে মনে ভাবছিল — ‘এই তো প্রথম ধাপ। ধীরে ধীরে রিয়াকে আমার শরীরের সাথে অভ্যস্ত করে নেব। সে নিজে চাইবে। আমি জোর করব না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে আমার জন্য যা চাইবে, তাই দেব।’
কিছুক্ষণ পর সোমা মুখ তুলে রিয়ার গালে হাত বুলিয়ে বলল, “আজ এখানেই থাক। কাল আবার আসবি। কেমন?”
রিয়া লজ্জায়-আরামে মাথা নেড়ে বলল, “হ্যাঁ মাসি… আসব।”
সোমা মনে মনে হাসল। তার পরিকল্পনার পরবর্তী ধাপ সফলভাবে শুরু হয়েছে।
রিয়া চলে যাওয়ার পর বাড়িটা আবার নিস্তব্ধ হয়ে গেল। সোমা দরজা বন্ধ করে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। তার শরীর এখনও রিয়ার চোষার অনুভূতিতে গরম হয়ে ছিল। সে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের দুধ দুটো দেখল। দুধের ফোঁটা এখনও বোটা থেকে গড়িয়ে পড়ছে।
সোমা ভাবল, “প্রতিবার জামা-ব্লাউজ পরে থাকলে তো সব ভিজে নষ্ট হয়ে যায়। বাড়িতে তো কেউ নেই।”
সে তার উপরের সমস্ত জামা খুলে ফেলল। শুধু একটা হালকা শর্টস পরে রইল। তার ভারী, দুধে টইটম্বুর স্তন দুটো সম্পূর্ণ খোলা। প্রথম প্রথম একটু অস্বস্তি লাগছিল, কিন্তু কিছুক্ষণ পর সে অভ্যস্ত হয়ে গেল। দুধ গড়িয়ে পড়লেও কোনো কাপড় নষ্ট হচ্ছে না। সোমা এভাবেই ঘরের কাজ করতে লাগল — রান্না, ঘর মোছা, বাচ্চার দেখাশোনা — সবকিছু উন্মুক্ত বুক নিয়েই।
এই অভ্যাসটা ধীরে ধীরে তার কাছে স্বাভাবিক হয়ে উঠল। বাড়িতে একা থাকলেই সে আর উপরে কিছু পরত না। শুধু নিচে শর্টস বা প্যান্টি। তার মনে হতো — “আমার শরীরটা এখন আর শুধু আমার নয়। দুধ যেন নিজের মতো করে চলছে। লজ্জা করে না আর।”
---
পরের দিন বিকেলে দরজায় কলিং বেল বাজল। সোমা জানত রিয়া আসবে। সে দ্রুত একটা গামছা তুলে নিয়ে বুকের উপর ওড়নার মতো করে জড়িয়ে দরজা খুলল।
“আয় রিয়া।”
রিয়া ভিতরে ঢুকতেই সোমা দরজা বন্ধ করে দিল। তারপর গামছাটা এক টানে সরিয়ে ফেলল। তার ভারী স্তন দুটো সম্পূর্ণ উন্মুক্ত হয়ে গেল। বোটা দুটো থেকে সামান্য দুধ গড়িয়ে পড়ছিল।
রিয়া প্রথমে চমকে গেল। তারপর লজ্জায়-আগ্রহে মুখ লাল হয়ে গেল। সে চোখ সরাতে পারছিল না।
সোমা স্বাভাবিক গলায় বলল, “কী রে, অমন করে তাকিয়ে আছিস কেন? বস। আজ তোর ভাইয়া ঘুমাচ্ছে।”
রিয়া সোফায় বসতে বসতে বলল, “মাসি… তুমি এভাবে… মানে উপরে কিছু পরো না?”
সোমা হেসে তার পাশে বসে বলল, “না রে। দুধ এত বেশি গড়ায় যে সব জামা নষ্ট হয়ে যায়। বাড়িতে তো কেউ নেই, তাই আর পরি না। তোর কি খারাপ লাগছে?”
রিয়া মাথা নেড়ে বলল, “না… খারাপ না। বরং… তোমাকে দেখে অবাক লাগছে। এত সুন্দর আর বড়… আমার তো লজ্জাই লাগে নিজেরটা দেখাতে।”
সোমা তার হাত ধরে কাছে টেনে নিয়ে বলল, “লজ্জা কীসের? আয়, কাছে আয়। আজ তোর জন্যই তো অপেক্ষা করছিলাম।”
রিয়া লজ্জায় কাঁপতে কাঁপতে সোমার কোলে মাথা রাখল। সোমা নিজের হাত দিয়ে একটা স্তন ধরে তার মুখের কাছে নিয়ে দিল। রিয়া এবার আর ইতস্তত না করে বোটা মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করল।
সোমা তার মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে চোখ বন্ধ করে অনুভব করছিল। তার মন বলছিল — “এই ঠিক আছে। ধীরে ধীরে। রিয়া নিজে অভ্যস্ত হয়ে যাক। আমি শুধু সুযোগ করে দেব।”
রিয়া কিছুক্ষণ চুষে মুখ তুলে লজ্জা-মিশ্রিত গলায় বলল, “মাসি… তোমার দুধ খেতে খুব ভালো লাগে। কিন্তু আমার বুকটা তো ছোট… তুমি কাল যেমন চুষেছিলে, আজও…”
সোমা হেসে তার চুলে হাত বুলিয়ে বলল, “আচ্ছা, আয়।”
সোমা রিয়াকে কোলে শুইয়ে তার ছোট স্তন দুটোতে মুখ দিল। রিয়া আনন্দে চোখ বন্ধ করে ফেলল।
রিয়া সোমার কোলে শুয়ে তার ছোট স্তন দুটো সোমার মুখে তুলে দিয়েছিল। সোমা আস্তে আস্তে, খুব নরম করে রিয়ার বোটা চুষছিল। রিয়া চোখ বন্ধ করে ছোট ছোট শব্দ করছিল।
কিছুক্ষণ পর সোমা মুখ তুলে রিয়ার কপালে চুমু দিয়ে বলল, “কেমন লাগছে মা?”
রিয়া লজ্জায় চোখ খুলে সোমার দিকে তাকাল। “মাসি… তুমি আমাকে মা বললে কেন?”
সোমা হেসে তার গালে হাত বুলিয়ে বলল, “কারণ তুই তো এখন আমার খুব আপন হয়ে গেছিস। দুধ খাওয়াস, আমিও তোকে খাওয়াই। তুই যেন আমার মেয়ের মতো। লজ্জা করিস না।”
রিয়া লজ্জায়-আরামে মুখ লাল করে সোমার বুকে মুখ গুঁজে দিল। “তাহলে তুমি আমার মা হয়ে যাও। আমার তো আসল মা সবসময় বকাঝকা করে। তুমি এত ভালো।”
সোমা তার পিঠে হাত বুলিয়ে আদর করে বলল, “ঠিক আছে। এখন থেকে আমি তোর মাসি-মা। আর তুই আমার ছোট মেয়ে।”
রিয়া সোমার কোলে আরও জড়িয়ে ধরে বলল, “মা… তোমার দুধটা খুব বড় আর নরম। আমারটা দেখো, কত ছোট।”
সোমা হেসে রিয়ার শরীরের দিকে তাকাল। রিয়া লম্বা, ফর্সা, সুন্দর কাটিং ফিগারের মেয়ে। তার স্তন দুটো ছোট কিন্তু উঁচু আর টাইট — প্রায় ৩২ সাইজের। কোমর সরু, কিন্তু নিতম্ব বেশ ভারী ও গোলাকার। পাছাটা দেখলে মনে হয় খুব নরম। তার ত্বক মসৃণ, কোনো লোম নেই। সোমা তার পাছায় হাত বুলিয়ে বলল, “তোর শরীরটা খুব সুন্দর রে মেয়ে। ছোট বুক হলেও কত নরম। আর তোর পাছাটা তো দারুণ।”
রিয়া লজ্জায় সোমার বুকে মুখ লুকিয়ে বলল, “মা… লজ্জা করছে। তুমি এভাবে বলো না।”
সোমা তার কানের কাছে মুখ নিয়ে আদুরে গলায় বলল, “লজ্জা করবে কেন? আমরা তো মা-মেয়ে। তুই আমার সবকিছু দেখতে পারিস, আমিও তোর। আয়, আরেকটু কাছে আয়।”
রিয়া সোমার কোলে উঠে বসল। সোমা তাকে জড়িয়ে ধরে আলতো করে চুমু খেল গালে, কপালে, ঘাড়ে। রিয়া “মা… ভালো লাগছে” বলে সোমার বুকে মুখ ঘষতে লাগল।
সোমা তার চুলে আঙুল চালাতে চালাতে মনে মনে ভাবছিল — ‘এই সম্পর্কটা ধীরে ধীরে গড়ে উঠুক। রিয়া যেন নিজেকে আমার কাছে সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করে দেয়। আমি জোর করব না। শুধু আদর করে, বিশ্বাস করে কাছে টেনে নেব।’
সোমা রিয়ার কানে ফিসফিস করে বলল, “মেয়ে, তোর দুধ দুটো আজ থেকে আমার। আর আমার দুধ তোর। কেমন?”
রিয়া মাথা নেড়ে বলল, “হ্যাঁ মা… তোমার।”
দুজনে অনেকক্ষণ এভাবে জড়াজড়ি করে বসে রইল। কথা বলল, আদর করল, হাসল। সোমা রিয়াকে তার জীবনের ছোট ছোট গল্প শোনাল, রিয়াও তার কলেজের গল্প বলল। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে একটা মা-মেয়ের নরম, ঘনিষ্ঠ বন্ধন তৈরি হতে শুরু করল।
দুজনে সোফায় জড়াজড়ি করে বসে ছিল। সোমার উন্মুক্ত ভারী স্তন রিয়ার বুকের সাথে ঠেকে ছিল। রিয়ার ছোট, টাইট স্তন দুটো সোমার শরীরের উষ্ণতায় আরও শক্ত হয়ে উঠেছিল। ঘরে নিস্তব্ধতা, শুধু দুজনের শ্বাসের শব্দ।
সোমা রিয়ার পিঠে আলতো করে হাত বুলাতে বুলাতে ফিসফিস করে বলল, “মেয়ে, তোর শরীরটা খুব গরম হয়ে গেছে। কষ্ট হচ্ছে?”
রিয়া সোমার বুকে মুখ গুঁজে ছোট্ট করে বলল, “হ্যাঁ মা… একটু। তোমার কাছে থাকলে এরকম হয়। লজ্জা করছে কিন্তু ভালোও লাগছে।”
সোমা তার কপালে চুমু দিয়ে বলল, “লজ্জা করার কিছু নেই। আমরা তো মা-মেয়ে। আয়, আরাম করে শুয়ে পড়।”
সে রিয়াকে কোলে শুইয়ে নিল। রিয়ার মাথা সোমার বাম স্তনের উপর, ডান স্তনটা তার মুখের কাছে। সোমা নিজের হাত দিয়ে বোটা ধরে রিয়ার ঠোঁটের কাছে এনে দিল। রিয়া চোখ বন্ধ করে আস্তে আস্তে চুষতে শুরু করল।
“উমম… মা, তোমার দুধটা এত মিষ্টি। গরম গরম।” রিয়া চুষতে চুষতে বলল।
সোমা তার চুলে আঙুল চালাতে চালাতে বলল, “তুই যত খুশি খা। আমার বুক তো তোর জন্যই। কতদিন ধরে ভারী হয়ে ছিল। তুই খেলে আমারও আরাম হয়।”
রিয়া কিছুক্ষণ চুষে মুখ তুলল। তার ঠোঁটে দুধ লেগে আছে। সে লজ্জায় সোমার গলায় মুখ লুকিয়ে বলল, “মা… আমার শরীরটা কেমন করছে। নিচে একটা অস্বস্তি হচ্ছে। তুমি কি আমার বুকটা আবার চুষবে?”
সোমা হেসে রিয়াকে আরও কাছে টেনে নিল। “আচ্ছা, আয়।” সে রিয়ার ছোট স্তন মুখে নিয়ে আস্তে আস্তে চুষতে লাগল। জিভ দিয়ে বোটা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে চাটছিল। রিয়া তার পিঠ আঁকড়ে ধরে ছোট ছোট শব্দ করছিল — “আহহ… মা… খুব ভালো লাগছে।”
সোমা চুষতে চুষতে রিয়ার পাছায় হাত বুলিয়ে বলল, “তোর পাছাটা খুব নরম রে মেয়ে। এত গোল। আমার হাতে ভালো লাগছে।”
রিয়া লজ্জায় কুঁকড়ে গিয়ে বলল, “মা… তুমি এমন বললে আমার আরও লজ্জা লাগে। কিন্তু… থামিয়ো না।”
দুজনে অনেকক্ষণ এভাবে আদর করল। কথা বলল, চুমু খেল, একে অপরের শরীর ছুঁয়ে দেখল। সোমা রিয়াকে জড়িয়ে ধরে বলল, “তুই আমার খুব আদরের মেয়ে। এখন থেকে প্রতিদিন আসবি। আমরা দুজনে এভাবে সময় কাটাব। কেউ জানবে না।”
রিয়া সোমার বুকে মাথা রেখে বলল, “হ্যাঁ মা… আমি আসব। তোমার কাছে খুব ভালো লাগে।”
সন্ধ্যা নেমে আসছিল। দুজনে এখনও জড়াজড়ি করে বসে ছিল। সোমার মনে একটা শান্তি আর উত্তেজনার মিশ্র অনুভূতি হচ্ছিল। রিয়া ধীরে ধীরে তার জীবনে একটা নতুন, নরম জায়গা করে নিচ্ছিল।
সঙ্গীতা


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)