Thread Rating:
  • 3 Vote(s) - 3.67 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
Erotic Thriller অসমাপ্ত লেখা - গৃহদহন By Guruman X ToxicBoy24
#7
আপডেট ৫
-----------------------------------------------------------------
নীলিমা দেবীর হঠাৎ চোখ গেল তার বড় ছেলের দিকে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে এক দৃষ্টিতে তাকে দেখতেছে, নীলিমা দেবী যেটার ভয় পেয় ছিল
সেটাই হল সঙ্গে সঙ্গে নিজের ছায়ার কাপড় কুড়িয়ে শরীরে জড়িয়ে নিল কিন্তু তার স্তন আর ডাকলো না বোটা দুটো খাড়া হয়ে রইলো , নীলিমাদেবী একটু হেসে ছেলেকে বলল যা বাবা গোসল সেরে নেই খাওয়া-দাওয়া করতে হবে

নিখিল ঘর থেকে বের হয়ে গোসল করার জন্য প্রস্তুতি নিলো


ওদিকে কমলার রান্নার কাজ শেষ করে আগেই চলো গেছে,



নীলিমা দেবী খুবই লজ্জিত সে ভাবতে লাগলো তার ছেলে তার যোনি দেখে ফেলছে , আবার ভাবতে লাগলো বোঝার বয়সও তো হয়নি তার অবুঝ ছেলের,নীলিমা দেবী আবার একটু মুচকি মুচকি হাসতে ছিল



নিখিল অবুঝ মনে গোসল খানার দিকে হাঁটতে লাগলো ওখানে ঢুকে দরজা লাগিয়ে তারপর সম্পূর্ণ উলঙ্গ হয়ে গোসল করতে লাগলো ,  তারমায়ের আদেশ প্রতিদিন সাবান মেখে গোসল করতে হবে'



শরীরে সাবান মাখতে মাখতে যখন সে তার লিঙ্গর কাছাকাছি হাত নিয়ে গেল তখন মনে মনে ভাবতে লাগলো যে' আমার লিঙ্গ একদিন বড় হবে- আমিও বড় হব, নিখিলের মনে একটাই ক্ষুদ রয়ে গেল যে মায়ের লিঙ্গ ওরকম কেন সমান্তরাল মাঝখানে কাটার চিহ্ন, তাহলে কি মেয়েদের যৌনি ওইরকম হয় , সবকিছু নিখিলের মাথার উপর দিয়ে যেতে লাগলো সাত পাঁচ না ভেবে গোসল সম্পূর্ণ করে বের হলো। 


নীলিমা দেবী ছেলেকে বলল খাবার টেবিলে রাখা আছে আমি গোসলে যাব তুই খেতে নে

নিখিল জি মা __ তুমি গোসলে যাও। 

নীলিমা দেবি ঘড় থেকে বের হয়ে কলঘড়ে  গোসলখানায় গিয়ে দরজা লাগিয়ে দিলো  

সম্পুর্ণ  উলাঙ্গ হয়ে সাবান মাখতে লাগলো সারা শরীরে আর ভাবতে লালো  বিছানায় কি কি করছিলো তার খুব লজ্জা হলো সে নিরুপায় কি করবে তার শরীরে যেন কামক্ষুধা এক নীলিমা ছিলো , 
নীলিমা দেবি এরকম যৌন কামনা আর কোনোদিন পাইনি এই প্রথম, আজকের এই  মন কামনা যেগেছে , সে ভাবলো তার স্বামী তার কামখুদা মিটাতে পারে না। 



ভিখারি সইদুল মিস্ত্রির কতো বড় লিঙ্গ যেন চোখের সামনে ভেসে ওঠে তার ,যদি ওই লিঙ্গ যোনিতে নিতে পারতো

নীলিমা দেবি পাগলো হয়ে যাচ্ছে কামতারনায়কি করবে নীলিমা দেবি অন্ন জগৎ তো খুব খারাপ এখন কি নিজের সুখের জন্য তার স্বামী সন্তানদেরকে ভুলে যাবেন বা হরিয়ে ফেলবে হটাৎ বুকটা কেঁপে উঠলো,

নীলিমা দেবি : না না এ কি ভাবছি" ছি ছি না তা হয় না। 
================================================================



পুজো করে ক্ষমা চাওয়া গৃহবধূ আজ অসহায় কি করবে , এতো কিছু না ভেবে  গোসল সম্পন্ন করে বাড়িতে ডুকতে লাগলো নীলিমা দেবি। 


খাওয়া- দাওয়া  করলো সবাই, অধিলবাবু স্টেশনে তার খাওয়া, 
দুপুরে বাড়িতে আসেন না একেবারে রাতে আসেন। 


নীলিমা দেবি বিশ্রাম নিয়ে হটাৎ মনে পরলো পুজোর কিছু জিনিস নেই , বাজারে গিয়ে আনতে 

হবে এই সমনেই বাজার তাই চিন্তা করার কিছু নেই , অধিলবাবুকে নীলিমা দেবি ফোন করে সবসময়ই বলে দেয় যা যা প্রযোজন অধিলবাবুও কর্মচারীদের দিয়ে আনিয়ে নেন ,ফোন করে বলতে চাইছিলো নীলিমা দেবি  কিন্তু করলো না আজ সে যাবে ,বাহিরের মনোরম পরিবেশ আর বৃষ্টি ও তেমন একটা নেই ,বড়ছেলেকে নিয়ে একসাথে যাবে

নিখিল তখন ঘুমে, ওর মা নিখিলকে ডাকলো চল বাবা বাজারে যাবো পুজোর কিছু জিনিস লাগবে তোর বাবাকে আর বিরক্ত করবো না আজকে,  উঠে পর বাবা তোর ছোট ভাই এখন আর উঠবে না তারাতারি আয় বাবা,

নিখিল উঠে পরলো , রেডি হতে লাগলো নিখিল মেইন দরজার সামনে দারিয়ে মায়ের জন্য 

অপেক্ষা করলো ,

নীলিমা দেবি রুম থেকে বের হয়ে নিখিলের সমনে ধারালো ,, নিখল তো অবাক কি অপরুপ মায়াবী তরুনীর মতো লাগছে তার মাকে,


নীলিমা দেবি নিখিলের দিকে চেয়ে দেখলো তার দিকে চেয়ে আছে ,মনে মনে ভাবলো তার যে যৌবন যেমন পাছা তেমন বুক যেন সাক্ষাৎ কাম দেবি দারিয়ে আছে ,বিয়ের আগে কতো ছেলে তার পিছে ঘুরতো কিন্তু তিনি পাত্তা দিতো না কারন তার পরিবার পবিত্রতা বজায় রেখে চলো ,আর নিজে চাইলেও পারতো না কারন তার বড় ভাই নয়ন বয়স ৪১ , বউ চৈতি একমাত্র মেয়ে ঐশী বয়স ১৬ বছরে (নিউ 10 এ পডে) নীলিমা দেবির ভাই়়

তাকে বডিগার্ডের মতো রাখতো ,তারা ভাই বোন একে অপরকে খুব ভালোবাসাতো, বিয়েটাও ওর ভাই দিয়েছে , নীলিমা দেবির  ভাই আর তার স্বামী দুজনোই বন্ধু ছিলো। 


নীলিমা দেবি ছেলেকে বললো চল তারাতারি নিলয় উঠে পরবে , নিখিল ওর মায়ের হাত দরে হাটতে লাগলো বাজারের দিকে , বাজারে দিকে যেতে হলে সামনে একটা বড় বটগাছ পার হতে হয় , এই বটগাছে কিছুদিন হলো এক তান্ত্রিক এসেছে , হটাৎ কোথাথেকে এসেছে কেউ যানে না , অবাক করা বিষয় এই তান্ত্রিক যা বলে তাই নাকি সত্যি হয়, 
এ কথা নীলিমা দেবির কানেও গেছে , 

নীলিমা দেবির কাজের লোক কমলা এদিক সেদিক যা হয় নীলিমা দেবি কে সব বলে কোন কথা বাদ যায়না এবং  এক পাগল দেখতেছে তার পরিচয় ও বলেছে কলমা নীলিমা দেবিকে ,


পাগলটা এমনি এমনি পাগল হয় নি , দুই মাস ও হয় নি পাগল হয়েছে 
সইদুল মিস্ত্রি বয়স ৪০, মোল্লা পাড়ায় বসবাস করতো ঘরবাড়ি মোটামুটি ছিলো, বউ আর মেয়ে ছিলো ১০ বছরের

বউটা ছিলো খুব ভালো যেমন দেখতে তেমন গুন, 


সইদুলের বউ বাপেরবড়ি যাবে বলে ঠিক করলো কিন্তু সইদুলের অনেক চাপ রাজমিস্ত্রীর কাজ বুজতেই তো পারছেন  কনটেক্টার ভারি পাচ সামলাতে হায় তার তাই বউকে অনেক কষ্টে বুজিয়ে মনেজ করেছে , বউ ও মেয়ে যাবে বাপেরবড়িতে ,
রোড এক্সিডেন্টটে মারা যায় তার বউ বাচ্চা , এই শোক সইতে না পেরে পাগল হয়ে গেছে , কমলার কাজ থেকে শুনেছে , 
 খুব মায়া হলো লোকটার জন্য , লোকটা শুধুমাত্র তাদের বাড়ির আশেপাশে থাকে কোন কিছুই বুজতে পারলো না নীলিমা দেবি ,


এসব ভাবতে ভাবতে ওই বটগাছের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় নীলিমা দেবি লক্ষ্য করলো , যে এক তান্ত্রিক তার সামনে কিছু লোক দারিয়ে করুনা করে মনের আশা পুরন করতেছে সেই বটতলার নিচে , কমলার কথা হিসেবে এই তান্ত্রিক মনে হয় , নীলিমা দেবি কয়একদিন আগে চাইছিলো তার কাছে গিয়ে তার স্বামী  সন্তানদের সুখের জন্য করুনা করবে আর আজকে যা হলো তা কি তান্ত্রিকে বলবেসাত পাঁচ না ভেবে বটগাছের দিকে আগাতে লাগল। 


"তান্ত্রিকের সমনে যখন গেলো ,
            নিখিল তো অবাক এই তো সেই তান্ত্রিক যাকে জঙ্গলে ওই জোকার লোকেটার সাথে দিখছিলো__________________(Continue)
[+] 1 user Likes ToxicBoy24's post
Like Reply


Messages In This Thread
RE: অসমাপ্ত লেখা - গৃহদহন By Guruman X ToxicBoy24 - by ToxicBoy24 - Yesterday, 04:23 PM



Users browsing this thread: Bigcat2222, 3 Guest(s)