"সার্কাসের তাঁবু দেখতে যাবি পঞ্চ দের মাঠে?"
বললো অজয়।
কলেজ আজকে তিরিশ মিনিট আগেই শেষ হয়ে গিয়েছে তাই অজয় একথা বললো। নিখিলেরও তাই আপত্তি ছিলোনা। তারা দুজনে কলেজ থেকে বেরিয়ে রওনা দিলো পঞ্চদের মাঠের উদ্দেশ্যে।
বিশালকার তাঁবু খাটানো হয়েছে পঞ্চদের মাঠে। তিন দিন হয়েছে তারা এখানে তাঁবু ফেলেছে তবে সার্কাস এখণো শুরু হয়নি, সার্কাস শুরু হবে আরও তিন দিন পড়ে। প্রচুর লোকের সমাগম মাঠের চারপাশে এবং সবাই বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত। ওরা তাঁবুর সামনে গিয়ে দাঁড়াতেই একজন লোক তাঁদের দিকে কটমট করে তাকিয়ে বললো "ভিতরে যাওয়া বারণ আছে, যখন শুরু হবে তখনি আসবি, চল ভাগ্!"
তারা মুখ নিচু করে বাইরে বেরিয়ে এলো। হটাৎ অজয় কিছু একটা দেখতে পেয়ে একটা দুষ্টু হাসি হাসলো।
নিখিল বললো"কিরে হাসছিস কেন?"
অজয় আঙ্গুল তুলে দেখালো, তাঁবুর একধারে যেখানে প্রায় কেউ নেই সেখানে তাঁবুর কাপড়ের মাঝে একটা ফাঁক আছে, একটা বাচ্চা সেখান থেকে অনায়াসে ভিতরে প্রবেশ করতে পারে।
নিখিলের ভয় হলো, সে ঘাড় নেড়ে না বললো, অজয় রেগে বলল"তুই ভীতুর ডিম, মিথ্যে ভয় পাচ্ছিস, কিচ্ছু হবেনা"
নিখিল তবুও রাজি হলোনা, অজয় বললো ঠিক আছে, তোকে ঢুকতে হবেনা, তুই বাইরে দাঁড়িয়ে পাহারা দে আমি ভিতরে যাচ্ছি'
নিখিল আমতা আমতা করলেও রাজি হয়ে গেলো।
অজয় আসতে আসতে হামাগুড়ি দিয়ে ভিতরে ঢুকে গেলো, নিখিল সেই দিকেই তাকিয়ে ছিল, অজয় ভিতরে ঢুকে গেলে নিখিল পিছনে তাকিয়েই চমকে উঠল। একজন লোক তাঁর একদম সামনেই দাঁড়িয়ে আছে। লোকটার পরনে জোকারের বস্ত্র
আর মুখেও জোকারের মেকাপ। লোকটি নিখিলের দিকে ঝুঁকে একেবারে নিখিলের মুখের সামনে মুখ এনে বললো" এই খোকা, তোমার নাম কি?"
"নি, নিখিল"
"পুরো নাম বলো"
"আজ্ঞে, নিখিল চৌধুরী ভয়ে ভয়ে বললো নিখিল
"তুমি কোন ক্লাসে পড়ো নিখিল"
"ক্লাস ফাইভ"
"আচ্ছা বেশ, তোমার জন্য আমার কাছে একটা জিনিস আছে নিখিল"
"কি জিনিস?"
"দেখাবো, কিন্তু তাঁর আগে আমাকে একটা কথা দিতে হবে।"
"কি কথা?"
এটা নিয়ে একবার বাড়িতে ঢুকলে আর এটাকে নিয়ে বাড়িথেকে বেরোতে পারবেনা,
"কেন?" নিখিল প্রশ্ন করলো
লোকটি এবারে জিনিসটি বের করলো। তারই মতো দেখতে একটি জোকারের মূর্তি, সাইজে ৫ ইঞ্চির বেশি নয় এবং মূর্তিটির রং সম্পূর্ণ গাড় সবুজ। লোকটি বললো "কারণ যদি তুমি এটাকে সাত দিনের আগে বাইরে নিয়ে আসো তাহলে এর
ম্যাজিক শেষ হয়ে যাবে"
নিখিল উত্তেজিত হয়ে বললো" ম্যাজিক।"
"হ্যাঁ ম্যাজিক, এটার রং এখন সবুজ দেখছো, বাড়ি গিয়ে দেখবে এটার রং অন্য।"
" সত্যি!"
"হ্যাঁ সত্যি"
লোকটি কামনা চোখে নিখিল কে বলল
‘বাবু সোনা তোমার বাড়িতে কে কে আছে
নিখিল একটু ভেবে বলল, বাড়িতে মা বাবা আমি আর আমার একটা ছোট ভাই আছে
নিখিল সোনা তুমি কি চাও না তোমার আব্বু আম্মু সুখে থাকুক,
নিখিল ভাবতে লাগলো______
অজয়ের কথা, ওকে বলছিল গুডুমের মা পালিয়ে গেছে
লোকটি বলল কি ভাবছো নিখিল""""
"হুঁ জি তাইতো
"
তাহলে আমার কথা মন দিয়ে শোনো, এই মূর্তিটি আমি তোমাকে দিবো এটি তুমি আলাদা স্থানে অথবা তোমার নিজের কাছেও রাখতে পারো, কিন্তু একটা কথা মনে রেখো এটি যেন কেউ না জানতে পারে । তোমার ব্যক্তিগত জিনিস হিসেবে এটি তোমার কাছে রাখবে
যখন তুমি দেখবে এই মূর্তিটি নীল রং ধারণ করছে তখন তুমি বুঝবে তোমার পরিবারে সুখ শান্তি বিরাজ করতেছে, বিশেষ করে তোমার মাকে খেয়াল রাখবে ।
"এতোটুকু বলে লোকটা আর কথা বাড়ালো না"
,
নিখিল জোকার লোকটির কথা মন দিয়ে শুনতে লাগলো
মূর্তিটা নিখিলের হাতে দিয়ে লোকটি তাঁবুর গেট দিয়ে ভিতরে ঢুকে গেলো। নিখিলও মূর্তিটা তাড়াতারি নিজের ব্যাগের মধ্যে ঢুকিয়ে নিলো এবং অপেক্ষা করতে লাগলো অজয়ের বাইরে আসার।
বললো অজয়।
কলেজ আজকে তিরিশ মিনিট আগেই শেষ হয়ে গিয়েছে তাই অজয় একথা বললো। নিখিলেরও তাই আপত্তি ছিলোনা। তারা দুজনে কলেজ থেকে বেরিয়ে রওনা দিলো পঞ্চদের মাঠের উদ্দেশ্যে।
বিশালকার তাঁবু খাটানো হয়েছে পঞ্চদের মাঠে। তিন দিন হয়েছে তারা এখানে তাঁবু ফেলেছে তবে সার্কাস এখণো শুরু হয়নি, সার্কাস শুরু হবে আরও তিন দিন পড়ে। প্রচুর লোকের সমাগম মাঠের চারপাশে এবং সবাই বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত। ওরা তাঁবুর সামনে গিয়ে দাঁড়াতেই একজন লোক তাঁদের দিকে কটমট করে তাকিয়ে বললো "ভিতরে যাওয়া বারণ আছে, যখন শুরু হবে তখনি আসবি, চল ভাগ্!"
তারা মুখ নিচু করে বাইরে বেরিয়ে এলো। হটাৎ অজয় কিছু একটা দেখতে পেয়ে একটা দুষ্টু হাসি হাসলো।
নিখিল বললো"কিরে হাসছিস কেন?"
অজয় আঙ্গুল তুলে দেখালো, তাঁবুর একধারে যেখানে প্রায় কেউ নেই সেখানে তাঁবুর কাপড়ের মাঝে একটা ফাঁক আছে, একটা বাচ্চা সেখান থেকে অনায়াসে ভিতরে প্রবেশ করতে পারে।
নিখিলের ভয় হলো, সে ঘাড় নেড়ে না বললো, অজয় রেগে বলল"তুই ভীতুর ডিম, মিথ্যে ভয় পাচ্ছিস, কিচ্ছু হবেনা"
নিখিল তবুও রাজি হলোনা, অজয় বললো ঠিক আছে, তোকে ঢুকতে হবেনা, তুই বাইরে দাঁড়িয়ে পাহারা দে আমি ভিতরে যাচ্ছি'
নিখিল আমতা আমতা করলেও রাজি হয়ে গেলো।
অজয় আসতে আসতে হামাগুড়ি দিয়ে ভিতরে ঢুকে গেলো, নিখিল সেই দিকেই তাকিয়ে ছিল, অজয় ভিতরে ঢুকে গেলে নিখিল পিছনে তাকিয়েই চমকে উঠল। একজন লোক তাঁর একদম সামনেই দাঁড়িয়ে আছে। লোকটার পরনে জোকারের বস্ত্র
আর মুখেও জোকারের মেকাপ। লোকটি নিখিলের দিকে ঝুঁকে একেবারে নিখিলের মুখের সামনে মুখ এনে বললো" এই খোকা, তোমার নাম কি?"
"নি, নিখিল"
"পুরো নাম বলো"
"আজ্ঞে, নিখিল চৌধুরী ভয়ে ভয়ে বললো নিখিল
"তুমি কোন ক্লাসে পড়ো নিখিল"
"ক্লাস ফাইভ"
"আচ্ছা বেশ, তোমার জন্য আমার কাছে একটা জিনিস আছে নিখিল"
"কি জিনিস?"
"দেখাবো, কিন্তু তাঁর আগে আমাকে একটা কথা দিতে হবে।"
"কি কথা?"
এটা নিয়ে একবার বাড়িতে ঢুকলে আর এটাকে নিয়ে বাড়িথেকে বেরোতে পারবেনা,
"কেন?" নিখিল প্রশ্ন করলো
লোকটি এবারে জিনিসটি বের করলো। তারই মতো দেখতে একটি জোকারের মূর্তি, সাইজে ৫ ইঞ্চির বেশি নয় এবং মূর্তিটির রং সম্পূর্ণ গাড় সবুজ। লোকটি বললো "কারণ যদি তুমি এটাকে সাত দিনের আগে বাইরে নিয়ে আসো তাহলে এর
ম্যাজিক শেষ হয়ে যাবে"
নিখিল উত্তেজিত হয়ে বললো" ম্যাজিক।"
"হ্যাঁ ম্যাজিক, এটার রং এখন সবুজ দেখছো, বাড়ি গিয়ে দেখবে এটার রং অন্য।"
" সত্যি!"
"হ্যাঁ সত্যি"
লোকটি কামনা চোখে নিখিল কে বলল
‘বাবু সোনা তোমার বাড়িতে কে কে আছে
নিখিল একটু ভেবে বলল, বাড়িতে মা বাবা আমি আর আমার একটা ছোট ভাই আছে
নিখিল সোনা তুমি কি চাও না তোমার আব্বু আম্মু সুখে থাকুক,
নিখিল ভাবতে লাগলো______
অজয়ের কথা, ওকে বলছিল গুডুমের মা পালিয়ে গেছে
লোকটি বলল কি ভাবছো নিখিল""""
"হুঁ জি তাইতো
"
তাহলে আমার কথা মন দিয়ে শোনো, এই মূর্তিটি আমি তোমাকে দিবো এটি তুমি আলাদা স্থানে অথবা তোমার নিজের কাছেও রাখতে পারো, কিন্তু একটা কথা মনে রেখো এটি যেন কেউ না জানতে পারে । তোমার ব্যক্তিগত জিনিস হিসেবে এটি তোমার কাছে রাখবে
যখন তুমি দেখবে এই মূর্তিটি নীল রং ধারণ করছে তখন তুমি বুঝবে তোমার পরিবারে সুখ শান্তি বিরাজ করতেছে, বিশেষ করে তোমার মাকে খেয়াল রাখবে ।
"এতোটুকু বলে লোকটা আর কথা বাড়ালো না"
,
নিখিল জোকার লোকটির কথা মন দিয়ে শুনতে লাগলো
মূর্তিটা নিখিলের হাতে দিয়ে লোকটি তাঁবুর গেট দিয়ে ভিতরে ঢুকে গেলো। নিখিলও মূর্তিটা তাড়াতারি নিজের ব্যাগের মধ্যে ঢুকিয়ে নিলো এবং অপেক্ষা করতে লাগলো অজয়ের বাইরে আসার।


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)