19-06-2026, 01:17 PM
অবশ চেতনার ওপারে
কিছুক্ষণ সবকিছু একেবারে নিঝুম হয়ে রইল। শিবু দরজার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের বুকের ধুকপুকানি শুনতে পাচ্ছিল।
⸻
ঠিক তখনই, ভেতরের অন্ধকার থেকে একটা হালকা ‘খুট’ করে শব্দ হলো। খিল খোলার শব্দ। শিবু চমকে উঠে এক পা, দু-পা করে পেছনের দিকে পিছিয়ে এল।
⸻
কাঠের দরজার ডানদিকের কবাটটা সামান্য ফাঁক হলো। সেই ফাঁকা কবাটটায় গা হেলিয়ে, বাঁদিকের কবাটটা বাঁহাতে ধরে একটা মুখ খুব ধীরে ধীরে দরজার বাইরে বেরিয়ে এল। সে আর কেউ নয়—শিবুর মা ঝুমা কাকিমা। কিন্তু মাকে দেখে শিবুর বুকের ভেতরটা কেমন যেন তোলপাড় করে উঠল। ঝুমা কাকিমার চেনা রূপটা আজ কোথায় যেন হারিয়ে গেছে। তাঁর মাথার বাঁদিকের খোঁপাটা আলগা হয়ে ভেঙে পড়েছে, একগুচ্ছ কালো চুল গাল বেয়ে কাঁধের ওপর নেমে এসেছে।
⸻
ঝুমা কাকিমা নিষ্প্রাণ চোখে ছেলের দিকে তাকিয়ে এক অদ্ভুত, ভাঙা গলায় বলে উঠলেন,
— কী রে শিবু? এত চিল্লাচ্ছিস কেন? কী হয়েছে?
⸻
শিবু অবাক হয়ে মায়ের দিকে তাকিয়ে রইল। কেন জানি না, ঝুমা কাকিমাকে দেখে তার ছোট্ট বুকটা কেমন যেন দুরুদুরু কাঁপতে লাগল। সে একটু কাঁপা কাঁপা গলায় বলল,
— মা! তুমি... তুমি কী করছ ভেতরে? আর রতন কই? রতনকে তো দেখছি না!
⸻
ঝুমা কাকিমার চোখ দুটো কেমন যেন ঘুমে আর অবশতায় বুজে বুজে আসছিল। তিনি জোর করে আধখোলা, ঘোলাটে চোখে তাকানোর চেষ্টা করছিলেন। তাঁর সেই চোখের চাউনিতে এক ঘোর লাগা নেশার ভাব। তিনি অত্যন্ত ধীর, কাঁপা কাঁপা সুরে শিবুকে বললেন—যেন কথাগুলো অনেক দূর থেকে ভেসে আসছে—
— তোর... তোর স্নান হয়েছে বাবু?
⸻
কথাটা শেষ করতেই ঝুমা কাকিমার সারা শরীরটা আবার এক অদৃশ্য কামুক মায়ায় হালকা কেঁপে উঠল। সেই কম্পনের চোটে দরজার কবাট দুটো তাঁর হাতের মুঠোয় নড়ে উঠে একটা খটখট শব্দ করে উঠল। শিবু মায়ের এই আলুথালু অবস্থা দেখে আরও ঘাবড়ে গিয়ে বলল,
— হ্যাঁ মা, স্নান হয়েছে। আমি বলছি মা, রতন কোথায় গেল?
⸻
— কে... কে রতন?
ঝুমা কাকিমা বিড়বিড় করে উঠলেন। পরমুহূর্তেই তাঁর বুকের ভেতর থেকে একটা অবরুদ্ধ, চাপা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এল—"ইইইশশশ..."। তিনি নিজের ঠোঁট কামড়ে ধরে কোনো রকমে নিজেকে সামলে নিয়ে বললেন,
— ও... ও একটু এই ঘরেই আছে বাবু। তুই... তুই জামাকাপড় পরে বাইরে গিয়ে দাঁড়া, আমরা আসছি। আর শোন... একদম দরজায় আর শব্দ করবি না, কেমন? যা... আমি একটু পরেই বেরোচ্ছি।
⸻
কথাটা শেষ হতে না হতেই দরজার কবাটটা আবার দড়াম করে বন্ধ হয়ে গেল। ভেতর থেকে আবার খিল তোলার শব্দ হলো।
⸻
শিবু সম্পূর্ণ স্তম্ভিত হয়ে বারান্দার সেই ঠান্ডা মেঝের ওপর দাঁড়িয়ে রইল। তার হাত-পা যেন শীতে নয়, এক অজানা আশঙ্কায় বরফের মতো জমে গেছে। সে বুঝতে পারল না, তার মা কেন তাকে ঘরের ভেতর ঢুকতে দিল না, আর কেনই বা মায়ের গলার আওয়াজটা আজ এতটা চেনা হয়েও অচেনা লাগছিল। সে একদৃষ্টে সেই বন্ধ কাঠের দরজার দিকে তাকিয়ে ওখানেই থমকে দাঁড়িয়ে রইল।
কিছুক্ষণ সবকিছু একেবারে নিঝুম হয়ে রইল। শিবু দরজার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের বুকের ধুকপুকানি শুনতে পাচ্ছিল।
⸻
ঠিক তখনই, ভেতরের অন্ধকার থেকে একটা হালকা ‘খুট’ করে শব্দ হলো। খিল খোলার শব্দ। শিবু চমকে উঠে এক পা, দু-পা করে পেছনের দিকে পিছিয়ে এল।
⸻
কাঠের দরজার ডানদিকের কবাটটা সামান্য ফাঁক হলো। সেই ফাঁকা কবাটটায় গা হেলিয়ে, বাঁদিকের কবাটটা বাঁহাতে ধরে একটা মুখ খুব ধীরে ধীরে দরজার বাইরে বেরিয়ে এল। সে আর কেউ নয়—শিবুর মা ঝুমা কাকিমা। কিন্তু মাকে দেখে শিবুর বুকের ভেতরটা কেমন যেন তোলপাড় করে উঠল। ঝুমা কাকিমার চেনা রূপটা আজ কোথায় যেন হারিয়ে গেছে। তাঁর মাথার বাঁদিকের খোঁপাটা আলগা হয়ে ভেঙে পড়েছে, একগুচ্ছ কালো চুল গাল বেয়ে কাঁধের ওপর নেমে এসেছে।
⸻
ঝুমা কাকিমা নিষ্প্রাণ চোখে ছেলের দিকে তাকিয়ে এক অদ্ভুত, ভাঙা গলায় বলে উঠলেন,
— কী রে শিবু? এত চিল্লাচ্ছিস কেন? কী হয়েছে?
⸻
শিবু অবাক হয়ে মায়ের দিকে তাকিয়ে রইল। কেন জানি না, ঝুমা কাকিমাকে দেখে তার ছোট্ট বুকটা কেমন যেন দুরুদুরু কাঁপতে লাগল। সে একটু কাঁপা কাঁপা গলায় বলল,
— মা! তুমি... তুমি কী করছ ভেতরে? আর রতন কই? রতনকে তো দেখছি না!
⸻
ঝুমা কাকিমার চোখ দুটো কেমন যেন ঘুমে আর অবশতায় বুজে বুজে আসছিল। তিনি জোর করে আধখোলা, ঘোলাটে চোখে তাকানোর চেষ্টা করছিলেন। তাঁর সেই চোখের চাউনিতে এক ঘোর লাগা নেশার ভাব। তিনি অত্যন্ত ধীর, কাঁপা কাঁপা সুরে শিবুকে বললেন—যেন কথাগুলো অনেক দূর থেকে ভেসে আসছে—
— তোর... তোর স্নান হয়েছে বাবু?
⸻
কথাটা শেষ করতেই ঝুমা কাকিমার সারা শরীরটা আবার এক অদৃশ্য কামুক মায়ায় হালকা কেঁপে উঠল। সেই কম্পনের চোটে দরজার কবাট দুটো তাঁর হাতের মুঠোয় নড়ে উঠে একটা খটখট শব্দ করে উঠল। শিবু মায়ের এই আলুথালু অবস্থা দেখে আরও ঘাবড়ে গিয়ে বলল,
— হ্যাঁ মা, স্নান হয়েছে। আমি বলছি মা, রতন কোথায় গেল?
⸻
— কে... কে রতন?
ঝুমা কাকিমা বিড়বিড় করে উঠলেন। পরমুহূর্তেই তাঁর বুকের ভেতর থেকে একটা অবরুদ্ধ, চাপা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এল—"ইইইশশশ..."। তিনি নিজের ঠোঁট কামড়ে ধরে কোনো রকমে নিজেকে সামলে নিয়ে বললেন,
— ও... ও একটু এই ঘরেই আছে বাবু। তুই... তুই জামাকাপড় পরে বাইরে গিয়ে দাঁড়া, আমরা আসছি। আর শোন... একদম দরজায় আর শব্দ করবি না, কেমন? যা... আমি একটু পরেই বেরোচ্ছি।
⸻
কথাটা শেষ হতে না হতেই দরজার কবাটটা আবার দড়াম করে বন্ধ হয়ে গেল। ভেতর থেকে আবার খিল তোলার শব্দ হলো।
⸻
শিবু সম্পূর্ণ স্তম্ভিত হয়ে বারান্দার সেই ঠান্ডা মেঝের ওপর দাঁড়িয়ে রইল। তার হাত-পা যেন শীতে নয়, এক অজানা আশঙ্কায় বরফের মতো জমে গেছে। সে বুঝতে পারল না, তার মা কেন তাকে ঘরের ভেতর ঢুকতে দিল না, আর কেনই বা মায়ের গলার আওয়াজটা আজ এতটা চেনা হয়েও অচেনা লাগছিল। সে একদৃষ্টে সেই বন্ধ কাঠের দরজার দিকে তাকিয়ে ওখানেই থমকে দাঁড়িয়ে রইল।


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)