19-06-2026, 02:45 AM
এভাবে কেটে যাচ্ছে সময়।ভাইয়া প্রায়শ বাসায় আসেন।আম্মুর রুমে সময় কাটান।যদিও আমি একদম অপ্রীতিকর অবস্থায় কখনো দেখিনি।তবে ইদানীং খেয়াল করছি ভাইয়া আর আমার উপস্থিতিকে পাত্তা দিচ্ছেনা।বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার আব্বু আসেন।তাই এই তিন দিন ছাড়া বাকি ৪ দিনের কমপক্ষে ৩ দিন দেখি বাসায় চলে আসে।এমনকি রাতে থাকা ও শুরু করছে।ভাইয়া আসলে আম্মু আপুর রুমে চলে যান।ভাইয়া থাকেন আম্মুর বেড রুমে।আমি যেহেতু রাত জেগে পড়তাম।তাই খেয়াল করতাম আমার রুমের দরজা অফ করার ঘন্টাখানেকের মধ্যে আম্মু বের হয়ে ভাইয়ার রুমে চলে যেতেন।ইদানীং খেয়াল করছি ভাইয়া যেদিন আসে আম্মু সেদিন আগে থেকে নতুন শাড়ি ব্লাউজ, কখনো হাতা কাটা মেক্সি পড়েন।খুব খেয়াল করলাম আম্মুর ব্লাউজ ও এখন হাতা কাটা বানাই!অবাক হলাম আম্মুর ব্লাউজ আর মেক্সির হাতা নরমালি থ্রি কোয়ার্টার থাকে।বুঝতে বাকি রইলো না এটা ভাইয়ার খেলা।
আরো অবাক হলাম আম্মু এখন আপুর মতো পোলো টিশার্ট পরা শুরু করছে।
তবে আব্বু আসার আগে আগে আবার একদম হুজুরের বউ হয়ে যায়!
এরমধ্যে ঢাবি আর জাবির এক্সাম হয় আমার।দুইটাতেই সিরিয়াল অনেক দূরে হওয়ায় ঠেকার কোন চান্স দেখছিনা।কোথাও ভর্তি হবো সেসব ভেবে ফ্রাস্টেটেড হয়ে যাচ্ছে।
একদিন ভাইয়া এসে আমার সাথে আমার ক্যারিয়ার নিয়ে ব্যাপক আলাপ করলেন।আলাপের ফাঁকে ফাঁকে ডিনার ও সেরে ফেললাম।রাত তখন ১১:৪৫ বাজে।
এবার ভাইয়া তার ব্যাগ থেকে একটি চেক বই বের করলেন।একটা চেকে দুই লাখ টাকা লিখে দিয়ে আমার হাতে দিলেন।বললেন, অমুক ভার্সিটিতে ইংরেজি সাহিত্যে ভর্তি হয়ে যা।আমি খুব খুশি হলাম।ভাইয়াকে কৃতজ্ঞতা জানালাম।আর বললাম একদিন এই ঋণ শোধ করে দিবো।ভাইয়া মুচকি হেসে একদম আমার সামনে আম্মুর হাত ধরে বেড রুমে ডুকে গেলো!আপু একটু অবাক হয়ে নিজের রুমে চলে গেলো।আমিও আমার রুমে চলে আসলাম।
আর ভাবতে লাগলাম, তার মানে কি আমাকে টাকা দিয়ে ভাইয়া আমার মুখ বন্ধ করে দিলো?
আমার সামনে আমার আম্মুকে একদম নিজের বউ এর মতো টেনে রুমে নিয়ে গেলো!
এসব ভাবতে ভাবতে আম্মুকে নিয়ে একটু ন্যাস্টি চিন্তা করলাম।
হঠাৎ বুদ্ধি আসলো ভাইয়া তো আম্মুকে চিবড়ে খাচ্ছে।এটা মহাসত্য।এই সত্য আর লুকানো যাবেনা।তার চেয়ে ভালো হয় যদি আমি দেখার ট্রাই করি।
যেভাবে সে কাজ।
আমি সন্তপর্ণে রুম থেকে বের হয়ে আম্মুর রুমের দরজায় গেলাম।ফ্যানের আওয়াজ আর দামি দরজা বেধ করে দেখার কোন সুযোগ নাই।না আছে কোন ফুটো।না আছে তাদের কথা শোনার সুযোগ।
হতাশ হয়ে রুমে ফিরলাম।শুয়ে শুয়ে চিন্তা করতে লাগলাম কি করা যায়?
হঠাৎ ভাবনায় আসলো একটা আম্মুর রুমে একটা গোপন ক্যামরা সেট করলে কেমন হয়?
যেভাবা সেই কাজ।
দারাজে সার্চ করে একটা ক্যামরা পেলাম।একটা ক্যামরার ফিচার দেখে খুব পছন্দ হল।যেটা ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক দিয়ে ফোনের সাথে কানেক্ট করা যায়।ফোন আর ক্যামরার অবস্থান ২০০ মিটারের মধ্যে আসলে ক্রিস্টাল ক্লিয়ার ভিডিও দেখা যাবে।মজার বিষয় হচ্ছে ক্যামরা টি সারাক্ষণ অন রাখতে হয়না।প্রয়োজনের সময় ফোনের মাধ্যমে অন অফ করা যাবে।আর ক্যামরা টি যেখানে সেট করা হবে সেখান থেকে ৩৬০ডিগ্রি এংগেলে ভিউ দেখা যাবে।ক্যামরার বিশেষ মাইক্রোফোনের মাধ্যমে স্পষ্ট কথা ও শোনা যাবে।
এই ক্যামরা আমার খুব পছন্দ হলো।কিন্ত দাম তো অনেক বেশি।হিসেব করে দেখলাম ভাইয়া ভর্তি বাবদ যে টাকা টা দিছে তার অর্ধেক লাগবে ভর্তি হতে।ভর্তির সময় দেরি থাকলেও আমি দিনের বেলা টাকাটা তুলে আনব।সেটা ভেবে ক্যাশ অন ডেলিভারিতে ক্যামরা টি অর্ডার দিয়ে দিলাম।
ডেলিভারি হতে সময় লাগবে সর্বোচ্চ ৭২ ঘন্টা...
আরো অবাক হলাম আম্মু এখন আপুর মতো পোলো টিশার্ট পরা শুরু করছে।
তবে আব্বু আসার আগে আগে আবার একদম হুজুরের বউ হয়ে যায়!
এরমধ্যে ঢাবি আর জাবির এক্সাম হয় আমার।দুইটাতেই সিরিয়াল অনেক দূরে হওয়ায় ঠেকার কোন চান্স দেখছিনা।কোথাও ভর্তি হবো সেসব ভেবে ফ্রাস্টেটেড হয়ে যাচ্ছে।
একদিন ভাইয়া এসে আমার সাথে আমার ক্যারিয়ার নিয়ে ব্যাপক আলাপ করলেন।আলাপের ফাঁকে ফাঁকে ডিনার ও সেরে ফেললাম।রাত তখন ১১:৪৫ বাজে।
এবার ভাইয়া তার ব্যাগ থেকে একটি চেক বই বের করলেন।একটা চেকে দুই লাখ টাকা লিখে দিয়ে আমার হাতে দিলেন।বললেন, অমুক ভার্সিটিতে ইংরেজি সাহিত্যে ভর্তি হয়ে যা।আমি খুব খুশি হলাম।ভাইয়াকে কৃতজ্ঞতা জানালাম।আর বললাম একদিন এই ঋণ শোধ করে দিবো।ভাইয়া মুচকি হেসে একদম আমার সামনে আম্মুর হাত ধরে বেড রুমে ডুকে গেলো!আপু একটু অবাক হয়ে নিজের রুমে চলে গেলো।আমিও আমার রুমে চলে আসলাম।
আর ভাবতে লাগলাম, তার মানে কি আমাকে টাকা দিয়ে ভাইয়া আমার মুখ বন্ধ করে দিলো?
আমার সামনে আমার আম্মুকে একদম নিজের বউ এর মতো টেনে রুমে নিয়ে গেলো!
এসব ভাবতে ভাবতে আম্মুকে নিয়ে একটু ন্যাস্টি চিন্তা করলাম।
হঠাৎ বুদ্ধি আসলো ভাইয়া তো আম্মুকে চিবড়ে খাচ্ছে।এটা মহাসত্য।এই সত্য আর লুকানো যাবেনা।তার চেয়ে ভালো হয় যদি আমি দেখার ট্রাই করি।
যেভাবে সে কাজ।
আমি সন্তপর্ণে রুম থেকে বের হয়ে আম্মুর রুমের দরজায় গেলাম।ফ্যানের আওয়াজ আর দামি দরজা বেধ করে দেখার কোন সুযোগ নাই।না আছে কোন ফুটো।না আছে তাদের কথা শোনার সুযোগ।
হতাশ হয়ে রুমে ফিরলাম।শুয়ে শুয়ে চিন্তা করতে লাগলাম কি করা যায়?
হঠাৎ ভাবনায় আসলো একটা আম্মুর রুমে একটা গোপন ক্যামরা সেট করলে কেমন হয়?
যেভাবা সেই কাজ।
দারাজে সার্চ করে একটা ক্যামরা পেলাম।একটা ক্যামরার ফিচার দেখে খুব পছন্দ হল।যেটা ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক দিয়ে ফোনের সাথে কানেক্ট করা যায়।ফোন আর ক্যামরার অবস্থান ২০০ মিটারের মধ্যে আসলে ক্রিস্টাল ক্লিয়ার ভিডিও দেখা যাবে।মজার বিষয় হচ্ছে ক্যামরা টি সারাক্ষণ অন রাখতে হয়না।প্রয়োজনের সময় ফোনের মাধ্যমে অন অফ করা যাবে।আর ক্যামরা টি যেখানে সেট করা হবে সেখান থেকে ৩৬০ডিগ্রি এংগেলে ভিউ দেখা যাবে।ক্যামরার বিশেষ মাইক্রোফোনের মাধ্যমে স্পষ্ট কথা ও শোনা যাবে।
এই ক্যামরা আমার খুব পছন্দ হলো।কিন্ত দাম তো অনেক বেশি।হিসেব করে দেখলাম ভাইয়া ভর্তি বাবদ যে টাকা টা দিছে তার অর্ধেক লাগবে ভর্তি হতে।ভর্তির সময় দেরি থাকলেও আমি দিনের বেলা টাকাটা তুলে আনব।সেটা ভেবে ক্যাশ অন ডেলিভারিতে ক্যামরা টি অর্ডার দিয়ে দিলাম।
ডেলিভারি হতে সময় লাগবে সর্বোচ্চ ৭২ ঘন্টা...


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)