18-06-2026, 09:42 PM
(This post was last modified: 25-06-2026, 10:52 PM by indonetguru. Edited 4 times in total. Edited 4 times in total.)
গল্প: "ছায়ার আড়ালে আগুন" (পার্ট-৩: অন্ধকারের অধীশ্বর)
ছাপান্নতম পরিচ্ছেদ: রানি প্রেগনেন্ট
সকাল সাড়ে সাতটা। বিন্দুবালা দেবীর বাড়ির একতলার ঘরে রানি সামন্ত বিছানায় উপুড় হয়ে শুয়ে ছিল। তার শরীরটা হঠাৎ করে কেঁপে উঠল। সে তাড়াতাড়ি বিছানা থেকে উঠে বাথরুমের দিকে ছুটে গেল।
দরজা বন্ধ করে সে বেসিনের ওপর ঝুঁকে পড়ল। তার শরীরটা কয়েকবার কেঁপে উঠল, আর তার মুখ দিয়ে বমি বেরিয়ে এল। গলা জ্বালা করছিল, চোখে জল চলে এসেছিল। সে কয়েক সেকেন্ড ধরে বেসিন ধরে দাঁড়িয়ে রইল, তারপর দুর্বল হয়ে দেওয়ালে হেলান দিয়ে বসে পড়ল।
কয়েক মিনিট পর আবার বমি করার তাগিদ এল। এভাবে দু-তিনবার বমি করার পর সে আর উঠতে পারল না। তার কপালে ঘাম জমে গিয়েছিল, শরীরটা দুর্বল লাগছিল।
বাইরে থেকে দরজায় টোকা পড়ল।
“রানি? কী হয়েছে রে?” — বিন্দুবালা দেবীর গলা।
রানি দুর্বল গলায় বলল, “মাসী… আমার… বমি করছে।”
দরজা খুলে বিন্দুবালা ভিতরে ঢুকলেন। তিনি রানিকে দেওয়ালে হেলান দিয়ে বসে থাকতে দেখে তাড়াতাড়ি তার কাছে এসে দাঁড়ালেন।
“এত সকালে বমি? কাল রাতে কী খেয়েছিলি?” বিন্দুবালা জিজ্ঞেস করলেন।
রানি মাথা নেড়ে বলল, “কিছু না… শুধু ভাত আর ডাল।”
বিন্দুবালা তার কপালে হাত রাখলেন। তারপর বললেন, “উঠে আয়। তোকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে।”
রানি দুর্বল গলায় বলল, “মাসী, আমার শরীরটা খারাপ লাগছে।
বিন্দুবালা তাকে ধরে উঠতে সাহায্য করলেন। তারপর বললেন, “চল, গাড়ি ডেকে দিচ্ছি।”
ডাক্তারের চেম্বারে গিয়ে রানি পরীক্ষা করাল। ডাক্তার কয়েকটা টেস্ট করার পর রানিকে চেয়ারে বসতে বললেন। বিন্দুবালা পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
ডাক্তার রিপোর্ট দেখে বললেন, “ইনি তো প্রেগনেন্ট।”
রানি চমকে উঠল। তার মুখটা ফ্যাকাশে হয়ে গেল। সে ডাক্তারের দিকে তাকিয়ে রইল, যেন কথাটা বিশ্বাস করতে পারছে না।
বিন্দুবালা দেবী থমকে গেলেন, তার চোখে বিস্বয়। তিনি অবাক চোখে আরনির দিকে তাকালেন।
“প্রেগনেন্ট?” তিনি জিজ্ঞেস করলেন।
ডাক্তার মাথা নেড়ে বললেন, “হ্যাঁ।”
বিন্দুবালা রানির কাঁধে হাত রাখলেন। তার চোখে রাগ আর বিস্বয় দুটোই ছিল।
“ভয় পাস না রানি। তুই আমাকে নিশ্চিন্তে বল, তোর এই সর্বনাশ কে করলো?"
রানি কিছু বলতে পারল না। সে শুধু চেয়ারে বসে রইল। শুধু চোখ দুটোতে একটা গভীর দ্বন্দ্ব আর ভয় ফুটে উঠেছিল।
"কিরে পাগলি, বলবি না? তোর বিন্দুমাসীকেও বলবি না?" -ছলছল চোখে বিন্দুবালা দেবী বলেন।
"অংশু......অংশুমান বাবু" -রানি কাঁদোকাঁদো গলায় বলে।
রানির মুখে অংশুমানের নাম শুনেই বিন্দুমাসীর দুই চোখ রাগে লাল হয়ে যায়। "হারামজাদাকে আমি ছাড়বো না।"
-----------------------------------------
রানি ও বিন্দুবালা বাড়িতে ফেরার পরে বিন্দুবালার মুখে রানির প্রেগনেন্ট হওয়ার কথা শুনে হরেন থ: হয়ে যায়। আর ললিতা উচ্চস্বরে বিলাপ শুরু করে দেয়-
"হতচ্ছাড়ি! কোন মুখে আমরা এবার সমাজের সামনে দাঁড়াবো। মুখপুড়ি নিজেও মরবে, আমাদেরকেও মারবে। তার আবার শখ হয়েছিল MLA হওয়ার। হুহহহ।"
"আহা ললিতা চুপ কর! একদম চুপ কর!" -বিন্দুবালা দেবী ধমক দেয়।
"এবার কি হবে রে বিন্দু?" -ব্রজদাসী জিগ্যেস করে।
"আমি ডাক্তারের সাথে কথা বলে নিয়েছি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব Abortion করিয়ে নিতে হবে।" -বিন্দুবালা বলে।
রানি চমকে যায়! সে কিছুতেই এই ভ্রুণ নষ্ট হতে দেবে না। সে কাঁপা কাঁপা গলায় বলে "এই বাচ্চাটা আমি নষ্ট করবো না মাসী"
কথাটা শুনেই সবাই চমকে ওঠে! ললিতা উচ্চস্বরে আবার শুরু করে "হায় হতচ্ছাড়ি। এবার এর জ্বালায় আমাদের সবাইকে গলায় দড়ি দিয়ে মরতে হবে।"
বিন্দুবালা ধমক দিয়ে বেলাকে থামিয়ে দিয়ে বলে-
"রানি যখন চাইছে না বাচ্চা নষ্ট করতে, তবে তাই হোক। আমিও চাই না বাচ্চাটাকে নষ্ট করতে। বাচ্চাটার তো কোনো দোষ নেই!"
রানির চোখে জল। চুপ করে থাকলেও সে মনে মনে বিন্দুমাসীকে ধন্যবাদ জানায়।
ছাপান্নতম পরিচ্ছেদ: রানি প্রেগনেন্ট
সকাল সাড়ে সাতটা। বিন্দুবালা দেবীর বাড়ির একতলার ঘরে রানি সামন্ত বিছানায় উপুড় হয়ে শুয়ে ছিল। তার শরীরটা হঠাৎ করে কেঁপে উঠল। সে তাড়াতাড়ি বিছানা থেকে উঠে বাথরুমের দিকে ছুটে গেল।
দরজা বন্ধ করে সে বেসিনের ওপর ঝুঁকে পড়ল। তার শরীরটা কয়েকবার কেঁপে উঠল, আর তার মুখ দিয়ে বমি বেরিয়ে এল। গলা জ্বালা করছিল, চোখে জল চলে এসেছিল। সে কয়েক সেকেন্ড ধরে বেসিন ধরে দাঁড়িয়ে রইল, তারপর দুর্বল হয়ে দেওয়ালে হেলান দিয়ে বসে পড়ল।
কয়েক মিনিট পর আবার বমি করার তাগিদ এল। এভাবে দু-তিনবার বমি করার পর সে আর উঠতে পারল না। তার কপালে ঘাম জমে গিয়েছিল, শরীরটা দুর্বল লাগছিল।
বাইরে থেকে দরজায় টোকা পড়ল।
“রানি? কী হয়েছে রে?” — বিন্দুবালা দেবীর গলা।
রানি দুর্বল গলায় বলল, “মাসী… আমার… বমি করছে।”
দরজা খুলে বিন্দুবালা ভিতরে ঢুকলেন। তিনি রানিকে দেওয়ালে হেলান দিয়ে বসে থাকতে দেখে তাড়াতাড়ি তার কাছে এসে দাঁড়ালেন।
“এত সকালে বমি? কাল রাতে কী খেয়েছিলি?” বিন্দুবালা জিজ্ঞেস করলেন।
রানি মাথা নেড়ে বলল, “কিছু না… শুধু ভাত আর ডাল।”
বিন্দুবালা তার কপালে হাত রাখলেন। তারপর বললেন, “উঠে আয়। তোকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে।”
রানি দুর্বল গলায় বলল, “মাসী, আমার শরীরটা খারাপ লাগছে।
বিন্দুবালা তাকে ধরে উঠতে সাহায্য করলেন। তারপর বললেন, “চল, গাড়ি ডেকে দিচ্ছি।”
ডাক্তারের চেম্বারে গিয়ে রানি পরীক্ষা করাল। ডাক্তার কয়েকটা টেস্ট করার পর রানিকে চেয়ারে বসতে বললেন। বিন্দুবালা পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
ডাক্তার রিপোর্ট দেখে বললেন, “ইনি তো প্রেগনেন্ট।”
রানি চমকে উঠল। তার মুখটা ফ্যাকাশে হয়ে গেল। সে ডাক্তারের দিকে তাকিয়ে রইল, যেন কথাটা বিশ্বাস করতে পারছে না।
বিন্দুবালা দেবী থমকে গেলেন, তার চোখে বিস্বয়। তিনি অবাক চোখে আরনির দিকে তাকালেন।
“প্রেগনেন্ট?” তিনি জিজ্ঞেস করলেন।
ডাক্তার মাথা নেড়ে বললেন, “হ্যাঁ।”
বিন্দুবালা রানির কাঁধে হাত রাখলেন। তার চোখে রাগ আর বিস্বয় দুটোই ছিল।
“ভয় পাস না রানি। তুই আমাকে নিশ্চিন্তে বল, তোর এই সর্বনাশ কে করলো?"
রানি কিছু বলতে পারল না। সে শুধু চেয়ারে বসে রইল। শুধু চোখ দুটোতে একটা গভীর দ্বন্দ্ব আর ভয় ফুটে উঠেছিল।
"কিরে পাগলি, বলবি না? তোর বিন্দুমাসীকেও বলবি না?" -ছলছল চোখে বিন্দুবালা দেবী বলেন।
"অংশু......অংশুমান বাবু" -রানি কাঁদোকাঁদো গলায় বলে।
রানির মুখে অংশুমানের নাম শুনেই বিন্দুমাসীর দুই চোখ রাগে লাল হয়ে যায়। "হারামজাদাকে আমি ছাড়বো না।"
-----------------------------------------
রানি ও বিন্দুবালা বাড়িতে ফেরার পরে বিন্দুবালার মুখে রানির প্রেগনেন্ট হওয়ার কথা শুনে হরেন থ: হয়ে যায়। আর ললিতা উচ্চস্বরে বিলাপ শুরু করে দেয়-
"হতচ্ছাড়ি! কোন মুখে আমরা এবার সমাজের সামনে দাঁড়াবো। মুখপুড়ি নিজেও মরবে, আমাদেরকেও মারবে। তার আবার শখ হয়েছিল MLA হওয়ার। হুহহহ।"
"আহা ললিতা চুপ কর! একদম চুপ কর!" -বিন্দুবালা দেবী ধমক দেয়।
"এবার কি হবে রে বিন্দু?" -ব্রজদাসী জিগ্যেস করে।
"আমি ডাক্তারের সাথে কথা বলে নিয়েছি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব Abortion করিয়ে নিতে হবে।" -বিন্দুবালা বলে।
রানি চমকে যায়! সে কিছুতেই এই ভ্রুণ নষ্ট হতে দেবে না। সে কাঁপা কাঁপা গলায় বলে "এই বাচ্চাটা আমি নষ্ট করবো না মাসী"
কথাটা শুনেই সবাই চমকে ওঠে! ললিতা উচ্চস্বরে আবার শুরু করে "হায় হতচ্ছাড়ি। এবার এর জ্বালায় আমাদের সবাইকে গলায় দড়ি দিয়ে মরতে হবে।"
বিন্দুবালা ধমক দিয়ে বেলাকে থামিয়ে দিয়ে বলে-
"রানি যখন চাইছে না বাচ্চা নষ্ট করতে, তবে তাই হোক। আমিও চাই না বাচ্চাটাকে নষ্ট করতে। বাচ্চাটার তো কোনো দোষ নেই!"
রানির চোখে জল। চুপ করে থাকলেও সে মনে মনে বিন্দুমাসীকে ধন্যবাদ জানায়।


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)