Thread Rating:
  • 6 Vote(s) - 3.67 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
Adultery কাশ্মীরে কেলেঙ্কারি (সম্পূর্ণ) - তমালের গল্প
#57
Heart 


এরকম দিন দশ পনেরো পরপর ওদের এই খেলা বেশ কিছুদিন দেখলাম। তারপর হঠাৎ করেই পাকাপাকি ভাবে বন্ধ হয়ে গেলো সব। আর তাদের দেখতে পাইনি কোনোদিন। কিন্তু সেই যে হিসুর জায়গা ঘষে আরাম পেয়েছিলাম, সেটা মাঝে মাঝেই করতাম। ভালো লাগতো খুব। একটা জিনিস মাথায় ঢুকে গেলো যে ছেলে আর মেয়ে এরকম আদর টাদর করলে প্রথমে আরাম লাগে কিন্তু শেষে সেটা খুব যন্ত্রণা য়। 
এর পরের ঘটনাটা আরও দু বছর পরে। আরও একটু বড় হয়েছি। বুকের দুদু গুলো বেশ বড় হয়ে উঠেছে। উপরে কিসমিসের মতো বোঁটা গজিয়েছে মা ব্রা কিনে দিলো। সেটা পরে কলেজে যাই। রাস্তায় পরিচিত কাকুরা আজকাল কেমন ভাবে যেন তাকায়! কি যেন বলতে চায় সব সময়। কেউ কেউ দেখা হলেই কাছে ডেকে গায়ে মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়। বাড়িতেও যেতে বলে। 
মাকে বলতে মা বলেছে খবরদার ওদের কাছেও যাবিনা, ওদের বাড়িতেও যাবি না। কি হবে গেলে, সেটা জিজ্ঞেস করতেই ধমক দেয়। তবে ওই কাকুদের নুনু গুলোও ওই ছেলেটার মতো বড়, সেটা জায়গাটা ফুলে থাকার জন্য বোঝা যায়। সবার বড় হয়না, কারণ সবার জায়গাটা ফোলা নয়। 
তবে কথাটা যে সত্যি নয়, সেটা জানলাম কিছুদিন পরে। ছেলেদের নুনু ছোট হয় আমার বড়ও হয় মাঝে মাঝে। আমার এক কাকু, বাবার কেমন জানি ভাই হয়, কিছুদিনের জন্য বেড়াতে এলো সুরাট থেকে। যখন এলো তার নুনুর জায়গাটা খেয়াল করলাম। ফোলা ছিলো না। বুঝলাম তার নুনু ছোট। এই কাকু তাহলে কোনো মেয়েকে যন্ত্রণা দেয় না! আমার ভালো লেগে গেলো। ভাব হলো তার সাথে খুব। মজার মজার গল্প বলতো। বাইরে গেলেই আমার জন্য চকলেট নিয়ে আসতো।  
একদিন কি একটা কারণে কলেজ ছুটি ছিলো। বাবা অফিসে, মা যথারীতি মহিলা সমিতিতে গেছে। কাকুও কোথায় যেন গেছিলো, ফিরে এলো চকলেট নিয়ে। জিজ্ঞেস করলো বাবা মা কোথায়, আমি বললাম। কাকু বললো, গল্প শুনবি? চল আমার ঘরে যাই। আমি আর কাকু গেস্ট রুমে গেলাম। কাকু বললো, আজ গল্প থাক, চল আজ একটা নতুন খেলা খেলি। আমি আনন্দে রাজি হয়ে গেলাম। কাকু বললো চোখ বন্ধ করে আমার কোলে এসে বোস। আমি কিছু না ভেবেই তার কোলে বসলাম। 
কাকু আমাকে জড়িয়ে ধরে কানে মুখ ঘষতে লাগলো। আমার শরীরটা কেমন জানি করে উঠলো। হাত পা অবশ হয়ে আসছে, কিন্তু ভালো লাগছে খুব। জিজ্ঞেস করলাম, কি করছো কাকু? বললো, নতুন খেলা খেলছি। তোর ভালো লাগছে না? আমি মাথা নেড়ে সায় দিলাম। 
কাকু এবার আমার বুকে হাত দিলো। মুঠো করে ধরে দুদু দুটো টিপতে লাগলো। আমার সেই স্মৃতি ফিরে এলো। নিজেও টিপতাম বাইনোকুলারে সেই ছেলেটা আর মেয়েটাকে দেখে। কাকুর টেপাটা আরও ভালো লাগছে। কাকু আবার জিজ্ঞেস করলো, কেমন লাগছে রিয়া? আমি সরল মনে সত্যি কথা বললাম যে খুব ভালো লাগছে। 
কাকু বললো, জামাটা খুলে ফেল, অন্য একটা খেলা দেখাবো, দেখবি আরও ভালো লাগছে। আমি একটু লজ্জা পেলেও খুলে ফেললাম। ব্রা টা কাকু নিজেই খুলে দিলো। তারপর আমাকে কাছে ডেকে একটা দুদু মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করলো। আমার কি যে ভালো লাগছিলো, বলে বোঝাতে পারবো না। বললাম কাকু আরও চোষো। কাকু আরও কিছুক্ষণ চুষলো। তারপর বললো, তুই আমারটা চুষে দিবিনা রিয়া? আমি বললাম, তুমি তো ছেলে, তোমার তো দুদু নেই? কাকু বললো এটা চুষে দে!  
কাকু নিজের নুনুটা দেখালো আঙুল দিয়ে। তাকিয়ে দেখলাম জায়গাটা ফুলে আছে। তারমানে নুনু বড় হয়েছে। তখনি জানলাম ছেলেদের নুনু ইচ্ছা মতো ছোট বড় হয়। আমি ঘেন্না পেয়ে বললাম, ছিঃ ওটা দিতে হিসু করে, আমি চুষবো না! কাকু বললো, ওটা চুষলে তার আরাম হবে। আমাকে আরাম দিলো এখন আমার উচিৎ তাকেও আরাম দেওয়া। ভেবে দেখলাম কথাটা সত্যি। বললাম আচ্ছা,তাহলে একটু চুষে দিচ্ছি। 
সাথে সাথে কাকু নুনুটা বের করলো পায়জামা থেকে। বাপরে! কতো বড়! কালো আর মোটা! সেই ছেলেটার থেকেও বড়! আমি ভয়ে ভয়ে মুখে নিলাম। কেমন নোনতা আর বিচ্ছিরি স্বাদ! কিছুক্ষণ চুষে বললাম আর চুষবো না, আমার ভালো লাগছে না। কাকু জোর করলো না। সেটা তখন আরও বড় হয়ে গেছে আর সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে মাথা দোলাচ্ছে। কাকু বললো, আয় তোরটা চুষে দি। 
তারপর আমাকে শুইয়ে ইজের খুলে হিসুর জায়গা চুষতে শুরু করলো। এবারে আর পিঁপড়ে নয়, যেন হাজার শুঁয়াপোকা গায়ে হেঁটে বেড়াতে লাগলো আর হুল ফোটাতে লাগলো। আমি সুখে পাগল হয়ে গেলাম। হিসুর জায়গাটা কেন ভিজে উঠছে বুঝতে পারছি না, কিন্তু মনে হচ্ছে কাকু চুষতেই থাকুক। 
একটু পরে কাকু মুখ তুলে একটা আঙুল দিলো ওখানে। বেশ ব্যাথা পেলাম। বললাম কাকু লাগছে। কাকু শুনলো না আমার কথা। তার মোটা আঙুলটা ঢুকিয়ে দিলো হিসুর জায়গায়। প্রচন্ড ব্যাথায় কেঁদে উঠলাম আমি। মনে হলো মরে যাচ্ছি আমি। তারপরে আমার আর কিছু মনে নেই! 
যখন জ্ঞান ফিরলো, দেখি কাকু চিন্তিত মুখে ঝুঁকে রয়েছে আমার উপর। আমি কোনো রকমে বললাম, আর খেলবো না কাকু, খুব ব্যাথা করছে। কাকু আমাকে কি একটা ওষুধ খাইয়ে দিলো। আর বললো, খবরদার, এই কথা কিন্তু বাবা মা কে বলা যাবে না। এটা মন্ত্রপূত খেলা, বললেই তারা মরে যাবে। আমি ভয়ে ভয়ে বললাম, আচ্ছা বলবো না। রাতে ধুম জ্বর এলো আমার। ডাক্তার দেখানো হলো। বাবা মা কিছু জানতে পেরেছিলো কিনা আমার জানা নেই। কাকু যদিও পরের দিনই চলে গেছিলো বাড়ি থেকে। কিন্তু ছেলে মেয়ের সম্পর্ক নিয়ে কটা ধারণা বদ্ধমূল হলো আমার মনে। দুদু টিপলে বা চুষলে কিংবা হিসুর জায়গায় হাত দিলে আরাম লাগে, কিন্তু সেখানে কিছু ঢোকালে প্রচন্ড ব্যাথা লাগে।  
এই পর্যন্ত এক নাগাড়ে বলে থামলো রিয়া। আমরা তার অভিজ্ঞতা শুনে ভাষা হারিয়ে ফেললাম। অঙ্কিতা বললো- "এসব কথা তুই আমাকে আগে বলিসনি কেন রিয়া। তাহলে আমিই তোকে সাহায্য করতে পারতাম।" 
রিয়া বললো- "শুধু তোকে না অঙ্কিতা, কাউকেই কোনোদিন বলতে পারিনি। এই জন্যই আমি ছেলেদের এবং সেক্স থেকে দূরে থাকতাম। বন্ধুদের আলোচনায় অংশ নিতাম না। বলতে পারিস নিজের সেই ভয়ংকর অভিজ্ঞতা থেকে পালিয়ে বেড়াতাম। তমাল আমার জীবনে না এলে এই অভিশাপ থেকে কবে মুক্তি পেতাম জানিনা। এতোদিন একটা পাথরের মতো বুকে বয়ে বেড়িয়েছি। আজ তোদের বলার পরে ভীষণ হালকা লাগছে। মনে হচ্ছে আমার নতুন জন্ম হলো।" অঙ্কিতা রিয়াকে বুকে জড়িয়ে ধরলো। 
রিয়ার এই অভিজ্ঞতা নতুন কিছু নয়। আমাদের সমাজে বহু শিশু উপযুক্ত বয়স হবার আগেই এমন যৌন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়। সমীক্ষা বলছে আমাদের দেশে তিপ্পান্ন দশিমিক তিন শতাংশ শিশু, তা সে ছেলে হোক বা মেয়ে কখনো না কখনো এরকম যৌন নির্যাতনের শিকার হয়। তার পঁচানব্বুই শতাংশই ঘটে আপনজনদের হাতে। কোনো না কোনো দাদা, মামা, কাকু, জেঠু, মেসোমশাই, পিসেমশাই সুযোগ পেলেই ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের মজার খেলা শেখাতে উৎসাহী হয়ে পড়ে। তাদের বিকৃত যৌন চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে এই সব শিশুরা কখনো কখনো সারা জীবনের জন্য মানসিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের মনের সুস্থ বিকাশ ঘটেই না যদি সময় মতো কাউন্সিলিং না করানো যায়। 
রিয়ার মতো কারো কারো হঠাৎ দেখা কোনো যৌনক্রিয়া জ্ঞানের অভাবে মনের উপর ভুল প্রভাব ফেলে। সেই ছেলেটা বা মেয়েটা হয়তো স্বাভাবিক সেক্সই করছিলো। কিন্তু বারো বছর বয়সের মেয়েটা শীৎকারের তীব্রতাকে যন্ত্রণার চিৎকার মনে করে নিজেকে শামুকের মতো খোলসে গুটিয়ে নিয়েছে। অথবা হয়তো ছেলেটা সত্যিই স্যাডিস্ট ছিলো! সঙ্গীকে কষ্ট দিয়ে, নির্যাতন করে যৌন সুখ পায় তারা। কিন্তু রিয়া সেই পার্ভার্সন সম্পর্কে না জেনে সেটাকেই স্বাভাবিক যৌনতার আসল চেহারা ভেবে নিয়েছে। 
এই ভুল ধারণা গুলো ভাঙার সব চেয়ে সহজ উপায় কোনো বন্ধু বা পছন্দের গুরুজনের সাথে মন খুলে কথা বলা। রিয়া সেটা করতে পেরে যেন অন্য মানুষ হয়ে গেলো। আমি বললাম-  
"রিয়া, তোমার যে অভিজ্ঞতা হয়েছে, তা স্বাভাবিক নয়। তোমার দুর্ভাগ্য যৌনতার কুৎসিত রূপটা তুমি সেটার আনন্দময় রূপের আগে দেখে ফেলেছো। ওগুলো ভুলে যাও। মন থেকে মুছে ফেলো। আর আমরা তো আছি তোমাকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার জন্য?"

Tiger

                kingsuk25@ জিমেইল ডট কম
[+] 2 users Like kingsuk-tomal's post
Like Reply


Messages In This Thread
RE: কাশ্মীরে কেলেঙ্কারি (সম্পূর্ণ) - তমালের গল্প - by kingsuk-tomal - 18-06-2026, 01:55 PM



Users browsing this thread: 4 Guest(s)