Thread Rating:
  • 6 Vote(s) - 3.67 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
Adultery কাশ্মীরে কেলেঙ্কারি (সম্পূর্ণ) - তমালের গল্প
#56
Heart 


রিয়া একটু হাসলো আমার দিকে তাকিয়ে। তারপর বললো- "বেশ বলছি। আমার বয়স তখন বছর বারো। তখনো আমরা অঙ্কিতাদের পাড়ায় আসিনি। থাকতাম উত্তর কলকাতায়। অল্প কিছুদিন হলো পিরিয়ড শুরু হয়েছে। পিরিয়ডের সময় আমার খুব শরীর খারাপ লাগলো। মা তখন কলেজে যেতে দিতো না। ওষুধ টষুধ খেয়ে ব্যাথা বেদনা কমতো। সারাদিন তখন ঘরেই থাকতাম। বাবা অফিস চলে যেতো, মা সারাদিন মহিলা সমিতি নিয়ে ব্যস্ত থাকতো। আমার সময় কাটতো না। 
পিরিয়ড শুরু হবার কিছুদিন আগে থেকেই আমার শরীরে কিছু একটা পরিবর্তন লক্ষ্য করেছিলাম। হঠাৎ হঠাৎ খুব গরম লাগতো। মেজাজ খারাপ হয়ে যেতো, ভালো কথাও সহ্য হতো না। আর শরীরটা কেমন আনচান করতো, কি করলে যে শান্তি পাবো, বুঝতে পারতাম না। তখন তো আর ফিংগারিং বা বুবস প্রেসিং কি জিনিস জানতাম না? 
আমার বাবা বিদেশ থেকে একটা জেনিথ কোম্পানির  বাইনোকুলার এনে দিয়েছিলো। ভীষন পাওয়ারফুল লেন্স। প্রায় এক কিলোমিটার দূরের জিনিসও স্পষ্ট দেখা যেতো, একটু কাছের হলে তো কথাই নেই, লোমকূপ পর্যন্ত দেখা যেতো চেষ্টা করলে। বারান্দায় বসে সেটাতে চোখ রেখেই কেটে যেতো সময়। রাস্তায় গাড়ি ঘোড়ার যাতায়াত, পাড়ার রকে বসা ছেলেদের হাসি ঠাট্টা, উত্তর কলকাতার বিখ্যাত কল পাড়ের ঝগড়া, এসব দেখতে খুব মজা লাগতো। 
এরকমই এক দুপুর বেলা, আমার পিরিয়ড চলছে তখন, বাইনোকুলারে চোখ লাগিয়ে পাড়া পরিক্রমা করছি। হঠাৎ একটু দূরের একটা বাড়ির জানালায় চোখ আটকে গেলো। একটা কাপল্‌ পরস্পরকে আদর করছিলো। চার তলার উপরে ফ্ল্যাট, এপাশে আর কোনো উঁচু বাড়ি নেই, তাই হয়তো জানালা খোলা রেখেই আদর করছে তারা। প্রথমে আমার খুব অস্বস্তি হচ্ছিলো। দুজনে চুমু খেতে শুরু করতেই আমি বাইনোকুলার নামিয়ে ঘরে চলে গেলাম। এ আমি কি দেখলাম! বুকের ভিতরে হৃদপিণ্ডটা প্রচন্ড জোরে লাফাতে শুরু করেছে আমার। হাত পায়ের তলা ঘেমে উঠেছে। কেমন যেন একটা লাগছিলো আমার, ঠিক বুঝতে পারছিলাম না। 
ঠিক করেছিলাম আর ওদিকে তাকাবো না। কিন্তু একটা চাপা কৌতুহল আমাকে স্থির থাকতে দিচ্ছিলো না। মনের সাথে যুদ্ধে কৌতুহলের জয় হলো। আবার বাইনোকুলার তুলে নিলাম। সেই জানলায় ফোকাস করতেই আমার অজ্ঞান হবার মতো অবস্থা হলো। ততক্ষণে তারা দুজনে শরীরের সব জামা কাপড় খুলে নেকেড হয়ে জড়াজড়ি করছে। 
মজার ব্যাপার হলো সেক্সের তখনো কিছু না বুঝলেও এটা যে গোপন নিষিদ্ধ কোনো ব্যাপার সেটা মনে হচ্ছিলো বারবার, তাই আকর্ষণটাও মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছিলো। মনে হতে লাগলো বারান্দায় গিয়ে দেখলে সমস্ত পৃথিবী আমার এই গর্হিত কাজ দেখে ফেলবে এবং চিৎকার করে সবাইকে জানিয়ে দেবে। তাই বারান্দায় না গিয়ে ওদিকে জানালা খুলে খাটে বসেই দেখতে লাগলাম। 
ছেলেটা মেয়েটার বুক চুষছিলো মুখ লাগিয়ে। দেখতে দেখতে আমার গলা কেন বারবার শুকিয়ে যাচ্ছে বুঝতে পারছিলাম না। নিজের হাতটা বারবার নিজের বুকে উঠে যেতে চাইছে। তারপর চোখ গেলো ছেলেটার নুনুর দিকে আর একটু কম বয়সে আমার মাসি বেড়াতে গেলে দেখতাম সে আমার সমবয়সী নিজের ছেলেকে নেকেড করে স্নান করাতো। তখন তার নুনু দেখেছি আমি। কিন্তু এই ছেলেটার নুনু অনেক বড় আর সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। সেদিকে তাকিয়ে আমি আর মনের শাসন না মেনে নিজের একটা বুক টিপে ধরলাম। উফফফফ্‌ কি বলবো তোমাদের, কি যে শান্তি আর আরাম পেলাম, বলার নয়। ছেলেটার নুনু যতোই দেখছি আমার দুদু দুটোর ভিতরে ততো বেশি করে চুলকাচ্ছে, আরও জোরে টিপতে ইচ্ছা করছে। নুনুই বলছি কারণ তখন ওটাকে নুনু বলেই চিনতাম, অন্য কোনো নাম জানতাম না। 
মেয়েটা ছেলেটাকে চুমু খেতে খেতে তার সোজা হয়ে দাঁড়ানো নুনুটা ধরে নাড়তে শুরু করলো। ছেলেটাও মেয়েটার একটা দুদু চুষতে চুষতে অন্যটা টিপছিলো, ঠিক আমি যেমন নিজেরটা টিপছিলাম। 
একটু পরেই ছেলেটা মেয়েটাকে বিছানার উপর উপুর করে ফেললো। তার পা দুটো মাটিতেই ছিলো শুধু বুকটা বিছানার সাথে লাগানো। ছেলেটা তার পিছনে গেলো। তারপর তার অতো বড় নুনুটা মেয়েটার পিছনে কোথায় যেন ঢুকিয়ে দিলো। শব্দ শুনতে পারছিলাম না, কিন্তু দামী বাইনোকুলারের পাওয়ারফুল লেন্সের কারণে মেয়েটা মুখ দেখতে পারছিলাম স্পষ্ট। দেখেই বোঝা যাচ্ছে মেয়েটা যন্ত্রণায় চিৎকার করছে। ছেলেটার কোনো মায়া দয়া নেই। সে পিছন থেকে ভীষণ জোরে ধাক্কা দিতে লাগলো, আর মেয়েটা ততো জোরে চিৎকার করতে লাগলো।  
ভয়ে আমি তাড়াতাড়ি বাইনোকুলার নামিয়ে কাঁপতে লাগলাম। একটু আগে দুদুর ভিতরে যে চুলকানির মতো অনুভূতি হচ্ছিলো সেটাও নিমেষে উধাও হয়ে গেলো। 
সেই রাতে আমি ঠিক মতো ঘুমাতে পারলাম না। আধো ঘুমে স্বপ্ন দেখলাম ছেলেটার নুনুটা দাঁড়িয়ে আছে। তারপর ছেলেটা পিছনে দাঁড়িয়ে মেয়েটাকে গুঁতো মারছে আর মেয়েটা চিৎকার করছে যন্ত্রণায়। ঠিক করেছিলাম আর দেখবো না এই নিষ্ঠুর দৃশ্য! 
পরের দিনও কলেজ গেলাম না। আগের দিনের ভয় ততোক্ষণে অনেকটা কমে গেছে। আবার কৌতুহল সেই জায়গা দখল করে আমার চোখে বাইনোকুলার তুলতে বাধ্য করলো। কিন্তু হতাশ হলাম। আজ জানালা বন্ধ।  
আমার পিরিয়ড শেষ হলো। কলেজে যাওয়া শুরু করলাম। কিন্তু সেই স্মৃতি আমি কিছুতেই মন থেকে মুছতে পারলাম না। পুরো একটা সিনেমার মতো প্রথম থেকে চোখের সামনে ভেসে উঠতো। প্রথম পর্ব মনে পড়লেই শরীরে সেই চুলকানির মতো একটা চিড়বিড়ানি অনুভুতি হতো। কিন্তু যেই সেই ছেলেটার ধাক্কা মারা আর মেয়েটার চিৎকার মনে পড়তো, আমার শরীর ঠান্ডা হয়ে যেতো ভয়ে। 
কলেজে যাবার আগে, কলেজ থেকে ফিরে, রাতে কিংবা যখনি সময় পেতাম কি এক অমোঘ আকর্ষণে বাইনোকুলার চোখে লাগাতাম আবার দেখার আশায়। প্রতিবার হতাশ হতে হতো। কোথায় যেন হারিয়ে গেলো সেই কাপল্‌! 
দিন পনেরো পরে এক রবিবার। অভ্যাস মতো বাইনোকুলার চোখে দিলাম। এখন আর গাড়ি ঘোড়া, কল-পাড়, পাড়ার রক্‌, এসব দেখতে ইচ্ছা করতো না। সোজা ফোকাস করতাম সেই জানালায়। হঠাৎ বুকটা ধক্‌ করে উঠলো। জানালা খোলা, আর সেই কাপল্‌ আদর করছে। আজও দুজনেই উলঙ্গ। এবার চুমু টুমু দেখার সুযোগ হয়নি। প্রথমে মেয়েটাকে দেখতে পাইনি। ছেলেটা উলটোদিকে ফিরে নেকেড হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু ওভাবে দুলছে কেন সে? কোমরটা জোরে জোরে সামনে পিছনে দোলাচ্ছে। একটু পরেই বুঝলাম ব্যাপারটা। ছেলেটা একটু সাইড হতেই দেখলাম মেয়েটা মাটিতে বসে আছে আর ছেলেটার বিশাল নুনুটা মুখে নিয়ে চুষছে। আমার গা টা কেমন যেন গুলিয়ে উঠলো দেখে। নুনু দিয়ে তো হিসু করে, সেটা আবার কেউ মুখে নেয় নাকি? ছিঃ! 
ভাবলাম বটে কিন্তু চোখ সরাতে পারলাম না। সেই চুলকানিটা আবার শুরু হয়েছে শরীরে। সারা শরীর জুড়ে যেন অসংখ্য পিঁপড়ে হেঁটে বেড়াচ্ছে। কামড়াচ্ছে না বটে তবে ভীষণ অস্বস্তি হচ্ছে। ওগুলোকে মেরে না ফেললে শান্তি পাচ্ছি না। দুদুতে হাত দিয়ে মারতে শুরু করলাম পিঁপড়ে। যতোই মারি আরও বেড়ে যায় তাদের সংখ্যা। এবারে মেয়েটা উঠে বিছানায় চিৎ হয়ে শুয়ে পা ছড়িয়ে দিলো। ছেলেটা এগিয়ে এসে মেয়েটার হিসুর জায়গায় মুখ ডুবিয়ে দিলো এবার। মেয়েটা আবার চিৎকার করে উঠলো, তবে এই চিৎকারটার সঙ্গে আগের দিনের চিৎকারটার কোথায় যেন একটা তফাৎ আছে। মেয়েটার মুখে যন্ত্রণার ছাপ নেই, বরং যেন সে ভীষণ মজা পাচ্ছেআমার মতো সেও নিজেই নিজের একটা দুদু টিপে চলেছে 
দেখতে দেখতে আমার হিসুর জায়গাতেও পিঁপড়ে চলতে শুরু করলো। তাদের মারার জন্য সেখানেও হাত দিলাম। আস্তে আস্তে ঘষতে লাগলাম। কেমন যেন নেশা ধরে গেলো। যতোই ঘষছি আরো ঘষতে ইচ্ছা করছে। মনে হচ্ছিলো ওই ছেলেটে এসে যদি ওভাবে চুষে দিতো, তাহলে শান্তি পেতাম। 
কিন্তু একটু পরেই শুরু হলো সেই ভয়ঙ্কর ব্যাপারটা। ছেলেটা মেয়েটাকে চুল ধরে টেনে তুলে উপুর করে ফেলেই নুনু ঢুকিয়ে দিলো পিছনে। তারপর গুঁতো মারতে লাগলো। আর মেয়েটা সেই রকম তারস্বরে চিৎকার করতে লাগলো। আবার আমার হাত পা ঠান্ডা হয়ে এলো। বাইনোকুলার নামিয়ে রেখে ভয়ে কাঁপতে লাগলাম


Tiger

                kingsuk25@ জিমেইল ডট কম
[+] 2 users Like kingsuk-tomal's post
Like Reply


Messages In This Thread
RE: কাশ্মীরে কেলেঙ্কারি (সম্পূর্ণ) - তমালের গল্প - by kingsuk-tomal - 18-06-2026, 01:54 PM



Users browsing this thread: 4 Guest(s)