18-06-2026, 02:03 AM
২.
অসুস্থতাজনিত কারণে আব্বু দীর্ঘদিন কর্মস্থলে যেতে পারেন নাই।তাছাড়া আব্বুর তেমন ডিপোজিট ও ছিলনা।সে সময় আব্বুর বেশ কিছু ছাত্র আব্বুকে আর্থিক ভাবে সহযোগিতা করেন।এগুলো দিয়েই কোন ভাবে চলছিল আমাদের সংসার।বড় অংকের সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে আসেন আমার ফুফুর ছেলে অর্থাৎ আমার ফুফাতো ভাই জেকি ভাইয়া।তিনি মাত্র ২৭ বছর বয়সে একাধিক শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিক।যদিও তার সিংহ ভাগই ফুফা করে দিয়ে গেছেন।ফুফার একমাত্র ছেলে হিসেবে ফুফার মৃত্যুর পর তিনিই এখন সবকিছু দেখা শোনা করেন।
জেকি ভাইয়া আব্বুর অসুস্থতাকালীন প্রতি সপ্তাহে আসতেন এবং আব্বুকে এক সাথে ১০ হাজার ১২ হাজার করে টাকা দিয়ে যেতেন।সাথে আব্বুকে লুকিয়ে আম্মুর হাতেও গুজে দিতেন ১০০০ টাকার একাধিক নোট।তাছাড়া বাসার জন্য দামি ফ্রিজ,ড্রেসিং টেবিল,আলমারি ইত্যাদি কিনে দিতেন গোপনে।আব্বু জিজ্ঞেস করলে আম্মু বলতেন এগুলো আমার খালার বাসা থেকে আনা।খালারা যেহেতু বড় লোক তাই আব্বু বিশ্বাস করতেন।আমি বুঝতাম না ভাইয়া দিছে বললে সমস্যা কোথায়?
আম্মু এসব কিছু প্রথমে না নিতে চাইলেও পরে তা লুফে নিতেন।একবার ভাইয়া এসে দেখেন তার দেয়া গিফট গুলাতে বাসা টইটম্বুর হাটা চলার জায়গা কম আবার সবার জন্য রুম ও যথেষ্ট না।তাই তিনি আব্বুকে বললেন, মামা সুমাইয়া বড় হচ্ছে বিয়ে দিতে হবে।এরকম গিঞ্জি বাসায় ভালো পাত্র আসবেনা ।তার চেয়ে ভালো আবাসিকে একটা বাসা নেন।আব্বু বাস্তবতা বুঝে চুপ ছিলেন।কিছু না বলায় আবার ভাইয়া কথা বলা শুরু করলেন।
দেখেন মামা বাসা ভাড়া নিয়ে টেনশন করবেন না।এখন যা ভাড়া দেন তার চেয়ে বেশি লাগবে ৬ হাজার টাকা।এই ৬ হাজার আমি দিবো।আপনি আমার আম্মুকে অনেক কষ্ট করে ভালো ঘরে বিয়ে দিছেন।আমাদের জন্য অনেক কিছু করছেন।আমাদের তো একটা দায়িত্ব আছে।আপনি আমার এই প্রস্তাব টা মেনে নিলে খুশি হব।
আব্বু কিছু না বলে আম্মু আর আপুকে ডাকলেন।
আম্মু আর আপুর সামনে ভাইয়ার কথা টা ব্রীফ করলেন।
সব শুনে আম্মু বললেন, না জেকি তাক,তুমি আমাদের জন্য অনেক কিছু করতেছ।আবার এক্সট্রা খরচ বাড়ানোর দরকার নাই।তোমার মামা সুস্থ হোক।প্রমোশন পেলে বেতন বাড়বে।তখন নিবো।
ভাইয়া অভিমানি সুরে বললেন কি বলেন মামী?
আমাদের কি কোন দায়িত্ব নাই?
পরের টা পরে দেখা যাবে।এখনের টা আমি দেখব।আম্মু আমত আমতা করে মেনে নিলেন।
ভাইয়া চলে গেলেন।এরপরের সপ্তাহে নতুন বাসা ঠিক করে দিলেন ভাইয়া।তিন বেডের বাসা,বড় বড় বেলকনি,ডাইনিং ড্রয়িং এর সাথে সব কটা রুমে এটাচ বাথরুম।
আম্মু আব্বুর আলাদা রুম হলো,আমরা দুই ভাইয়ের ও রুম হলো।এখন আর আব্বু থাকলে আমাদের রুমে আপু দখল করার প্যারা নাই।আপুর জন্য ও একটা রুম হলো।
এভাবেই কেটে গেলো প্রথম মাস।
আব্বু এখন আস্তে আস্তে হাঁটতে পারেন।আব্বুর অফিস থেকে নির্দেশনা আসলো আব্বুকে মাস্টবি এই মাস থেকে অফিসে যেতে হবে।তা না হলে চাকুরি রক্ষা করা যাবেনা।
অগত্যা সীদ্ধান্ত হলো, ছোট ভাইকে নিয়ে আব্বু মাদ্রাসায় চলে যাবেন।শিক্ষক ডরমেটরিতে থাকবেন।
এডমিশনের প্রিপারেশনের জন্য আমি আপু আর আম্মুর সাথে থাকবো।
যা সীদ্ধান্ত তাই বাস্তবায়ন হলো।
তবে আব্বু বাসায় না থাকায় এখন আপু আর আম্মু আপুর রুমে থাকেন।আম্মুর রুমটা খালি থাকে।
আমি এডমিশন কোচিং করি ৩ টা থেকে ৬ টা।
২ ঘন্টা ক্লাস এবং ১ ঘন্টা এক্সাম হয় নিয়মিত।
একদিন প্রিপারেশন না থাকায় আমি এক্সাম না দিয়ে বাসায় চলে আসি।বাসা থেকে কোচিং হাঁটার দূরত্ব হওয়ায় খুব বেশি সময় লাগেনা।আমি যেহেতু রাইট টাইমের আগে বাসায় চলে আসছি তাই আর কলিংবেল দিইনাই।কারণ আপু ভার্সিটি থেকে আসে দেড়টায়।এসে লাঞ্চ করে আম্মু আপু ঘুমায়।আমি ঘুমের ব্যাঘাত না হয় মতো আমার কাছে থাকা চাবি দিয়ে লক খুলে বাসায় ডুকি।দরজা খোলার আওয়াজে আপু এসে আমাকে দেখে ভূত দেখার মতো ভয় পাই।আমি কারণ টা বুঝতে পারিনি।আমাকে বল্ল কিরে আজকে আগে চলে আসলি কেন?বললাম প্রিপারেশন না থাকায় এক্সাম দিনাই।
আপু বলে ওহ,তো কলিংবেল দিতি।আমি বল্লাম তোমরা ঘুমাও তাই ডিস্ট্রাব করিনি।
হঠাৎ জুতা রাখার রেকে আমার চোখ যাই।দেখি এক জোড়া পুরুষের জুতা।আমি ঐদিকে তাকাতে দেখে আপু বললেন জেকি ভাইয়া আসছে।
আমি বল্লা কোথায়।সে বলে আম্মুর রুমে।আম্মুর সাথে নাকি কি সব জরুরি কথা আছে।এটা বলে সে আম্মুর রুমে নক করে মুখে বলে আম্মু নাবিল চলে আসছে।বলেই সে তার রুমে ডুকে যায়।
আমি ব্যাগ রেখে ডাইনিং টেবিলে বসে পানি খাই।প্রায় ৫ মিনিট পর আম্মু বের হই।আম্মুর পিছনে জেকি ভাইয়া।
আম্মুর পরনে একটা প্রিন্টের উজ্জ্বল কালারের মেক্সি।চুল কোন রকম খোপা করা।এলোমেলো চুল।মুখে ঘাম দেখা যাচ্ছে।ঘাম নাকি লালা আসলে বুঝা মুশকিল।ছেলে হয়েও চোখ চলে যায় আম্মুর বুকের দিকে।আম্মুর বুক দেখে আমার বুকে ছেৎ করে উঠে।ব্রা হীন স্তন অনেক টা লাউয়ের মতো ঝুলে গেছে যা পাতলা মেক্সির উপর সুস্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে।মেক্সির নিচের দিকে একটু ভেজা দেখা যাচ্ছে।আম্মু অনেক টা বিব্রত অবস্থায় ও কনফিডেন্টলি আমাকে বল্ল কখন আসলি?
তোর ভাইয়া আসছিল।আমি ওর সাথে কথা বলছিলাম তোর পড়ালেখার বিষয়ে।পাবলিকে না আসলে প্রাইভেটে পড়ার সম্পূর্ণ খরচ জেকি দিবে বলছে।
আমি কিছু বললাম না।
তবে বুঝলাম না আমার পড়া লেখার আলাপ আলোচনা করে আম্মুর এই হাল কেন?
আর এই আলাপ করার জন্য জেকি ভাইয়া তার শার্ট প্যান্ট খুলে সেন্ডুগেঞ্জি আর আব্বুর লুঙ্গি পড়া কেন?
এসব ভাবতে ভাবতে আমি আমার রুমে চলে এসে ওদের একটু রিলিজ দিলাম।
আর ভাবতে লাগলাম কেন জেকি ভাইয়া এত বড় বাসা নিয়ে দিলো?
কেন এত এত টাকা দিতো আব্বুকে?
কেন আবার টাকা গুজে দিতো মামি মামি করতে করতে আম্মুর হাতে?
কেন মুখে ভাইয়াকে আব্বু আব্বু করলেও আম্মু ইচ্ছা করে তার উড়না ছাড়া বুবস আর খোপা করা চুল উড়না ফেলে ভাইয়াকে দেখাতো?
বুঝলাম ভাইয়ার সাথে আম্মুর অভিসার চলছে অনেক দিন ধরে।কতদিন ধরে সেটা জানিনা।
তবে আপু?
আপু কি এই অভিসারে যুক্ত?
যুক্ত না হোক আপু তো সব জানে?
না হলে এত ইজিলি ভাইয়া এসে আম্মুর রুমে যেতে পারছে কেমনে?
এবার আসি আম্মু ও আপুর শারিরীক গঠনে।
আম্মুর বয়স তো আগেই বলছি ৪০ প্রায়।
আম্মুর স্তন ৪৪ ডি ডি,আমি একবার ওয়াশরুমে ব্রা চেক করতে গিয়ে দেখছিলাম।পাছা টা গোলাকার।উপুড় হয়ে কোন কাজ করলে সেখা থেকে উঠলে শাড়ি বা মেক্সি আম্মুর পাছার খাজে আটকে থাকে যতক্ষণ না আম্মু নিজ থেকে টান দিয়ে বের না করে।হাঁটার সময় তাল মিলিয়ে দুই পাছা দুই দিকে থলর থলর নাচে।আম্মুর গায়ের রঙ দুধের মতো সাদা।মুখটা গোলাকার।ঠোট দুটি গোলাপি। নাকের উপর ছোট একটা তিল আছে।চুল সিল্কি পিঠ পর্যন্ত লম্বা।আম্মুর হাইট একটু কম।৫ ফিট ১ ইঞ্চি।এই গঠনে আম্মুর ওজন ৬০ কেজি+
বুঝতেই পারছেন ভালোই মাংসল।
এবার আসি সুমাইয়াতে।মানে আপুর বর্ণনায়।
আপুর বয়স ২১।আম্মুর মত চেহারা।তবে ফিগার আম্মুর মতো জাস্তি না।আবার স্লিম ও না।
স্তন ৩৪ সি।পাছা মিডিয়াম।হাইট আম্মুর চেয়ে বেশি।৫ ফিট ৪ ইঞ্চি প্রায়।ওজন ৫৩ কেজি।চুল আম্মুর মতো সিল্কি তবে লম্বায় পাছা পর্যন্ত নামে।
ইমাজিন করুন আম্মু আর আপুর ফিগার।আর আম্মু আর আপু সম্পর্কে আপনার মনের ভাব প্রকাশ করুন
অসুস্থতাজনিত কারণে আব্বু দীর্ঘদিন কর্মস্থলে যেতে পারেন নাই।তাছাড়া আব্বুর তেমন ডিপোজিট ও ছিলনা।সে সময় আব্বুর বেশ কিছু ছাত্র আব্বুকে আর্থিক ভাবে সহযোগিতা করেন।এগুলো দিয়েই কোন ভাবে চলছিল আমাদের সংসার।বড় অংকের সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে আসেন আমার ফুফুর ছেলে অর্থাৎ আমার ফুফাতো ভাই জেকি ভাইয়া।তিনি মাত্র ২৭ বছর বয়সে একাধিক শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিক।যদিও তার সিংহ ভাগই ফুফা করে দিয়ে গেছেন।ফুফার একমাত্র ছেলে হিসেবে ফুফার মৃত্যুর পর তিনিই এখন সবকিছু দেখা শোনা করেন।
জেকি ভাইয়া আব্বুর অসুস্থতাকালীন প্রতি সপ্তাহে আসতেন এবং আব্বুকে এক সাথে ১০ হাজার ১২ হাজার করে টাকা দিয়ে যেতেন।সাথে আব্বুকে লুকিয়ে আম্মুর হাতেও গুজে দিতেন ১০০০ টাকার একাধিক নোট।তাছাড়া বাসার জন্য দামি ফ্রিজ,ড্রেসিং টেবিল,আলমারি ইত্যাদি কিনে দিতেন গোপনে।আব্বু জিজ্ঞেস করলে আম্মু বলতেন এগুলো আমার খালার বাসা থেকে আনা।খালারা যেহেতু বড় লোক তাই আব্বু বিশ্বাস করতেন।আমি বুঝতাম না ভাইয়া দিছে বললে সমস্যা কোথায়?
আম্মু এসব কিছু প্রথমে না নিতে চাইলেও পরে তা লুফে নিতেন।একবার ভাইয়া এসে দেখেন তার দেয়া গিফট গুলাতে বাসা টইটম্বুর হাটা চলার জায়গা কম আবার সবার জন্য রুম ও যথেষ্ট না।তাই তিনি আব্বুকে বললেন, মামা সুমাইয়া বড় হচ্ছে বিয়ে দিতে হবে।এরকম গিঞ্জি বাসায় ভালো পাত্র আসবেনা ।তার চেয়ে ভালো আবাসিকে একটা বাসা নেন।আব্বু বাস্তবতা বুঝে চুপ ছিলেন।কিছু না বলায় আবার ভাইয়া কথা বলা শুরু করলেন।
দেখেন মামা বাসা ভাড়া নিয়ে টেনশন করবেন না।এখন যা ভাড়া দেন তার চেয়ে বেশি লাগবে ৬ হাজার টাকা।এই ৬ হাজার আমি দিবো।আপনি আমার আম্মুকে অনেক কষ্ট করে ভালো ঘরে বিয়ে দিছেন।আমাদের জন্য অনেক কিছু করছেন।আমাদের তো একটা দায়িত্ব আছে।আপনি আমার এই প্রস্তাব টা মেনে নিলে খুশি হব।
আব্বু কিছু না বলে আম্মু আর আপুকে ডাকলেন।
আম্মু আর আপুর সামনে ভাইয়ার কথা টা ব্রীফ করলেন।
সব শুনে আম্মু বললেন, না জেকি তাক,তুমি আমাদের জন্য অনেক কিছু করতেছ।আবার এক্সট্রা খরচ বাড়ানোর দরকার নাই।তোমার মামা সুস্থ হোক।প্রমোশন পেলে বেতন বাড়বে।তখন নিবো।
ভাইয়া অভিমানি সুরে বললেন কি বলেন মামী?
আমাদের কি কোন দায়িত্ব নাই?
পরের টা পরে দেখা যাবে।এখনের টা আমি দেখব।আম্মু আমত আমতা করে মেনে নিলেন।
ভাইয়া চলে গেলেন।এরপরের সপ্তাহে নতুন বাসা ঠিক করে দিলেন ভাইয়া।তিন বেডের বাসা,বড় বড় বেলকনি,ডাইনিং ড্রয়িং এর সাথে সব কটা রুমে এটাচ বাথরুম।
আম্মু আব্বুর আলাদা রুম হলো,আমরা দুই ভাইয়ের ও রুম হলো।এখন আর আব্বু থাকলে আমাদের রুমে আপু দখল করার প্যারা নাই।আপুর জন্য ও একটা রুম হলো।
এভাবেই কেটে গেলো প্রথম মাস।
আব্বু এখন আস্তে আস্তে হাঁটতে পারেন।আব্বুর অফিস থেকে নির্দেশনা আসলো আব্বুকে মাস্টবি এই মাস থেকে অফিসে যেতে হবে।তা না হলে চাকুরি রক্ষা করা যাবেনা।
অগত্যা সীদ্ধান্ত হলো, ছোট ভাইকে নিয়ে আব্বু মাদ্রাসায় চলে যাবেন।শিক্ষক ডরমেটরিতে থাকবেন।
এডমিশনের প্রিপারেশনের জন্য আমি আপু আর আম্মুর সাথে থাকবো।
যা সীদ্ধান্ত তাই বাস্তবায়ন হলো।
তবে আব্বু বাসায় না থাকায় এখন আপু আর আম্মু আপুর রুমে থাকেন।আম্মুর রুমটা খালি থাকে।
আমি এডমিশন কোচিং করি ৩ টা থেকে ৬ টা।
২ ঘন্টা ক্লাস এবং ১ ঘন্টা এক্সাম হয় নিয়মিত।
একদিন প্রিপারেশন না থাকায় আমি এক্সাম না দিয়ে বাসায় চলে আসি।বাসা থেকে কোচিং হাঁটার দূরত্ব হওয়ায় খুব বেশি সময় লাগেনা।আমি যেহেতু রাইট টাইমের আগে বাসায় চলে আসছি তাই আর কলিংবেল দিইনাই।কারণ আপু ভার্সিটি থেকে আসে দেড়টায়।এসে লাঞ্চ করে আম্মু আপু ঘুমায়।আমি ঘুমের ব্যাঘাত না হয় মতো আমার কাছে থাকা চাবি দিয়ে লক খুলে বাসায় ডুকি।দরজা খোলার আওয়াজে আপু এসে আমাকে দেখে ভূত দেখার মতো ভয় পাই।আমি কারণ টা বুঝতে পারিনি।আমাকে বল্ল কিরে আজকে আগে চলে আসলি কেন?বললাম প্রিপারেশন না থাকায় এক্সাম দিনাই।
আপু বলে ওহ,তো কলিংবেল দিতি।আমি বল্লাম তোমরা ঘুমাও তাই ডিস্ট্রাব করিনি।
হঠাৎ জুতা রাখার রেকে আমার চোখ যাই।দেখি এক জোড়া পুরুষের জুতা।আমি ঐদিকে তাকাতে দেখে আপু বললেন জেকি ভাইয়া আসছে।
আমি বল্লা কোথায়।সে বলে আম্মুর রুমে।আম্মুর সাথে নাকি কি সব জরুরি কথা আছে।এটা বলে সে আম্মুর রুমে নক করে মুখে বলে আম্মু নাবিল চলে আসছে।বলেই সে তার রুমে ডুকে যায়।
আমি ব্যাগ রেখে ডাইনিং টেবিলে বসে পানি খাই।প্রায় ৫ মিনিট পর আম্মু বের হই।আম্মুর পিছনে জেকি ভাইয়া।
আম্মুর পরনে একটা প্রিন্টের উজ্জ্বল কালারের মেক্সি।চুল কোন রকম খোপা করা।এলোমেলো চুল।মুখে ঘাম দেখা যাচ্ছে।ঘাম নাকি লালা আসলে বুঝা মুশকিল।ছেলে হয়েও চোখ চলে যায় আম্মুর বুকের দিকে।আম্মুর বুক দেখে আমার বুকে ছেৎ করে উঠে।ব্রা হীন স্তন অনেক টা লাউয়ের মতো ঝুলে গেছে যা পাতলা মেক্সির উপর সুস্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে।মেক্সির নিচের দিকে একটু ভেজা দেখা যাচ্ছে।আম্মু অনেক টা বিব্রত অবস্থায় ও কনফিডেন্টলি আমাকে বল্ল কখন আসলি?
তোর ভাইয়া আসছিল।আমি ওর সাথে কথা বলছিলাম তোর পড়ালেখার বিষয়ে।পাবলিকে না আসলে প্রাইভেটে পড়ার সম্পূর্ণ খরচ জেকি দিবে বলছে।
আমি কিছু বললাম না।
তবে বুঝলাম না আমার পড়া লেখার আলাপ আলোচনা করে আম্মুর এই হাল কেন?
আর এই আলাপ করার জন্য জেকি ভাইয়া তার শার্ট প্যান্ট খুলে সেন্ডুগেঞ্জি আর আব্বুর লুঙ্গি পড়া কেন?
এসব ভাবতে ভাবতে আমি আমার রুমে চলে এসে ওদের একটু রিলিজ দিলাম।
আর ভাবতে লাগলাম কেন জেকি ভাইয়া এত বড় বাসা নিয়ে দিলো?
কেন এত এত টাকা দিতো আব্বুকে?
কেন আবার টাকা গুজে দিতো মামি মামি করতে করতে আম্মুর হাতে?
কেন মুখে ভাইয়াকে আব্বু আব্বু করলেও আম্মু ইচ্ছা করে তার উড়না ছাড়া বুবস আর খোপা করা চুল উড়না ফেলে ভাইয়াকে দেখাতো?
বুঝলাম ভাইয়ার সাথে আম্মুর অভিসার চলছে অনেক দিন ধরে।কতদিন ধরে সেটা জানিনা।
তবে আপু?
আপু কি এই অভিসারে যুক্ত?
যুক্ত না হোক আপু তো সব জানে?
না হলে এত ইজিলি ভাইয়া এসে আম্মুর রুমে যেতে পারছে কেমনে?
এবার আসি আম্মু ও আপুর শারিরীক গঠনে।
আম্মুর বয়স তো আগেই বলছি ৪০ প্রায়।
আম্মুর স্তন ৪৪ ডি ডি,আমি একবার ওয়াশরুমে ব্রা চেক করতে গিয়ে দেখছিলাম।পাছা টা গোলাকার।উপুড় হয়ে কোন কাজ করলে সেখা থেকে উঠলে শাড়ি বা মেক্সি আম্মুর পাছার খাজে আটকে থাকে যতক্ষণ না আম্মু নিজ থেকে টান দিয়ে বের না করে।হাঁটার সময় তাল মিলিয়ে দুই পাছা দুই দিকে থলর থলর নাচে।আম্মুর গায়ের রঙ দুধের মতো সাদা।মুখটা গোলাকার।ঠোট দুটি গোলাপি। নাকের উপর ছোট একটা তিল আছে।চুল সিল্কি পিঠ পর্যন্ত লম্বা।আম্মুর হাইট একটু কম।৫ ফিট ১ ইঞ্চি।এই গঠনে আম্মুর ওজন ৬০ কেজি+
বুঝতেই পারছেন ভালোই মাংসল।
এবার আসি সুমাইয়াতে।মানে আপুর বর্ণনায়।
আপুর বয়স ২১।আম্মুর মত চেহারা।তবে ফিগার আম্মুর মতো জাস্তি না।আবার স্লিম ও না।
স্তন ৩৪ সি।পাছা মিডিয়াম।হাইট আম্মুর চেয়ে বেশি।৫ ফিট ৪ ইঞ্চি প্রায়।ওজন ৫৩ কেজি।চুল আম্মুর মতো সিল্কি তবে লম্বায় পাছা পর্যন্ত নামে।
ইমাজিন করুন আম্মু আর আপুর ফিগার।আর আম্মু আর আপু সম্পর্কে আপনার মনের ভাব প্রকাশ করুন


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)