15-06-2026, 05:07 PM
৬
দেখতে দেখতে বিয়ের দিন উপস্থিত। আজ মা আর জসিমের বিয়ে। খুব বেশি আয়োজন নেই। ঘরোয়া পরিবেশে বিয়ে হবে। বিয়ে উপলক্ষে জসিমের ফুফু আর ফুফাতো ভাই এসেছে। সকাল থেকেই সবাই ব্যস্ত। জরিনা আপা মাহিনকে খাবার খাওয়াচ্ছে। মা কে সকাল এখনো দেখিনি।
মর্জিনা খালা গীত গাইছে আর হলুদ বাটছে। জসিমের ফুফু রান্নাঘরে রান্নার দায়িত্বে আছে, তিনি রান্না করছেন। জসিমের ফুফাতো ভাই জসিমের সাথে ব্যস্ত।
বেলাবারার সাথে সাথে মর্জিনা খালা মাকে ডেকে নিয়ে আসলো। মাকে হলুদ দেওয়া হবে।এক এক করে সবাই আসলো। জসিমের ফুফাতো ভাইয়ের বউ আমাকে সাথে নিয়ে জসিমের ফুফাতো ভাইকে ডাকতে গেলো। জসিমের ভাবি সবাইকে বললো, মেয়েকে হলুদ লাগানো হবে। তোমরা আসো।
এটা শুনে জসিমের ভাই বলে উঠলো - এখন হলুদ লাগানো হবে আর রাতে জসিম লাগাবে। এটা বলেই জসিমের ফুফাতো ভাই হো হো করে হেসে উঠলো। আমি চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছি।
জসিমের ভাবীও সেই হাসিতে যোগ দিলো। তিনি জসিমকে নতুন লুঙ্গি পরে উঠানে আসতে বললেন। তাকেও হলুদ লাগানো হবে। আমরা উঠানে চলে আসলাম। একটু পর জরিনা আপা, মর্জিনা খালা আর জসিমের ফুফাতো ভাইয়ের বউ মিলে মাকে ধরে নিয়ে আসলো। মাকে দেখে আমার চোখ কপালে উঠে গেলো। মায়ের পড়নে একটা বড় গলার ব্লাউজ। যেটা দিয়ের দুধের অর্ধেকই দেখা যাচ্ছে। একটা পেটিকোট পড়া নাভির ৫ আঙুল নিচে। একটা পাতলা হলুদ কাপড় গায়ে জড়ানো। মাথায় গাদা ফুলের মালা। হাতে মেহেদী আর পায়ে আলতা দেওয়া। মাকে দেখে বুজার উপায় নেই তার আগে বিয়ে হয়েছিলো, দুটি সন্তান আছে।
পুকুর পাড়ে এক খোলা জায়গায় মাকে বসানো হলো। একটু পর জসিমের ফুফাতো ভাই জসিমকে নিয়ে আসলো। জসিমের পড়লে একটা সাদা লুঙ্গি আর সাদা সেন্টু গেঞ্জি। বয়স ১৯ হলেও উচ্চতা আর সুঠাম দেহের জন্য যুবক মনে হয়।
জসিমকে মায়ের পাশে বসানো হলো। সবাই এক এক করে হলুদ দেওয়া শুরু করলো। প্রথমে মর্জিনা খালা জসিমের গায়ে হলুদ দিলো। তারপর মায়ের গালে হলুদ মেখে দিলো। একে একে সবাই হলুদ মাখালো। জসিমের ভাবী এসে হলুদ নিয়ে মায়ের পেটিকোটের ভিতরে হাত ডুকিয়ে লাগিয়ে দিলো। বাকি হলুদ বের করে জসিমের মুখে লাগিয়ে দিলো।
দুষ্টুমি করে জসিম বলে উঠলো - হলুদের স্বাদ তো মিষ্টি হয়ে গেছে। এই কথা শুনে উপস্থিত সবাই উচ্চস্বরে হেসে উঠলো। মা লজ্জা পেয়ে মাথা নিচু করে বসে রইলো।
আমি একপাশে চুপচাপ দাঁড়িয়ে এসব দেখছি। যদি মনটা ভারী হয়ে যাচ্ছে কিন্তু নিজেকে শক্ত রাখার ওয়াদা করেছি।
হলুদ পর্ব শেষ হলে সবাই যার যার মতো করে গোসল শেষ করলো। নতুন জামাকাপড় পড়ে সবাই রেডি। আমিও গোসল করে রেডি হলাম।ছোট ভাইকেও রেডি করলাম। মাকে জরিনা আপা আর জসিমের ভাবি সাজাচ্ছে। বাড়ির সবাই, পাশের কয়েকজন প্রতিবেশি আর জসিমের ফুফাতো ভাই খেতে বসেছে। নানা আমাকে তদারকির দায়িত্ব দিয়ে গেলেন। জসিমের ফুফাতো ভাই খেতে খেতে বললো - ভালো করে সবাইকে খাওয়াও। মায়ের বিয়ের দাওয়াত সবাইকে ভালো করে দাও।
আমি শুনেও না শোনার ভান করে সবাইকে খাওয়াতে লাগলাম। কিছুক্ষণ পর আমার ডাক পড়লো।
আমি গেলে আমাকে মর্জিনা খালা বলছে - একটু জসিমের ভাবিকে সাহায্য কর। তোর মায়ের ঘরে যা।
আমি মায়ের ঘরে যেতেই একটা ধাক্কা খেলাম। বিছানায় ফুলের গাট্টি। জসিমের ভাবি আমাকে দেখেই মুচকি হেসে দিয়ে বললেন - না ঘুরে মায়ের বাসর ঘর সাজাতে আমাকে সাহায্য করো। এই কথা বলে উনি আমাকে গোলাপের পাপড়ি ছিড়তে বললেন। আমিও চুপচাপ গোলাপের পাপড়ি ছিড়তে লাগলাম। উনি বিছানার চাঁদর তুলে ফেললেন। তার জায়গায় সাদা রঙের একটা চাদর বিছিয়ে দিলেন। সাথে সাদা বালিশ দুইটা। মাথার দিকে টেবিলে টিস্যু বক্স রাখলেন। জসিমের ভাবি আমার থেকে ফুলের পাপড়ি নিয়ে বিছানায় ছিটাতে ছিটাতে বললো - আজ রাতে তোমার মায়ের ঘুমন্ত চুলায় আবার নতুন করে জসিমের লাকড়ি ডুকবে। চুলাতে নতুন করে আগুন জ্বালাবে জসিম। সেই আগুনের উত্তাপে তোমার মাকে কাল সকালে দেবীর মতো লাগবে। যেনো সদ্য জন্ম নেওয়া নতুন নারী। আমাকে আরো বললেন - সন্তান হিসেবে তোমার কাজ হলো তোমার মায়ের সুখ দেখে খুশি হওয়া। মনে রেখো- আজকের পর থেকে তিনি শুধু তোমার মা নন, জসিমের বউ। সুতরাং বিয়ের প্রথম কিছুমাস মায়ের সাথে দূরত্ব রাখবে, তাদেরকে সময় দিবে। আমাদের কথার মধ্যেই জসিমের ফুফাতো ভাই হাতে একটা বোতল নিয়ে ঘরে ডুকলো। বোতল দেখেই জসিমের ভাবি বলে উঠলো - বাহ, ভালো করেছো, এটা এনে। জসিমের ভাই হেসে উত্তর দিলো - আজ রাতেই তো এটার আসল প্রয়োজন,একেবারে খাটি। আমি ভালো করে তাকিয়ে দেখি বোতল ভর্তি মধু।
বাসরঘর সাজাতে সাজাতে সন্ধ্যা হয়ে আসে। এর মধ্যে হট্টগোল শোনা যায়। বাইরে গিয়ে দেখি কাজি এসেছে। নানা কাজিকে বললেন বিয়ের কাজ শুরু করতে।
কাজী সবকিছু লিখে মায়ের কাছে গেলেন।
কাজি মাকে কবুল বলতে বললেন। আমার হ্রদপিন্ড যেনো থেমে গিয়েছে। আমি মায়ের মুখের দিক তাকিয়ে আছি। ভাবছি মা হয়তো এক্ষুনি বলবে, আমি রাজি না। কিন্তু আমার কল্পনার জগত ভেঙে দিয়ে মা একশ্বাসে কবুল বলে ফেললেন। আমার কানে যেনো কেউ সুচ ফুটালো। আমার পা শক্ত হয়ে গেছে। আমি দাঁড়িয়ে আছি। সবাই হাসিখুশি, হৈ-হুল্লোর করছে। কাজি এবার জসিমের কাছে গেলো। জসিমকে কবুল বলার সাথে সাথেই জসিম কবুল বলে ফেললো। পুরো বাড়িতে সবাই হাসিখুশি। আমার হঠাৎ করে মাহিনের কথা মনে হলো। আমি এক দৌড়ে আমার ঘরে গিয়ে দেখি মাহিন চুপচাপ শুয়ে আছে। বোধহয় তার অবুজ মনও বুজে গেছে। আজ আমাদের মায়ের ভালোবাসার ভাগ হয়ে গেছে।
চলবে।
দেখতে দেখতে বিয়ের দিন উপস্থিত। আজ মা আর জসিমের বিয়ে। খুব বেশি আয়োজন নেই। ঘরোয়া পরিবেশে বিয়ে হবে। বিয়ে উপলক্ষে জসিমের ফুফু আর ফুফাতো ভাই এসেছে। সকাল থেকেই সবাই ব্যস্ত। জরিনা আপা মাহিনকে খাবার খাওয়াচ্ছে। মা কে সকাল এখনো দেখিনি।
মর্জিনা খালা গীত গাইছে আর হলুদ বাটছে। জসিমের ফুফু রান্নাঘরে রান্নার দায়িত্বে আছে, তিনি রান্না করছেন। জসিমের ফুফাতো ভাই জসিমের সাথে ব্যস্ত।
বেলাবারার সাথে সাথে মর্জিনা খালা মাকে ডেকে নিয়ে আসলো। মাকে হলুদ দেওয়া হবে।এক এক করে সবাই আসলো। জসিমের ফুফাতো ভাইয়ের বউ আমাকে সাথে নিয়ে জসিমের ফুফাতো ভাইকে ডাকতে গেলো। জসিমের ভাবি সবাইকে বললো, মেয়েকে হলুদ লাগানো হবে। তোমরা আসো।
এটা শুনে জসিমের ভাই বলে উঠলো - এখন হলুদ লাগানো হবে আর রাতে জসিম লাগাবে। এটা বলেই জসিমের ফুফাতো ভাই হো হো করে হেসে উঠলো। আমি চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছি।
জসিমের ভাবীও সেই হাসিতে যোগ দিলো। তিনি জসিমকে নতুন লুঙ্গি পরে উঠানে আসতে বললেন। তাকেও হলুদ লাগানো হবে। আমরা উঠানে চলে আসলাম। একটু পর জরিনা আপা, মর্জিনা খালা আর জসিমের ফুফাতো ভাইয়ের বউ মিলে মাকে ধরে নিয়ে আসলো। মাকে দেখে আমার চোখ কপালে উঠে গেলো। মায়ের পড়নে একটা বড় গলার ব্লাউজ। যেটা দিয়ের দুধের অর্ধেকই দেখা যাচ্ছে। একটা পেটিকোট পড়া নাভির ৫ আঙুল নিচে। একটা পাতলা হলুদ কাপড় গায়ে জড়ানো। মাথায় গাদা ফুলের মালা। হাতে মেহেদী আর পায়ে আলতা দেওয়া। মাকে দেখে বুজার উপায় নেই তার আগে বিয়ে হয়েছিলো, দুটি সন্তান আছে।
পুকুর পাড়ে এক খোলা জায়গায় মাকে বসানো হলো। একটু পর জসিমের ফুফাতো ভাই জসিমকে নিয়ে আসলো। জসিমের পড়লে একটা সাদা লুঙ্গি আর সাদা সেন্টু গেঞ্জি। বয়স ১৯ হলেও উচ্চতা আর সুঠাম দেহের জন্য যুবক মনে হয়।
জসিমকে মায়ের পাশে বসানো হলো। সবাই এক এক করে হলুদ দেওয়া শুরু করলো। প্রথমে মর্জিনা খালা জসিমের গায়ে হলুদ দিলো। তারপর মায়ের গালে হলুদ মেখে দিলো। একে একে সবাই হলুদ মাখালো। জসিমের ভাবী এসে হলুদ নিয়ে মায়ের পেটিকোটের ভিতরে হাত ডুকিয়ে লাগিয়ে দিলো। বাকি হলুদ বের করে জসিমের মুখে লাগিয়ে দিলো।
দুষ্টুমি করে জসিম বলে উঠলো - হলুদের স্বাদ তো মিষ্টি হয়ে গেছে। এই কথা শুনে উপস্থিত সবাই উচ্চস্বরে হেসে উঠলো। মা লজ্জা পেয়ে মাথা নিচু করে বসে রইলো।
আমি একপাশে চুপচাপ দাঁড়িয়ে এসব দেখছি। যদি মনটা ভারী হয়ে যাচ্ছে কিন্তু নিজেকে শক্ত রাখার ওয়াদা করেছি।
হলুদ পর্ব শেষ হলে সবাই যার যার মতো করে গোসল শেষ করলো। নতুন জামাকাপড় পড়ে সবাই রেডি। আমিও গোসল করে রেডি হলাম।ছোট ভাইকেও রেডি করলাম। মাকে জরিনা আপা আর জসিমের ভাবি সাজাচ্ছে। বাড়ির সবাই, পাশের কয়েকজন প্রতিবেশি আর জসিমের ফুফাতো ভাই খেতে বসেছে। নানা আমাকে তদারকির দায়িত্ব দিয়ে গেলেন। জসিমের ফুফাতো ভাই খেতে খেতে বললো - ভালো করে সবাইকে খাওয়াও। মায়ের বিয়ের দাওয়াত সবাইকে ভালো করে দাও।
আমি শুনেও না শোনার ভান করে সবাইকে খাওয়াতে লাগলাম। কিছুক্ষণ পর আমার ডাক পড়লো।
আমি গেলে আমাকে মর্জিনা খালা বলছে - একটু জসিমের ভাবিকে সাহায্য কর। তোর মায়ের ঘরে যা।
আমি মায়ের ঘরে যেতেই একটা ধাক্কা খেলাম। বিছানায় ফুলের গাট্টি। জসিমের ভাবি আমাকে দেখেই মুচকি হেসে দিয়ে বললেন - না ঘুরে মায়ের বাসর ঘর সাজাতে আমাকে সাহায্য করো। এই কথা বলে উনি আমাকে গোলাপের পাপড়ি ছিড়তে বললেন। আমিও চুপচাপ গোলাপের পাপড়ি ছিড়তে লাগলাম। উনি বিছানার চাঁদর তুলে ফেললেন। তার জায়গায় সাদা রঙের একটা চাদর বিছিয়ে দিলেন। সাথে সাদা বালিশ দুইটা। মাথার দিকে টেবিলে টিস্যু বক্স রাখলেন। জসিমের ভাবি আমার থেকে ফুলের পাপড়ি নিয়ে বিছানায় ছিটাতে ছিটাতে বললো - আজ রাতে তোমার মায়ের ঘুমন্ত চুলায় আবার নতুন করে জসিমের লাকড়ি ডুকবে। চুলাতে নতুন করে আগুন জ্বালাবে জসিম। সেই আগুনের উত্তাপে তোমার মাকে কাল সকালে দেবীর মতো লাগবে। যেনো সদ্য জন্ম নেওয়া নতুন নারী। আমাকে আরো বললেন - সন্তান হিসেবে তোমার কাজ হলো তোমার মায়ের সুখ দেখে খুশি হওয়া। মনে রেখো- আজকের পর থেকে তিনি শুধু তোমার মা নন, জসিমের বউ। সুতরাং বিয়ের প্রথম কিছুমাস মায়ের সাথে দূরত্ব রাখবে, তাদেরকে সময় দিবে। আমাদের কথার মধ্যেই জসিমের ফুফাতো ভাই হাতে একটা বোতল নিয়ে ঘরে ডুকলো। বোতল দেখেই জসিমের ভাবি বলে উঠলো - বাহ, ভালো করেছো, এটা এনে। জসিমের ভাই হেসে উত্তর দিলো - আজ রাতেই তো এটার আসল প্রয়োজন,একেবারে খাটি। আমি ভালো করে তাকিয়ে দেখি বোতল ভর্তি মধু।
বাসরঘর সাজাতে সাজাতে সন্ধ্যা হয়ে আসে। এর মধ্যে হট্টগোল শোনা যায়। বাইরে গিয়ে দেখি কাজি এসেছে। নানা কাজিকে বললেন বিয়ের কাজ শুরু করতে।
কাজী সবকিছু লিখে মায়ের কাছে গেলেন।
কাজি মাকে কবুল বলতে বললেন। আমার হ্রদপিন্ড যেনো থেমে গিয়েছে। আমি মায়ের মুখের দিক তাকিয়ে আছি। ভাবছি মা হয়তো এক্ষুনি বলবে, আমি রাজি না। কিন্তু আমার কল্পনার জগত ভেঙে দিয়ে মা একশ্বাসে কবুল বলে ফেললেন। আমার কানে যেনো কেউ সুচ ফুটালো। আমার পা শক্ত হয়ে গেছে। আমি দাঁড়িয়ে আছি। সবাই হাসিখুশি, হৈ-হুল্লোর করছে। কাজি এবার জসিমের কাছে গেলো। জসিমকে কবুল বলার সাথে সাথেই জসিম কবুল বলে ফেললো। পুরো বাড়িতে সবাই হাসিখুশি। আমার হঠাৎ করে মাহিনের কথা মনে হলো। আমি এক দৌড়ে আমার ঘরে গিয়ে দেখি মাহিন চুপচাপ শুয়ে আছে। বোধহয় তার অবুজ মনও বুজে গেছে। আজ আমাদের মায়ের ভালোবাসার ভাগ হয়ে গেছে।
চলবে।


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)