Thread Rating:
  • 11 Vote(s) - 2.55 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
Adultery ২টি ছাদ ও কয়েকটি বিকেল...
#16
Smile 
পর্ব ৬
আদালত চত্বরের বাতাসে একধরনের অদ্ভুত ক্লান্তি লেগে থাকে—যেন এই জায়গাটা বছরের পর বছর ধরে মানুষের দুশ্চিন্তা, ভয়, আশা আর হতাশা নিজের ভেতরে জমিয়ে রেখেছে। পুরনো লালচে ইটের দালানগুলো দূর থেকে দেখলে যেন স্থির মনে হয়, কিন্তু কাছে এলে বোঝা যায়—এদের দেয়ালের ভেতর কত মানুষের গল্প আটকে আছে। কোথাও হাহাকার, কোথাও স্বস্তির দীর্ঘশ্বাস, কোথাও আবার নীরব পরাজয়।
সকালের রোদ তখন ধীরে ধীরে উঠছে। আদালত ভবনের দেয়ালে সোনালি আলো পড়ে আবার সরে যাচ্ছে। করিডোরে ভিড় বাড়ছে ধীরে ধীরে। কেউ ফাইল হাতে দ্রুত হাঁটছে, কেউ বেঞ্চে বসে মাথা নিচু করে অপেক্ষা করছে। কিছু মানুষ বারবার ঘড়ি দেখছে। কারও মুখে টানটান উৎকণ্ঠা, আবার কারও চোখে হালকা স্বস্তি—হয়তো আজ তাদের মামলার একটা ভালো খবর আছে।
কিন্তু সেদিন চত্বরটায় যারা ছিল, তাদের মধ্যে কয়েকজনের ভেতরে চলছিল সম্পূর্ণ অন্যরকম এক অস্থিরতা।
বাপ্পির মামলার বিচার শুরু হয়েছে।
সকালের দিকে নীলা আর শিউলি আদালত চত্বরে এসে দাঁড়িয়েছিল। আসলে তাদের এখানে থাকার খুব একটা প্রয়োজন ছিল না। তারা এই মামলার সাক্ষী নয়, আইনের চোখে সরাসরি জড়িতও নয়। তবু তারা এসেছে। কারণ মানুষের জীবনে কিছু ঘটনা থাকে যেগুলো থেকে দূরে দাঁড়িয়ে থাকা যায় না। নিজের জীবনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক না থাকলেও সেই ঘটনার ভার যেন নিজের বুকেও এসে পড়ে।
শিউলি আদালতের গেটের কাছে দাঁড়িয়ে চারপাশে তাকাচ্ছিল। তার চোখে কৌতূহল আর অস্বস্তির মিশ্র ছায়া। সে ছোটবেলা থেকে তার বাবাকে অনেকবার আদালতে যেতে দেখেছে, কিন্তু এভাবে দাঁড়িয়ে থেকে পুরো পরিবেশটা দেখার সুযোগ খুব কমই হয়েছে। আজ যেন সবকিছু নতুন করে অনুভব করছে।
তার পাশে নীলা দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু নীলাকে আজ অন্যরকম লাগছে। কয়েকদিনের মধ্যে যেন মেয়েটা অনেক বদলে গেছে। তার চোখে ঘুম নেই, মুখে অদ্ভুত এক নীরবতা। মাঝে মাঝে সে দূরে কোথাও তাকিয়ে থাকে, যেন তার মাথার ভেতরে একসাথে অনেকগুলো চিন্তা ঘুরছে।
শিউলি একবার তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল,
“তুমি ঠিক আছো?”
নীলা একটু দেরি করে মাথা নাড়ল।
“হ্যাঁ… আছি।”
কিন্তু তার কণ্ঠে এমন একটা ফাঁপা শূন্যতা ছিল, যা শুনলে সহজেই বোঝা যায়—সে ঠিক নেই।
আজকের দিনটা শুধু বাপ্পির মামলার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয়। নীলার নিজের জীবনেও যেন একটা অদ্ভুত অনিশ্চয়তা জমে আছে। তার বাবার সিদ্ধান্ত—সাইফের সাথে তার বিয়ে—এখনও ঝুলে আছে। অথচ তার মন অন্য জায়গায় আটকে আছে।
রাফির কাছে।
শিউলির বাবা মাসুদ রহমান আজ বাপ্পির পক্ষে দাঁড়িয়েছেন। আদালতের করিডোর দিয়ে যখন তিনি ভেতরে ঢুকছিলেন, তখন তার পরনে ছিল সেই পরিচিত কালো কোট। এই পোশাকটা পরলেই মানুষটা যেন বদলে যায়। সাধারণ অবস্থায় তিনি খুব সহজ মানুষ—হালকা হাসি, মোলায়েম কথা। কিন্তু আদালতের ভেতরে ঢুকলেই তার চোখে একধরনের কঠোর মনোযোগ চলে আসে।
আজও ঢোকার আগে তিনি একবার বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা শিউলি আর নীলার দিকে তাকালেন। কয়েক সেকেন্ডের জন্য তার মুখে একটা মৃদু হাসি ফুটে উঠল।
সেই হাসিতে আশ্বাস ছিল। আবার অদ্ভুত এক ক্লান্তিও ছিল।
কারণ তিনি জানেন—এই মামলা সহজ না।
বেলা বাড়তে লাগল।
আদালত চত্বরের ভিড়ও বাড়তে লাগল। চা-ওয়ালার দোকানে লোকজন জমছে, কেউ সিগারেট ধরাচ্ছে, কেউ দাঁড়িয়ে গল্প করছে। কিন্তু সেই ভিড়ের মধ্যেও নীলা আর শিউলি যেন আলাদা একটা দ্বীপের মতো দাঁড়িয়ে আছে।
ঠিক দুপুরের দিকে আদালত চত্বরের ভিড় একটু অন্যরকম হয়ে ওঠে। সকালের তাড়াহুড়োটা তখন ধীরে ধীরে কমে এসেছে, কিন্তু ক্লান্তি জমতে শুরু করেছে মানুষের মুখে। রোদ একটু তীব্র হয়েছে। পুরনো ভবনের দেয়ালে আলো পড়ে যেন গরম হয়ে উঠেছে চারপাশ।
এই সময়েই হঠাৎ গেটের বাইরে একটা মোটরসাইকেলের শব্দ শোনা গেল। আদালতের ভিড়ের মধ্যে মোটরসাইকেলের শব্দ খুব অস্বাভাবিক কিছু নয়, তবু শব্দটা যেন একটু বেশি স্পষ্ট লাগল।
গেটের সামনে এসে মোটরসাইকেলটা ধীরে থামল।
হেলমেট পরা দুজন মানুষ নামল।
রাফি আর সাইফ।
দুজনেই অফিস থেকে সরাসরি এসেছে। তাদের পোশাকেই বোঝা যায়—সকালের কাজ শেষ করেই তাড়াহুড়ো করে এখানে এসেছে। রাফির শার্টের হাতা একটু গুটানো, কপালে হালকা ঘাম। সাইফের মুখেও ক্লান্তি আছে, কিন্তু সে সেটা লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করছে।
রাফি প্রথমে হেলমেট খুলল। তারপর চারপাশে তাকাল। তার চোখ যেন কাউকে খুঁজছিল। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই সে নীলাকে দেখতে পেল। গেটের পাশে দাঁড়িয়ে আছে নীলা আর শিউলি। দূর থেকেই বোঝা যায়—ওরা অনেকক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছে। নীলাকে দেখার মুহূর্তে রাফির চোখে এক ঝলক কোমলতা ফুটে উঠল। সেটা খুব ক্ষণিকের জন্য, কিন্তু লুকোনো গেল না। সে দ্রুত এগিয়ে গেল।
রাফি- “সকাল থেকে আছো?”
নীলা একটু ধীরে মাথা নাড়ল। “হ্যাঁ।”
তার কণ্ঠে খুব বেশি আবেগ নেই। কিন্তু সেই সংক্ষিপ্ত উত্তরের মধ্যেও ক্লান্তি ছিল। রাফি আর কিছু বলতে চাইল। মনে হচ্ছিল তার ভেতরে অনেক কথা জমে আছে। কিন্তু চারপাশে এত মানুষ, আদালতের গেট, পুলিশের আনাগোনা—এই জায়গায় দাঁড়িয়ে ব্যক্তিগত কথা বলা যায় না। সে কয়েক সেকেন্ড চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল। এদিকে সাইফ মোটরসাইকেলের পাশে দাঁড়িয়ে হালকা হাসি নিয়ে পুরো দৃশ্যটা দেখছিল। তার চোখে একটা অদ্ভুত শান্ত ভাব ছিল। সে এগিয়ে এসে বলল, “তোমরা কি কিছু খেয়েছো?”
শিউলি মাথা নাড়ল। “খাওয়ার কথা মাথায়ই ছিল না।”
সাইফ নাটকীয় ভঙ্গিতে মাথা ঝাঁকাল। “এইভাবে কেউ আদালতে আসে?”
তার কণ্ঠে হাসি ছিল, কিন্তু সেই হাসির আড়ালে যেন অন্য কিছু লুকিয়ে আছে। হয়তো সে ইচ্ছে করেই পরিবেশটা একটু হালকা করতে চাইছিল। কিন্তু কেউই তেমন হাসল না। চারপাশের বাতাসেই যেন একটা চাপা ভার।
কিছুক্ষণ পরে সাইফ বলল, “চলো, চা খাই।”
কথাটা এমনভাবে বলল যেন এটা খুব স্বাভাবিক একটা প্রস্তাব। কিন্তু রাফি একটু অস্বস্তিতে পড়ে গেল। সে বুঝতে পারছিল না—নীলাকে রেখে সে যাবে কি না। এই কয়েকদিনে নীলার সাথে তার সম্পর্কটা অদ্ভুতভাবে জটিল হয়ে গেছে। কথা বলতে গেলেই মনে হয় কিছু একটা আটকে আছে। ঠিক তখন সাইফ যেন ইচ্ছে করেই বলল, “তুমি থাকো। আমি শিউলিকে নিয়ে যাই।” 
শিউলি সঙ্গে সঙ্গে অবাক হয়ে তাকাল। “আমি কেন যাব?”
সাইফ- “কারণ তুমি না গেলে আমি একা চা খাব।” তার কণ্ঠে এমন স্বাভাবিকতা ছিল যে না বলাটা অদ্ভুত শোনাত। শিউলি কয়েক সেকেন্ড নীলার দিকে তাকিয়ে রইল। নীলা কিছু বলল না। শেষ পর্যন্ত শিউলি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে সাইফের সাথে হাঁটতে শুরু করল। আদালতের গেট থেকে একটু দূরে একটা পুরনো চা-দোকান আছে। কাঠের বেঞ্চ, টিনের ছাউনি। সেখানেই তারা হাঁটতে লাগল।
হাঁটতে হাঁটতে শিউলি হঠাৎ বলল, “তুমি ইচ্ছে করে ওদের একা রেখে দিলে।”
সাইফ কিছুক্ষণ চুপ করে হাঁটতে লাগল।তার মুখে কোনো বিরক্তি নেই। কিছুটা দূরে গিয়ে সে বলল, “খারাপ কি?” 
শিউলি ভ্রু কুঁচকাল। “তোমার সাথে নীলার বিয়ে ঠিক।”
এই কথাটা শোনার পর সাইফ থেমে গেল। চা-দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে সে কয়েক সেকেন্ড কিছু বলল না। চা-ওয়ালা কাপ এগিয়ে দিল। সাইফ কাপটা হাতে নিল। গরম চা থেকে ধোঁয়া উঠছে। সে অনেকক্ষণ সেই ধোঁয়ার দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর খুব ধীরে বলল, “সব ঠিক মানেই সব ঠিক হয় না।”
শিউলি প্রথমে বুঝতে পারল না। “মানে?”
সাইফ হালকা হাসল। কিন্তু সেই হাসির ভেতরে একটা ক্লান্তি ছিল।
“কিছু সিদ্ধান্ত বাইরে থেকে খুব ঠিক মনে হয়। কিন্তু ভেতরে… ঠিক না।”
শিউলি এবার আর কিছু বলল না। তার মনে হল—এই মানুষটা হয়তো নিজের ভেতরে এমন একটা লড়াই লড়ছে, যার কথা সে কাউকে বলতে পারছে না।
এদিকে আদালতের ভেতরে শুনানি শুরু হয়ে গেছে। বড় কোর্টরুমের ভেতরে মানুষে ভরা। কাঠের বেঞ্চগুলোতে বসে আছে বিভিন্ন মামলার লোকজন। কোথাও চাপা ফিসফাস, কোথাও আইনজীবীদের তর্ক। বাপ্পিকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে। কয়েকদিন আগেও যে ছেলেটা পাড়ায় দাপিয়ে বেড়াত, হাসত, ঝগড়া করত, রাগ করত—আজ সে যেন অন্য মানুষ। তার চোখের নিচে গভীর কালি পড়েছে। মুখ শুকনো। দাড়ি এলোমেলোভাবে গজিয়েছে। কিন্তু সবচেয়ে বদলে গেছে তার চোখ। সেখানে আর আগের মতো বেপরোয়া আগুন নেই। বরং আছে এক ধরনের ক্লান্ত স্বীকারোক্তি। মনে হচ্ছে—সে বুঝে গেছে, তার জীবন এখন আর আগের জায়গায় নেই। তার সামনে এখন একটা দীর্ঘ অন্ধকার পথ। তবু সে পালায়নি।
সে দাঁড়িয়ে আছে। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতে শুরু করলে আদালতের করিডোরে একটা অদ্ভুত নীরবতা নেমে আসে। এই সময় মানুষজন একটু কমে যায়। যারা সকাল থেকে অপেক্ষা করছিল তাদের কেউ কেউ চলে যায়, কেউ বেঞ্চে বসে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। করিডোরের এক কোণে রহিম চাচা বসে ছিলেন। তার মাথা নিচু। গত কয়েকদিনে মানুষটা যেন হঠাৎ বুড়ো হয়ে গেছে। চা-দোকানের সেই হাসিখুশি মানুষটাকে এখন চেনাই কঠিন। তার দোকান এখন প্রায় বন্ধই থাকে। সন্ধ্যার আড্ডা নেই, হাসি নেই, কাপে কাপে চায়ের শব্দ নেই। শুধু খালি বেঞ্চ। ঠিক তখনই মাসুদ রহমান এসে তার সামনে দাঁড়ালেন। তিনি কয়েক সেকেন্ড চুপ করে রইলেন। তারপর ধীরে বললেন, “রহিম ভাই, একটু কথা ছিল।”
রহিম চাচা মাথা তুললেন। তার চোখে ভয় আর দ্বিধা। মাসুদ রহমান পাশে বসে বললেন, “আপনি ঘটনাটা সামনে থেকে দেখেছেন।” রহিম চাচা কিছু বললেন না। করিডোরের বাতাস যেন আরও ভারী হয়ে উঠল।
মাসুদ রহমান শান্ত কণ্ঠে বললেন, “আপনি যদি সত্যি বলেন, বাপ্পি হয়তো বাঁচবে।”
রহিম চাচা ধীরে বললেন, “আমি গরিব মানুষ সাহেব। আমার একটা দোকান। ওইটাই আমার সব।”
- “আমি জানি।”
- “শামসুরের লোকজন আছে।”
কথাটা বলেই তিনি চারদিকে তাকালেন। যেন দেয়ালও শুনে ফেলতে পারে। মাসুদ রহমান কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন। তারপর বললেন, “আপনি কি জানেন বাপ্পি কেন রেগে গিয়েছিল?”
এই প্রশ্ন শুনে রহিম চাচার চোখের সামনে হঠাৎ সেই বিকেলের দৃশ্য ভেসে উঠল। শামসুর বাড়ির দরজার সামনে দাঁড়িয়ে কুৎসিত হাসি দিয়ে বলছে—“কাল দোকানে চাঁদা না পাইলে ভাবির সাথে আইসা গল্প কইরা উসুল করমু।” কথাটা মনে পড়তেই রহিম চাচার বুকের ভেতর আবার আগুন জ্বলে উঠল। তিনি খুব ধীরে বললেন, “সে শুনেছিল।”
মাসুদ রহমান জিজ্ঞেস করলেন, “তারপর?”
- “তারপর ঝগড়া।”
দুজনেই কিছুক্ষণ চুপ। তারপর মাসুদ রহমান বললেন, “আপনি যদি সত্যি বলেন, এটা প্রমাণ হবে—এটা পরিকল্পিত খুন না।”
রহিম চাচা নিচু গলায় বললেন,- “কিন্তু আমি যদি বলি… আমার সংসার কে বাঁচাবে?”
এই প্রশ্নের উত্তর সহজ নয়। মাসুদ রহমান অনেকক্ষণ চুপ করে থাকলেন। তারপর ধীরে বললেন, “কিছু সাক্ষী আদালতের জন্য না… নিজের বিবেকের জন্য দেয়।” এই কথা বলে তিনি উঠে চলে গেলেন। রহিম চাচা বেঞ্চে বসে রইলেন। তার মাথার ভেতর তখন যুদ্ধ চলছে। একদিকে ভয়। অন্যদিকে ঋণ। আর মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে সত্য।
বিকেলের দিকে আদালতের কাজ শেষ হল। আজ কোনো সিদ্ধান্ত হল না। পরের তারিখ পড়েছে। বাইরে বেরিয়ে চারজন আবার একসাথে হাঁটতে লাগল—নীলা, রাফি, শিউলি আর সাইফ। আকাশ তখন ধীরে ধীরে মেঘে ঢেকে যাচ্ছে। হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ সাইফ বলল,- “মানুষ মাঝে মাঝে ভুল মানুষকে বিয়ে করে ফেলে।”
শিউলি তাকাল।- “মানে?”
সাইফ হালকা হাসল।- “কিছু না।” কিন্তু তার মাথার ভেতর তখন একটা সিদ্ধান্ত ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সে জানে— এই বিয়ে হলে কেউ সুখী হবে না। দূরে আকাশে কালো মেঘ জমছে। মনে হচ্ছে ঝড় আসবে। কিন্তু সেই ঝড় শুধু আকাশে নয়। মানুষের জীবনেও আসতে চলেছে। পরের তারিখে আদালত আবার বসবে।

(চলবে...)
একজন বড় মিথ্যাবাদী, একজন বড় জাদুকরও
[+] 2 users Like Dead people's post
Like Reply


Messages In This Thread
RE: ২টি ছাদ ও কয়েকটি বিকেল... - by Dead people - 08-06-2026, 12:15 AM



Users browsing this thread: 1 Guest(s)