06-06-2026, 09:02 AM
(This post was last modified: 09-06-2026, 06:28 AM by toimur. Edited 2 times in total. Edited 2 times in total.)
পর্ব ১
আজ আমার নানাবাড়িতে বিয়ের উৎসব। অন্য কারো নয়, আমার মায়ের বিয়ে। আমার মায়ের নাম মৌ,বয়স ৩৮ । দেখতে পুতুলের সুন্দরী। ৫ ফুট উচ্চতা, সাথে ৪২ সাইজের বিশাল পাছা এবং ৩৮ সাইজের দুধ। নায়িকাদের মতো দেহের গড়ন।যে কেউ দেখলেই পছন্দ করবে।
আমরা দুই ভাই। আমি মাহির, বর্তমান বয়স ১৫ ,ক্লাস ৯ এ পড়ি। ছোট ভাইয়ের নাম শুভ,বর্তমান বয়স ৪ বছর,এখনো কলেজে ভর্তি হয় নি। বছর আগে খুব অল্প বয়সেই মা বাবার প্রেম করে বিয়ে ছিলো। মায়ের পরিবার ধনী হওয়ায় আর মা তার বাবার একমাত্র সন্তান হওয়ায় নানা এই বিয়ে মানেন নি।
পরবর্তীতে ছোট ভাইয়ের জন্মের দেড় বছর পর পরিবারের হাল ধরতে বাবা কাজের জন্য বিদেশ যান। আমাদের পরিবার সুখী, স্বচ্ছন্লভাবে চলছিলো। কিন্তু সুখ বেশিদিন রইলো না। বিদেশে যাওয়ার ২ বছর পর বাবা একটা দূর্ঘটনায় মারা যান। বাবার মৃত্যুর পর আমাদের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। অবস্থা খারাপ হতে থাকে। মা উদাসীন হয়ে পড়ে। আমাদের শোচনীয় অবস্থার কথা নানা কাছে পৌছায়। নানা খবর পেয়ে অভিমান ভুলে নানা আমাদেরকে মেহেরপুরের গাংনীতে তার বাড়ি নিয়ে যায়৷
নানাবাড়ি জীবন নতুন রঙ পায়। দুঃখ দূর হতে থাকে। নানা বাড়ি যাওয়ার পর আমরা বেশ ভালোই ছিলাম। নানী আমাদের অনেক আদর করতো। এছাড়া বাড়ির কাজ করার জন্য জরিনা আপা ও নানীর দু:সম্পর্কের বোনের মেয়ে মর্জিনা খালা ছিলো। দুজনেরই স্বামী পরিত্যক্তা, বয়স্ক।
নানার যথেষ্ট জমি জমা আছে। আর নানার জমিজমা- গরু,ছাগল দেখার জন্য জসিম নামের একজন আছে। জসীমের নিজের বলতে কেউ নেই। ছোটবেলায় জসিমের মা-বাবা মারা গেছে ।বাড়ির ফাইফরমাশ খাটে, বাজারঘাট করে। জসিমের বয়স ১৮। আমার চাইতে ৪ বছরের বড়। কিন্তু নিয়মিত কাজ করে বিধায় অনেক বেশি বড় দেখায়। গায়ের রঙ কয়লার মতো কালো। আমার সাথে জসিমের বেশ ভালো বন্ধুত্ব হয়েছে। জসিম সারাদিন একা একাই থাকতো কিন্তু আমি আসার পর আমার সাথে বেশ বন্ধুত্ব হয়েছে। সারাদিন একসাথে ঘুরি ফিরি।
নানা বাড়িতে মায়ের অন্যতম সহযোগী জসিম। মায়ের কখন কি লাগবে, সব বিষয়ে জসিম মায়ের পাশাপাশি থাকে। মায়ের পছন্দ - অপছন্দ সব বিষয়ে আমার কাছে জানতে চায়। বিভিন্ন কাজের জন্য মা-ও জসিমকে খুব পছন্দ করে।
এভাবেই দিন চলতে থাকে। জসিমের সাথে আমার খুব ভালো বন্ধুত্ব হয়ে উঠে। তেমনি মায়ের সাথেও জসিমের খুব ভাব হয়। মায়ের কখন কি লাগবে, মাকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়া সব কিছুতেই জসিম সাহায্য করে। জসিম যেনো মায়ের অঘোষিত অভিভাবক।
আজ আমার নানাবাড়িতে বিয়ের উৎসব। অন্য কারো নয়, আমার মায়ের বিয়ে। আমার মায়ের নাম মৌ,বয়স ৩৮ । দেখতে পুতুলের সুন্দরী। ৫ ফুট উচ্চতা, সাথে ৪২ সাইজের বিশাল পাছা এবং ৩৮ সাইজের দুধ। নায়িকাদের মতো দেহের গড়ন।যে কেউ দেখলেই পছন্দ করবে।
আমরা দুই ভাই। আমি মাহির, বর্তমান বয়স ১৫ ,ক্লাস ৯ এ পড়ি। ছোট ভাইয়ের নাম শুভ,বর্তমান বয়স ৪ বছর,এখনো কলেজে ভর্তি হয় নি। বছর আগে খুব অল্প বয়সেই মা বাবার প্রেম করে বিয়ে ছিলো। মায়ের পরিবার ধনী হওয়ায় আর মা তার বাবার একমাত্র সন্তান হওয়ায় নানা এই বিয়ে মানেন নি।
পরবর্তীতে ছোট ভাইয়ের জন্মের দেড় বছর পর পরিবারের হাল ধরতে বাবা কাজের জন্য বিদেশ যান। আমাদের পরিবার সুখী, স্বচ্ছন্লভাবে চলছিলো। কিন্তু সুখ বেশিদিন রইলো না। বিদেশে যাওয়ার ২ বছর পর বাবা একটা দূর্ঘটনায় মারা যান। বাবার মৃত্যুর পর আমাদের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। অবস্থা খারাপ হতে থাকে। মা উদাসীন হয়ে পড়ে। আমাদের শোচনীয় অবস্থার কথা নানা কাছে পৌছায়। নানা খবর পেয়ে অভিমান ভুলে নানা আমাদেরকে মেহেরপুরের গাংনীতে তার বাড়ি নিয়ে যায়৷
নানাবাড়ি জীবন নতুন রঙ পায়। দুঃখ দূর হতে থাকে। নানা বাড়ি যাওয়ার পর আমরা বেশ ভালোই ছিলাম। নানী আমাদের অনেক আদর করতো। এছাড়া বাড়ির কাজ করার জন্য জরিনা আপা ও নানীর দু:সম্পর্কের বোনের মেয়ে মর্জিনা খালা ছিলো। দুজনেরই স্বামী পরিত্যক্তা, বয়স্ক।
নানার যথেষ্ট জমি জমা আছে। আর নানার জমিজমা- গরু,ছাগল দেখার জন্য জসিম নামের একজন আছে। জসীমের নিজের বলতে কেউ নেই। ছোটবেলায় জসিমের মা-বাবা মারা গেছে ।বাড়ির ফাইফরমাশ খাটে, বাজারঘাট করে। জসিমের বয়স ১৮। আমার চাইতে ৪ বছরের বড়। কিন্তু নিয়মিত কাজ করে বিধায় অনেক বেশি বড় দেখায়। গায়ের রঙ কয়লার মতো কালো। আমার সাথে জসিমের বেশ ভালো বন্ধুত্ব হয়েছে। জসিম সারাদিন একা একাই থাকতো কিন্তু আমি আসার পর আমার সাথে বেশ বন্ধুত্ব হয়েছে। সারাদিন একসাথে ঘুরি ফিরি।
নানা বাড়িতে মায়ের অন্যতম সহযোগী জসিম। মায়ের কখন কি লাগবে, সব বিষয়ে জসিম মায়ের পাশাপাশি থাকে। মায়ের পছন্দ - অপছন্দ সব বিষয়ে আমার কাছে জানতে চায়। বিভিন্ন কাজের জন্য মা-ও জসিমকে খুব পছন্দ করে।
এভাবেই দিন চলতে থাকে। জসিমের সাথে আমার খুব ভালো বন্ধুত্ব হয়ে উঠে। তেমনি মায়ের সাথেও জসিমের খুব ভাব হয়। মায়ের কখন কি লাগবে, মাকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়া সব কিছুতেই জসিম সাহায্য করে। জসিম যেনো মায়ের অঘোষিত অভিভাবক।
মা-ও জসিমকে ছাড়া কিচ্ছু বুজে না।


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)