03-06-2026, 02:08 PM
এদিনের পর থেকে কেটে গেছে অনেক দিন। প্রায় সপ্তাহ খানেক হবে হয়তো। একদিন দুপুরের ক্লাস ছেড়ে বাড়ি আসছি, মানে ওই আমার বন্ধুর বাড়ি আর কি। সেদিন রাজু আসেনি তাই ওর হিরো সাইকেলটা নিয়েই গেছিলাম। প্রাইভেট কলেজ তাই যখন তখন আসা যায় আর কি।
দুপুর ৩ টের দিকে এসব জায়গায় গরম তো ভালোই পড়ে। আমাদের নিজের বাড়ির দিকে আবার ঠান্ডা আছে। এটা মফস্বল হলেও কি, শহর বলা চলে। পৌরসভা এরিয়া। গরমে রাস্তার পাশে একটা আইসক্রিমওয়ালা বসে, কিন্তু একটু আলাদা তার আইসক্রিমের দোকানের সাথে সে একটা চট এর মতো কিছু নিয়ে আসে। ফলে, গ্রাহকরা যারা আইসক্রিম খায়। তার নিশ্চিন্ত মনে আইসক্রিম খেতে পারে ছায়ার তলায় বসে। ৭ ফুট বাই ৭ ফুট এরিয়ার চট এর তলায় গিয়ে দাঁড়ালাম আর সাইকেলটা হেলান দিলাম পাশে সুপারি গাছটার গায়ে। লাল চেয়ারটা টেনে বসলাম।
আমি আজ নতুন নই তাই আইসক্রিমওয়ালা কাকুটা চেনে আমাকে। বললো, কি দেবো আজকে? রোলিকের আইসক্রিম না আমুল? আমার হাসি দেখে সে বুঝতে পারলো- আজও আমি টাকার জন্য রোলিকটাই বেছে নেবো। আমুল একটু দামি আর কি। তবে আমুলের ৮০ টাকার কোনটা খাওয়ার ইচ্ছা অনেক দিনের।
কাকু রোলিক হাতে দিতেই বললাম না গো আজ সেই আমুলটা দাও। সে খুশি হলো না অবাক বোঝা গেলো না। আমুলটা খেতে খেতে নানান জিনিস ভাবতে লাগলাম। এই গরমে এখনো ১০ মিনিট সাইকেল চালাবো! ইসস! ওহহ মাই ফাকিং গড! ওহহহ! ইইই।
পাশে একজন নতুন গ্রাহকের দিকে চোখ গেলো। সাধারণত এই সময়ে কেউ আসে না। আমি আইসক্রিম কাকার পিছনে বসে ছিলাম লাল চেয়ারটায়। আকাশাত নজরে পড়লো; এটা তো সেই লোকটা যে আগের দিন মামার বাড়িতে মামাইয়ের সাথে দেখা করতে গেছিলো।
সামনে থেকে দেখলে হয়তো চিনতে পারতাম না কারণ আমি তাকে কখনো সামনে থেকে দেখিনি। সে যখন আইসক্রিমটা নিয়ে ঘুরলো, তখন দেখতে পেলাম লোকটাকে। কতই বা বয়স হবে? ম্যাক্সিমাম ৫৫। লম্বা ৫.৮ ফিট। আনইভেন কালো কালো লাগে পুরো মুখ ঘুরে রয়েছে। আর পুরনো স্টাইলে চশমা পরা। চশমার উপরে গোল্ড প্লেটেড ফ্রেম। রেকট্যাঙ্গেল শেপের চশমা। নীল আর সাদা কালারের লম্বা স্ট্রিপ দেওয়া কলার ওয়ালা গেঞ্জি। পেটটা বাইরে বেরিয়ে এবং তা চোখে পড়ছে। কিন্তু মোটা বলা যাবে না।
দুপুর ৩ টের দিকে এসব জায়গায় গরম তো ভালোই পড়ে। আমাদের নিজের বাড়ির দিকে আবার ঠান্ডা আছে। এটা মফস্বল হলেও কি, শহর বলা চলে। পৌরসভা এরিয়া। গরমে রাস্তার পাশে একটা আইসক্রিমওয়ালা বসে, কিন্তু একটু আলাদা তার আইসক্রিমের দোকানের সাথে সে একটা চট এর মতো কিছু নিয়ে আসে। ফলে, গ্রাহকরা যারা আইসক্রিম খায়। তার নিশ্চিন্ত মনে আইসক্রিম খেতে পারে ছায়ার তলায় বসে। ৭ ফুট বাই ৭ ফুট এরিয়ার চট এর তলায় গিয়ে দাঁড়ালাম আর সাইকেলটা হেলান দিলাম পাশে সুপারি গাছটার গায়ে। লাল চেয়ারটা টেনে বসলাম।
আমি আজ নতুন নই তাই আইসক্রিমওয়ালা কাকুটা চেনে আমাকে। বললো, কি দেবো আজকে? রোলিকের আইসক্রিম না আমুল? আমার হাসি দেখে সে বুঝতে পারলো- আজও আমি টাকার জন্য রোলিকটাই বেছে নেবো। আমুল একটু দামি আর কি। তবে আমুলের ৮০ টাকার কোনটা খাওয়ার ইচ্ছা অনেক দিনের।
কাকু রোলিক হাতে দিতেই বললাম না গো আজ সেই আমুলটা দাও। সে খুশি হলো না অবাক বোঝা গেলো না। আমুলটা খেতে খেতে নানান জিনিস ভাবতে লাগলাম। এই গরমে এখনো ১০ মিনিট সাইকেল চালাবো! ইসস! ওহহ মাই ফাকিং গড! ওহহহ! ইইই।
পাশে একজন নতুন গ্রাহকের দিকে চোখ গেলো। সাধারণত এই সময়ে কেউ আসে না। আমি আইসক্রিম কাকার পিছনে বসে ছিলাম লাল চেয়ারটায়। আকাশাত নজরে পড়লো; এটা তো সেই লোকটা যে আগের দিন মামার বাড়িতে মামাইয়ের সাথে দেখা করতে গেছিলো।
সামনে থেকে দেখলে হয়তো চিনতে পারতাম না কারণ আমি তাকে কখনো সামনে থেকে দেখিনি। সে যখন আইসক্রিমটা নিয়ে ঘুরলো, তখন দেখতে পেলাম লোকটাকে। কতই বা বয়স হবে? ম্যাক্সিমাম ৫৫। লম্বা ৫.৮ ফিট। আনইভেন কালো কালো লাগে পুরো মুখ ঘুরে রয়েছে। আর পুরনো স্টাইলে চশমা পরা। চশমার উপরে গোল্ড প্লেটেড ফ্রেম। রেকট্যাঙ্গেল শেপের চশমা। নীল আর সাদা কালারের লম্বা স্ট্রিপ দেওয়া কলার ওয়ালা গেঞ্জি। পেটটা বাইরে বেরিয়ে এবং তা চোখে পড়ছে। কিন্তু মোটা বলা যাবে না।


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)