03-06-2026, 06:13 AM
(This post was last modified: 03-06-2026, 06:57 AM by indonetguru. Edited 1 time in total. Edited 1 time in total.)
গল্প: "ছায়ার আড়ালে আগুন" (পার্ট-৩: অন্ধকারের অধীশ্বর)
চতুর্দশ পরিচ্ছেদ: মাল ডেলিভারী
রাত দুটো বেজে গেছে। খিদিরপুরের পুরনো গোডাউনের পিছনের লোডিং এরিয়ায় হালকা আলো জ্বলছে। ছয়টি বড় মালবোঝাই লরি দাঁড়িয়ে আছে। ইঞ্জিন চলছে, হেডলাইটের আলোয় ধুলো উড়ছে।
অংশুমান কালো জ্যাকেট পরে দাঁড়িয়ে আছে। তার চোখে সতর্কতা। সামনে চম্পার পুরনো সাগরেদরা আর রুবিনার লোকজন মিলে কাজ করছে। মালদা থেকে আসা বিশেষ কনসাইনমেন্ট — কোকেন ও হেরোইনের বড় বড় প্যাকেট — লরির লুকানো কম্পার্টমেন্টে তোলা হচ্ছে।
অংশুমান একজন সাগরেদকে বলল,
“প্রত্যেকটা লরির নম্বর আলাদা রাখো। রাস্তায় কোনো চেকপোস্টে ধরা পড়লে আমার নাম বলবে। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই মাল খুলবে না। বুঝেছ?”
সাগরেদ মাথা নেড়ে সম্মতি জানাল।
একটু দূরে রুবিনার গ্যাংয়ের কয়েকজন লোক রাস্তার পুলিশকে ম্যানেজ করার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। টাকার প্যাকেট, ফোন নম্বর — সব রেডি।
অংশুমান ফোনটা বের করে রাজারাম পাতিলের নম্বরে ডায়াল করল। রিং হতেই ওপাশ থেকে গম্ভীর গলা ভেসে এল।
“মাল রেডি?”
অংশুমান শান্ত গলায় বলল,
“হ্যাঁ। ছয়টি লরি। প্রথম লরি MH26C-****, দ্বিতীয় MH27D****.. । সবগুলোতে মাল ভরা হয়েছে। আপনার লোকেরা কল্যান এক্সপ্রেসওয়ের আগে রিসিভ করবে। রাস্তায় আমার লোক আছে। কোনো সমস্যা হবে না।”
রাজারাম পাতিলের লোক সন্তুষ্ট স্বরে বলল,
“ভালো। টাকা আগামীকাল সকালে আপনার অ্যাকাউন্টে চলে যাবে। আর শুনুন… আর দেরি যেন না হয়। চম্পা থাকতে এত সমস্যা হতো না।”
অংশুমান কোনো উত্তর দিল না। ফোন কেটে দিয়ে সে একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল।
সে গোডাউনের দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়াল। তার চোখে ক্লান্তি। মাত্র এক মাস আগে আরিয়ানের জন্ম হয়েছে। রুবিনা বাচ্চা নিয়ে পুরোপুরি ব্যাস্ত। আর সে নিজে এখন ড্রাগের লাইনে সক্রিয়ভাবে জড়িয়ে পড়েছে।
একজন সাগরেদ এসে বলল,
“স্যার, সব লরি লোড হয়ে গেছে। এখন রওনা দিতে পারি?”
অংশুমান মাথা নেড়ে বলল,
“হ্যাঁ। সাবধানে যাও। কোনো ঝুঁকি নেবে না।”
লরিগুলো একে একে গোডাউন থেকে বেরিয়ে গেল। লাল টেললাইট অন্ধকারে মিলিয়ে গেল।
অংশুমান পকেট থেকে সিগারেট বের করে ধরাল। ধোঁয়া ছেড়ে সে আকাশের দিকে তাকাল।
তার মনে একটা প্রশ্ন ঘুরছে —
সে কতদূর চলে এসেছে? আর কতদূর যেতে হবে?
চতুর্দশ পরিচ্ছেদ: মাল ডেলিভারী
রাত দুটো বেজে গেছে। খিদিরপুরের পুরনো গোডাউনের পিছনের লোডিং এরিয়ায় হালকা আলো জ্বলছে। ছয়টি বড় মালবোঝাই লরি দাঁড়িয়ে আছে। ইঞ্জিন চলছে, হেডলাইটের আলোয় ধুলো উড়ছে।
অংশুমান কালো জ্যাকেট পরে দাঁড়িয়ে আছে। তার চোখে সতর্কতা। সামনে চম্পার পুরনো সাগরেদরা আর রুবিনার লোকজন মিলে কাজ করছে। মালদা থেকে আসা বিশেষ কনসাইনমেন্ট — কোকেন ও হেরোইনের বড় বড় প্যাকেট — লরির লুকানো কম্পার্টমেন্টে তোলা হচ্ছে।
অংশুমান একজন সাগরেদকে বলল,
“প্রত্যেকটা লরির নম্বর আলাদা রাখো। রাস্তায় কোনো চেকপোস্টে ধরা পড়লে আমার নাম বলবে। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই মাল খুলবে না। বুঝেছ?”
সাগরেদ মাথা নেড়ে সম্মতি জানাল।
একটু দূরে রুবিনার গ্যাংয়ের কয়েকজন লোক রাস্তার পুলিশকে ম্যানেজ করার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। টাকার প্যাকেট, ফোন নম্বর — সব রেডি।
অংশুমান ফোনটা বের করে রাজারাম পাতিলের নম্বরে ডায়াল করল। রিং হতেই ওপাশ থেকে গম্ভীর গলা ভেসে এল।
“মাল রেডি?”
অংশুমান শান্ত গলায় বলল,
“হ্যাঁ। ছয়টি লরি। প্রথম লরি MH26C-****, দ্বিতীয় MH27D****.. । সবগুলোতে মাল ভরা হয়েছে। আপনার লোকেরা কল্যান এক্সপ্রেসওয়ের আগে রিসিভ করবে। রাস্তায় আমার লোক আছে। কোনো সমস্যা হবে না।”
রাজারাম পাতিলের লোক সন্তুষ্ট স্বরে বলল,
“ভালো। টাকা আগামীকাল সকালে আপনার অ্যাকাউন্টে চলে যাবে। আর শুনুন… আর দেরি যেন না হয়। চম্পা থাকতে এত সমস্যা হতো না।”
অংশুমান কোনো উত্তর দিল না। ফোন কেটে দিয়ে সে একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল।
সে গোডাউনের দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়াল। তার চোখে ক্লান্তি। মাত্র এক মাস আগে আরিয়ানের জন্ম হয়েছে। রুবিনা বাচ্চা নিয়ে পুরোপুরি ব্যাস্ত। আর সে নিজে এখন ড্রাগের লাইনে সক্রিয়ভাবে জড়িয়ে পড়েছে।
একজন সাগরেদ এসে বলল,
“স্যার, সব লরি লোড হয়ে গেছে। এখন রওনা দিতে পারি?”
অংশুমান মাথা নেড়ে বলল,
“হ্যাঁ। সাবধানে যাও। কোনো ঝুঁকি নেবে না।”
লরিগুলো একে একে গোডাউন থেকে বেরিয়ে গেল। লাল টেললাইট অন্ধকারে মিলিয়ে গেল।
অংশুমান পকেট থেকে সিগারেট বের করে ধরাল। ধোঁয়া ছেড়ে সে আকাশের দিকে তাকাল।
তার মনে একটা প্রশ্ন ঘুরছে —
সে কতদূর চলে এসেছে? আর কতদূর যেতে হবে?


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)