03-06-2026, 06:06 AM
(This post was last modified: 03-06-2026, 06:12 AM by indonetguru. Edited 1 time in total. Edited 1 time in total.)
গল্প: "ছায়ার আড়ালে আগুন" (পার্ট-৩: অন্ধকারের অধীশ্বর)
দ্বাদশ পরিচ্ছেদ: নতুন পার্টির ঢোল
বিকেলের আলো টালিগঞ্জের বাংলোর ছাদে হেলে পড়েছে। বিন্দুবালা দেবী খাটিয়ায় হেলান দিয়ে বসে আছে। তার সামনে একটা বড় টেবিলে কাগজপত্র, ম্যাপ আর কয়েকটা ফোন ছড়ানো। চারপাশে তার বিশ্বস্ত সাগরেদরা দাঁড়িয়ে। ব্রজদাসী তার পাশে বসে পান চিবোচ্ছে।
বিন্দুবালা একটা মোটা সিগারেট ধরিয়ে গভীর টান দিল। ধোঁয়া ছেড়ে বলল,
“শাসকদল আর বিরোধী — দুই পক্ষই আমাকে টিকিট দিতে চায় না। ভয় পায়। ঠিক আছে। আমি আর কারোর দয়া চাই না। আমি নিজের পার্টি করব।”
সে একটা কাগজের উপর আঙুল রেখে বলল,
“পার্টির নাম — গণ একতা পার্টি। আর সিম্বল হবে ঢোল। কারণ ঢোল বাজলে সবাই জেগে ওঠে। আমরা সেই ঢোল বাজাব।”
সাগরেদরা মাথা নেড়ে সম্মতি জানাল। একজন জিজ্ঞাসা করল,
“মাসি, ফান্ড কোথা থেকে আসবে? এত বড় প্রচার চালাতে তো অনেক টাকা লাগবে।”
বিন্দুবালা হাসল। তার হাসিতে একটা ধূর্ততা ছিল।
“টাকা অনেক জায়গা থেকে আসবে। প্রথমত, সাধারণ মানুষের বাড়ি বাড়ি যাবে। বলবে — মা বিন্দুবালার জন্য চাঁদা দাও। যারা দেবে না, তাদের সামলানোর দায়িত্ব তোমাদের।
দ্বিতীয়ত, বড় বড় ব্যবসায়ীদের থেকে চাঁদা তুলবে। কালু, এই দায়িত্ব তোমার। যারা দেবে না, তাদের বুঝিয়ে দিও যে ব্যবসা করতে গেলে মায়ের আশীর্বাদ লাগে।”
কালু মাথা নিচু করে বলল, “ঠিক আছে মাসি।”
বিন্দুবালা আরও বলল,
“এক সপ্তাহ পর থেকে প্রচার শুরু করব। পোস্টার, মাইকিং, রোড শো — সব। অংশুমানকে বলে দিয়েছি, সে এখন থেকে আমার প্রচারের প্রধান দায়িত্ব নেবে। থানার ওসি যদি আমার হয়, তাহলে কেউ আমাকে আটকাতে পারবে না।”
ব্রজদাসী পানের রস গিলে বললেন,
“বিন্দু, তুই সত্যিই রানি হয়ে যাবি।”
বিন্দুবালা হাসতে হাসতে বলল,
“রানি না, এবার আমি মা হয়ে পুরো এলাকাটাকে নিজের করে নেব।”
ছাদের উপর বিকেলের আলো পড়ছে। বিন্দুবালার চোখে একটা নতুন আগুন জ্বলছে — ক্ষমতার আগুন।
অন্যদিকে, খিদিরপুরের গোডাউনে অংশুমান এখনো সাগরেদদের সাথে কাজ করছে। তার মোবাইলে বিন্দুবালার মেসেজ এসেছে — “বাবু তোমার থানার কাজ মিটলে আমার সাথে দেখা করবে।”
অংশুমান ফোনটা পকেটে রেখে দীর্ঘশ্বাস ফেলল। তার সামনে এখন দুটো জগৎ — একদিকে রুবিনার ড্রাগের চাপ, অন্যদিকে বিন্দুবালার রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা।
দ্বাদশ পরিচ্ছেদ: নতুন পার্টির ঢোল
বিকেলের আলো টালিগঞ্জের বাংলোর ছাদে হেলে পড়েছে। বিন্দুবালা দেবী খাটিয়ায় হেলান দিয়ে বসে আছে। তার সামনে একটা বড় টেবিলে কাগজপত্র, ম্যাপ আর কয়েকটা ফোন ছড়ানো। চারপাশে তার বিশ্বস্ত সাগরেদরা দাঁড়িয়ে। ব্রজদাসী তার পাশে বসে পান চিবোচ্ছে।
বিন্দুবালা একটা মোটা সিগারেট ধরিয়ে গভীর টান দিল। ধোঁয়া ছেড়ে বলল,
“শাসকদল আর বিরোধী — দুই পক্ষই আমাকে টিকিট দিতে চায় না। ভয় পায়। ঠিক আছে। আমি আর কারোর দয়া চাই না। আমি নিজের পার্টি করব।”
সে একটা কাগজের উপর আঙুল রেখে বলল,
“পার্টির নাম — গণ একতা পার্টি। আর সিম্বল হবে ঢোল। কারণ ঢোল বাজলে সবাই জেগে ওঠে। আমরা সেই ঢোল বাজাব।”
সাগরেদরা মাথা নেড়ে সম্মতি জানাল। একজন জিজ্ঞাসা করল,
“মাসি, ফান্ড কোথা থেকে আসবে? এত বড় প্রচার চালাতে তো অনেক টাকা লাগবে।”
বিন্দুবালা হাসল। তার হাসিতে একটা ধূর্ততা ছিল।
“টাকা অনেক জায়গা থেকে আসবে। প্রথমত, সাধারণ মানুষের বাড়ি বাড়ি যাবে। বলবে — মা বিন্দুবালার জন্য চাঁদা দাও। যারা দেবে না, তাদের সামলানোর দায়িত্ব তোমাদের।
দ্বিতীয়ত, বড় বড় ব্যবসায়ীদের থেকে চাঁদা তুলবে। কালু, এই দায়িত্ব তোমার। যারা দেবে না, তাদের বুঝিয়ে দিও যে ব্যবসা করতে গেলে মায়ের আশীর্বাদ লাগে।”
কালু মাথা নিচু করে বলল, “ঠিক আছে মাসি।”
বিন্দুবালা আরও বলল,
“এক সপ্তাহ পর থেকে প্রচার শুরু করব। পোস্টার, মাইকিং, রোড শো — সব। অংশুমানকে বলে দিয়েছি, সে এখন থেকে আমার প্রচারের প্রধান দায়িত্ব নেবে। থানার ওসি যদি আমার হয়, তাহলে কেউ আমাকে আটকাতে পারবে না।”
ব্রজদাসী পানের রস গিলে বললেন,
“বিন্দু, তুই সত্যিই রানি হয়ে যাবি।”
বিন্দুবালা হাসতে হাসতে বলল,
“রানি না, এবার আমি মা হয়ে পুরো এলাকাটাকে নিজের করে নেব।”
ছাদের উপর বিকেলের আলো পড়ছে। বিন্দুবালার চোখে একটা নতুন আগুন জ্বলছে — ক্ষমতার আগুন।
অন্যদিকে, খিদিরপুরের গোডাউনে অংশুমান এখনো সাগরেদদের সাথে কাজ করছে। তার মোবাইলে বিন্দুবালার মেসেজ এসেছে — “বাবু তোমার থানার কাজ মিটলে আমার সাথে দেখা করবে।”
অংশুমান ফোনটা পকেটে রেখে দীর্ঘশ্বাস ফেলল। তার সামনে এখন দুটো জগৎ — একদিকে রুবিনার ড্রাগের চাপ, অন্যদিকে বিন্দুবালার রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা।


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)