01-06-2026, 05:53 PM
“মিসক্যারিজ হয়ে যাবে না তো? ধরে রাখতে পারব তো সোনা মানিক আমার?” অশ্রুজড়িত কন্ঠে বলে যায় সুমিত্রা।
সঞ্জয়ের বুকে মোচড় লাগে। সে মার বাম গাল ধরে তার ডান হাত দিয়ে। আবার মার চোখের জলে হাত ভিজে যায় তার।
“কোনো ভয় নেই মা! তোমার পেটের মধ্যে আমাদের যে ছোট্ট সোনুমনুটা বড় হচ্ছে তার কোনও বিপদ হবে না। তুমি দেখে নিও!” নরম সুরে বলে সে। কিন্তু গলা তার কেঁপে যায়। তার বুকে আরও আরও বড় ভয় শ্রাবণের কালো মেঘেরর মত ঘনিয়ে আসে। আকাশ জুড়ে কালো দৈত্যাকার মেঘ। দৃষ্টি চলে না। বিপুল তমসা যেন নিশ্ছিদ্র অন্ধকারে ঢেকে ফেলেছে দিগ্বিদিক। আলোর কণামাত্রর প্রবেশের অধিকার নেই এখানে। সে আর্তস্বরে চিৎকার করতে চায়। নিদারুণ ভয় যেন তার টুঁটি চিপে ধরে। এ নিছক ভয়মাত্র না। এ দুর্বিসহ আতঙ্ক। তার মার ভালো থাকবে তো? সে চায়না চায় না চায় না বাবা হতে। তার প্রিয়তমা নারী, তার মার কোনও বিপদ হবে না তো?
“মা, রক্ত কি এখনও বেরোচ্ছে?” খুব খুব খুব ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করে সঞ্জয়। টাটকা রক্ত! তার মার শরীর থেকে বেরোচ্ছে! যদি আরও বেরিয়ে যায়? মা হারা হয়ে সে বাঁচবে কি করে? সে পড়েছে বাচ্চা হতে গিয়ে কত মা মারা যায় এখনও। যদি তেমন বিপদ কিছু হয়? ধড়ফড় করে তার বুক। না না না এমন হতে পারে না। হবে না।
“না মনে হয়,” সুমিত্রা ছেলের কোলে মুখ গুঁজে বলে।
“দেখেছ তুমি আঙুল ঢুকিয়ে?” সঞ্জয়ের বুকে চেপে বসেছে ভীষণ ভীষণ মিশকালো অন্ধকারের মত ভয়। মনে মনে প্রার্থনা করে। তার মায়ের যেন কোন আঘাত না লাগে। সে সইতে পারবে না। মার কিছু হলে তার সব সব শেষ হয়ে যাবে। পাগলের মত সে ঘুরে ঘুরে বেড়াবে। সে ছেড়ে দেবে চাকরি। নষ্ট হয়ে যাবে সে। ভেঙ্গে তছনছ করে দেবে সে পৃথিবী। খাঁখাঁ করে তার বুক। হা হা করে উঠে আসতে চায় কান্না। চেপে রাখে সে।
“হ্যাঁ, দেখেছি আমি। আর বেরোচ্ছে না রক্ত,” সুমিত্রা উত্তর দেয়। সঞ্জয়ের মাথার দুপাশের রগের দপদপানিটা একটু বোধহয় কমে। বেরোচ্ছে না। বেরোচ্ছে না আর! কি শান্তি, কি শান্তি!
“আমি দেখি? উঠে পা ছড়িয়ে শোয় তো মা। আমি তোমার ভ্যাজাইনার ভিতরটা দেখি,” সঞ্জয় মার গালে হাত দিয়ে আদর করে।
“আমি দেখে নিয়েছি তো! দরকার নেই,” সুমিত্রা তার কোল থেকে একটু মাথা তুলে বলে।
“তুই বরং ডাক্তারকে একবার ফোন কর!” সুমিত্রা নাক টানে, চোখের জল মোছে।
সঞ্জয় দেয়ালের ঘড়ির দিকে তাকায়। রাত সাড়ে নটা।
“এত রাতে কি ফোন করাটা ঠিক হবে?” সে ইতস্তত করে।
“না, তুই কর! এক্ষুনি কর!” সুমিত্রা দৃঢ়স্বরে বলে।
Dada please lekhata sesh koren
সঞ্জয়ের বুকে মোচড় লাগে। সে মার বাম গাল ধরে তার ডান হাত দিয়ে। আবার মার চোখের জলে হাত ভিজে যায় তার।
“কোনো ভয় নেই মা! তোমার পেটের মধ্যে আমাদের যে ছোট্ট সোনুমনুটা বড় হচ্ছে তার কোনও বিপদ হবে না। তুমি দেখে নিও!” নরম সুরে বলে সে। কিন্তু গলা তার কেঁপে যায়। তার বুকে আরও আরও বড় ভয় শ্রাবণের কালো মেঘেরর মত ঘনিয়ে আসে। আকাশ জুড়ে কালো দৈত্যাকার মেঘ। দৃষ্টি চলে না। বিপুল তমসা যেন নিশ্ছিদ্র অন্ধকারে ঢেকে ফেলেছে দিগ্বিদিক। আলোর কণামাত্রর প্রবেশের অধিকার নেই এখানে। সে আর্তস্বরে চিৎকার করতে চায়। নিদারুণ ভয় যেন তার টুঁটি চিপে ধরে। এ নিছক ভয়মাত্র না। এ দুর্বিসহ আতঙ্ক। তার মার ভালো থাকবে তো? সে চায়না চায় না চায় না বাবা হতে। তার প্রিয়তমা নারী, তার মার কোনও বিপদ হবে না তো?
“মা, রক্ত কি এখনও বেরোচ্ছে?” খুব খুব খুব ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করে সঞ্জয়। টাটকা রক্ত! তার মার শরীর থেকে বেরোচ্ছে! যদি আরও বেরিয়ে যায়? মা হারা হয়ে সে বাঁচবে কি করে? সে পড়েছে বাচ্চা হতে গিয়ে কত মা মারা যায় এখনও। যদি তেমন বিপদ কিছু হয়? ধড়ফড় করে তার বুক। না না না এমন হতে পারে না। হবে না।
“না মনে হয়,” সুমিত্রা ছেলের কোলে মুখ গুঁজে বলে।
“দেখেছ তুমি আঙুল ঢুকিয়ে?” সঞ্জয়ের বুকে চেপে বসেছে ভীষণ ভীষণ মিশকালো অন্ধকারের মত ভয়। মনে মনে প্রার্থনা করে। তার মায়ের যেন কোন আঘাত না লাগে। সে সইতে পারবে না। মার কিছু হলে তার সব সব শেষ হয়ে যাবে। পাগলের মত সে ঘুরে ঘুরে বেড়াবে। সে ছেড়ে দেবে চাকরি। নষ্ট হয়ে যাবে সে। ভেঙ্গে তছনছ করে দেবে সে পৃথিবী। খাঁখাঁ করে তার বুক। হা হা করে উঠে আসতে চায় কান্না। চেপে রাখে সে।
“হ্যাঁ, দেখেছি আমি। আর বেরোচ্ছে না রক্ত,” সুমিত্রা উত্তর দেয়। সঞ্জয়ের মাথার দুপাশের রগের দপদপানিটা একটু বোধহয় কমে। বেরোচ্ছে না। বেরোচ্ছে না আর! কি শান্তি, কি শান্তি!
“আমি দেখি? উঠে পা ছড়িয়ে শোয় তো মা। আমি তোমার ভ্যাজাইনার ভিতরটা দেখি,” সঞ্জয় মার গালে হাত দিয়ে আদর করে।
“আমি দেখে নিয়েছি তো! দরকার নেই,” সুমিত্রা তার কোল থেকে একটু মাথা তুলে বলে।
“তুই বরং ডাক্তারকে একবার ফোন কর!” সুমিত্রা নাক টানে, চোখের জল মোছে।
সঞ্জয় দেয়ালের ঘড়ির দিকে তাকায়। রাত সাড়ে নটা।
“এত রাতে কি ফোন করাটা ঠিক হবে?” সে ইতস্তত করে।
“না, তুই কর! এক্ষুনি কর!” সুমিত্রা দৃঢ়স্বরে বলে।
Dada please lekhata sesh koren


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)