১.৩
পরেরদিন সকালে, মায়ের অফিসে মিটিং ছিল, তাড়াতাড়ি যেতে হবে। তাই মা খুব সকালে উঠে সকালে ও দুপুরের খাবার রান্না করে। বুড়োটার জন্য পাতলা স্যুপ তৈরি করে।
পরে, রেডি হওয়ার আগে, আমাকে উঠায় এবং বলে,
" আমি অফিসে যাচ্ছি। তোর আর মায়ের খাবার রান্না করে রেখে গেলাম। চাচার জন্য দু - বেলার স্যুপ বানিয়ে রেখেছি। আরেকটু বেলা হলে, বাটিতে কিছুটা স্যুপ নিয়ে যাস ওনার ঘরে, চাচাকে খাওয়ানের জন্য। আমি গেলাম। "
আমি বললাম, " ঠিকয়াছে মা। "
মা চলে গেলে, আমি উঠে দরজা লাগিয়ে, আবার শুয়ে পড়ি। এর কিছুক্ষন পরে, আমি ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হই। পরে, একটা মগে পানি ও কিছুটা ছাই, বুড়োটার রুমের কাছের বাথরুমে রাখি। পরে, রুমে গিয়ে বুড়েটাকে গিয়ে ডেকে তুলি ও বলি, " দাদু ও দাদু, ওঠো দাদু, উঠে হাত - মুখ ধোও " বলেই আমি চলে আসি।
পরে, আমি বুড়োটার গলার খকখকানির আওয়াজ শুনতে পেলে বুজতে পারি, বুড়োটা ফ্রেশ হয়েছে। কিছুক্ষণ পরে, আমি একটা বাটিতে খানিকটা স্যুপ নিয়ে ও পিতলের গ্লাসে পানি নিয়ে, বুড়োটার ঘরে যাই। গিয়ে দেখি, বুড়োটা দেয়ালের দিকে মুখ করে কাত হয়ে শুয়ে আছে।
গিয়ে আমি বুড়োটাকে ডেকে বলি, " দাদু ওঠো, সকালের নাস্তা খেয়ে নেও। " বুড়োটা উওর দেয়, " নারে না, খিদে নেই। " আমি বললাম, " কালও তো কিছু খেলে না, আজ ও যদি না খাও অসুস্থ হয়ে পড়বে তো। " অনেক জোরাজুরিতে বুড়োটা কোনো - রকমে
দু - চামচ স্যুম উঠিয়ে মুখে দিলো। আমি দেখে বুঝলাম, একহাতে শুধু চামচ দিয়ে তুলে খেতে কষ্ট হচ্ছে।
দেখে আমি নিজে থেকেই বললাম, " কি দাদু হাতে ব্যাথা করছে? " বুড়োটা উওর দিলো, " মা, আমার বাম হাতটায় জোর পাচ্ছি না, তাই বাটিটা ধরে উঠাতে পারছি না। " শুনে আমার বুড়োটার জন্য মায়া লাগল।
আমি বুড়েটাকে বললাম, " আমি খাইয়ে দিবো। " বুড়োটা কোন উওর না দিয়ে আমার দিকে ফেলফেল করে তাকিয়ে রইল। আমি আর কিছু না বলে, বুড়োটার মাথার বালিশ খারা করে, দেয়ালের সাথে এলিয়ে দিলাম ও বুড়োটাকে বললাম, " দেয়ালে হেলান দিয়ে বস, আমি খাইয়ে দিচ্ছি। " বুড়োটা বাধ্য ছেলের মতো দেয়ালে বালিশে হেলান দিয়ে বসল। আমি বাটিটা হাতে তুলে নিয়ে চামচ দিয়ে পুড়ো স্যুপটা অল্প অল্প করে খাইয়ে দিলাম।
খাওয়ানো শেষ হলে, বাটিতে কিছুটা পানি ঠেলে, মুখ ধুয়ে দিলাম। আসে পাশে কোন গামছা না পেয়ে, নিজের ওড়না দিয়েই বুড়োটার মুখ মুছিয়ে দিয়ে, তাকে আবার বিছানায় শুইয়ে দিলাম। বললাম, " দাদু, এখন একটু বিশ্রাম নাও, দুপুরের দিকে আমি খাবার নিয়ে আবার আমি আসব। " বুড়োটার অবশ্য আমার কথায় কোন খেয়াল ছিল, সে আমার দিকে ফেল ফেল করে তাকিয়ে আছে।
পরে, দাদি ঘুম থেকে উঠলে, আমি ও দাদি সকালের নাস্তা সেরে নিলাম।
দুপুরের দিকে দাদি ও আমি খাওয়া দাওয়া সেরে নিলাম। কিছুক্ষন পর দাদি নিজের রুমে চলে গেল। পরে, দাদির রমে গিয়ে উকি মেরে দেখলাম, দাদি ঘুমিয়ে পরেছে। পরে, আমি বাটিতে স্যুপ ও পানি নিয়ে বুড়ের ঘরে গিয়ে হাজির হলাম। গিয়ে দেখি, বুড়ো চোখ বুজে সোজা হয়ে শুয়ে আছে।
আমি গিয়ে টিবিলের উপরে স্যুপের বাঁটি ও পানির গ্লাস রেখে, বুড়োর বিছানার পাশে গিয়ে বসলাম। বুড়োকে মৃদু স্বরে দুই - তিনবার ডাকলাম, কিন্তু বুড়ো কোন উওর দিলো না। তাই এবার বুড়োর মাথায় হাত রাখলাম, আমার হাতের ছোয়া পেতেই, বুড়োটা চোখ খুলে আমার দিকে তাকাল। আমি বুড়োটাকে চোখ খুলতে দেখে বললাম, " দাদু, দুপুরের খাবার এনেছি, খেয়ে নাও। " বুড়োটা বলল, " খিদে নেই মা, খাব না। "
আমি বললাম, " খাব না বললে হবে, খেতে তে হবেই সুস্থ হতে হলে। আচ্ছা ঠিকয়াছে, আমি খাইয়ে দিচ্ছি, তুমি উঠে সোজা হয়ে বসো। " বুড়োটা বলল, " শরীরটা ভালো লাগছে না মা, মনে হয় উঠে বসতে পারব নারে। " শুনে আমার বুকের ভিতর ধুক করে উঠল।
আমি তাড়াতাড়ি করে বুড়োটার গায় - মাথায় হাত দিতে দিতে বললাম, " কি হয়েছে বেশি খারাপ লাগছে? " বুড়োটা বলল, " হ্যাঁ রে, মা। শরীরে একদম বল পাচ্ছি না। " শুনে আমার অনেক খারাপ লাগল বুড়োটার জন্য। বুড়োটার জন্য অদ্ভূত মায়াও লাগছিল।
কিছুক্ষন পর, আমি বললাম, " একটু দারাও দাদু, আমি আসছি। " বলেই আমি বুড়োর রুম থেকে বেড়িয়ে দাদির রুমের দিকে গেলাম। দাদির রুমের দরজার কাছে দাড়িয়ে উঁকি দিলাম, দাদি কি করছে দেখার জন্য।
দেখলাম, দাদি ঘুমাচ্ছে । বুঝলাম, এ - বেলা দাদি আর উঠবে না। নিশ্চিত হয়ে আমও বুড়োটার রুমের দিকে হাঁটা দিলাম। গিয়ে বুড়োর রুমে ঢুকে, বুড়োর খাটের কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম ও বললাম, " দেখিতো দাদু , একটি সরে আমাকে খাটে বাসরজায়গা করে দাও তো। "
বুড়োটা কোন কথা না বলে, তাই করল। আমি খাটের উপর উঠে, বুড়োটার মাথার কাছে বসলাম। বুড়োটাকে বললাম, " দেখি তো, দাদু মাথাটা একটু তোলো তো। " বুড়োটা আমার মুখের দিকে একবার তাকিয়ে, ওনার মাথাটা অল্প একটু তুলল। আমি তখনই ঘাড়ে ও পিঠে হাত পেছিয়ে নিজের কোলের উপর টেনে নিলাম। বুড়োটা হকচকিয়ে উঠল, বুড়োটার মাথা ছিল আমার বাম স্তনের কাছে।
পরে, আমি বুড়োটাকে বললাম, " দাদু, এখন তুমি চুপটি করে, ভালো ছেলের মতো আমার কোলে শুয়ে খেতে থাক। " বুড়োটা কোন কথা না বলে, শুধু মাথা নারলো।
আমি টেবিলের উপর থেকে বাঁটিটা এনে, আমার সামনে বিছানায় রাখলাম। এরপর, আমি বুড়োটাকে চামচে করে, স্যুপ খাইয়ে দিতে লাগলাম, বুড়োটাও বাধ্য ছেলের মতো খেতে লাগল। আমি গায়ে শুধু একটা গেঞ্জি পড়া আর একটা পাতলা ওরনা জরানো। বুড়োটাকে খাওয়ানোর জন্য চামচে বাঁটি দিয়ে স্যুপ তুলতে হয়, তাতে আমাকে কোলে শুয়ে থাকা বুড়োটার দিকে অনেকটা ঝুঁকতে হয়।
তাই, বুড়োটার মুখ বারবার আমার বুকের অনেক কাছে চলে আসছিল। সম্ভবত বুড়োটা মনে হয়, এতে অনেক মজাই পাচ্ছিল। মানুষটা আমার বুকের দিকে হা করে তাকিয়ে ছিল, চামচে দেওয়া স্যুপ গিলছিল। অবশ্য গেঞ্জির উপর দিয়ে আমার বুক ওরনা দিয়ে ঢাঁকা ছিল, যেটাই বুড়োটার মাথা ও আমার বাম দুধের ভিতর পর্দার কাজ করছিল, তাই বুড়োটা আমার স্তন বা বুক কোনটাই পুরোপুরি দেখতে পারছিল না।
কিন্তু, যখনই আমি চামচে স্যুপ তোলার জন্য ঝুঁকছিলাম, তখনই বাম স্তনের কাছে বুড়োটার গরম শ্বাস অনুভব করছিলাম।
বুড়োটাকে খাওয়ানো শেষ হলে, বুড়োটার মাথা বাম হাতের উপরে রেখে একটু তুলে গ্লাস থেকে কিছুটা পানি খাঁইয়ে দেই। পরে, স্যুপের খালি বাঁটিতে হাত ভিজিয়ে বুড়োটার মুখ ধুইয়ে দেই ও ওনার পার দিয়ে মুখ মুছিয়ে দেই।
এরপরে, বুড়োটাকে বলি, " দাদু, তুমি এখন বাথরুম গিয়ে হাত - মুখ ধুয়েঁ শুয়ে পরো। " বুড়োটা বলে, " আমি একটু বিশ্রাম নেবো রে মা। " আমি ঠিক আছে বলে, ডান হাত দিয়ে বুড়োটার ঘাড় ধরে, কোল থেকে তুলে বালিশে শুইয়ে দেই।
বুঝতে পারছিলাম, বুড়োটা চাইলে নিজেও করতে পারতো, কিন্তু আমার কোলে শুয়ে বলছিলো মানে এটাই চাচ্ছিল। পরে, আমি বাঁটি ও গ্লাস নিয়ে রুম থেকে বেড়িয়ে আসি।
রাতে মা কাজ থেকে বাসায় ফেরে। পরে, মা রান্না ঘরে গিয়েই আমার কাছে এসে জিজ্ঞেস করে," কিরে চাচা কি আজ দু - বেলায় স্যুপ খেয়েছে নাকি? " আমি শুধু বললাম, " হ্যাঁ। " মা বলল, " আগের দিন খেল না, আজ কিভাবে খাওয়ালি? "
আমও বললাম, " মা মূলত ওনার বাম হাতে সমস্যা, তাই ধরে খেতে পারে না। নতুন জয়গায় একটু লজ্জাও পাচ্ছিল। আমাকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে, কথা বলে ভাব জমিয়ে খাইয়ে দিতে হয়েছে। "
মায়ের কাছ থেকে লুকিয়ে গেলাম, আমিই জোর করে বুড়োটাকে কোলে শুইয়ে খাইয়েছি। সব শুনে, মা বলল, " আচ্ছা, এখন থেকে তুই তার জন্য খাবার নিয়ে যাস। রাতের খাবারও তুই নিয়ে যাস। " আমি বললাম, " আচ্ছা "
রাতে, আমি, মা ও দাদি সবাই একসাথে খাওয়া শেষ করলাম। পরে, মা আমাকে একটা বাঁটি ধরিয়ে দিয়ে বলে, " যা, চাচাকে খাইয়ে আয়। " আমি বাঁটি নিয়ে বুড়েটার ঘরে গেলাম ও বিছানার পাশে বসে বললাম, " খেয়ে নাও, দাদু। " বুড়োটার হাবভাব এ বুঝচ্ছিলাম, যে সে চাচ্ছে তাকে দুপুরের মতে কোলে শুইয়ে খাইয়ে দেই।
আমি বুঝতে পেরে নিচু স্বরে বললাম, " দাদু এখন না, মা আছে, দেখলে সন্দেহ করবে। তুমি সোজা হয়ে বসো, আমি খাইয়ে দিচ্ছি। বুড়োটা সোজা হয়ে বসলে, আমি তাকে খাইয়ে বেরিয়ে আসি।
বুড়োর রুম থেকে হয়ে দেখলাম, মা এখনও ঘুমায়নি। নিজের রুমে বসে ফোনে কথা বলছে। আমি রান্না ঘরে, বাটিটা রেখে এসে চুপচাপ নিজের ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়ি।
চলবে।..............................


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)