১.১
আমার নাম মিলি। আমি গ্রামে একটা ছোট দো-তলা বাড়িতে থাকি। বাড়িতে কিছু হাস মুরগি ও গোয়াল ঘরও আছে। সেখানে আছে একটা গাভী আর একটা ষাঁড়। গাভীটা কিছুদিন হলো গর্ভবতী হয়েছে।
আমি ক্লাস নাইনে এ পড়ি। নাইন পরলেও আমার বয়স ১৮। শারীরিক গঠন ও উচ্চতা পরিনত মেয়েদের মতই। আমি পড়াশোনায় মোটামুটি ভালোই। বাবা বিদেশে থেকে। অনেক বছর পর পর আসে। বাড়িতে বলতে সবাই মেয়ে মানুষ। মা, আমি ও দাদি। বেশিরভাগ সময় দাদি ও আমিই বাড়িতে থাকি। তবে, দাদি চোখে তেমন একটা ভালো দেখে না। মা বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে। অনেক ব্যস্ত মানুষ। বাড়িতে তেমন একটা থাকেন না। আমি দাদির কাছেই বড় হয়েছি। বাড়িতে তিনটি রুম। এক রুমে দাদি, অন্য দুটো রুমে আমি ও মা থাকি। আরেকটা একটা ছোট একট্রা রুম আছে। হ্যাঁ, ছোটবেলা থেকেই আমি নিজস্ব আলাদা রুম পেয়েছিলাম।
আমি এখন, আমার সম্পর্কে বলি। আমার একটু মানসিক বিকৃত আছে। আমার কাছে ছোট বাচ্চাদের থেকে বুড়ো মানুষদের অনেক বেশি ভালো লাগে ও নিস্পাপ মনে হয়। বলতে গেলে, বড়োরাই আমার কাছে ছোট বাচ্চা। বিশেষ করে, উচ্চতায় খাটো বৃদ্ধের আমার কাছে ছোট শিশুদের মতো মনে হয়। আমার মাঝে এইরকম খাটো এক বুড়োর লোকদের মা হওয়ার শখ জাগে, যাকে আমি নিজের শিশুর মতো লালন পালন করতে চাইতাম। কিন্তু, কখনো ভাবিনি, ভগবান আমাকে সেই সুযোগ করে দিবে।
একদিন সকালে বাড়িতে মা- সহ আমরা সবাই ছিলাম। তখন বাজারের বড় দোকানের জিতু ভাই, একজন বুড়ো মানুষকে আমাদের বাড়িতে নিয়ে আসে। লোকটি দেখতে অনেক বৃদ্ধ ছিল আর দুর্বল ও। তখন, মা এগিয়ে আসে বুড়োকে সামনের রুমে চেয়ারে বসায়, আমাকে ডেকে বলে এই তোর দাদু। শুনে আমি একটু অবাক হই, দাদির দিকে তাকাই। দাদি হাতের ইশারায় শান্ত হবার জন্য বলে।
পরে , মা আমাকে ভিতরে নিয়ে যায়, নাস্তা পানি বানানোর জন্য। রান্নাঘরে মা সাহায্য করার সময়, আমি বুড়ো সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে, মা আমাকে সব খুলে বলে।
মূলত, বুড়োটা আমার আসল দাদু না। সে মূলত দাদুর বন্ধু ছিল। দুজনে মিলে বড় শহরে একটা ফার্মেসি খুলেছিল। দাদু মারা যাবার পর, উনিই আমাদের পরিবারের খেয়ার রেখেছিলেন। সেইজন্য উনি কখনো বিয়ে করেননি। তোর বাবার সাথে আমার বিয়েটা, উনি ঠিক করেছিলেন। তবে, ওনার ভাগ্নেরাই অনেকে খেয়াল রাখতেন ওনার। বড়ো হওয়ায় অসুস্থতার কারনে উনি এখন একলা থাকতে পারেন না। ওনার দেখাশুনার কারার মানুষ দরকার।
শুনে আমার বুকের ভিতর, বুড়োর জন্য একটা অদ্ভুত মায়া জেগে ওঠে।
পরে,মা ও আমি নাস্তা নিয়ে সামনে আসি। জিতু ভাইয়া, খোস মেজাজে গল্প - গুজব করছিলেন। পরে, জিতু ভাইয়া জিজ্ঞেস করেন , বাবা মাকে করেছিল করেছিল কিনা। মা বলে , বাবা ফোন করে সব বলেছে।
চলবে।......…..............


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)