21-04-2026, 06:59 PM
এবার আসা যাক গ্রুপের সব থেকে ইন্টেলিজেন্ট সদস্যের বিবরণে। সাদিয়া ইসলাম। তার শরীরটা ছোটখাটো — মাত্র ৫ ফিট ১ ইঞ্চি। কিন্তু এই ছোট ফ্রেমের ভিতরে যেন একটা আগুন লুকিয়ে ছিল। গমের রং, ছোট চুল কাঁধ ছুঁয়ে, চশমার আড়ালে তীক্ষ্ণ চোখ। ঠোঁট দুটো সবসময় একটু ফোলা, যেন সে কিছু বলতে চায় কিন্তু বলে না। তার হাঁটার ভঙ্গিতে একটা দ্রুততা ছিল — যেন সে সবসময় কোনো লক্ষ্যের দিকে ছুটছে।
সাদিয়ার জন্ম ঢাকার মিরপুরে, একটা মধ্যবিত্ত পরিবারে। বাবা ছিলেন ব্যাংকের ক্লার্ক, মা গৃহিণী। ছোটবেলা থেকেই সে দেখেছে বাবা-মায়ের লড়াই। বাবা রাত করে বাড়ি ফিরতেন, মা একা সংসার সামলাতেন। তাদের একটা ছোট ভাই ছিল — সাদিয়ার থেকে চার বছরের ছোট। ভাইয়ের নাম ছিল সিয়াম। সাদিয়া ছোটবেলায় খুব দুরন্ত ছিল। ছেলেদের সাথে ক্রিকেট খেলত, গাছে উঠত, বাড়ির ছাদে দৌড়াদৌড়ি করত। ওর মা নাকি প্রায়ই বলতেন, “তোর মতো মেয়ে দেখিনি।” কিন্তু বড় হওয়ার সাথে সাথে সে বুঝতে পেরেছিল — এই দুরন্ততা তার মনের ভিতরের অস্থিরতা।
কলেজে সে ছিল ক্লাসের টপার। কিন্তু পড়াশোনার পাশাপাশি সে নাচ শিখত, গান গাইত। তার গলায় একটা মিষ্টি সুর ছিল। কিন্তু বাড়িতে কখনো পুরোপুরি শান্তি ছিল না। বাবা প্রায়ই রাগ করতেন, মা চুপ করে থাকতেন। সাদিয়া দেখত — পরিবারের সব দায়িত্ব তার মায়ের উপর। তাই সে নিজেকে প্রতিজ্ঞা করেছিল, “আমি বড় হয়ে মাকে সব দায়িত্ব থেকে মুক্তি দেব।” এই প্রতিজ্ঞাটা তাকে সবসময় চাপে রাখত।
কলেজে আসার পর সাদিয়া আরও খোলামেলা হয়ে গিয়েছিল। সে মডার্ন পোশাক পরত — জিন্স, টপস, কখনো হালকা মেকআপ। তার বয়ফ্রেন্ড ছিল — নাম রিয়াজ। রিয়াজ একটা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে পড়ত। সে খুব খোলামেলা ছিল। ফোনে সেক্সি কথা বলত, সাদিয়াকে নিয়ে অনেক কল্পনার কথা বলত। সাদিয়া প্রথম দিকে হাসত, কিন্তু পরে সেই কথাগুলো তাকে অস্বস্তিতে ফেলত। সে কখনো কাউকে বলত না। কিন্তু ভিতরে ভিতরে সে বুঝতে পেরেছিল — রিয়াজ তাকে শুধু শরীর হিসেবে দেখে।
কলেজের প্রথম দিনেই সাদিয়া আমাদের গ্রুপে যোগ দিয়েছিল। সে ছিল গ্রুপের সবচেয়ে জোরালো সদস্য। ক্লাসে সে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন করত। টিচারকে চ্যালেঞ্জ করত। আমরা যখন একসাথে বসতাম, সে সবার মাঝে বসে হাসত। কিন্তু রাতে, যখন সে একা হতো, তখন তার মনটা ভেঙে পড়ত। সে আমাকে প্রথম ফোন করেছিল এক রাতে। “রাহাত, আজ রিয়াজের সাথে আবার ঝগড়া হয়েছে। তোর সাথে কথা বললে ভালো লাগে। কারন তুই জাজ করিস না, মজা নিস না, কথা শুনিস।
আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলতাম। সে তার বয়ফ্রেন্ডের কথা বলত। “সে শুধু সেক্স নিয়ে কথা বলে। আমার মনের কথা শোনে না। ভবিষ্যত নিয়েও কিছু বলে না” আমি শুধু শুনতাম। কখনো বলতাম, “তুই যা অনুভব করছিস, সেটা স্বাভাবিক। ” সে চুপ করে থাকত, তারপর বলত, “তুই ছাড়া আর কাউকে এসব বলি না। বাকিদের বলিস না প্লিজ।”
সাদিয়া তার দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট কথা আমাকে বলত। সকালে উঠে কীভাবে মায়ের সাথে চা খায়, কীভাবে ভাইয়ের পড়াশোনা দেখে, কীভাবে বাসায় ফিরে নিজের রুমে বসে জানালা দিয়ে আকাশ দেখে। তার শখ ছিল ফটোগ্রাফি। মোবাইলে সে অনেক ছবি তুলত — রাস্তার কুকুর, বৃষ্টির ফোঁটা, সূর্যাস্ত। সে বলত, “ছবি তুললে মনে হয় পৃথিবীটা সুন্দর।” তার আরেকটা শখ ছিল গান শোনা। বিশেষ করে ইংরেজি পপ গান। রাতে হেডফোন লাগিয়ে শুনত।
সে তার ভয়ের কথাও বলত। “আমি ভয় পাই যে আমি কখনো নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারব না। বাবা-মা বুড়ো হলে আমি কী করব?” আমি তাকে বলতাম, “তুই খুব শক্তিশালী। তুই পারবি।” সে হাসত। “তুই এমন করে বলিস যেন সত্যি হয়ে যায়।”
গ্রুপে সাদিয়া ছিল সবার মাঝে সবচেয়ে সাহসী। কোনো প্রোগ্রাম হলে সে সবার আগে রেজিস্ট্রেশন করত। কোনো দরকারে সে আমাকে বলত, “রাহাত, চল একসাথে যাই।” আমরা একসাথে টিউশনের জন্য যেতাম, গ্রুপ স্টাডি করতাম। সে আমার নোট দেখে বলত, “এটা ভুল হয়েছে, আমারটা দেখ।” তারপর হাসতে হাসতে আমাকে নিয়ে মজা করত, সবার মধ্যে আমি ছিলাম একমাত্র ছেলে তাই আমার উপর দিয়েই ওদের খুনসুটি যেত। আমিও ব্যাপারটা ইঞ্জয় করতাম। কারণ আমি ওদ্রর সবার কাছে কথা শেয়ারের একটা মাধ্যম হয়ে গিয়েছিলাম। যেমন সাদিয়া যখন একা হতো, তখন সে আমাকে ফোন করত। “আজ মন খারাপ। একটু কথা বল।” আমরা কথা বলতাম। সে তার জীবনের ছোট ছোট স্বপ্নের কথা বলত — চাকরি করে মাকে নিয়ে ঘুরতে যাবে, ভাইকে ভালো কলেজে ভর্তি করবে। আমি তার স্বপ্নে সাথ দিতাম। ধীরে ধীরে তার বিশ্বাস আমার উপর আরও গভীর হয়ে যাচ্ছিল।
সে প্রায়ই বলত, “রাহাত, তুই আমার জীবনের প্রথম বন্ধু যার কাছে আমি নিজেকে লুকাই না।” আমি হাসতাম। বলতাম, “আমিও তোর কাছে নিজেকে লুকাই না।”
এভাবে সাদিয়ার সাথে আমার বন্ধুত্বটা ধীরে ধীরে একটা গভীর, নিরাপদ জায়গায় পৌঁছেছিল। সে ছিল আগুনের মতো — ছোট শরীর, কিন্তু ভিতরে অনেক বড় শক্তি। আর আমি ছিলাম তার সেই জায়গা যেখানে সে নিজেকে পুরোপুরি খুলে বলতে পারত।
সাদিয়ার জন্ম ঢাকার মিরপুরে, একটা মধ্যবিত্ত পরিবারে। বাবা ছিলেন ব্যাংকের ক্লার্ক, মা গৃহিণী। ছোটবেলা থেকেই সে দেখেছে বাবা-মায়ের লড়াই। বাবা রাত করে বাড়ি ফিরতেন, মা একা সংসার সামলাতেন। তাদের একটা ছোট ভাই ছিল — সাদিয়ার থেকে চার বছরের ছোট। ভাইয়ের নাম ছিল সিয়াম। সাদিয়া ছোটবেলায় খুব দুরন্ত ছিল। ছেলেদের সাথে ক্রিকেট খেলত, গাছে উঠত, বাড়ির ছাদে দৌড়াদৌড়ি করত। ওর মা নাকি প্রায়ই বলতেন, “তোর মতো মেয়ে দেখিনি।” কিন্তু বড় হওয়ার সাথে সাথে সে বুঝতে পেরেছিল — এই দুরন্ততা তার মনের ভিতরের অস্থিরতা।
কলেজে সে ছিল ক্লাসের টপার। কিন্তু পড়াশোনার পাশাপাশি সে নাচ শিখত, গান গাইত। তার গলায় একটা মিষ্টি সুর ছিল। কিন্তু বাড়িতে কখনো পুরোপুরি শান্তি ছিল না। বাবা প্রায়ই রাগ করতেন, মা চুপ করে থাকতেন। সাদিয়া দেখত — পরিবারের সব দায়িত্ব তার মায়ের উপর। তাই সে নিজেকে প্রতিজ্ঞা করেছিল, “আমি বড় হয়ে মাকে সব দায়িত্ব থেকে মুক্তি দেব।” এই প্রতিজ্ঞাটা তাকে সবসময় চাপে রাখত।
কলেজে আসার পর সাদিয়া আরও খোলামেলা হয়ে গিয়েছিল। সে মডার্ন পোশাক পরত — জিন্স, টপস, কখনো হালকা মেকআপ। তার বয়ফ্রেন্ড ছিল — নাম রিয়াজ। রিয়াজ একটা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে পড়ত। সে খুব খোলামেলা ছিল। ফোনে সেক্সি কথা বলত, সাদিয়াকে নিয়ে অনেক কল্পনার কথা বলত। সাদিয়া প্রথম দিকে হাসত, কিন্তু পরে সেই কথাগুলো তাকে অস্বস্তিতে ফেলত। সে কখনো কাউকে বলত না। কিন্তু ভিতরে ভিতরে সে বুঝতে পেরেছিল — রিয়াজ তাকে শুধু শরীর হিসেবে দেখে।
কলেজের প্রথম দিনেই সাদিয়া আমাদের গ্রুপে যোগ দিয়েছিল। সে ছিল গ্রুপের সবচেয়ে জোরালো সদস্য। ক্লাসে সে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন করত। টিচারকে চ্যালেঞ্জ করত। আমরা যখন একসাথে বসতাম, সে সবার মাঝে বসে হাসত। কিন্তু রাতে, যখন সে একা হতো, তখন তার মনটা ভেঙে পড়ত। সে আমাকে প্রথম ফোন করেছিল এক রাতে। “রাহাত, আজ রিয়াজের সাথে আবার ঝগড়া হয়েছে। তোর সাথে কথা বললে ভালো লাগে। কারন তুই জাজ করিস না, মজা নিস না, কথা শুনিস।
আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলতাম। সে তার বয়ফ্রেন্ডের কথা বলত। “সে শুধু সেক্স নিয়ে কথা বলে। আমার মনের কথা শোনে না। ভবিষ্যত নিয়েও কিছু বলে না” আমি শুধু শুনতাম। কখনো বলতাম, “তুই যা অনুভব করছিস, সেটা স্বাভাবিক। ” সে চুপ করে থাকত, তারপর বলত, “তুই ছাড়া আর কাউকে এসব বলি না। বাকিদের বলিস না প্লিজ।”
সাদিয়া তার দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট কথা আমাকে বলত। সকালে উঠে কীভাবে মায়ের সাথে চা খায়, কীভাবে ভাইয়ের পড়াশোনা দেখে, কীভাবে বাসায় ফিরে নিজের রুমে বসে জানালা দিয়ে আকাশ দেখে। তার শখ ছিল ফটোগ্রাফি। মোবাইলে সে অনেক ছবি তুলত — রাস্তার কুকুর, বৃষ্টির ফোঁটা, সূর্যাস্ত। সে বলত, “ছবি তুললে মনে হয় পৃথিবীটা সুন্দর।” তার আরেকটা শখ ছিল গান শোনা। বিশেষ করে ইংরেজি পপ গান। রাতে হেডফোন লাগিয়ে শুনত।
সে তার ভয়ের কথাও বলত। “আমি ভয় পাই যে আমি কখনো নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারব না। বাবা-মা বুড়ো হলে আমি কী করব?” আমি তাকে বলতাম, “তুই খুব শক্তিশালী। তুই পারবি।” সে হাসত। “তুই এমন করে বলিস যেন সত্যি হয়ে যায়।”
গ্রুপে সাদিয়া ছিল সবার মাঝে সবচেয়ে সাহসী। কোনো প্রোগ্রাম হলে সে সবার আগে রেজিস্ট্রেশন করত। কোনো দরকারে সে আমাকে বলত, “রাহাত, চল একসাথে যাই।” আমরা একসাথে টিউশনের জন্য যেতাম, গ্রুপ স্টাডি করতাম। সে আমার নোট দেখে বলত, “এটা ভুল হয়েছে, আমারটা দেখ।” তারপর হাসতে হাসতে আমাকে নিয়ে মজা করত, সবার মধ্যে আমি ছিলাম একমাত্র ছেলে তাই আমার উপর দিয়েই ওদের খুনসুটি যেত। আমিও ব্যাপারটা ইঞ্জয় করতাম। কারণ আমি ওদ্রর সবার কাছে কথা শেয়ারের একটা মাধ্যম হয়ে গিয়েছিলাম। যেমন সাদিয়া যখন একা হতো, তখন সে আমাকে ফোন করত। “আজ মন খারাপ। একটু কথা বল।” আমরা কথা বলতাম। সে তার জীবনের ছোট ছোট স্বপ্নের কথা বলত — চাকরি করে মাকে নিয়ে ঘুরতে যাবে, ভাইকে ভালো কলেজে ভর্তি করবে। আমি তার স্বপ্নে সাথ দিতাম। ধীরে ধীরে তার বিশ্বাস আমার উপর আরও গভীর হয়ে যাচ্ছিল।
সে প্রায়ই বলত, “রাহাত, তুই আমার জীবনের প্রথম বন্ধু যার কাছে আমি নিজেকে লুকাই না।” আমি হাসতাম। বলতাম, “আমিও তোর কাছে নিজেকে লুকাই না।”
এভাবে সাদিয়ার সাথে আমার বন্ধুত্বটা ধীরে ধীরে একটা গভীর, নিরাপদ জায়গায় পৌঁছেছিল। সে ছিল আগুনের মতো — ছোট শরীর, কিন্তু ভিতরে অনেক বড় শক্তি। আর আমি ছিলাম তার সেই জায়গা যেখানে সে নিজেকে পুরোপুরি খুলে বলতে পারত।



![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)