16-04-2026, 07:29 PM
(This post was last modified: 16-04-2026, 07:29 PM by Vritra Shahryar. Edited 1 time in total. Edited 1 time in total.)
Announcement
রক্তনগরের অন্ধকারের গভীরে ডুব দেওয়ার জন্য আপনারা তৈরি তো?
আপনাদের ভালোবাসা আর উৎসাহ দেখে আমি সত্যি আপ্লুত। আপনারা প্রতিটি শব্দ এত মন দিয়ে পড়ছেন, সেটাই আমার লেখক হিসেবে সবথেকে বড় পাওয়া। কিন্তু রহস্যের জাল কি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে না?
ভাবুন তো—কাদের আলী গত ১৫ বছর ধরে রক্তনগরে আছে, অথচ সে বলছে সে কখনো 'Prism Bioscience Labs'-এর নাম শোনেনি! অথচ তনুশ্রী সেন প্রথম চ্যাপ্টারেই বলেছিলেন প্রিজম ল্যাবস থেকে আসা ওষুধের কথা। কাদের আলী কি সত্যিই জানে না, নাকি এই গল্পের রহস্য আরও অনেক গভীর?
এখানে আসলে হিরো কে? আর ভিলেন-ই বা কে? নাকি আমরা সবাই কোনো না কোনো পাপের অংশীদার? এটা কি শুধুই প্রেমের খেলা, নাকি কেবল আদিম শারীরিক চাহিদা?
বাবা সাহেব কয়েক মাস আগে কুহকপুরের কথা অনিকেতকে বলেছিলেন। তারপর ওখানেই তনুশ্রী সেন সেই চারটে মেয়ের অস্বাভাবিক মৃত্যুর বিকৃত ‘Pervert Report’ পেলেন। এই সবের নেপথ্যে কি বাবা সাহেব, নাকি আড়ালে থাকা অন্য কেউ? বাবা সাহেব আর কাদের আলী—কেন তারা সেন পরিবার আর সিংহ রায় পরিবারকে এতটা ঘৃণা করে? তাদের ইতিহাসের রক্তক্ষয়ী অধ্যায়গুলো আসলে কী?
একদিকে ব্রিজেশ সিংহ রায় নিজের পুত্রবধূর ছবি দেখে উত্তেজিত হয়ে পড়ে—এটা কি শুধুই কামনা, নাকি লালসার কোনো বীভৎস খেলা? অন্যদিকে মেঘাদিত্য সেন, যাকে সবাই আদর্শ বাবা হিসেবে চেনে, কিন্তু সেই একই মানুষ তার নিজের স্ত্রীর যোনি বিদীর্ণ করার সময় নিজের মেয়েকে ভাবছেন।
ক্ষমতা কি তাদের সত্যি অন্ধ করে দিয়েছে? এই গল্পে কি শুধুই অন্ধকার থাকবে, নাকি আলোর কোনো রেখা দেখা দেবে?
জানতে হলে চোখ রাখুন...
আসছে চ্যাপ্টার ৫: আগামী ২০শে এপ্রিল, ঠিক রাত ৮:০০ টায়।
সেদিন আপনাদের সবার জন্য একটা বিশেষ সারপ্রাইজ অ্যানাউন্সমেন্টও থাকবে! ততক্ষণ পর্যন্ত ভালো থাকুন, গল্প পড়ুন। কোনো রহস্যের ক্লু খুঁজে পেলে বা কোনো পয়েন্ট ভালো লাগলে অবশ্যই জানাবেন। সাথে থাকুন, ভালোবাসা নেবেন সবাই।
আসছে... রক্তনগরীর নতুন অধ্যায়!


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)