14-04-2026, 04:45 PM
(This post was last modified: 16-09-2026, 06:45 PM by Hotmom127. Edited 1 time in total. Edited 1 time in total.)
১ পর্ব
আমি রাফি বয়স ২৫+ বাবা মায়ে একমাত্র সন্তান অস্ট্রেলিয়া সিডনিতে থাকি চাকরি পড়াশুনো করি, বাবা জামলা সাহেব সরকারি চাকরিজিবি ছিলিন ৬০ বছর বয়সে মারা যান। যাকে নিয়ে আমার গল্প তিনি হচ্ছেন আমার মা নামজা আক্তার সরকরি কলেজে ইংরেজি শিক্ষক। বয়স ৪৩ বছর দেখতে মনে হবে ৩০/৩২ বয়স দেখতে সুন্দরী বল্লে ভুল হবে মহা সুন্দরী। এখনো মায়ে কাছে প্রেম বিয়ে প্রস্তাব আসে। মায়ে শরীর গঠন দেখার মতো ছিলো যেমন দুধ, তেমন পাছা, ঠোঁট দুইটা মুধ থেকে মিষ্টি, চুল পাছার খাচ পযর্ন্ত আসে।
আমার মা যেমন সুন্দর তেমন শিক্ষিত, রান্নাবান্নায় সব জায়গা থেকে ১০০ তে ১০০। আমার মা আধুনিক যুগে সাথে তাল মিলিয়ে চলেন। মোবাইল ব্যবহার ইন্টারনেট ব্যবহার, ফেসবুক, টিকটক সব ব্যবহার করেন। টিকটক ভিডিও বানানো সব জানা তাঁর মেসেজারে চেটা করা, ইনেস্ট্রাগ্রাম ছবি দেওয়া সব কিছু কম বয়সী মেয়ে মতো পটু। আমি প্রথম প্রথম মায়ে এইসব সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার বিষয় টা জানতাম না, মা ওআমাকে সেই ভাবে কিছু বলি নি, যখন বাবা মারা যাওয়ার পর মায়ে একা কী জীবন শান্তনা দেওয়ার জন্য কথার মাঝে তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া বিষয় জানতে পারি, এরআগে মায়ে সাথে সব কিছু শেয়ার করলেও মা এতো টা ফ্রি ছিলো না আমার সাথে। আগে আমাদের মা ছেলে সম্পর্কে ছিলো ৮/১০ টা পরিবারের মা ছেলে মতো। মা সব সময় আমার পড়াশোনা লাইফ নিয়ে চিন্তা থাকতো যখন আমি বিদেশে পারি জমায় তার পর থেকে মায়ে চিন্তা কিছুটা দূর হয়। এখন আমি নিজের খরচ নিজে বহন করি পড়াশোনা খরচ চালাতে পারি দেশে টাকা পাঠালে খুশি কারন পরিবারে অভাব নেই মাও শিক্ষত চাকরি করে বাবা রেখে যাওয়া বাড়ি আছে, বাড়ি থেকে মাসিক লাখ খানিক আসে এতে চলে, এতে মায়ের চলে যাই আমার জন্য সব তুলে রাখেন। আসলে আমার দাদা নানা পরিবার সবাই যার যার মতো আছে। মা একা একা বাড়ি ঘরে নিজের চাকরি সামলান,৷ এর মাঝে বিনোদন জন্য সোশ্যাল মিডিয়া কে বেছে নিয়েছেন, এরমাঝে আমার মায়ে প্রতি দুর্বলতা কাজ শুরু করে দে, আমি বিদেশি কোন মেয়ে প্রতি নিজের দুর্বলতা খুজে পাই না যতটা না মায়ে প্রতি, আমি মা কে নিয়ে বাজে চিন্তা করা শুরু করি, ইন্টারনেট মা ছেলে সম্পর্কে চাটি পড়ে আর মায়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি দেখে হাত মেরে পার করি ২/১.। এর মাঝে মা আমাকে দেশে এসে বিয়ে করানো জন্য উঠে পড়ে লাগে কিন্ত আমার মনে শুধু মা ছাড়া কোন মেয়ে কল্পনা কনতে পারি না। আমি তাই পরিকল্পনা করে সাজাতে থাকি মাকে কী ভাবে আমার মনে কথা বলবো এবং মায়ের এই রসালো দেহ ভোগ করবো।
এতখন যা ছিলো গল্প উপসংহা এখন বিস্তারিত
বাবার মৃত্যু পর আমি আর মা দুইজন আরো একটু ক্লোজ হতে থাকি আমি চাইতাম মা যেন নিজেকে একা না ভাবে সে যেন ভালো থাকে কিন্তু আমি যে মায়ে প্রতি দুর্বল হয়ে যাবো কখনো ভাবি নি। আমাদের বেশি ভাগ সময় মেসেজিং করে কাটতো মা ও আমার সাথে নিজে একা কী সময় কাটতে.. আমাদের দুইজন মধ্যে ভালো বন্ধুত্ত হয়, মাকে অনেক ছেলে বিরক্ত মেসেজ, টিকটিকে id তে, মা আমার সাথে বিষয় গুলা শেয়ার করতে শুরু করে, আমি ও মায়ে সাথে এই বিষয় নিয়ে মজা করাত
নাজমা : রাফি দেখে না ছেলে টা আমাকে এই সব কী বলে?
আমি রাফি বয়স ২৫+ বাবা মায়ে একমাত্র সন্তান অস্ট্রেলিয়া সিডনিতে থাকি চাকরি পড়াশুনো করি, বাবা জামলা সাহেব সরকারি চাকরিজিবি ছিলিন ৬০ বছর বয়সে মারা যান। যাকে নিয়ে আমার গল্প তিনি হচ্ছেন আমার মা নামজা আক্তার সরকরি কলেজে ইংরেজি শিক্ষক। বয়স ৪৩ বছর দেখতে মনে হবে ৩০/৩২ বয়স দেখতে সুন্দরী বল্লে ভুল হবে মহা সুন্দরী। এখনো মায়ে কাছে প্রেম বিয়ে প্রস্তাব আসে। মায়ে শরীর গঠন দেখার মতো ছিলো যেমন দুধ, তেমন পাছা, ঠোঁট দুইটা মুধ থেকে মিষ্টি, চুল পাছার খাচ পযর্ন্ত আসে।
আমার মা যেমন সুন্দর তেমন শিক্ষিত, রান্নাবান্নায় সব জায়গা থেকে ১০০ তে ১০০। আমার মা আধুনিক যুগে সাথে তাল মিলিয়ে চলেন। মোবাইল ব্যবহার ইন্টারনেট ব্যবহার, ফেসবুক, টিকটক সব ব্যবহার করেন। টিকটক ভিডিও বানানো সব জানা তাঁর মেসেজারে চেটা করা, ইনেস্ট্রাগ্রাম ছবি দেওয়া সব কিছু কম বয়সী মেয়ে মতো পটু। আমি প্রথম প্রথম মায়ে এইসব সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার বিষয় টা জানতাম না, মা ওআমাকে সেই ভাবে কিছু বলি নি, যখন বাবা মারা যাওয়ার পর মায়ে একা কী জীবন শান্তনা দেওয়ার জন্য কথার মাঝে তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া বিষয় জানতে পারি, এরআগে মায়ে সাথে সব কিছু শেয়ার করলেও মা এতো টা ফ্রি ছিলো না আমার সাথে। আগে আমাদের মা ছেলে সম্পর্কে ছিলো ৮/১০ টা পরিবারের মা ছেলে মতো। মা সব সময় আমার পড়াশোনা লাইফ নিয়ে চিন্তা থাকতো যখন আমি বিদেশে পারি জমায় তার পর থেকে মায়ে চিন্তা কিছুটা দূর হয়। এখন আমি নিজের খরচ নিজে বহন করি পড়াশোনা খরচ চালাতে পারি দেশে টাকা পাঠালে খুশি কারন পরিবারে অভাব নেই মাও শিক্ষত চাকরি করে বাবা রেখে যাওয়া বাড়ি আছে, বাড়ি থেকে মাসিক লাখ খানিক আসে এতে চলে, এতে মায়ের চলে যাই আমার জন্য সব তুলে রাখেন। আসলে আমার দাদা নানা পরিবার সবাই যার যার মতো আছে। মা একা একা বাড়ি ঘরে নিজের চাকরি সামলান,৷ এর মাঝে বিনোদন জন্য সোশ্যাল মিডিয়া কে বেছে নিয়েছেন, এরমাঝে আমার মায়ে প্রতি দুর্বলতা কাজ শুরু করে দে, আমি বিদেশি কোন মেয়ে প্রতি নিজের দুর্বলতা খুজে পাই না যতটা না মায়ে প্রতি, আমি মা কে নিয়ে বাজে চিন্তা করা শুরু করি, ইন্টারনেট মা ছেলে সম্পর্কে চাটি পড়ে আর মায়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি দেখে হাত মেরে পার করি ২/১.। এর মাঝে মা আমাকে দেশে এসে বিয়ে করানো জন্য উঠে পড়ে লাগে কিন্ত আমার মনে শুধু মা ছাড়া কোন মেয়ে কল্পনা কনতে পারি না। আমি তাই পরিকল্পনা করে সাজাতে থাকি মাকে কী ভাবে আমার মনে কথা বলবো এবং মায়ের এই রসালো দেহ ভোগ করবো।
এতখন যা ছিলো গল্প উপসংহা এখন বিস্তারিত
বাবার মৃত্যু পর আমি আর মা দুইজন আরো একটু ক্লোজ হতে থাকি আমি চাইতাম মা যেন নিজেকে একা না ভাবে সে যেন ভালো থাকে কিন্তু আমি যে মায়ে প্রতি দুর্বল হয়ে যাবো কখনো ভাবি নি। আমাদের বেশি ভাগ সময় মেসেজিং করে কাটতো মা ও আমার সাথে নিজে একা কী সময় কাটতে.. আমাদের দুইজন মধ্যে ভালো বন্ধুত্ত হয়, মাকে অনেক ছেলে বিরক্ত মেসেজ, টিকটিকে id তে, মা আমার সাথে বিষয় গুলা শেয়ার করতে শুরু করে, আমি ও মায়ে সাথে এই বিষয় নিয়ে মজা করাত
নাজমা : রাফি দেখে না ছেলে টা আমাকে এই সব কী বলে?


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)