19-03-2026, 06:43 AM
সেদিন বাড়ীতে সকালেই ফোন করেছি। অফিস যাওয়ার আগে ফোন করি।
আমি: লতা কি করছো?
লতা: এই এবার বেরোবো।
এমনসময় আমাদের বাড়ীযে কাজ করে সেই পুঁটি এসেছে।
লতা: এই ধরে থাকো তো।
আমি ধরে আছি ফোন। শুনতে পাচ্ছি।
লতা: হ্যাঁ পুটি
পুঁটি: বৌদি কাল থেকে আমি কিছুদিন আসতে পারব না। দেশের বাড়ী যাবো। এই মলিনাদি এসে সব করবে।
লতা: সব বলে দিয়েছিস।
পুঁটি: আমি তো যা বলার বলেছি। তুমি কথা বলে নাও।
লতা: মলিনাদি কটায় আসবে?
মলিনা: পুঁটি বলল তুমি পৌনে আটটায় বেরোও। আমি আটটায় চলে আসব। রাতে সাতটায় চলে যাবো।
লতা: ঠিক আছে। আর মলিনাদি শোনো। এখানে আমি আর ছেলে। কলেজে গেলে কি হবে? সব করিয়ে দিতে হয়। নিজের মত করবে। ছাড়বে না।
মলিনা: দাদা কোথায় থাকে?
লতা: দাদা বাইরে। এইতো দেখো না ফোনে কথা বলছি।
মলিনা: বেশ বৌদি আমি কাল থেকে আসব। কোন চিন্তা নেই খোকাকে আমি সামলে নেবো।
পুঁটি আর মলিনা চলে গেল।
লতা: হ্যাঁ হ্যালো
আমি: কি হল।
লতা: এই তো পুঁটি আসবে না। মলিনাদি কাজ করবে।
আরো দু একটা কথা বলে রাখতে যাবো। এমনসময় আমার ছেলে সোহমের গলা। কি ব্যাপার? সোহম দূরে একটা বড় কলেজে অ্যাডমিশন পেয়েছে।
লতা: বাবাকে বল
সোহম: হ্যালো
আমি: হ্যাঁ
সোহম: আমি স.ক. কলেজে চান্স পেয়েছি। আজ চলে যাবো। হোস্টেল পেয়ে গেছি।
আমি: বাঃ
খুব আনন্দ হল। তারপর লতাকে বললাম পরে কথা বলব। কারণ বিকেলে সোহম চলে যাবে।
ফোন রেখে দিলাম। যথাসময়ে অফিসে এলাম। অফিসে এসে একটা জিনিস জানতে পারলাম যে একটা ছুটি নিয়েছিলাম সেটা মঞ্জুর হয়েছে। কাল বাড়ী যেতে পারব ক দিনের জন্য। ইচ্ছা করে জানালাম না। সারপ্রাইজ দেবো লতাকে।
পরদিন চারটের লোকালটা ধরলাম। এটাতে গেলে সাড়ে সাতটায় পৌঁছে যাবো। লতা বেরোনোর আগে। কিন্তু এমনই কপাল যে ট্রেন লেট করল। পৌঁছালাম আটটা বাজতে দশ। লতা যথারীতি চলে গেছে। কোলাপসিবলগেট বাইরে থেকে তালা। খুলে আবার সেই ভাবেই তালা দিলাম কারণ ওই কাজের দিদি আসবে। আমি সোজা ওপরে গিয়ে পোশাক পরিবর্তন করে হাফপ্যান্ট আর গেঞ্জি পরে কয়েকটা বই নিয়ে খাটে শুয়ে পড়ছি। কিন্তু কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম কে জানে?
আমি: লতা কি করছো?
লতা: এই এবার বেরোবো।
এমনসময় আমাদের বাড়ীযে কাজ করে সেই পুঁটি এসেছে।
লতা: এই ধরে থাকো তো।
আমি ধরে আছি ফোন। শুনতে পাচ্ছি।
লতা: হ্যাঁ পুটি
পুঁটি: বৌদি কাল থেকে আমি কিছুদিন আসতে পারব না। দেশের বাড়ী যাবো। এই মলিনাদি এসে সব করবে।
লতা: সব বলে দিয়েছিস।
পুঁটি: আমি তো যা বলার বলেছি। তুমি কথা বলে নাও।
লতা: মলিনাদি কটায় আসবে?
মলিনা: পুঁটি বলল তুমি পৌনে আটটায় বেরোও। আমি আটটায় চলে আসব। রাতে সাতটায় চলে যাবো।
লতা: ঠিক আছে। আর মলিনাদি শোনো। এখানে আমি আর ছেলে। কলেজে গেলে কি হবে? সব করিয়ে দিতে হয়। নিজের মত করবে। ছাড়বে না।
মলিনা: দাদা কোথায় থাকে?
লতা: দাদা বাইরে। এইতো দেখো না ফোনে কথা বলছি।
মলিনা: বেশ বৌদি আমি কাল থেকে আসব। কোন চিন্তা নেই খোকাকে আমি সামলে নেবো।
পুঁটি আর মলিনা চলে গেল।
লতা: হ্যাঁ হ্যালো
আমি: কি হল।
লতা: এই তো পুঁটি আসবে না। মলিনাদি কাজ করবে।
আরো দু একটা কথা বলে রাখতে যাবো। এমনসময় আমার ছেলে সোহমের গলা। কি ব্যাপার? সোহম দূরে একটা বড় কলেজে অ্যাডমিশন পেয়েছে।
লতা: বাবাকে বল
সোহম: হ্যালো
আমি: হ্যাঁ
সোহম: আমি স.ক. কলেজে চান্স পেয়েছি। আজ চলে যাবো। হোস্টেল পেয়ে গেছি।
আমি: বাঃ
খুব আনন্দ হল। তারপর লতাকে বললাম পরে কথা বলব। কারণ বিকেলে সোহম চলে যাবে।
ফোন রেখে দিলাম। যথাসময়ে অফিসে এলাম। অফিসে এসে একটা জিনিস জানতে পারলাম যে একটা ছুটি নিয়েছিলাম সেটা মঞ্জুর হয়েছে। কাল বাড়ী যেতে পারব ক দিনের জন্য। ইচ্ছা করে জানালাম না। সারপ্রাইজ দেবো লতাকে।
পরদিন চারটের লোকালটা ধরলাম। এটাতে গেলে সাড়ে সাতটায় পৌঁছে যাবো। লতা বেরোনোর আগে। কিন্তু এমনই কপাল যে ট্রেন লেট করল। পৌঁছালাম আটটা বাজতে দশ। লতা যথারীতি চলে গেছে। কোলাপসিবলগেট বাইরে থেকে তালা। খুলে আবার সেই ভাবেই তালা দিলাম কারণ ওই কাজের দিদি আসবে। আমি সোজা ওপরে গিয়ে পোশাক পরিবর্তন করে হাফপ্যান্ট আর গেঞ্জি পরে কয়েকটা বই নিয়ে খাটে শুয়ে পড়ছি। কিন্তু কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম কে জানে?


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)