02-03-2026, 05:04 PM
(24-02-2026, 10:22 AM)KaminiDevi Wrote: বুধবারে যে অস্থিরতা ছিল বিষাদমাখা, বৃহস্পতিবারের সেই একই অস্থিরতা যেন এক রঙিন প্রজাপতি হয়ে সামিনার মনে ডানা ঝাপটাতে লাগল। সকাল থেকেই তার সমস্ত মনোযোগ কেবল একটা অদৃশ্য ঘড়ির কাঁটার দিকে। কলেজে ক্লাস নেওয়ার সময় সে বারবার নিজের অজান্তেই জানালার ওপাশে আকাশের নীল রং দেখছিল।গল্প তরতরিয়ে চলেছে পানসি বেয়ে।
দুজনেই দুজনের সময়ের একটা অলিখিত ছন্দে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। সামিনা জানে, মোর্শেদ এখন তাকে বিরক্ত করবে না; আর মোর্শেদ জানে, চারটের পর সামিনা তার একান্ত নিজের। এই যে একে অপরের রুটিনকে নিঃশব্দে চিনে নেওয়া—এটাও যেন এক ধরণের অদৃশ্য মায়ার সুতো।
কলেজ ছুটি হতেই সামিনা দ্রুত বাসায় ফেরার জন্য রিকশা নিল। প্রতিদিন জ্যামে বসে মেজাজ খিটখিটে হলেও আজ তার মোটেও বিরক্তি লাগছে না। বাসায় ঢোকার পর মায়ের সাথে দু-একটা দায়সারা কথা বলে সে দ্রুত নিজের ঘরে চলে এল। কোনোমতে কয়েক লোকমা খেয়েই সে হাতমুখ ধুয়ে সতেজ হয়ে নিল। মনের ভেতর তখন ঢাকের শব্দ বাজছে।
বিকেল চারটে বাজার ঠিক কয়েক মিনিট আগে সামিনা ফোনটা হাতে নিল। বুকের ভেতর এক ধরণের তীব্র কম্পন অনুভব করছে সে। মেসেঞ্জারে গিয়ে ছোট করে টাইপ করল—
সামিনা: “আমি ফিরেছি। বাসায় এখন একাই আছি রুমে।”


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)