07-02-2026, 07:18 PM
(07-02-2026, 06:10 PM)sarkardibyendu Wrote:কুয়াশার মাঝে...(পর্ব-১৩)
প্রায় হাঁফাতে হাঁফাতে আমি হাসপাতালে আসি। কোন হাসপাতাল সেটা জানা ছিলো না, তবে সুতপার শ্বশুর বাড়ির কাছেই মধ্যমগ্রামের দুটো বড়ো হাসপাতালের কোন একটা হবে সেটা আন্দাজ করেছিলাম, একটাতে খোঁজ নিয়ে দেখেছি সেখানে নেই। অনেকটা সময় চলে গেছে। আর একটাতে ঢুকছি.... জানি না এখানে আছে কিনা। অনেকবার ফোনে উপলকে ট্রাই করার পরেও পাই নি। রনজয়ের বাড়ির কাছ থেকে একটা ক্যাব বুক করে এই পর্যন্ত প্রায় ১ ঘন্টার কাছাকাছি লেগে গেলো।
১২ নম্বর এন এইচের পাশেই বিশাল প্রাইভেট হাসপাতালের সিকিউরটি আমাকে গেটেই আটকায়।
" কাঁহা জানা হ্যায় সাব? "
আমি কোনো মতে দম নিয়ে বলি, " এমার্জেন্সি পেশেন্ট কোথায় থাকে? "
" আপ রিসেপশন পে বাত কিজিয়ে। " সিকিউরিটি আমাকে কাচে ঘেরা রিসেপশনের দিকে আঙুল তুলে দেখিয়ে দেয়।
আমি সেদিকেই যাই। হাসপাতালের মতই সুদৃশ্য তার রিসেপশন ও রিসেপশনিস্ট। কাঁচে ঘেরা জায়গায় বড়ো করে লাল অক্ষরে লেখা ' RECEPTION ' একটা ২০/২২ বছরের মেয়ে বসে আছে। পরনে ইউনিফর্ম..... সামনে কম্পিউটার। আমার এখন মন দিয়ে মেয়ে দিকে খার সময় নেই, সোজা কাউন্টারে হামলে পড়ি, এই রাতে কাউন্টারে কেউ নেই।
সৌম্যের দ্বিধা বড় যেন বেশি। ওভার থিঙ্কিং এ বিশেষ পটু। এগিয়ে যাও ভাই - সুলতার সংগে তোমার বোঝাপড়া সার্থক হোক।


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)