31-01-2026, 11:05 PM
“ কেমন আছো অনিন্দ্য?”
বিকেল ৫ টা, অনিন্দ্য কে দেখতে এখন বেডের কাছে ৪ জন। মেহের আলম, গুঞ্জন, নিখিল আর উমেশ আডভানি। প্রশ্ন টা মেহের আলম ই করলেন।
“ ভালই “ একটু হাসার চেষ্টা করল অনিন্দ্য।
“ তোমার চোট কিন্তু খুব গুরুতর, পিছনে অনেকটা ফেটেছিল।“
“ রড দিয়ে মেরেছিল, দুটো খেয়েই সেন্সলেস হয়ে গেছিলাম। বাকি আর কিছুই মনে নেই “
“ দেখ এবার কত ওষুধ খেতে হয় “
“ এবার বোধহয় অনেক দিন ভোগাবে তাই না ম্যাডাম?”
“ হ্যা অনিন্দ্য, তোমায় বেশ কয়েকদিন বেড রেস্ট এ থাকতে হবে।“
“ এখান থেকে রিলিজ হলেই চল আমার বাড়ী “ গুঞ্জন বলে উঠল
“ আরে না রে , হস্টেলেই হয়ে যাবে রে।“
“ আমার কাছে আর হিরোগিরি ফলাতে হবে না, চুপচাপ বসে থাক “
“ সে তো বুঝলাম, কিন্তু আমাকে রেস্কিউ কে করল?”
“ অনিন্দ্য, তার ক্রেডিট কিন্তু নিখিলের প্রাপ্য। ও সময়ের কাজ সময়ে করেছে বলেই তুমি বেঁচে গেলে “ মেহের আলম নিখিলের কাঁধে হাত রেখে কথা গুলো বলল।
“ জিও পাগড়ী, আয় বুকে আয়।“
“ তু পহেলে ফিট হো যা, ফির মিলেঙ্গে “
“হা হা হা হা ঠিক আছে, কিন্তু তুই আমার হদিশ কিকরে লাগালি সেটা তো বল “
“ ম্যায়নে তো সিরফ উমেশ জী কো ফোন লাগায়া, বাকি তো রব দি মর্জি “
“ না রে অনি, সত্যি যদি ক্রেডিট কারো থাকে তো নিখিলের “ গুঞ্জন পাশের বেড থেকে একটা টুল নিয়ে এসে উমেশ কে বসতে দিল।
“ কিরকম ?”
“ তুই চলে যাবার পরেই ও বলল যে ওর কিরকম গড়বড় লাগছে। আমি বললাম কেন, কিসের গড়বড়? ও কিছু না বলে উমেশ জী কে কল করল। কল শেষ হতেই ও বলল যে উমেশ জীর লোক এখন মাঝ রাস্তায়, তোকে যারা নিয়ে গেছে তারা অন্য। শুনে তো আমার মাথা ঘুরে গেল। আমি বললাম কি করবি এবার, তো নিখিল আমাকে বলল মেহের ম্যাডাম কে খবর দিতে, বলেই নিজে দৌড় লাগাল যেদিকে তুই গেছিস। আমি তো দৌড়ে ম্যাডামের অফিসে। “
“ বাকি আমি বলছি অনিন্দ্য জী। আপনারা যে গেট সে বেড়িয়েছিলেন সেদিকে রাস্তা তিন দিকে যাচ্ছে। নিখিল পুরা খবর লেকর ওই খানেই দাঁড়িয়ে ছিল। আমি আর আমার কিছু সাথী আসতেই নিখিল আমাদের কে ডিরেকশন বাতলালো । তো হামলগ নিখিল কো লেকর নিকল গয়ে। লেকিন রাস্তায় তো কিছুই দেখছি না। ওই কন্সট্রাকশন সাইট এর নজদিক আসতেই নিখিল দাঁড়াতে বলল। আমি তো বললাম এখানে কেন দাঁড়াব, লেকিন উসনে বোলা কি দেখ লেতে হ্যায়। হাম ফির ভি মনা কিয়ে, লেকিন নিখিল নে জবরদস্তি করকে রোক দিয়া। নিখিল যদি না দাঁড় করাতে বলত, তো আপকা ডেড বডী শায়দ মিলতা হাম সব কো। “
“ বাপরে, নিখিল তুই বুঝলি কিকরে?”
“ দেখ বানারজি, তোকে এভাবে নিয়ে যাবার দুটো মানে। হয় মার্ডার নয় কিডন্যাপ। ওরকম একটা সাইট মার্ডার করার জন্য বেশ পারফেক্ট, তাই দেখতে চেয়েছিলাম। লেকিন তু মুঝে ইস হালাত মে মিলেগা সোচা নহি থা রে “ বলেই নিখিল কেঁদে ফেলল।
“ ধুর পাগড়ী কাঁদছিস কেন? সর্দার রা কাঁদে না রে “ অনিন্দ্য ওর হাত ধরে বলল।
“ লেকিন সর্দার কো জিসদিন উও মাদারচোদ মিল গয়া না, তো উসকো উসকা মা কা চুত মে দুবারা ঘুসা দেঙ্গে “ চোখের জল মুছতে মুছতে বলল নিখিল
“ সত্যি অনিন্দ্য জী, আমার নিজের ও খারাপ লাগছে যে আমার জন্যই আপনার এই হাল আজ। আমি আপনাকে যেতে না বললে তো এটা হত না “
“ তা তো ঠিকই বললেন উমেশ জী, কিন্তু আপনার মত একজন বন্ধু পেলাম এটাও তো কম না “
“ আরে ক্যায়া বোলতে হ্যায় অনিন্দ্য জী, এটা তো আমার সৌভাগ্য।“
সেই সময় একজন নার্স এসে বলল
“ জেলকো চেঞ্জ করব “
মেহের ম্যাডাম ঘড়ি দেখে বললেন
“ আজ আমরা আসি অনিন্দ্য, আর বেশীক্ষণ নিয়ম ভেঙ্গে থাকা যাবে না, চলি”
“ ম্যাডাম, একটা অনুরোধ করব?” অনিন্দ্য বলল
“ বল “
“ আজ রাতে নিখিল কি এখানে আমার সাথে থাকতে পারবে?”
“ নিখিল আর তুমি কি জমজ ভাই?”
“ না তো ম্যাডাম । কেন?”
“ এই একই অনুরোধ নিখিল ও আমায় করেছে, “ মুচকি হেসে বললেন মেহের আলম।
সবাই মিলে বেড়িয়ে যাবার ঠিক মুখেই অনিন্দ্য উমেশ কে ডাকল
“ উমেশ জী”
ডাক শূনে উমেশ এগিয়ে এল
“ বলিয়ে অনিন্দ্য জী”
“ এই নাম্বার টার ডিটেলস পাওয়া যাবে?” বলে উমেশের হাতে একটা চিরকুট দিল অনিন্দ্য।
“ মিল জায়েগা, লেকিন কেন?”
“ যে বাইক গুলো আমায় নিতে এসেছিল তাদের একটার নাম্বার। আর এটা শুধু আমার আর আপনার মধ্যেই থাকুক “
বিকেল ৫ টা, অনিন্দ্য কে দেখতে এখন বেডের কাছে ৪ জন। মেহের আলম, গুঞ্জন, নিখিল আর উমেশ আডভানি। প্রশ্ন টা মেহের আলম ই করলেন।
“ ভালই “ একটু হাসার চেষ্টা করল অনিন্দ্য।
“ তোমার চোট কিন্তু খুব গুরুতর, পিছনে অনেকটা ফেটেছিল।“
“ রড দিয়ে মেরেছিল, দুটো খেয়েই সেন্সলেস হয়ে গেছিলাম। বাকি আর কিছুই মনে নেই “
“ দেখ এবার কত ওষুধ খেতে হয় “
“ এবার বোধহয় অনেক দিন ভোগাবে তাই না ম্যাডাম?”
“ হ্যা অনিন্দ্য, তোমায় বেশ কয়েকদিন বেড রেস্ট এ থাকতে হবে।“
“ এখান থেকে রিলিজ হলেই চল আমার বাড়ী “ গুঞ্জন বলে উঠল
“ আরে না রে , হস্টেলেই হয়ে যাবে রে।“
“ আমার কাছে আর হিরোগিরি ফলাতে হবে না, চুপচাপ বসে থাক “
“ সে তো বুঝলাম, কিন্তু আমাকে রেস্কিউ কে করল?”
“ অনিন্দ্য, তার ক্রেডিট কিন্তু নিখিলের প্রাপ্য। ও সময়ের কাজ সময়ে করেছে বলেই তুমি বেঁচে গেলে “ মেহের আলম নিখিলের কাঁধে হাত রেখে কথা গুলো বলল।
“ জিও পাগড়ী, আয় বুকে আয়।“
“ তু পহেলে ফিট হো যা, ফির মিলেঙ্গে “
“হা হা হা হা ঠিক আছে, কিন্তু তুই আমার হদিশ কিকরে লাগালি সেটা তো বল “
“ ম্যায়নে তো সিরফ উমেশ জী কো ফোন লাগায়া, বাকি তো রব দি মর্জি “
“ না রে অনি, সত্যি যদি ক্রেডিট কারো থাকে তো নিখিলের “ গুঞ্জন পাশের বেড থেকে একটা টুল নিয়ে এসে উমেশ কে বসতে দিল।
“ কিরকম ?”
“ তুই চলে যাবার পরেই ও বলল যে ওর কিরকম গড়বড় লাগছে। আমি বললাম কেন, কিসের গড়বড়? ও কিছু না বলে উমেশ জী কে কল করল। কল শেষ হতেই ও বলল যে উমেশ জীর লোক এখন মাঝ রাস্তায়, তোকে যারা নিয়ে গেছে তারা অন্য। শুনে তো আমার মাথা ঘুরে গেল। আমি বললাম কি করবি এবার, তো নিখিল আমাকে বলল মেহের ম্যাডাম কে খবর দিতে, বলেই নিজে দৌড় লাগাল যেদিকে তুই গেছিস। আমি তো দৌড়ে ম্যাডামের অফিসে। “
“ বাকি আমি বলছি অনিন্দ্য জী। আপনারা যে গেট সে বেড়িয়েছিলেন সেদিকে রাস্তা তিন দিকে যাচ্ছে। নিখিল পুরা খবর লেকর ওই খানেই দাঁড়িয়ে ছিল। আমি আর আমার কিছু সাথী আসতেই নিখিল আমাদের কে ডিরেকশন বাতলালো । তো হামলগ নিখিল কো লেকর নিকল গয়ে। লেকিন রাস্তায় তো কিছুই দেখছি না। ওই কন্সট্রাকশন সাইট এর নজদিক আসতেই নিখিল দাঁড়াতে বলল। আমি তো বললাম এখানে কেন দাঁড়াব, লেকিন উসনে বোলা কি দেখ লেতে হ্যায়। হাম ফির ভি মনা কিয়ে, লেকিন নিখিল নে জবরদস্তি করকে রোক দিয়া। নিখিল যদি না দাঁড় করাতে বলত, তো আপকা ডেড বডী শায়দ মিলতা হাম সব কো। “
“ বাপরে, নিখিল তুই বুঝলি কিকরে?”
“ দেখ বানারজি, তোকে এভাবে নিয়ে যাবার দুটো মানে। হয় মার্ডার নয় কিডন্যাপ। ওরকম একটা সাইট মার্ডার করার জন্য বেশ পারফেক্ট, তাই দেখতে চেয়েছিলাম। লেকিন তু মুঝে ইস হালাত মে মিলেগা সোচা নহি থা রে “ বলেই নিখিল কেঁদে ফেলল।
“ ধুর পাগড়ী কাঁদছিস কেন? সর্দার রা কাঁদে না রে “ অনিন্দ্য ওর হাত ধরে বলল।
“ লেকিন সর্দার কো জিসদিন উও মাদারচোদ মিল গয়া না, তো উসকো উসকা মা কা চুত মে দুবারা ঘুসা দেঙ্গে “ চোখের জল মুছতে মুছতে বলল নিখিল
“ সত্যি অনিন্দ্য জী, আমার নিজের ও খারাপ লাগছে যে আমার জন্যই আপনার এই হাল আজ। আমি আপনাকে যেতে না বললে তো এটা হত না “
“ তা তো ঠিকই বললেন উমেশ জী, কিন্তু আপনার মত একজন বন্ধু পেলাম এটাও তো কম না “
“ আরে ক্যায়া বোলতে হ্যায় অনিন্দ্য জী, এটা তো আমার সৌভাগ্য।“
সেই সময় একজন নার্স এসে বলল
“ জেলকো চেঞ্জ করব “
মেহের ম্যাডাম ঘড়ি দেখে বললেন
“ আজ আমরা আসি অনিন্দ্য, আর বেশীক্ষণ নিয়ম ভেঙ্গে থাকা যাবে না, চলি”
“ ম্যাডাম, একটা অনুরোধ করব?” অনিন্দ্য বলল
“ বল “
“ আজ রাতে নিখিল কি এখানে আমার সাথে থাকতে পারবে?”
“ নিখিল আর তুমি কি জমজ ভাই?”
“ না তো ম্যাডাম । কেন?”
“ এই একই অনুরোধ নিখিল ও আমায় করেছে, “ মুচকি হেসে বললেন মেহের আলম।
সবাই মিলে বেড়িয়ে যাবার ঠিক মুখেই অনিন্দ্য উমেশ কে ডাকল
“ উমেশ জী”
ডাক শূনে উমেশ এগিয়ে এল
“ বলিয়ে অনিন্দ্য জী”
“ এই নাম্বার টার ডিটেলস পাওয়া যাবে?” বলে উমেশের হাতে একটা চিরকুট দিল অনিন্দ্য।
“ মিল জায়েগা, লেকিন কেন?”
“ যে বাইক গুলো আমায় নিতে এসেছিল তাদের একটার নাম্বার। আর এটা শুধু আমার আর আপনার মধ্যেই থাকুক “


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)