20-01-2026, 02:12 AM
“ তুঝে জারা সা ভি ডর নহি লগা রে বানারজি?”
ব্যাকুল ভাবে প্রশ্ন টা করল নিখিল। কুবের দীক্ষিতের অফিস থেকে বেরিয়ে এসে কলেজের কাছাকাছি একটা ঢাবা তে বসে বিকেলের খাওয়া দাওয়ার পর্ব চলছে।
“ সচ মে ভাবিজান, ম্যায় হোতা তো ডর যাতা”
“ আরে আমি নিজেই ভয় পেয়ে গেছিলাম, কিন্তু অনি যে কি করে কি করল কে জানে?”
“ আরে কিছুই না, প্রথমে ভয় আমিও পেয়েছিলাম। কিন্তু বিল্ডিং এ ঢুকে ভয় টা কেটে গেল “
“ কেন বিল্ডিং এ কি ছিল যে তুই ভয় পেলি না? ওখানে তো আমিও ছিলাম’
“ তুই লিফট এর পাশের নামের লিস্ট টা দেখিস নি তাই “
“ কেন সেখানে কি লেখা ছিল?”
“ K D Group and associates “
“ তো তাতে কি হয়েছিল “ …… কথাটা বলেই গুঞ্জন থেমে গেল আর তারপর বলে উঠল “ কুবের দীক্ষিত গ্রুপ , ইস আমার মাথায় কেন আসেনি?”
“ তুই নার্ভাস ছিলিস বলে”
“ লেকিন ইয়ে জান গয়া তো ক্যায়া হুয়া? মার ভি দে সকতা তুঝে? “
“ দেখ নিখিল, আমাকে যদি মারত তাহলে অফিসে নিয়ে যেত না “
“ তো কোথায় নিয়ে যেত” গুঞ্জন চোখ বড় করে জিজ্ঞেস করল।
“ কলেজ ক্যাম্পাসের বাইরে, যেখানে সন্দেহের তির কোন দীক্ষিতের গায়ে লাগবে না “ একটা তন্দুরি রুটির টুকরো মুখে ঢুকিয়ে বলল অনিন্দ্য।
“ ভাই মেরে, তু এলিয়েন তো নহি হ্যায়?” নিখিল আচমকাই জিজ্ঞেস করল
“ ধুর বাল, হটাত এলিয়েন কেন হব?”
“ ইতনা দূর সে কুবের দীক্ষিত কা দিমাগ পড় লিয়া হ্যায় তুনে বানারজি “
“ শুরু হয়ে গেল তোর ফাজলামি, বাল “
“ এই নিখিল , আমার এই সোনা বয় ফ্রেন্ড কে জ্বালাবি না বলে দিচ্ছি “
“ মাফি ভাবিজান “ বলেই নিখিল হেসে উঠল, আর বাকিরাও ওর হাসিতে যোগ দিল।
ভাই বানারজি আজ তো দারু পিলা দে, তেরা বার্থডে হ্যায়”
“ দারু খাওয়াতে পারলাম না, তন্দুরি খা”
অনিন্দ্যর জন্মদিন উপলক্ষে সবাই এসেছে জার্মান ঢাবাতে, মেডিক্যাল কলেজের থেকে একটু দূরে হলেও এখানকার খাবার এর কোয়ালিটি যে কোন দামি রেস্টুরেন্ট কে টেক্কা দেয়। তাই আজ এখানেই খাওয়াবার কথা অনিন্দ্যর সবাইকে।
“ কিন্তু যাই বল পাগড়ী, অনির কপাল ভাল বলতে হবে”
“ হা ভাবিজান, কিসমত তো ইসিকা হ্যায়, ইধার তুম উধার মেহেরজান, পুরা ডবল ধামাকা “
“ হ্যায় রে অনি, মেহেরজান কে পেলে তুই আমায় ছেড়ে দিবি না তো?” কাঁদ কাঁদ ভাবে বলল গুঞ্জন
“ চুপচাপ খা তো, যতসব বাল ছাল “
আবার সবাই হা হা হা করে হেসে উঠল।
“ আরে অনিন্দ্য জী, ক্যায়সে হ্যায়?”
অনিন্দ্য ঘুরে তাকাল, উমেশ আডবানী।
“ আরে উমেশ জী, কেমন আছেন?”
“ হাম তো ঠিক, আপ ঠিক হ্যায় না?”
“ হ্যা হ্যা আমি তো ঠিক আছি”
“ এই ঢাবা তে আপনি আজ ফার্স্ট টাইম না?”
“ হ্যা তা বলতে পারেন, অনেক নাম শুনেছি।“
“ সে তো বুঝেছি, এ পাপ্পু ইধার আনা তো “… বলে উমেশ কাউকে হাঁক দিল। হাঁক দেওয়ার সাথে সাথে এক বছর ২৬ এর ছেলে এগিয়ে এল
“ হাঁ উমেশ ভাইয়া, বলিয়ে “
“ অনিন্দ্য জী, এ হল পাপ্পু। ভাল নাম জিতেন্দ্র, আমার ছোট ভাইয়ের মত। এই ঢাবার মালিক ও।“
অনিন্দ্য একটু মুচকি হাসল,
“ পাপ্পু, ইয়ে অনিন্দ্য জী হ্যায় , মেডিক্যাল কলেজ কে। আপনা হি আদমি সমঝো।“
“ আচ্ছা তো ইয়ে হ্যায় জিনকা বাত আপ বোলে থে, শুনা হ্যায় বহুত তাগড়া স্পিচ দেতে হ্যায় । মিল কে আচ্ছা লগা, ইসে আপনা হি ঢাবা সমঝনা, জব মর্জি আ যাইয়ে। “ একগাল হেসে বলল জিতেন্দ্র ওরফে পাপ্পু। অনিন্দ্য শুধু মুচকি হাসল।
“ দেখেন অনিন্দ্য জী, আপনি কত ফেমাস হয়ে গেছেন। কাল আমাদের একটা ছোট খাটো মিটিং আছে চলে আসুন না।“
“ আমি তো মিটিং এর কিছু বুঝিও না।“ অনিন্দ্য হেসেই এড়িয়ে যেতে চাইল।
“ উসকে লিয়ে হাম হ্যায় না, আর মিটিং এর পর ইটিং ও থাকবে……চলেই আসুন “
“ কিন্তু কোথায় আসব?”
“ আমি ছেলে পাঠিয়ে দেবো, ওরাই নিয়ে আসবে, চলি “ বলে উমেশ আদবানি চলে গেল। সঙ্গে সঙ্গে নিখিল ফুট কাটল
“ বানারজি, তু মুঝে গোদ লেগা?”
“ কেন বে?”
“ এই অনি নে নে, আমি বেশ নিখিল কে রোজ ঝাঁটা পেটা করব “
“ নহি ভাবিজান, সিরিয়াস হু ম্যায়। “
“ হটাত তোর আসল বাবা কে ডিভোর্স দিতে ইচ্ছা হল কেন রে? “ অনিন্দ্য জিজ্ঞেস করে উঠল।
“ তু মেরা অরিজিনাল বাপ সে জ্যাদা ফেমাস হ্যায়। আমার বাপ কে তো আমার মা মাঝে মাঝে চিনতে পারে না। ইধার তুঝে তো সব পেহচানতা হ্যায় রে। “
ঠিক সেই সময় একজন একটা ট্রে তে ৪ কাপ ধুমায়িত কফি দিয়ে গেল, বলল
“ মশালা কফি, ইয়াহা কা পেশাল, পাপ্পু ভাইয়া ভেজা “
ছেলেটা চলে যেতেই নিখিল আবার বলে উঠল
“ দেখা ভাবিজান, কিতনা ফেমাস হ্যায় আপনা বানারজি “ বলেই ও হেসে উঠল।
ব্যাকুল ভাবে প্রশ্ন টা করল নিখিল। কুবের দীক্ষিতের অফিস থেকে বেরিয়ে এসে কলেজের কাছাকাছি একটা ঢাবা তে বসে বিকেলের খাওয়া দাওয়ার পর্ব চলছে।
“ সচ মে ভাবিজান, ম্যায় হোতা তো ডর যাতা”
“ আরে আমি নিজেই ভয় পেয়ে গেছিলাম, কিন্তু অনি যে কি করে কি করল কে জানে?”
“ আরে কিছুই না, প্রথমে ভয় আমিও পেয়েছিলাম। কিন্তু বিল্ডিং এ ঢুকে ভয় টা কেটে গেল “
“ কেন বিল্ডিং এ কি ছিল যে তুই ভয় পেলি না? ওখানে তো আমিও ছিলাম’
“ তুই লিফট এর পাশের নামের লিস্ট টা দেখিস নি তাই “
“ কেন সেখানে কি লেখা ছিল?”
“ K D Group and associates “
“ তো তাতে কি হয়েছিল “ …… কথাটা বলেই গুঞ্জন থেমে গেল আর তারপর বলে উঠল “ কুবের দীক্ষিত গ্রুপ , ইস আমার মাথায় কেন আসেনি?”
“ তুই নার্ভাস ছিলিস বলে”
“ লেকিন ইয়ে জান গয়া তো ক্যায়া হুয়া? মার ভি দে সকতা তুঝে? “
“ দেখ নিখিল, আমাকে যদি মারত তাহলে অফিসে নিয়ে যেত না “
“ তো কোথায় নিয়ে যেত” গুঞ্জন চোখ বড় করে জিজ্ঞেস করল।
“ কলেজ ক্যাম্পাসের বাইরে, যেখানে সন্দেহের তির কোন দীক্ষিতের গায়ে লাগবে না “ একটা তন্দুরি রুটির টুকরো মুখে ঢুকিয়ে বলল অনিন্দ্য।
“ ভাই মেরে, তু এলিয়েন তো নহি হ্যায়?” নিখিল আচমকাই জিজ্ঞেস করল
“ ধুর বাল, হটাত এলিয়েন কেন হব?”
“ ইতনা দূর সে কুবের দীক্ষিত কা দিমাগ পড় লিয়া হ্যায় তুনে বানারজি “
“ শুরু হয়ে গেল তোর ফাজলামি, বাল “
“ এই নিখিল , আমার এই সোনা বয় ফ্রেন্ড কে জ্বালাবি না বলে দিচ্ছি “
“ মাফি ভাবিজান “ বলেই নিখিল হেসে উঠল, আর বাকিরাও ওর হাসিতে যোগ দিল।
ভাই বানারজি আজ তো দারু পিলা দে, তেরা বার্থডে হ্যায়”
“ দারু খাওয়াতে পারলাম না, তন্দুরি খা”
অনিন্দ্যর জন্মদিন উপলক্ষে সবাই এসেছে জার্মান ঢাবাতে, মেডিক্যাল কলেজের থেকে একটু দূরে হলেও এখানকার খাবার এর কোয়ালিটি যে কোন দামি রেস্টুরেন্ট কে টেক্কা দেয়। তাই আজ এখানেই খাওয়াবার কথা অনিন্দ্যর সবাইকে।
“ কিন্তু যাই বল পাগড়ী, অনির কপাল ভাল বলতে হবে”
“ হা ভাবিজান, কিসমত তো ইসিকা হ্যায়, ইধার তুম উধার মেহেরজান, পুরা ডবল ধামাকা “
“ হ্যায় রে অনি, মেহেরজান কে পেলে তুই আমায় ছেড়ে দিবি না তো?” কাঁদ কাঁদ ভাবে বলল গুঞ্জন
“ চুপচাপ খা তো, যতসব বাল ছাল “
আবার সবাই হা হা হা করে হেসে উঠল।
“ আরে অনিন্দ্য জী, ক্যায়সে হ্যায়?”
অনিন্দ্য ঘুরে তাকাল, উমেশ আডবানী।
“ আরে উমেশ জী, কেমন আছেন?”
“ হাম তো ঠিক, আপ ঠিক হ্যায় না?”
“ হ্যা হ্যা আমি তো ঠিক আছি”
“ এই ঢাবা তে আপনি আজ ফার্স্ট টাইম না?”
“ হ্যা তা বলতে পারেন, অনেক নাম শুনেছি।“
“ সে তো বুঝেছি, এ পাপ্পু ইধার আনা তো “… বলে উমেশ কাউকে হাঁক দিল। হাঁক দেওয়ার সাথে সাথে এক বছর ২৬ এর ছেলে এগিয়ে এল
“ হাঁ উমেশ ভাইয়া, বলিয়ে “
“ অনিন্দ্য জী, এ হল পাপ্পু। ভাল নাম জিতেন্দ্র, আমার ছোট ভাইয়ের মত। এই ঢাবার মালিক ও।“
অনিন্দ্য একটু মুচকি হাসল,
“ পাপ্পু, ইয়ে অনিন্দ্য জী হ্যায় , মেডিক্যাল কলেজ কে। আপনা হি আদমি সমঝো।“
“ আচ্ছা তো ইয়ে হ্যায় জিনকা বাত আপ বোলে থে, শুনা হ্যায় বহুত তাগড়া স্পিচ দেতে হ্যায় । মিল কে আচ্ছা লগা, ইসে আপনা হি ঢাবা সমঝনা, জব মর্জি আ যাইয়ে। “ একগাল হেসে বলল জিতেন্দ্র ওরফে পাপ্পু। অনিন্দ্য শুধু মুচকি হাসল।
“ দেখেন অনিন্দ্য জী, আপনি কত ফেমাস হয়ে গেছেন। কাল আমাদের একটা ছোট খাটো মিটিং আছে চলে আসুন না।“
“ আমি তো মিটিং এর কিছু বুঝিও না।“ অনিন্দ্য হেসেই এড়িয়ে যেতে চাইল।
“ উসকে লিয়ে হাম হ্যায় না, আর মিটিং এর পর ইটিং ও থাকবে……চলেই আসুন “
“ কিন্তু কোথায় আসব?”
“ আমি ছেলে পাঠিয়ে দেবো, ওরাই নিয়ে আসবে, চলি “ বলে উমেশ আদবানি চলে গেল। সঙ্গে সঙ্গে নিখিল ফুট কাটল
“ বানারজি, তু মুঝে গোদ লেগা?”
“ কেন বে?”
“ এই অনি নে নে, আমি বেশ নিখিল কে রোজ ঝাঁটা পেটা করব “
“ নহি ভাবিজান, সিরিয়াস হু ম্যায়। “
“ হটাত তোর আসল বাবা কে ডিভোর্স দিতে ইচ্ছা হল কেন রে? “ অনিন্দ্য জিজ্ঞেস করে উঠল।
“ তু মেরা অরিজিনাল বাপ সে জ্যাদা ফেমাস হ্যায়। আমার বাপ কে তো আমার মা মাঝে মাঝে চিনতে পারে না। ইধার তুঝে তো সব পেহচানতা হ্যায় রে। “
ঠিক সেই সময় একজন একটা ট্রে তে ৪ কাপ ধুমায়িত কফি দিয়ে গেল, বলল
“ মশালা কফি, ইয়াহা কা পেশাল, পাপ্পু ভাইয়া ভেজা “
ছেলেটা চলে যেতেই নিখিল আবার বলে উঠল
“ দেখা ভাবিজান, কিতনা ফেমাস হ্যায় আপনা বানারজি “ বলেই ও হেসে উঠল।


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)