15-01-2026, 10:21 PM
(This post was last modified: 15-01-2026, 10:21 PM by magicianshuvo. Edited 1 time in total. Edited 1 time in total.)
পাড়ার গল্প পার্ট - EIGHT
---------------------------------------
সোমা—আচ্ছা যাও… কিন্তু এটাও আমি জানি, তোমার বন্ধুর নাম অজয়।
সিঁড়ির দিকে এক পা বাড়িয়েই থেমে গেলাম। “WTF” বলে উঠলাম। জিজ্ঞেস করলাম—আপনি কে বলুন তো?
সোমা—শোনো, আমি আর তোমার ছোট মাথাটা খাচ্ছি না। আরে, এটা তো তোমার মামার ফ্ল্যাট। সে আমাকে বলেছে যে তুমি এখানে আসছ। আর তোমার কিছু হিস্ট্রিও দিয়েছে… তোমার গ্রামের কথাও হালকা করে বলেছে।
তোমার মামার সঙ্গে তো আমার হাসব্যান্ড একসাথেই চাকরি করে। আমাদের ভালো সম্পর্ক। তাই এত কিছু জানি। নাও, এবার যাও। আর ফিরে এসে রান্না করতে হবে না—আমাদের বাড়িতেই খাবে।
আমি—কিন্তু জেঠিমা, আমি তো রান্না করে রেখেছি…
সোমা—আচ্ছা, তাহলে… রাতে খাবে। সিম্পল।
আর এবার থেকে কোনো অসুবিধা হলে আমাকে ডাকবে। নাও, এখন যাও আবার।
আমি বেরিয়ে এলাম। বেশ ভালো লাগছিল। এরকম শহরে পুরো একা থাকার চেয়ে একটা চেনা মানুষ থাকাও ভালো।
ওয়েট—“বন্ধু!” যাই হোক… মানে চেনা লোক হলেই ভালো। BTW, জেঠিমাকে কিন্তু দেখতে সুন্দর… হবেই বা না কেন, শুনেছি শহরের বেশির ভাগ লোকই দেখতে সুন্দর হয়।
এসব নানা জিনিস ভাবতে ভাবতে হাঁটতে হাঁটতে ইউনিভার্সিটিতে এসে পৌঁছালাম।
আমাদের রুমে ৪৫ জন।
যাই হোক, ক্লাস শেষ হতে হতে ৩টা বেজে গেল। ফ্ল্যাটে চলে এলাম। দেখলাম সোমা জেঠিমাদের দরজা বন্ধ—মানে কোথাও চলে গেছে নাকি?
আমি ভাবলাম, পাগল শহর… এখানে তো সবাই দরজা বন্ধ করেই রাখে।
ঘরে এসে ফ্রিজ থেকে তরকারি বের করে খেতে যাব, দেখি খুব ঠান্ডা। ভেবেছিলাম খেয়ে নিতে পারব, কিন্তু না—হবে না, গরম করতে হবে।
লাইটার নিয়ে দু’বার পাম্প করলাম—গ্যাস জ্বলে না। আরও কয়েকবার করলাম—না, কিছুই হলো না। তার মানে গ্যাস শেষ।
ভাবলাম, তাহলে… আচ্ছা, সোমা জেঠিমার কাছেই যাই। যেহেতু চেনা, তাই কোনো সমস্যা হবে না আশা করি।
দরজায় গিয়ে কলিং বেল চাপতে যাব—হঠাৎ শুনতে পেলাম, আধো আধো আওয়াজে কেউ যেন বলছে—
“কাল শালা যা দিয়েছে… আমার এখনও ব্যথা… এই বয়সেও গুঁদের ঘাম ছুটিয়ে দিয়েছে… তোর কেমন চলছে?”
TO BE CONTINUE..............
---------------------------------------
সোমা—আচ্ছা যাও… কিন্তু এটাও আমি জানি, তোমার বন্ধুর নাম অজয়।
সিঁড়ির দিকে এক পা বাড়িয়েই থেমে গেলাম। “WTF” বলে উঠলাম। জিজ্ঞেস করলাম—আপনি কে বলুন তো?
সোমা—শোনো, আমি আর তোমার ছোট মাথাটা খাচ্ছি না। আরে, এটা তো তোমার মামার ফ্ল্যাট। সে আমাকে বলেছে যে তুমি এখানে আসছ। আর তোমার কিছু হিস্ট্রিও দিয়েছে… তোমার গ্রামের কথাও হালকা করে বলেছে।
তোমার মামার সঙ্গে তো আমার হাসব্যান্ড একসাথেই চাকরি করে। আমাদের ভালো সম্পর্ক। তাই এত কিছু জানি। নাও, এবার যাও। আর ফিরে এসে রান্না করতে হবে না—আমাদের বাড়িতেই খাবে।
আমি—কিন্তু জেঠিমা, আমি তো রান্না করে রেখেছি…
সোমা—আচ্ছা, তাহলে… রাতে খাবে। সিম্পল।
আর এবার থেকে কোনো অসুবিধা হলে আমাকে ডাকবে। নাও, এখন যাও আবার।
আমি বেরিয়ে এলাম। বেশ ভালো লাগছিল। এরকম শহরে পুরো একা থাকার চেয়ে একটা চেনা মানুষ থাকাও ভালো।
ওয়েট—“বন্ধু!” যাই হোক… মানে চেনা লোক হলেই ভালো। BTW, জেঠিমাকে কিন্তু দেখতে সুন্দর… হবেই বা না কেন, শুনেছি শহরের বেশির ভাগ লোকই দেখতে সুন্দর হয়।
এসব নানা জিনিস ভাবতে ভাবতে হাঁটতে হাঁটতে ইউনিভার্সিটিতে এসে পৌঁছালাম।
আমাদের রুমে ৪৫ জন।
যাই হোক, ক্লাস শেষ হতে হতে ৩টা বেজে গেল। ফ্ল্যাটে চলে এলাম। দেখলাম সোমা জেঠিমাদের দরজা বন্ধ—মানে কোথাও চলে গেছে নাকি?
আমি ভাবলাম, পাগল শহর… এখানে তো সবাই দরজা বন্ধ করেই রাখে।
ঘরে এসে ফ্রিজ থেকে তরকারি বের করে খেতে যাব, দেখি খুব ঠান্ডা। ভেবেছিলাম খেয়ে নিতে পারব, কিন্তু না—হবে না, গরম করতে হবে।
লাইটার নিয়ে দু’বার পাম্প করলাম—গ্যাস জ্বলে না। আরও কয়েকবার করলাম—না, কিছুই হলো না। তার মানে গ্যাস শেষ।
ভাবলাম, তাহলে… আচ্ছা, সোমা জেঠিমার কাছেই যাই। যেহেতু চেনা, তাই কোনো সমস্যা হবে না আশা করি।
দরজায় গিয়ে কলিং বেল চাপতে যাব—হঠাৎ শুনতে পেলাম, আধো আধো আওয়াজে কেউ যেন বলছে—
“কাল শালা যা দিয়েছে… আমার এখনও ব্যথা… এই বয়সেও গুঁদের ঘাম ছুটিয়ে দিয়েছে… তোর কেমন চলছে?”
TO BE CONTINUE..............


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)